অপরাধী যে দলেরই হোক, কোনো ছাড় নয়: র্যাব মহাপরিচালক
অনলাইন ডেস্ক
১২ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৬
শেয়ার
অনলাইন ডেস্ক
অপরাধী কোন দলের কোন মাপের নেতা, সেটা আমাদের কাছে বিবেচ্য বিষয় নয় বলে উল্লেখ করেছেন র্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান। বলেছেন, আমাদের কাছে অপরাধীর পরিচয় শুধুই অপরাধী।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে কাওরানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক।
র্যাবপ্রধান বলেন, আমাদের কাছে অপরাধী যে দলেরই হোক, প্রভাবশালীই হোক, কোনো ছাড় নেই। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।
এ কে এম শহিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের মধ্যে দুজনকে র্যাব ও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মব ভায়োলেন্সে জড়িত না হতে দেশবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে র্যাব মহাপরিচালক। তিনি বলেন, মিটফোর্ডের ঘটনাটির ছায়া তদন্তের মাধ্যমে ডিএমপিকে সহায়তা করছে র্যাব। জড়িত সবাইকে দ্রুতই আইনের আওতায় আনা যাবে। ছিনতাই চাঁদাবাজির মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব মাঠে আছে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান বাড়ানোর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে র্যাব কাজ করছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে গত ৯ জুলাই এক ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় বৃহস্পতিবার নিহতের বোন ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে।
পাথর মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা: আরও এক আসামি গ্রেপ্তার
অনলাইন ডেস্ক
১২ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৫৬
শেয়ার
অনলাইন ডেস্ক
মিটফোর্ডে প্রকাশ্যে পাথর মেরে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যা। ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও এক আসামি টিটন গাজীকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের কাছে ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগকে টেনেহিঁচড়ে নিজ দোকান থেকে বের করে হত্যা করা হয় শত শত জনতার সামনে। তারা তাকে পিটিয়ে, কুপিয়ে এবং মাথা থেঁতলে নিশ্চিত করে তার মৃত্যু। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
সোহাগকে হত্যার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকা রাস্তায় অর্ধবিবস্ত্র হয়ে শুয়ে পড়ে আছে সোহাগ। তখন তার শুধু নিঃশ্বাসটুকু চলছিল। এ সময় রাস্তা থেকে একটি বড় কংক্রিটের অংশ হাতে তুলে নেয় হালকা আকাশি রঙের শার্ট এবং জিন্সের প্যান্ট পরিহিত রিয়াদ। মাথার ওপরে কংক্রিটের অংশ তুলে সজোরে কোমর আর বুকের মাঝখানে আঘাত করে সে। এ সময় সোহাগ দুই হাত আর দুই পা ছড়িয়ে দিয়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। এরপর একদম বুক বরাবর আবার আঘাত করে। তখন গোল গলার টি-শার্ট আর গ্যাবার্ডিন প্যান্ট পরিহিত সজীব একপাশ থেকে হেঁটে এসে আরেকটা বড় কংক্রিটের অংশ মাথায় তুলে একদম মুখের মধ্যে আঘাত করে। এরপর আরেকটি ইট নিয়ে এসে মাথায় আঘাত করে ছোট মনির, পাশ থেকে আবার মাথায় আঘাত করে লম্বা মনির, আর তাদের ইট এগিয়ে দেয় নান্নু। এভাবে বারবার মারতে মারতে মাথা থেঁতলে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় সোহাগের। আর এই পুরো হামলা এবং হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দেন মহিন এবং অপু দাস। মাথা থেঁতলে মৃত্যু নিশ্চিত করা ছোট মনির মিটফোর্ড হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মচারী, নান্নু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার এবং বড় মনির, রিয়াদ ও সজীব যুবদল নেতা মহিনের কর্মী।
এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় আসামি তারেক রহমান রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। তা ছাড়া র্যাব এজাহারভুক্ত আসামি মনির ও আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদিকে হাসানকে ৫ দিনের জন্য এবং রবিনকে দুদিনের জন্য রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।
ডিসি তালেবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব এবং পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডে সব আসামি শনাক্ত, চলছে গ্রেপ্তার অভিযান
অনলাইন ডেস্ক
১১ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪০
শেয়ার
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল কম্পাউন্ডে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে খুন হন ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ। এ ঘটনায় জড়িতদের সবাইকে শনাক্ত করেছে পুলিশ, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সোহাগকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার নিথর দেহ টেনেহিঁচড়ে হাসপাতাল চত্বরের বাইরে এনে শত শত মানুষের সামনে চলে বীভৎস উন্মত্ততা।
ডিএমপির কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন শিকদার জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মহিন ও তারেক নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সোহাগ হত্যার ঘটনায় তার বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় এবং এজাহারভুক্ত আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করে।
তারেক রহমান রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপি জানায়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে এবং অন্য জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা চালু ছিল এবং আনসার ক্যাম্পের সদস্যরাও আশপাশে অবস্থান করছিলেন। তবে এমন ভয়াবহ সন্ত্রাসের সামনে কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে সোহাগকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক জানান, তিনি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।
গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান মহিন। ছবি- সংগৃহীত
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোহাগের মৃত্যুর পরও হামলাকারীরা থামেনি। তার রক্তাক্ত নিথর দেহটি রাস্তার মাঝে ফেলে রেখে চলে নৃশংসতা। কেউ লাশের বুকের ওপর লাফায়, কেউ মুখে কিল-ঘুষি দেয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, এক হামলাকারী মোবাইলে কথা বলার সময় পাশ থেকে চলছিল লাশের ওপর মারধর।
অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার তারেক রহমান রবিন। ছবি- সংগৃহীত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত সোহাগ মিটফোর্ড এলাকায় ভাঙাড়ি ও পুরোনো বৈদ্যুতিক কেবল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার দোকানের নাম ছিল ‘সোহানা মেটাল’। বিদ্যুতের তামার ও সাদা তারের ব্যবসার একটি সিন্ডিকেট পরিচালনা করতেন তিনি। এই ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া ছিলেন মাহমুদুল হাসান মহিন ও সারোয়ার হোসেন টিটু। তারা নিয়মিত চাঁদা দাবি করছিলেন এবং ব্যবসার ৫০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ চেয়েছিলেন। এই বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত সোহাগ এবং হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মহিন ও টিটুসহ অধিকাংশ আসামি ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে তাদের সংগঠনে কোনো আনুষ্ঠানিক পদ ছিল কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।
এ ঘটনায় নিহতের বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় নাম উল্লেখ করে ১৯ জন এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত মাহমুদুল হাসান মহিন, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু, সজীব, রিয়াদ, টিটন গাজী, রাকিব, সাবা করিম লাকী, কালু ওরফে স্বেচ্ছাসেবক কালু, রজব আলী পিন্টু, মো. সিরাজুল ইসলাম, রবিন, মিজান, অপু দাস, হিম্মত আলী ও আনিসুর রহমান হাওলাদার।
রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সম্প্রতি মো. সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাথর মেরে হত্যার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেটা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, সবাই খারাপ কিন্তু উনি ভালো, বাংলাদেশে এই নাটক আর চলবে না।
আপনার দলের নেতাকর্মী নামক কতিপয় নরপিশাচকে সামলান, জনাব তারেক রহমান। যে নিয়মে আওয়ামী লীগের করা হত্যার দায় খুনি হাসিনার উপর বর্তায়, সেই একই নিয়মে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের করা খু-নের দায় আপনার উপরেও বর্তায়।
মিডফোর্ড হাসপাতালের পাশে চাঁদা না দেওয়ায় একজন ব্যবসায়ীকে উলঙ্গ করে, পাথর মেরে, হত্যা করে তার লাশ ঘিরে চলছে যুবদলের কর্মীদের বুনো উল্লাস। এই দৃশ্য আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের বর্বরতার কথা স্মরণ করায়।
এজন্য বাংলাদেশের মানুষ জুলাই বিপ্লব করে নাই।
আগের দিন আর নাই, জনাব। এই প্রজন্ম ছাড় দিতে পারে তবে ছেড়ে দিবে না।
ঢাকার আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের (IIUC) সহযোগী অধ্যাপক মোখতার আহমাদ তার ফেসবুকে লিখেছেন, পুরান ঢাকায় পাথর দিয়ে শরীর ও মাথা থেতলে দিয়ে একজন জীবন্ত মানুষকে হত্যার ভয়ানক নৃশংসতা জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছে। দীর্ঘদিন আমরা এই দৃশ্য ভুলতে পারবো কিনা জানিনা। আমি শিহরিত হয়ে উঠছি বারবার, চোখ থেকে দৃশ্য সরছে না কোনোভাবেই।
ওল্লাহি, আমি কেঁদেছি, ঠুকরে ঠুকরে...
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এস এম ফরহাদ ফেসবুকে বলেছেন, আবারও কোনো এক 'ছত্রিশে জুলাই' হয়তো এই দেশটাকে বাঁচাতে আসবে!
গতকাল যুগান্তর-এর এক প্রতিবেদনে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুবদল নেতার সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসার পর অনলাইনে কিছুটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও মৃদু আলাপ শুরু হয়। আর আজকে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ—ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া। ভিডিওটি না এলে, হয়তো এটিও অন্যান্য ‘স্বাভাবিক’ খুনের মতো মানুষের স্মৃতি থেকে হারিয়ে যেত।
লতিফুল ইসলাম নামে একজন ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করে লেখেন, ‘ভিডিওটা বীভৎস, শেয়ার করার মতো না।’ নাজমুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘মিডফোর্টের ভিডিওটা দেখলাম। পাথর দিয়ে একটা মানুষকে কিভাবে জনসম্মুখে মাথা থেতলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সুস্থ স্বাভাবিক কেউ ভিডিওটা দেখার সাহস করবে না। এ কোন জাহেলিয়াতে আছি আমরা? কাদের হাতে আমাদের দেশের ভবিষ্যত?।’
গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়। নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।
সচিবালয়, যমুনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল নিষিদ্ধ : ডিএমপি
অনলাইন ডেস্ক
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫৬
শেয়ার
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ সচিবালয় এবং প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় যেকোনো ধরনের সভা, সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ারের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়েছে।
নির্দেশনাটি আগামীকাল বুধবার (৯ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সে অর্পিত ক্ষমতাবলে ৯ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ সচিবালয়, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, কাকরাইল মসজিদ মোড়, অফিসার্স ক্লাব মোড় ও মিন্টো রোড) যেকোনো সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, মিছিল, মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করা হলো।
মন্তব্য