ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চাকসুর গঠনতন্ত্র সিন্ডিকেটে অনুমোদিত, ভোটার ও প্রার্থীর বয়সসীমা ৩০ বছর

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১ আগস্ট, ২০২৫ ২০:৩৪
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
চাকসুর গঠনতন্ত্র সিন্ডিকেটে অনুমোদিত, ভোটার ও প্রার্থীর বয়সসীমা ৩০ বছর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এর সংশোধিত গঠনতন্ত্র সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন পেয়েছে। এতে ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, সংসদের মেয়াদকাল এক বছর এবং কার্যনির্বাহী কমিটি ২৮ সদস্য বিশিষ্ট হবে বলে গঠনতন্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।


শুক্রবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৫৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়।


সংশোধিত গঠনতন্ত্রে চাকসুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে:

১. শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন;

২. স্বাধীনতা যুদ্ধ, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রাখা।


সদস্যপদ ও যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে 


চাকসু ও হল সংসদের ভোটার কিংবা প্রার্থী হতে হলে শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণকালীন ছাত্র হতে হবে, যিনি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়ে বর্তমানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এম.ফিল বা পিএইচ.ডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো আবাসিক হলে অবস্থান করতে হবে বা সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে এবং দাপ্তরিকভাবে বার্ষিক সদস্যপদ ফি প্রদান করতে হবে। তফশিল ঘোষণার দিন থেকে বয়স ৩০ বছরের বেশি হলে ভোটার বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে না।


তবে সন্ধ্যাকালীন কোর্স, এক্সিকিউটিভ মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট ও ভাষা কোর্সে অধ্যয়নরত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বা সংযুক্ত কলেজ বা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।


 কমিটির গঠন ও কার্যকাল


চাকসুর কার্যনির্বাহী কমিটি হবে ২৮ সদস্যের। এর মধ্যে পাঁচজন নির্বাহী সদস্য এবং বাকি ২৩ জন বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হবেন। উপাচার্য পদাধিকারবলে সংসদের সভাপতি থাকবেন। তিনি চাইলে যেকোনো উপ-উপাচার্যকে অথবা অনুপস্থিতিতে একজন অধ্যাপককে সভাপতির দায়িত্বে মনোনীত করতে পারবেন। সভাপতি শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজনকে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেবেন।


নির্বাচন আয়োজন, সময় নির্ধারণ এবং রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নসহ সব ধরনের নির্বাচনী দায়িত্ব সভাপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে। তিনি রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিটি গঠন করবেন।


তফশিল ঘোষণা বিষয়ে জানতে চাইলে চাকসু নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, “চাকসুর গঠনতন্ত্র এখনো হাতে পাইনি। আগামী রোববার এটি হাতে পাওয়ার পর সভা ডেকে যত দ্রুত সম্ভব তফশিল ঘোষণা করা হবে।”

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পিএসসি সংস্কারে বাধা দিলে আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:৩০
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    পিএসসি সংস্কারে বাধা দিলে আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো

    বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেছেন"আমরা শুনেছি ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সালে বগুড়াতে আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হলেই চাকরি পাওয়া যেত।আমরা সেই সব কিছু আর ফেরত চাই না। পিএসসি সংস্কারে বাধা দিলে।আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো" 


    আজ শুক্রবার(১আগস্ট)বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ, অগ্নিসন্তান ও সাহসী সাংবাদিকদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


    তিনি আরো বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জুলাই গণ অভ্যুত্থানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।আমাদের আন্দোলন জগন্নাথের ১৫ জুলাইয়ের বড় মিছিল ছাড়া অসম্ভব ছিল। মিছিল নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ওইদিন যখন আসলো তখনি আমরা আরো বেশি সুসংবদ্ধ হয়েছিলাম।


    অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিসন্তান ও সাহসী সাংবাদিকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।


     এ অনুষ্ঠানের আরো উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রইছ উদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম,বাংলাদেশ গণ তান্ত্রিক ছাত্রসংসদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীর ছাত্রত্ব ও সনদ বাতিল

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৯
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      রাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীর ছাত্রত্ব ও সনদ বাতিল

      শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের দমন, র‍্যাগিংসহ নানা অপকর্মের জন্য রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) দশ জন শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কার ও একাধিক জনের সনদ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


      ৩০ জুলাই(বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি করেছিল। তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে ছাত্রত্ব আছে এমন কয়েকজনকে আজীবনের বহিষ্কার, আবার যারা এই অপরাধগুলো সংগঠিত করেছিল কিন্তু ছাত্রত্ব শেষ করেছে তাদের সনদ বাতিল করা হয়েছে।"


      এ সময় তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ দিয়ে আরো বলেন, "এমন না যে আমরাই প্রথম কাজটি করেছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্রদের উপর নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।"


      শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (সিএসই) সাইদুজ্জামান পাপ্পু, আবির চৌধুরী, মহিউদ্দিন মুন্না, হাসু দেওয়ান, জাকির হোসেন (৪র্থ), বিশ্বজিৎ শীল সাগর, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আকিব মাহমুদ, রিয়াদ তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম অপু ও অন্তু কান্তি দে।


      এর আগেও ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ছাত্র হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তৎকালীন হল প্রশাসন।


      উল্লেখ্য, এ বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি উল্লেখিত ১০ শিক্ষার্থীর নামে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটির তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মাভাবিপ্রবিতে গুচ্ছভুক্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু ৩ আগস্ট থেকে

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৫
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        মাভাবিপ্রবিতে গুচ্ছভুক্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু ৩ আগস্ট থেকে

        ‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ৩ আগস্ট থেকে। এ কার্যক্রম চলবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত।

        ‎আজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারণ করে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

        ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এবারের শিক্ষাবর্ষে এ, বি এবং সি ইউনিটভুক্ত ১৭টি বিভাগের ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১১,৮৩৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১১,২৮৫ টাকা। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।

        ‎বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে নিম্নরূপঃ

        ‎ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই ) ১১৭৬০ টাকা, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ( আইসিটি) ১১৪৮৫ টাকা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ( টিই) ১১৫৮৫ টাকা, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) ১১৬৮৫ টাকা,

        ‎ লাইফ সাইন্স অনুষদে মধ্যে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (ইএসআরএম) ১১৭৮৫ টাকা, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) ১১৫৮৫ টাকা, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স ১১৭৮৫ টাকা, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১১৬৮৫ টাকা, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) ১১৫৮৫ টাকা

        ‎ ফার্মেসী ১১৭৮৫ টাকা, রসায়ন ১১৮৩৫ টাকা,

        ‎ সায়েন্স অনুষদে মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান ১১৭৮৫ টাকা টাকা, গণিত ১১৭৮৫ টাকা, পরিসংখ্যান ১১৫ ৮৫ টাকা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ মধ্যে অর্থনীতি ১১২৮৫ টাকা, একাউন্টিং ১১৩৮৫ টাকা, ব্যবসায় অনুষদ মধ্যে ম্যানেজমেন্ট ১১৩৮৫ টাকা।

        ‎ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্নের পর নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১১ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।

        ‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে যথাসময়ে ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          নোবিপ্রবিতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মশাল মিছিল

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ১ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৪০
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          নোবিপ্রবিতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মশাল মিছিল

          নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (সাময়িক বহিষ্কৃত) বাদশা মিয়ার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে এবং দুইবছরের সাময়িক বহিষ্কার হাইকোর্ট কর্তৃক স্থগিত আদেশের প্রতিবাদ জানিয়ে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। 


          বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু করে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে আবার শহিদ মিনারে এসে শেষ হয় এবং সেখানে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করেন তারা। 


          মশাল মিছিলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ গ্রহন করেন। এসময় তারা স্বৈরাচারের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান, জাস্টিস ফর ফয়েজ, জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো, বহিষ্কার বহিষ্কার-স্থায়ী বহিষ্কারসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। মশাল মিছিল শেষে সমাবেশে দাবি করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করেও ক্ষান্ত হয়নি বাদশা মিয়া, অভিযোগ তুলে নিতে ফয়েজের পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। 


          মশাল মিছিল শেষে বক্তৃতায় আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রানা বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর, আইন বিভাগের সাময়িক ভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষক বাদশা মিয়া আমাদের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফয়েজ ভাইয়ের জীবনের তিনটি বছর নষ্ট করে দিয়েছে। বিনা কারণে তাকে কয়েক মাস অন্ধকার কারা বরণ করতে হয়েছে। ফয়েজ ভাইয়ের কোন দোষ ছিল না । বাদশা মিয়া এ কাজ করেছেন শুধুমাত্র উপরের মহলের তাবেদারি করার জন্য। যাতে তিনি প্রমশন পান। আমরা বলতে চাই তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক। তা না হলে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উন্নয়নের যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিল তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না।


          আইন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাফর আহমেদ বলেন, "বাদশা মিয়া শুধু নোবিপ্রবির নয়, সারা দেশের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। শিক্ষকতার নাম করে তিনি দলান্ধ আচরণ ও একটি নির্দিষ্ট শাসকগোষ্ঠীর চাটুকারিতায় লিপ্ত ছিলেন। শেখ হাসিনার যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া এবং আমরা যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে স্বৈরাচারকে দমন করেছি—আপনারা আমাদের এখন নিয়মকানুন শেখাবেন না।


          তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তির স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত হওয়ার কথা, তাকে মাত্র দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে আপনারা প্রমাণ করেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বাদশা মিয়ার একটি চ্যাট আলাপ রয়েছে—যেখানে দেখা যায়, হানিফ মুরাদ স্যার একজন ফ্যাসিস্ট বাদশা মিয়াকে পুনর্বহাল করতে চাইছেন।


          আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা একটি বিপ্লবী প্রশাসনের ভূমিকা পালন করুন এবং বাদশা মিয়াকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে ক্যাম্পাসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।"

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত