শিরোনাম
পিএসসি সংস্কারে বাধা দিলে আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেছেন"আমরা শুনেছি ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সালে বগুড়াতে আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হলেই চাকরি পাওয়া যেত।আমরা সেই সব কিছু আর ফেরত চাই না। পিএসসি সংস্কারে বাধা দিলে।আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো"
আজ শুক্রবার(১আগস্ট)বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ, অগ্নিসন্তান ও সাহসী সাংবাদিকদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় জুলাই গণ অভ্যুত্থানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।আমাদের আন্দোলন জগন্নাথের ১৫ জুলাইয়ের বড় মিছিল ছাড়া অসম্ভব ছিল। মিছিল নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ওইদিন যখন আসলো তখনি আমরা আরো বেশি সুসংবদ্ধ হয়েছিলাম।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্নিসন্তান ও সাহসী সাংবাদিকদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
এ অনুষ্ঠানের আরো উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. রইছ উদ্দিন,জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম,বাংলাদেশ গণ তান্ত্রিক ছাত্রসংসদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতৃবৃন্দরা।
রাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীর ছাত্রত্ব ও সনদ বাতিল
শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন, বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের দমন, র্যাগিংসহ নানা অপকর্মের জন্য রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) দশ জন শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কার ও একাধিক জনের সনদ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
৩০ জুলাই(বুধবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি করেছিল। তদন্ত কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে ছাত্রত্ব আছে এমন কয়েকজনকে আজীবনের বহিষ্কার, আবার যারা এই অপরাধগুলো সংগঠিত করেছিল কিন্তু ছাত্রত্ব শেষ করেছে তাদের সনদ বাতিল করা হয়েছে।"
এ সময় তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ দিয়ে আরো বলেন, "এমন না যে আমরাই প্রথম কাজটি করেছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্রদের উপর নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।"
শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (সিএসই) সাইদুজ্জামান পাপ্পু, আবির চৌধুরী, মহিউদ্দিন মুন্না, হাসু দেওয়ান, জাকির হোসেন (৪র্থ), বিশ্বজিৎ শীল সাগর, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আকিব মাহমুদ, রিয়াদ তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম অপু ও অন্তু কান্তি দে।
এর আগেও ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ছাত্র হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল তৎকালীন হল প্রশাসন।
উল্লেখ্য, এ বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি উল্লেখিত ১০ শিক্ষার্থীর নামে লিখিত অভিযোগ জমা দেয় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটির তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মাভাবিপ্রবিতে গুচ্ছভুক্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু ৩ আগস্ট থেকে
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ৩ আগস্ট থেকে। এ কার্যক্রম চলবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত।
আজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারণ করে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এবারের শিক্ষাবর্ষে এ, বি এবং সি ইউনিটভুক্ত ১৭টি বিভাগের ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১১,৮৩৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১১,২৮৫ টাকা। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে নিম্নরূপঃ
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই ) ১১৭৬০ টাকা, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ( আইসিটি) ১১৪৮৫ টাকা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ( টিই) ১১৫৮৫ টাকা, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) ১১৬৮৫ টাকা,
লাইফ সাইন্স অনুষদে মধ্যে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (ইএসআরএম) ১১৭৮৫ টাকা, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) ১১৫৮৫ টাকা, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স ১১৭৮৫ টাকা, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১১৬৮৫ টাকা, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) ১১৫৮৫ টাকা
ফার্মেসী ১১৭৮৫ টাকা, রসায়ন ১১৮৩৫ টাকা,
সায়েন্স অনুষদে মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান ১১৭৮৫ টাকা টাকা, গণিত ১১৭৮৫ টাকা, পরিসংখ্যান ১১৫ ৮৫ টাকা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ মধ্যে অর্থনীতি ১১২৮৫ টাকা, একাউন্টিং ১১৩৮৫ টাকা, ব্যবসায় অনুষদ মধ্যে ম্যানেজমেন্ট ১১৩৮৫ টাকা।
ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্নের পর নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১১ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে যথাসময়ে ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
নোবিপ্রবিতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মশাল মিছিল
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (সাময়িক বহিষ্কৃত) বাদশা মিয়ার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে এবং দুইবছরের সাময়িক বহিষ্কার হাইকোর্ট কর্তৃক স্থগিত আদেশের প্রতিবাদ জানিয়ে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু করে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে আবার শহিদ মিনারে এসে শেষ হয় এবং সেখানে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করেন তারা।
মশাল মিছিলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ গ্রহন করেন। এসময় তারা স্বৈরাচারের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান, জাস্টিস ফর ফয়েজ, জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো, বহিষ্কার বহিষ্কার-স্থায়ী বহিষ্কারসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। মশাল মিছিল শেষে সমাবেশে দাবি করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করেও ক্ষান্ত হয়নি বাদশা মিয়া, অভিযোগ তুলে নিতে ফয়েজের পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
মশাল মিছিল শেষে বক্তৃতায় আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রানা বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর, আইন বিভাগের সাময়িক ভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষক বাদশা মিয়া আমাদের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফয়েজ ভাইয়ের জীবনের তিনটি বছর নষ্ট করে দিয়েছে। বিনা কারণে তাকে কয়েক মাস অন্ধকার কারা বরণ করতে হয়েছে। ফয়েজ ভাইয়ের কোন দোষ ছিল না । বাদশা মিয়া এ কাজ করেছেন শুধুমাত্র উপরের মহলের তাবেদারি করার জন্য। যাতে তিনি প্রমশন পান। আমরা বলতে চাই তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক। তা না হলে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উন্নয়নের যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিল তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
আইন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাফর আহমেদ বলেন, "বাদশা মিয়া শুধু নোবিপ্রবির নয়, সারা দেশের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। শিক্ষকতার নাম করে তিনি দলান্ধ আচরণ ও একটি নির্দিষ্ট শাসকগোষ্ঠীর চাটুকারিতায় লিপ্ত ছিলেন। শেখ হাসিনার যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া এবং আমরা যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে স্বৈরাচারকে দমন করেছি—আপনারা আমাদের এখন নিয়মকানুন শেখাবেন না।
তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তির স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত হওয়ার কথা, তাকে মাত্র দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে আপনারা প্রমাণ করেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বাদশা মিয়ার একটি চ্যাট আলাপ রয়েছে—যেখানে দেখা যায়, হানিফ মুরাদ স্যার একজন ফ্যাসিস্ট বাদশা মিয়াকে পুনর্বহাল করতে চাইছেন।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা একটি বিপ্লবী প্রশাসনের ভূমিকা পালন করুন এবং বাদশা মিয়াকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে ক্যাম্পাসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।"
ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি জানাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন সোমবার
রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত গতি ও স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরতে আগামী ৪ আগস্ট (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সিরাজ উদ-দৌলা খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আগামী সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৮ নম্বর তলার ১৮১৫ নম্বর কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঢাকা মহানগরীর সাতটি সরকারি কলেজকে কেন্দ্র করে গঠনের প্রক্রিয়াধীন ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।”
এর আগে, গত ৯ জুলাই রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ বা সমমানের একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অধীনে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কাঠামোর অধীনেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়।
প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত সাতটি সরকারি কলেজ হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।
এই সাতটি কলেজ ইতোপূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকলেও দীর্ঘদিন যাবৎ এসব কলেজে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে নানা ধরণের জটিলতা, প্রশাসনিক বিলম্ব এবং পরীক্ষার সময়সূচি সংক্রান্ত সমস্যা বিরাজ করছিলো। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি পৃথক, স্বাধীন ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা।
সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাত কলেজের সমন্বয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য