শিরোনাম
মাভাবিপ্রবিতে গুচ্ছভুক্ত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি শুরু ৩ আগস্ট থেকে
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ৩ আগস্ট থেকে। এ কার্যক্রম চলবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত।
আজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারণ করে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এবারের শিক্ষাবর্ষে এ, বি এবং সি ইউনিটভুক্ত ১৭টি বিভাগের ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বনিম্ন ১১,৮৩৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১১,২৮৫ টাকা। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে জমা দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।
বিভাগভিত্তিক ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে নিম্নরূপঃ
ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদে মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই ) ১১৭৬০ টাকা, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ( আইসিটি) ১১৪৮৫ টাকা, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ( টিই) ১১৫৮৫ টাকা, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) ১১৬৮৫ টাকা,
লাইফ সাইন্স অনুষদে মধ্যে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (ইএসআরএম) ১১৭৮৫ টাকা, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) ১১৫৮৫ টাকা, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স ১১৭৮৫ টাকা, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ১১৬৮৫ টাকা, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) ১১৫৮৫ টাকা
ফার্মেসী ১১৭৮৫ টাকা, রসায়ন ১১৮৩৫ টাকা,
সায়েন্স অনুষদে মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান ১১৭৮৫ টাকা টাকা, গণিত ১১৭৮৫ টাকা, পরিসংখ্যান ১১৫ ৮৫ টাকা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ মধ্যে অর্থনীতি ১১২৮৫ টাকা, একাউন্টিং ১১৩৮৫ টাকা, ব্যবসায় অনুষদ মধ্যে ম্যানেজমেন্ট ১১৩৮৫ টাকা।
ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্নের পর নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে আগামী ১১ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে পাওয়া যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে যথাসময়ে ক্লাস শুরুর প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
নোবিপ্রবিতে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মশাল মিছিল
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (সাময়িক বহিষ্কৃত) বাদশা মিয়ার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে এবং দুইবছরের সাময়িক বহিষ্কার হাইকোর্ট কর্তৃক স্থগিত আদেশের প্রতিবাদ জানিয়ে মশাল মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল শুরু করে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করে আবার শহিদ মিনারে এসে শেষ হয় এবং সেখানে মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করেন তারা।
মশাল মিছিলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ গ্রহন করেন। এসময় তারা স্বৈরাচারের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান, জাস্টিস ফর ফয়েজ, জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো, বহিষ্কার বহিষ্কার-স্থায়ী বহিষ্কারসহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। মশাল মিছিল শেষে সমাবেশে দাবি করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী ফয়েজ আহমেদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করেও ক্ষান্ত হয়নি বাদশা মিয়া, অভিযোগ তুলে নিতে ফয়েজের পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
মশাল মিছিল শেষে বক্তৃতায় আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রানা বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর, আইন বিভাগের সাময়িক ভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষক বাদশা মিয়া আমাদের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফয়েজ ভাইয়ের জীবনের তিনটি বছর নষ্ট করে দিয়েছে। বিনা কারণে তাকে কয়েক মাস অন্ধকার কারা বরণ করতে হয়েছে। ফয়েজ ভাইয়ের কোন দোষ ছিল না । বাদশা মিয়া এ কাজ করেছেন শুধুমাত্র উপরের মহলের তাবেদারি করার জন্য। যাতে তিনি প্রমশন পান। আমরা বলতে চাই তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক। তা না হলে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উন্নয়নের যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিল তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
আইন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাফর আহমেদ বলেন, "বাদশা মিয়া শুধু নোবিপ্রবির নয়, সারা দেশের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। শিক্ষকতার নাম করে তিনি দলান্ধ আচরণ ও একটি নির্দিষ্ট শাসকগোষ্ঠীর চাটুকারিতায় লিপ্ত ছিলেন। শেখ হাসিনার যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে ভারতে পালিয়ে যাওয়া এবং আমরা যেভাবে কোনো নিয়মকানুন না মেনে স্বৈরাচারকে দমন করেছি—আপনারা আমাদের এখন নিয়মকানুন শেখাবেন না।
তিনি আরো বলেন, যে ব্যক্তির স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত হওয়ার কথা, তাকে মাত্র দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করে আপনারা প্রমাণ করেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বাদশা মিয়ার একটি চ্যাট আলাপ রয়েছে—যেখানে দেখা যায়, হানিফ মুরাদ স্যার একজন ফ্যাসিস্ট বাদশা মিয়াকে পুনর্বহাল করতে চাইছেন।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা একটি বিপ্লবী প্রশাসনের ভূমিকা পালন করুন এবং বাদশা মিয়াকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে ক্যাম্পাসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।"
ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি জানাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন সোমবার
রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি কেন্দ্রীয় কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত গতি ও স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরতে আগামী ৪ আগস্ট (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সিরাজ উদ-দৌলা খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আগামী সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৮ নম্বর তলার ১৮১৫ নম্বর কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঢাকা মহানগরীর সাতটি সরকারি কলেজকে কেন্দ্র করে গঠনের প্রক্রিয়াধীন ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হবে।”
এর আগে, গত ৯ জুলাই রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজের জন্য প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ বা সমমানের একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অধীনে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কাঠামোর অধীনেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানানো হয়।
প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত সাতটি সরকারি কলেজ হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ।
এই সাতটি কলেজ ইতোপূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থাকলেও দীর্ঘদিন যাবৎ এসব কলেজে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে নানা ধরণের জটিলতা, প্রশাসনিক বিলম্ব এবং পরীক্ষার সময়সূচি সংক্রান্ত সমস্যা বিরাজ করছিলো। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি পৃথক, স্বাধীন ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করা।
সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সাত কলেজের সমন্বয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
৭২ কোটি ব্যয়ে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধ্বস, আহত ১০
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ছাত্র হলে বৃষ্টির সময় ছাদ ঢালাইয়ের সময় দুই তলার ছাদ ধ্বসে পড়ে অন্তত ১০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকাল ৫টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে ত্রিশালের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'সি.এস. আই কন্সট্রাকশন লিঃ দি বিল্ডার্স ইন্জিনিয়ারস (জে.বি)' দশ তলা ভিতের উপর দশ তলা ছাত্র হলের নির্মাণের কাজ হাতে নেয় ২০২২ সালে। এই কাজের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৭২ কোটি ৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬৪ টাকা। কাজ প্রায় শেষের দিকেই ছিল। এরমধ্যেই আজ ভেঙে পড়ে ছাদটি। ছাদ ঢালাইয়ের সময় সাপোর্টিং বাশ বাঁধা হয়েছিল পাটের দড়ি দিয়ে। এছাড়া সাটারিংয়েও ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ। বৃষ্টির সময় করা হচ্ছিল ছাঁদ ঢালাইয়ের কাজ। শ্রমিকদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম বলতে হেলমেট কিংবা সুরক্ষামূলক পোশাক কিছুই ছিল না।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বিকেল চারটার দিকে ছাদের পূর্ব-দক্ষিণ অংশে ঢালাই শুরু হলে হঠাৎ কাঠামো দুলতে থাকে এবং মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। এতে উপরে কাজ করা শ্রমিকরা নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাদের কোমর, হাঁটু ও পিঠে আঘাত লেগেছে।
আহত শ্রমিকদের একজন জানান, দুপুরে ঢালাই কাজ শুরু হয়। বিরতির পর আবার কাজ চলছিল। এ সময় প্রায় ১৫ জন শ্রমিক ছিলেন, তাদের মধ্যে অন্তত ১০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।
এ বিষয়ে এক শ্রমিক জানান, “আমি প্রায় ১০ বছর যাবৎ এ ধরনের নির্মাণকাজের সাথে যুক্ত। কিন্তু কখনও বৃষ্টির মধ্যে ছাদ ঢালাই করতে দেখিনি। কাজটি অত্যন্ত নিম্নমানেরভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। ইঞ্জিনিয়ার স্যার কী ভেবে বৃষ্টির মধ্যে ছাদ ঢালাই করতে বলেছে, আমার জানা নেই।”
দুর্ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. আশরাফুল আলম এবং প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান জানান, “চার থেকে ছয়জন শ্রমিক আহত হয়েছেন, একজনের অবস্থা বেশ গুরুতর। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান জানান, "ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য হলের পোর্চের ঢালাই চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে।"
দুর্ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। সদস্যরা হলেন-ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ড. মো. আশরাফুল আলম, মো. অলি উল্লাহ, সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম এবং সদস্য-সচিব প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলাম। কমিটিকে পাঁচ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাবিপ্রবিতে ইইই বিভাগের কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের উদ্যোগে “The Evolving Landscape of EEE: Career Trends, Key Skills, and Global Opportunities” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ জুলাই ২০২৫) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সভাকক্ষে এই কর্মশালা আয়োজিত হয়৷
ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সিজার রহমানের সভাপতিত্বে প্রভাষক আমিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান এবং বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন৷
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক SREDA এর সহকারী পরিচালক ও EEE Academy by Rony Pervej এর প্রতিষ্ঠাতা মো. পারভেজুল ইসলাম। এতে বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। যেখানে আধুনিক ক্যারিয়ার ট্রেন্ড, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং পেশাজীবীদের জন্য বিশ্বব্যাপী বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক জ্ঞান নয়, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি অর্জন করতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য