ঢাকা, সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ৬ মাঘ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নাফ নদীতে মিলল ৩৫ কেজি ওজনের মাছ, বিক্রি হলো ৩৫ হাজার টাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
নাফ নদীতে মিলল ৩৫ কেজি ওজনের মাছ, বিক্রি হলো ৩৫ হাজার টাকায়

তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাহ পরীর দ্বীপ সীমান্তের নাফ নদীতে ৩৫ কেজি ওজনের দুটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে এক জেলের বড়শিতে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহ পরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকার জেলে আমির হোসেনের বড়শিতে মাছ দুটি ধরা পড়ে।

এর মধ্যে বড় কোরালটির ওজন ১৮ কেজি ও ছোট কোরালটির ১৭ কেজি। পরে তিনি মাছ দুটি টেকনাফ পৌরসভার মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলমের কাছে বিক্রি করে দেন।

জেলে আমির হোসেন জানান, শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে বসে নাফ নদীতে সকালে বড়শি ফেলেন তিনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি বড়শি টেনে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু বড়শি বেশ ভারি মনে হওয়ায় আরও একজনের সহযোগিতা নেন। পরে বড়শি টেনে তুলে দেখেন, একটি কোরাল মাছ আটকা পড়েছে। এরপর তিনি আবারও বড়শি ফেলেন। তিনবার বিফল হন। কিন্তু চতুর্থবারে আরও একটি মাছ আটকা পড়ে। সেটির ওজন ছিল প্রায় ১৮ কেজির মতো। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মাছ দুটি দেখতে স্থানীয় লোকজন জেটিতে ভিড় করেন।

আমির বলেন,ইদানীং নাফ নদীতে জেলেদের বড়শিতে কোরাল মাছ ধরা পড়ছে। সকালে ৩৫ কেজি ওজনের কোরাল মাছ দুটি ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।

মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলম জানান, পৌরসভার বাসস্টেশন মাছ বাজারে নিয়ে মাছ দুইটি প্রতি কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা দামে বিক্রি করার জন্য দাম দিয়ে ছিলাম। পরে এক মাছ ব্যবসায়ীকে কেজি ১ হাজার টাকা দামে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।

টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফ নদীর কোরাল মাছ খুবই সুস্বাদু। এরা সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের হয়। কখনও কখনও এর চেয়ে বেশি ওজনেরও পাওয়া যায়।প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নাফ নদীতে এখন বড় বড় কোরাল মাছ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন, অবসরে কবির বিন আনোয়ার

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:২০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন, অবসরে কবির বিন আনোয়ার

    মাত্র তিন সপ্তাহ দায়িত্ব পালন শেষে চাকরি থেকে অবসরে গেলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ার। সরকারের প্রশাসনযন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার এই চেয়ারে নতুন নিয়োগ পেয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

    রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার মাহবুব হোসেনকে নতুন দায়িত্ব দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বদলির আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    মো. মাহবুব হোসেন ২৪তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেলেন। এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর ২৩তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে কবির বিন আনোয়ারকে নিয়োগ দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    অবসরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিব কবির বিন আনোয়ারকে সরকারি চাকরি আইনের ধারা ৪৩(১) (ক) অনুযায়ী ৩ জানুয়ারি থেকে সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তার অনুকূলে ১৮ (আঠারো) মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ লাম্পগ্র্যান্টসহ ০৪-০১-২০২৩ থেকে ০৩-০১-২০২৪ তারিখ পর্যন্ত এক বছরের অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) মঞ্জুর করা হলো।

    তিনি বিধি অনুযায়ী অবসর ও অবসরোত্তর ছুটিকালীন সুবিধা প্রাপ্য হবেন বলেও জানানো হয় প্রজ্ঞাপনে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কক্সবাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবক খুন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১২:৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      কক্সবাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবক খুন

      কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ কক্সবাজারের সদর উপজেলার লিংকরোড এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে আহত যুবক নরুল আবছার আট দিন পর মারা গেছেন ।

      সোমবার (২ জানুয়ারি) ভোর রাতে চট্টগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

      নুরুল আবছার উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোডের বিসিক উঠুনি বটতলী এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

      সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

      ওসি রফিকুল জানান, লিংকরোড এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খালেক বাহিনী ও লিয়াকত আলী বাহিনী নামের দুটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাদের মধ্যে একে-অপরের ওপর হামলা হত্যার একাধিক মামলাসহ নানা রকম মামলা রয়েছে। গত ২৪ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে লিয়াকত বাহিনীর নুরুল আবছারকে প্রতিপক্ষরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই চট্টগ্রাম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আটদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

      এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শাহনেওয়াজ মামলা করেন। এ মামলায় এরই মধ্যে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এখন মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। অপর আসামিদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান ওসি।

      নিহতের বড় ভাই শাহনেওয়াজ বলেন, ‘পূর্বশত্রুতার জেরে লিয়াকত আলী ও খালেক বাহিনী আমার ভাই আবছারকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

      এর আগে আহতের ঘটনায় খালেক বাহিনীর প্রধান আবদুল খালেক, ইকবাল, সাদ্দাম, রায়হান, সালাহ উদ্দিন, ইরফান, খায়রুল আমিন, শামসুসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে ২০ জনের নামে মামলা করেন তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ২ মাস বন্ধ থাকবে সমতলের চা কারখানা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:৪১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২ মাস বন্ধ থাকবে সমতলের চা কারখানা

        শিশির আসাদ, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের চা বাগানগুলোতে এখন প্রুনিং (ছাঁটাই) কাজ শুরু হয়েছে। এ কারণে চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে।

        প্রায় দুই মাস চা প্রক্রিয়াকরণ কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        ৮ ডিসেম্বরের ওই চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রুনিং সুপারিশমালা অনুযায়ী, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চা–গাছ বিভিন্ন উচ্চতায় প্রুনিং (ছাঁটাই) করতে হয়। সেই হিসেবে টেকসই চা উৎপাদন ও গুণগত মান বাড়ানোর লক্ষ্যে পঞ্চগড় জেলার চা–বাগানগুলোয় সুষ্ঠুভাবে প্রুনিং কার্যক্রম চালানোর স্বার্থে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাস সব চা–কারখানায় কাঁচা পাতা সরবরাহ ও চা প্রক্রিয়াজাত বন্ধ থাকবে।

        বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে পঞ্চগড়ে সমতল ভূমিতে চা চাষ শুরু হয়। এরপর ২০০৭ সালে ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাট এবং ২০১৪ সালে দিনাজপুর ও নীলফামারীতে চা চাষ শুরু হয়। সব মিলিয়ে উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বর্তমানে নিবন্ধিত ৯টি ও অনিবন্ধিত ২১টি বড় (২৫ একরের ওপরে) চা–বাগান আছে। এ ছাড়া ১ হাজার ৭৪৫টি নিবন্ধিত ও ৮ হাজার ৬৭টি অনিবন্ধিত ছোট (২৫ একরের নিচে) চা–বাগান আছে। ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী উত্তরাঞ্চলে এ পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৪৩৩ দশমিক ৯৪ একর জমিতে চা চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে।

        সূত্র জানায়, উত্তরাঞ্চলে এ পর্যন্ত ৪৮টি চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা লাইসেন্স নিয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চগড়ে ২৪টি ও ঠাকুরগাঁওয়ে একটি কারখানা চালু আছে। কারখানাগুলো চা-চাষিদের কাছ থেকে সবুজ পাতা কিনে তৈরি চা (মেড টি) বানায়। পঞ্চগড়ে উৎপাদিত চা চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের নিলাম বাজারে বিক্রি করেন কারখানার মালিকেরা। পঞ্চগড়ে তৃতীয় নিলাম বাজার স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।

        চা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুমে (২০২১) উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার (পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী ও লালমনিরহাট) সমতল ভূমিতে কাঁচা চা পাতা উৎপাদিত হয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬৮ হাজার কেজি এবং সেখান থেকে তৈরি চা উৎপাদিত হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার কেজি। এবার উত্তরাঞ্চলে ১ কোটি ৭০ লাখ কেজির বেশি চা উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

        চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামীম আল মামুন শিশির আসাদকে বলেন, সমতল ভূমিতে চা চাষের জন্য পঞ্চগড় ও আশপাশের জেলাগুলো অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এলাকা। চায়ের চাষ সম্প্রসারণে চাষিদের বিভিন্নভাবে সহায়তার মাধ্যমে তারা উদ্বুদ্ধ করছেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বর্ষ বরণে পথশিশু ও ছিন্নমূলদের পাশে কক্সবাজারের তারুণ্য ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:৩৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বর্ষ বরণে পথশিশু ও ছিন্নমূলদের পাশে কক্সবাজারের তারুণ্য ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি

          তাফহীমু্ল আনাম, কক্সবাজারঃ যেখানে গান বাজনা হৈ চৈ, আতশবাজি বাজিয়ে, পুরাতন বর্ষকে বিদায় এবং নতুন বর্ষকে বরণ করা হয়, সেখানে হিমল শীতল হাওয়া, ঠান্ডাকে উপেক্ষিত করে কক্সবাজারে বিভিন্ন স্খানে, পথশিশু ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে টানা ২ দিন ব্যাপি রাতের খাবার বিতরণ করেছে সরকারী নিবন্ধিত (একটি মানবিক,সামাজিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন) তারুণ্য ব্লাড ডোনার'স সোসাইটি।

          জানা যায়, থার্টি ফাস্ট নাইট, শনিবার, বছরের শুরুর দিন রবিবার এই টানা দুই দিন ব্যাপি ছিন্নমূলদের মাঝে খাবার বিতরণ করে। রাত ১০.০০ টা থেকে রাত ১২.০০ টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল, কলাতলী বীচ পয়েন্ট,সুগন্ধা বীচ পয়েন্ট,লাবনী বীচ পয়েন্ট সহ যেখানে ছিন্নমূলদের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়, সে সব স্থানে রাতের এক বেলা খাবার বিতরণ করেছে এই সংগঠনটি।

          সংগঠনের সদস্যবৃন্দদের সাথে কথা বললে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে প্রতি বছর বর্ষ বরণে পথশিশু ও ছিন্নমূলদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগের পাশাপাশি সারা বছরে নানান রকম সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মসূচী করে থাকে এই সংগঠনটি। সর্বশেষ তাদের এই কর্মসূচীটি প্রজেক্ট নংঃ- ২৩ প্রোগ্রাম নংঃ- ৬৯ হিসেবে শেষ হয়েছে।

          রক্তদানের পাশাপাশি বিনামুল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচী ছিন্নমুলের রাতের খাবার বিতরণ কর্মসূচী বিনামুল্যে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচী শীত বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী ঈদ বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী করোনা সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে লিপলেট বিতরণ কর্মসুচি ইফতার ও সেহেরীর সময়সূচীর লিপলেট, পেস্টোন বিতরণ কর্মসূচী বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসুচী সপ্তাহ ব্যাপি বৃক্ষরোপন কর্মসূচী দরিদ্র পরিবারকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান।

          ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্টান দরিদ্র পরিবারকে বিবাহ্ এ অর্থ সহায়তা প্রদান। শিক্ষার্থীদের মাথে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ বর্ষপুর্তি ও স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা। শিশুদের পুষ্টিগুণ সম্পন্ন শুকনা খাবার বিতরণ কর্মসূচি। পবিত্র কোরআন এবং শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি। নানান রকম সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইন ইত্যাদি। ৬৪ জেলা স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও বাস্তবায়ন করেছে।

          তাঁরা আরও জানায়, এই সমস্ত কর্মকান্ড গুলো তাদের নিজস্ব অর্থায়নে, সংগঠনের সদস্যদের মাসিক চাঁদা এবং তাঁদের নিজস্ব অনুদান থেকে কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে।এমন কাজের ধারাবাহিকতা চলমান থাকবে সব সময় বলে আশাবাদী এবং মানবিকতায় সব সময় পাশে থাকার জন্য আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। এমন মহান উদ্যোগ কর্মসূচীকে স্বাগত জানাচ্ছে সবর্ত্র জনসচেতন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত