ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ২০ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

৬ দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের মহাসড়ক অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক
৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:২
অনলাইন ডেস্ক
৬ দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের মহাসড়ক অবরোধ

চাকরিতে পুনর্বহালসহ ৬ দফা দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা। এতে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রামের ফৌজদার হাট ক্যাডেট কলেজ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ইসলামী ব্যাংকের শত শত কর্মকর্তা কর্মসূচিতে অংশ নেন। পৌনে ১২টার দিকে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা ফৌজদারহাটে সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

আন্দোলনরত ব্যাংক কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের প্রায় ৪০০ জন কর্মকর্তাকে সম্পূর্ণ অন্যায় ও অমানবিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তাকে ওএসডি করে কর্মস্থলে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের আর ধৈর্য ধারণের সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের পুনর্বহাল, ওএসডি প্রত্যাহারসহ মোট ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের এই দুঃসহ পরিস্থিতি ও ন্যায্য দাবির কথা দেশের মানুষ ও সরকারের কাছে পৌঁছে দিতেই এ আন্দোলন।’

৬ দফা দাবি হলো–

১. চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বিনা কারণে চাকরিচ্যুত করা কর্মকর্তাদের স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে।

২. প্রহসনমূলক পরীক্ষা বয়কটের কারণে কর্মকর্তাদের যে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দেওয়া হচ্ছে, তা অনতিবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

৩. বৈষম্যহীন ও রাজনীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

৪. শর্ত আরোপ করে সব ধরনের অ্যাসেসমেন্ট টেস্ট বন্ধ করতে হবে।

৫. চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের উপর চালানো মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং পুনরায় কর্মস্থলে তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে।

৬. পরীক্ষা বর্জনের জন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যে সাধারণ ডায়েরি ও সাইবার ক্রাইমে হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে, তা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দেশে আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৪
    অনলাইন ডেস্ক
    দেশে আজ কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে

    দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে দুই হাজার ৪১৫ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা।

    গত সোমবার রাতে বাজুস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    নতুন দাম গতকাল মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে আজ বুধবারও একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বর্ণের দামে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

    স্বর্ণের আজকের বাজারদর—

    • ২২ ক্যারেট: ভরিপ্রতি ১,৯৫,৩৮৪ টাকা

    • ২১ ক্যারেট: ভরিপ্রতি ১,৮৬,৪৯৬ টাকা

    • ১৮ ক্যারেট: ভরিপ্রতি ১,৫৯,৮৫৫ টাকা

    • সনাতন পদ্ধতি: ভরিপ্রতি ১,৩২,৭২৫ টাকা

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। যদিও গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরি ভিন্ন হতে পারে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দেশীয় পর্যায়ে কার্বন নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪০
      অনলাইন ডেস্ক
      দেশীয় পর্যায়ে কার্বন নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে: মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা
      ছবি: সংগৃহীত

      বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি। বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে বাংলাদেশের অবদান নগন্য হলেও দেশীয় পর্যায়ে নির্গমন হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

      রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে (Pathways to Emission Reduction in Rice and Livestock Sectors in Bangladesh) পাথওয়েস টু ইমিশন রিডাকশন ইন রাইস এন্ড লাইভস্টক সেক্টর ইন বাংলাদেশ - শীর্ষক (Mitigation Marketplace and Workshop) মিটিগেশন মার্কেটপ্লেস এর ওয়ার্কশপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

       

      প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে ধান ও প্রাণিসম্পদ খাত আমাদের খাদ্য ও জীবিকার মূল ভিত্তি। এই দুটি খাত শুধু খাদ্য সরবরাহ নয়, বরং মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুষম খাদ্য ব্যবহার করলে রুমিন্যান্ট (জাবর কাটা) প্রাণীর হজম প্রক্রিয়াজনিত মিথেন নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।

      উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, প্রাণিখাত থেকে নির্গত গ্যাসের প্রধান উৎস দুটি—রুমিন্যান্ট (জাবর কাটা) প্রাণীদের হজম প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন মিথেন এবং প্রাণীর মল ব্যবস্থাপনায় উৎপন্ন মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড। গবাদিপশুর মধ্যে গরু সবচেয়ে বেশি নির্গমনের জন্য দায়ী, এরপর রয়েছে মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। বিশ্বজুড়ে মানবসৃষ্ট মোট গ্রীনহাউস গ্যাসের প্রায় ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ এ খাত থেকে আসে।

       

      উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) গরুর মিথেন নির্গমন পরিমাপ এবং তা হ্রাসে বিভিন্ন গবেষণা পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি গবাদিপশুর নির্গমন নির্ধারণে উন্নত মডেল ও পদ্ধতি ব্যবহার করছে। উন্নতমানের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও খাদ্যের গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে কীভাবে নির্গমন হ্রাস করা যায়, তা অনুসন্ধান করছে বিএলআরআই।

      তিনি বলেন, অতীতে উচ্চ উৎপাদনশীল জাতের পশু পালনের ফলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন সবুজ খাদ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক জাতের ধান চাষে অতিরিক্ত সার, কীটনাশক ও আগাছানাশক ব্যবহারের কারণে পশুখাদ্যের সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

       

      এ কর্মশালায় আলোচকরা বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নির্গমন হ্রাস একসাথে নিশ্চিত করে ধান, দুধ ও মাংসের কম-কার্বন পণ্য হিসেবে বাজারজাতকরণ করলে দেশীয় কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি মূল্যে বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই ধরনের পণ্য ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে কৃষকের আয় ও জীবনমান বৃদ্ধি সম্ভব।

      আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশের কৃষিতে নির্গমন হ্রাস, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি।

       

      বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম গবেষণা সেন্টার (সিমিট) এবং কনসালটেটিভ গ্রুপ ফন ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকাল রিসার্চের (সিজিআইএআর) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র এগ্রিকালরাল স্পেশালিস্ট সন দ্যান ভো, কী নোট উপস্থাপন করেন সিমিটের সিনিয়র এগ্রিকালরাল ইকোনোমিস্ট টি এস আমজাহ বাবু, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জ্যাইন প্যাসমি.

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নভেম্বর মাস থেকে টিসিবির পণ্য তালিকায় যোগ হবে পাঁচ পণ্য

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:২১
        অনলাইন ডেস্ক
        নভেম্বর মাস থেকে টিসিবির পণ্য তালিকায় যোগ হবে পাঁচ পণ্য

        আগামী নভেম্বর মাস থেকে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য তালিকায় যোগ হবে পাঁচ পণ্য। এই পণ্য তালিকায় রয়েছে— চা, লবণ, ডিটারজেন্ট ও দুই ধরনের সাবান।

        সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে টিসিবির উপকারভোগী নির্বাচন ও সক্রিয়করণ বিষয়ক এক সভায় এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা অংশ নেন।

        টিসিবির কার্যক্রম পরিচালনায় সরকার প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে থাকে। এতে বাজারের চাহিদা ও সরবরাহে সমতা তৈরি হয় উল্লেখ করে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, টিসিবির চলমান বিক্রয় কার্যক্রমের সঙ্গে নতুন পাঁচটি পণ্য দরিদ্র মানুষকে আরেকটু স্বস্তি দেবে একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভূমিকা রাখবে।

        উপদেষ্টা বলেন, সরকার টিসিবির কার্যক্রম গতিশীল করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এক কোটি উপকারভোগী সঠিকভাবে নির্বাচন করতে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে আপনাদের উদ্যোগী হয়ে কাজ করতে হবে। দরিদ্র মানুষ যেন সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাইরে না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। এটা করতে পারলে বাংলাদেশ একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

        তিনি বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাক এটা আমার প্রত্যাশা। কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তার পরিচয় হোক সে দরিদ্র – অসহায় মানুষ, সরকারের সহযোগিতা তার প্রাপ্য। এ সময় তিনি আগামী এক মাসের মধ্যে সিটি কর্পোরেশনসহ সারাদেশে উপকারভোগী নির্বাচন ও কার্ড সক্রিয়করণে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

        বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, সঠিক উপকারভোগী নির্বাচনে শনাক্তকরণ মূল সমস্যা হিসেবে সামনে আসছে। এর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের গতি কিছুটা কম। সমস্যা যেহেতু চিহ্নিত হয়েছে আশা করি দ্রুতই কাজটি সম্পন্ন হবে।

        ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফতানি মো. আব্দুর রহিম খান ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( টিসিবি) চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়শল আজাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

        সভায় টিসিবির স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের সর্বশেষ তথ্য অবহিত করা হয়। এতে বলা হয় বর্তমানে মোট সক্রিয় কার্ডের সংখ্যা ৬০ লাখ ৩৪ হাজার ৩১৬টি। সক্রিয়করণ অপেক্ষমাণ কার্ডের সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫৪টি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দুর্গাপূজায় ৯৯ টন ইলিশ ভারতে গেল

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:৯
          অনলাইন ডেস্ক
          দুর্গাপূজায় ৯৯ টন ইলিশ ভারতে গেল

          দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে গত ১০ দিনে ভারতে মোট ৯৯ টন ৮৬ কেজি ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে।

          আজ রবিবার সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দর মৎস নিয়ন্ত্রণ ও মাননির্ণয় কেন্দ্রের কোয়ারেন্টিন কর্মকর্তা সজীব সাহা।

          রপ্তানিকরা ইলিশের প্রতি কেজির রপ্তানি মূল্য ধরেছেন ১২ ডলার ৫০ সেন্ট, যা বাংলাদেশি টাকায় ১ হাজার ৫২৫ টাকা।

          ইলিশ রপ্তানিকারক তারেক রহমান জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন করেছিল। দেশীয় চাহিদার চেয়ে উৎপাদন অনেক কম হলেও সরকার দুর্গাপূজার সময় বিশেষ বিবেচনায় ২০১৯ সাল থেকে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে। এ বছর বাণিজ্য মন্ত্রক ৩৭টি কোম্পানিকে ইলিশ রপ্তানির জন্য অনুমতি দিয়েছে, যা আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

          বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিনুল হক জানান, এতো অল্প সময়ে সব ইলিশ পাঠানো কঠিন হয়ে পড়বে। গত বছর ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৪৫০ টনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সব মিলিয়ে ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল ৬৩৬ টন, এর মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয় ৫৩২ টন। বর্তমানে ইলিশের সরবরাহ কম ও বাড়তি দামের কারণে খুব বেশি ইলিশ রপ্তানি হবে না।

          বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির মধ্যেও বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ থাকবে।’

          সবশেষ গতকাল শনিবার ভারতে ১২ টন ৮৬ কেজি ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত