শিরোনাম
শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত ও নিহতের সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষা সচিবের পদত্যাগ দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ১২টার পর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এতে যানচলাচল সীমিত হয়ে পড়ে।
বিক্ষোভে ঢাকা কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছেন।
ডা. মো. সায়েদুর রহমান
নিহত ২৭ জনের মধ্যে ২৫ জনই শিশু
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৭ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনই শিশু।
প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান এ তথ্য জানিয়ে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে দুইজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছাড়া বাকি সবাই শিশু। প্রাপ্ত বয়স্কদের একজন পাইলট তৌকির ইসলাম ও একজন শিক্ষক মাহরীন চৌধুরী। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৭৮ জন।
অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে ভর্তি আছে ৪২ জন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ২৮ জন। সেখানে সবমিলিয়ে ১৫ জনের মরদেহ ছিল। পাইলট তৌকিরের মরদেহ সিএমএইচে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ৬ জনের মরদেহের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। তাদের ডিএনএ নেওয়া হয়েছ। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। সেখানে তিনজন এখন ভর্তি আছে, যাদের দুইজন আইসিইউতে আছে। এছাড়া ইউনাইটেড হাসপাতালে একজনের মরদেহ আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ২৭ জন, হাসপাতালে ভর্তি আছে ৭৮ জন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা আহতদের মধ্যে পাঁচজন আইসিইউতে আছে। তাদের মধ্যে দুইজনকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। এ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
‘আমাদের এ হাসপাতালের সঙ্গে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা আছে। তার ভিত্তিতে কারিগরি সহায়তার জন্য বাংলাদেশ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আহতদের কেইস সামারি তাদের পাঠানো হয়েছে। এই মুহূর্তে সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সেই হাসপাতালে উপস্থিত আছেন। সেই হাসপাতালের চিকিৎসকরা কেইস স্টাডি দেখে যদি মনে করেন কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠাবেন অথবা তাদের পরামর্শ অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
রক্তদাতাদের হাসপাতালে ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এখন ১০০ জনেরও কম রক্তদাতা প্রয়োজন। তাই নেগেটিভ গ্রুপের রক্তদাতা ছাড়া অন্যরা ভিড় করবেন না। আমাদের ব্যবস্থাপনা করতে অসুবিধা হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ১০ জন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল থেকে ৮ জন, ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে একজন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোন হাসপাতালে কারা ভর্তি আছেন তাদের নামের তালিকা পাবলিক ডোমেইনে দেওয়া আছে, স্বজনদের অনুরোধ করব তারা যেন তা জানার চেষ্টা করেন, বলেন ডা. সাইদুর।
ছেন।
দুঃখ প্রকাশ করলেন সারজিস আলম
বান্দরবান নিয়ে আগের এক বক্তব্যের জন্য আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার (২০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম লিখেন, আমরা লড়াই করব সব জাতিগোষ্ঠীর অধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিয়ে; জুলাই পদযাত্রা থেকে এটাই আমাদের অঙ্গীকার। বান্দরবান নিয়ে কিছুদিন আগে একটি বক্তব্যে যে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দচয়ন হয়েছে, সেটার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
https://www.facebook.com/share/p/1FtYnYM4TK/
এর আগে, রোববার দুপুরে সারজিস আলমকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ। বান্দরবানকে ‘শাস্তির জায়গা’ বলায় পার্বত্য অঞ্চলের প্রতি অবমাননা করা হয়েছে উল্লেখ করে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ নেতারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত ৩ জুলাই পঞ্চগড়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ চলাকালে এক বক্তব্যে সারজিস বান্দরবানকে ‘শাস্তিস্বরূপ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পাঠানোর জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ছাত্রনেতাদের ভাষ্য, এই মন্তব্য চরম নিন্দনীয় ও অবমাননাকর। এটি শুধু বান্দরবানের নয়, গোটা পার্বত্য চট্টগ্রামের মর্যাদাকে হেয় করার শামিল। এটি রাষ্ট্রীয় বৈষম্য ও অবহেলার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তারা।
রাত ১১টা পর্যন্ত হাতিরঝিলে যান চলাচল বন্ধ
জুলাই পূর্ণ জাগরণ উপলক্ষে হাতিরঝিল এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে যান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক গুলশান বিভাগ।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক গুলশান বিভাগের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, সম্মানিত নাগরিকগণ আপনাদের সবার অবগতির জন্য বিশেষভাবে জানানো যাচ্ছে, ‘জুলাই পুনর্জাগরণ ২০২৫’ উপলক্ষে হাতিরঝিল এম্ফিথিয়েটারে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘ড্রোন শো’ থাকায় জনগণের নিরাপত্তা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হাতিরঝিলে বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
নাগরিকদের হাতিরঝিল ব্যবহার না করে নিম্নলিখিত বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে অনুরোধ করা যাচ্ছে—
১. হাতিরঝিল হয়ে গুলশান, বারিধারা, নিকেতন, মহাখালী, আড়ং, রামপুরা, বনশ্রীগামী গাড়িগুলো রেইনবো ক্রসিং থেকে উত্তরগামী সাতরাস্তা, লাভ রোড, তিব্বত ক্রসিং হয়ে গুলশান, রামপুরা, বনশ্রীতে প্রবেশ করবে।
২. গুলশান থেকে আগত গাড়িগুলো পুলিশ প্লাজা হয়ে হাতিরঝিল দিয়ে রেইনবো ক্রসিং হয়ে চলে যাবে।
তবে, ড্রোন শো শেষ হওয়া মাত্রই হাতিরঝিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে।
৫ দফা দাবিতে বুধবার জুলাই ঐক্যের কফিন মিছিল
৫ দফা দাবিতে রাজধানীতে বুধবার প্রতীকী কফিন মিছিল করবে জুলাই ঐক্য। মঙ্গলবার প্লাটফর্মটির সংগঠক ইসরাফিল ফরাজীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জুলাই ঐক্যের ৫ দফা দাবি হলো- জুলাই ঘোষণাপত্র, প্রশাসন, গণমাধ্যম, সাংস্কৃতিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কৃতির সংস্কার।
বিজ্ঞপ্তিতে এতে হয়, কফিন মিছিলটি বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড় থেকে শুরু করে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এসে গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদ ও আহতদের সুস্থতা জন্য দোয়ার মাধ্যমে শেষ হবে।
জুলাই ঐক্য বলেছে, গত রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে ১০৮ সংগঠনের প্রতিনিধি নিয়ে সম্মেলন থেকে ১৫ জুলাই প্রতীকী কফিন মিছিল করার ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে জুলাই ঐক্যের সংগঠকদের সঙ্গে আলোচনা করে একদিন পিছিয়ে গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের হত্যার দিন নির্ধারণ করা হয়।
কফিন মিছিলে দলমত নির্বিশেষে সকলকে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে জুলাই ঐক্য।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য