ঢাকা, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ চায় বাংলাদেশ

রাজধানী ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এর আওতায় ঢাকার চারপাশের নদী পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি সৌন্দর্বর্ধনও করা হবে।

স্থানীয় সময় বুধবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা শহরের আশপাশের নদীগুলোর পুনরুদ্ধারের জন্য একটি বিনিয়োগ কর্মসূচি ডিজাইন করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকে এমন একটি প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। তবে বাংলাদেশের এমন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা শহরকে বাঁচাতে একটি আম্ব্রেলা ইনভেস্টমেন্ট কর্মসূচির কথা বলেছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক আম্ব্রেলা বিনিয়োগ কর্মসূচির (ইউআইপি) নকশা করার জন্য একটি প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে, যা ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ঢাকাকে বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সমন্বয়ে একটি টিম নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক সম্পদ সংগ্রহ করে কর্মসূচির আওতায় ঢাকার চারপাশের নদীর উন্নয়ন করবে। পরামর্শমূলক পরিষেবা দেওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তারা এই প্রযুক্তিগত চুক্তির সঙ্গে জড়িত সরকারি স্টেকহোল্ডারদের প্রচেষ্টাকে সহযোগিতা করবে। কাঠামোগত ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের পথ প্রশস্ত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংককে জানায়, নদী পুনরুদ্ধার একটি জটিল বিষয়। কারণ এখানে অনেকগুলো সেক্টর এবং স্টেকহোল্ডার জড়িত রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাজ নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে একত্রিক করবে। বিশ্বব্যাংকের সঠিক পরিকল্পনায় সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সামগ্রিক কৌশল এবং একটি সময়পোযোগী পদ্ধতির প্রয়োজন বিশ্বব্যাংক কার্যকরভাবে ভবিষ্যতে বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। টেকনিক্যাল প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো প্রস্তাবিত আম্ব্রেলা প্রকল্প ঢাকার নদীগুলোর জন্য নকশা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধা দেবে। চলমান প্রচেষ্টার ওপর একটি বেসলাইন মূল্যায়ন, সমাধানের জন্য দিকনির্দেশনাসহ একটি সামগ্রিক কৌশলের বিকাশ প্রয়োজন। ঢাকার নদীগুলোর অধীনে প্রকল্পগুলোকে আরও ভালোভাবে অগ্রাধিকার, সারিবদ্ধ এবং বাস্তবায়নের জন্য একটি রোডম্যাপ দরকার। এক্ষেত্রে টেকনিক্যাল অ্যাসিসটেন্স (টিএ) মূলত কৌশলগত পরিকল্পনা উন্নত করতে সহায়তা করবে।

টিএ প্রকল্পের আওতায় ডেটা সংগ্রহ, স্টেকহোল্ডারদের পরামর্শ, প্রাতিষ্ঠানিক প্রেক্ষাপট এবং আইনি কাঠামো পর্যালোচন হবে। বিদ্যমান প্রাসঙ্গিক পরিকল্পনা এবং প্রকল্পগুলোর মূল্যায়ন, সামগ্রিক ঢাকার চারপাশের নদী পরিকল্পনার অবস্থা আপডেট করা হবে। ঢাকার নদীর নকশা করার জন্য একটি আদর্শ পদ্ধতির প্রস্তাব করা হবে। ভবিষ্যৎ বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য একটি হাতিয়ার হিসেবে আম্ব্রেলা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। নদী পুনরুদ্ধারে সরকারের যৌথ প্রচেষ্টাকে একত্রিত করার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরিতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক।

টিএ প্রকল্প মার্চ ২০২২ সালে শুরু হয়েছিল এবং ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক এবং কনসালট্যান্ট স্টেকহোল্ডারসহ চলমান পরিকল্পনার কাজ চলমান। ২১টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে ৫১টি আলোচনা হয়েছে। এই পরামর্শগুলোতে নদী পুনরুদ্ধার এবং সংশ্লিষ্ট নগর পরিষেবা সম্পর্কিত পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। প্রকল্পগুলোর প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ফোকাল ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচটি প্রযুক্তিগত সভাও সংগঠিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রস্তাব জানিয়ে বাংলাদেশ জানায়, নদী পুনরুদ্ধার অনেক সেক্টর এবং স্টেকহোল্ডার জড়িত এবং এর জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি টেকসই পদ্ধতির প্রয়োজন হবে। ঢাকা নদী মহাপরিকল্পনা (২০১৯) একটি ভিত্তি প্রদান করে, তবে ঢাকা নদী পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সামগ্রিক, অবিচ্ছেদ্য দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের অভাব রয়েছে। বর্তমান টিএ স্বল্প থেকে মাঝারি সময়ের মধ্যে ঢাকার জন্য সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক ও সামাজিক লাভের জন্য একটি আম্ব্রেলা বিনিয়োগ কর্মসূচি (ইউআইপি) ধারণা দিয়েছে। সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সামগ্রিক কৌশল প্রয়োজন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ অক্টোবর, ২০২২ ১৩:১৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর সদ্য সমাপ্ত রাষ্ট্রীয় সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আজ বুধবার বাসসকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’

    যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ দিনের সরকারি সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ অক্টোবর দেশে ফেরেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাজ্যে যান। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেন। তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসের সিংহাসনে আরোহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেন। নিউইয়র্কে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দেন। তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পরে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসি যান।

    স্থানীয় সময় গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় প্রধানমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করেন। তাঁকে বহন করা ফ্লাইটটি লন্ডনে সাময়িক যাত্রাবিরতি করে। স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যৌক্তিকতা নিয়ে ব্যাখ্যা চাইবে পরিকল্পনা কমিশন পরামর্শকের সম্মানি মাসে ৪ লাখ টাকা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ অক্টোবর, ২০২২ ১৩:১৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      যৌক্তিকতা নিয়ে ব্যাখ্যা চাইবে পরিকল্পনা কমিশন পরামর্শকের সম্মানি মাসে ৪ লাখ টাকা

      তিনটি উপজেলার পরিকল্পনা তৈরিতে একেকজন পরামর্শকের মাসিক সম্মানি ধরা হয়েছে ৪ লাখ টাকা। প্রথম প্রস্তাবে ৩ লাখ টাকা রাখা হলেও সেখান থেকে এক লাখ টাকা বাড়িয়ে এখন এই প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ানো হয়েছে ব্যয়। ‘পিরোজপুর জেলার তিনটি উপজেলার (পিরোজপুর সদর, নেছারাবাদ ও নাজিরপুর) উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পে এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এসব ক্ষেত্রে ব্যয় বৃদ্ধির যৌক্তিকতা সম্পর্কে ব্যাখা চাইবে পরিকল্পনা কমিশন। ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পরামর্শকের বেতনসহ অন্যান্য ব্যয়ের বিষয়ে এই ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

      জানতে চাইলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম রোববার বলেন এক্ষেত্রে পরামর্শকের সম্মানি বেশিই মনে হচ্ছে। তবে যদি তিন লাখ টাকা কম হওয়ায় বুয়েটের স্যারেরা আসতে না চান সেক্ষত্রে শুধু বুয়েট থেকে প্রফেসর না নিয়ে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত এক্সপার্ট নেওয়া যেতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা এসব ক্ষেত্রে আরও যাচাই-বাছাই করে তারপর ব্যয় প্রাক্কলন করা দরকার।

      বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এটা জাতীয় কোনো জটিল পরিকল্পনা করা হচ্ছে না। উপজেলার পরিকল্পনা তৈরিতে কেন এত সম্মানি লাগবে। এ বিষয়টি গভীরভাবে দেখা দরকার।

      সূত্র জানায়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত এ প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। অনুমোদন পেলে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর। প্রকল্পের আওতায় ব্যক্তি পরামর্শকের পেছনে বেতন হিসাবে খরচ ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা। যেটি মোট ব্যয়ের ১৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পরিকল্পনা কমিশন থেকে বলা হয়েছে, ব্যক্তি পরামর্শক অংশে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টের মাসিক সম্মানি আগে প্রাথমিক প্রস্তাবে ৩ লাখ টাকা ছিল। এখন নতুন প্রস্তাবে ৪ লাখ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে হাইড্রোলজি কনসালট্যান্টের মাসিক সম্মানি ৩ লাখ টাকার বদলে ৪ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়া কোনো কোনো পরামর্শকের কাজের পরিধি ২১ মাস থেকে বাড়িয়ে ২৪ মাস করা হয়েছে। ফলে ব্যক্তি পরামর্শকের সম্মানি অংশে অতিরিক্ত বেড়েছে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা। পরিকল্পনা কমিশন থেকে আরও বলা হয়েছে, ফিজিক্যাল ফিচার সার্ভে ব্যয় আগে ধরা হয়েছিল ১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। বর্তমানে বাড়িয়ে ধরা হয়েছে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। সাব সার্ফেস জিও টেকনিক্যাল অ্যান্ড জিও ফিজিক্যাল স্টাডির ব্যয় ৩০ লাখ ৩২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ধরা হয়েছে ৬৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা। স্যাটেলাইট ইমেজের ব্যয় ৩১ লাখ ৬১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এসব খাতে ব্যয় বাড়িয়ের ধরার যৌক্তিকতা সম্পর্কে পিইসি সভায় ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।

      জানতে চাইলে নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. খুরশীদ জাবিন হোসেন তৌফিক রোববার বলেন, বেশি টাকা না হলে বুয়েটের অধ্যাপকরা পরামর্শক হিসাবে কাজ করতে চান না। আর ভালো পরামর্শক চাইলে বুয়েট থেকে নেওয়া দরকার। এজন্যই পিপিআর’র (পাবলিক প্রকিউরমেনন্ট রুল) সর্বোচ্চ সীমা অনুযায়ীই বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই সম্মানি বেশি ধরা হয়নি। কেননা ভ্যাট-ট্যাক্স কাটা হলে দেখা যাবে অনেক কমে আসবে।

      সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত প্রকল্পটির আওতায় উপজেলাগুলোকে দেশের উন্নয়নের মূল ধারার সঙ্গে একত্রীকরণ করা হবে। এছাড়া অপরিকল্পিত রূপান্তর থেকে মূল্যবান কৃষি জমি রক্ষা, ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণের জন্য নীতিমালা তৈরি করা হবে। আরও যেসব কাজ করা হবে সেগুলো হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন ঝুঁকি কমানোর নীতিমালা তৈরি, গ্রোথ সেন্টার ও বসতির উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিবর্তনের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

      প্রকল্পের মূল কার্যক্রম হিসাবে বলা হয়েছে, ফিজিক্যাল ফিচার সার্ভে, আর্থ-সামাজিক জরিপ, ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং পরিবহণ জরিপ করা হবে। এছাড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেজলাইন জরিপ, হাইড্রোলজিক্যাল জরিপ, পিআরএ-সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ করা হবে। এগুলোর বাইরে ওয়েব ডিজাইন হোস্টিং, মৌজা ম্যাপ স্ক্যানিং, ডিজিটাইজেশন, এডিটিং অ্যান্ড প্রিন্টিং, স্যাটেলাইট ইমেজ ও মৌজা ম্যাপ কেনা হবে। কম্পিউটার ও সার্ভে ইক্যুইপমেন্ট কেনা এবং তিনটি মোটরসাইকেলসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        দেখেন আমরা কী করি, জাস্ট ওয়েট : ইসি হাবিব

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২০:২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        দেখেন আমরা কী করি, জাস্ট ওয়েট : ইসি হাবিব

        নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রি. জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেছেন, যে অভিযোগগুলো আসছে সেগুলো কীভাবে হ্যান্ডেল করি দেখেন। দেখেন আমরা কী করি? জাস্ট ওয়েট, অবশ্যই চমক থাকবে।

        বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনার বিষয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার এমন মন্তব্য করেন।

        এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ৩৯টি দলের জন্যই কাজ করছি। সঠিক কাজটি প্রতিষ্ঠা করার জন্যই আমরা কাজ করছি। যে কাজটা সবার জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে সেটাই করবো। আপনাদের বারবার বলছি, কোন কাজটা করতে হবে বলেন, কিন্তু বলছেন না। কোন কাজটা ভুল করছি বলেন, কিন্তু বলছেন না।

        অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হলে কী করবেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংবিধান সমুন্নত রাখেত হবে। সংবিধানে যা আছে, আমরা সেটাই করবো। যার যারা (নির্বাচনে) আসছে না, তারা সবাই আমাদের প্রিয়। আমরা মনে প্রাণে চাই তারা সবাই আসুক। এখন যদি আমরা ডাকতেই থাকি, তারা যদি না আসে আপনিই বলেন কী করতে হবে? সেটা পরেরদিন করে দেখাবো।

        তিনি আরও বলেন, পরিষ্কারভাবে বলছি এ পর্যন্ত ৭৯৩টা ইভিএমে নির্বাচন করেছি। অঘটন, ধাওয়া পাল্টাধাওয়া কয়টা হয়েছে? কারণ সেখানে লুটতরাজ করে তো লাভ হচ্ছে না। সংসদ নির্বাচনে রংপুরসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে জানান।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সোনার দাম আরো কমলো ১০৫০ টাকা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২৩:৫৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সোনার দাম আরো কমলো ১০৫০ টাকা

          দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে নতুন দর কার্যকর হবে। সোমবার বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

          বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, যা আগে ছিল ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৮ টাকা কমিয়ে ৭৭ হাজার ৫৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে কমানো হয়েছে ৯৫৬ টাকা। এখন থেকে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৬৬ হাজার ৪৬২ টাকায় বিক্রি হবে।

          সনাতনি স্বর্ণের দাম ভরিতে ৭১৯ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।

          তবে রূপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রূপার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতনি প্রতি ভরি রূপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত