ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কুকসু দাবীর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট‚ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:২৫
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
কুকসু দাবীর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট‚ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে-(কুবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের-(কুকসু) দাবীর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কালার-স্প্রে করে সৌন্দর্য নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সমালোচনার মুখে পরেছেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা।


মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) আনুমানিক দুপুর ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী মূল ফটকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কালো ও নীল রঙের স্প্রে দিয়ে ‘কুকসু চাই’ লিখেন।


এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার সাথে জড়িত ব্যাক্তিদের শাস্তির দাবী জানান।


এ বিষয়ে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সালমান হোসেন বলেন‚ ‘আপনি কুকসু চাইতে পারেন। এটা আপনার অধিকার‚ কিন্তু তাই বলে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট করার অধিকার তো কেউ আপনাদের দেয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের বাপ দাদার সম্পত্তি মনে করলে তো হবে না। সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্তা নিতে হবে প্রশাসনকে।’


এ বিষয়ে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক মো. হান্নান রহিম বলেন‚ ‘কুকসু সকল শিক্ষার্থীর দাবী। কিন্তু এভাবে গেইট নোংরা করে দাবী আদায় করতে গেলে শিক্ষার্থীদের দ্বারাই সমালোচিত হবে। এটা খুবই লেইম একটা কাজ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইট ক্যাম্পাসের মূল সৌন্দর্য।’ এ ছাড়াও তিনি প্রশাসনের জায়গা থেকে জবাবদিহিতা চাইবে, তাদের শো-কজ করবে।’—বলে প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

দেয়াল লিখনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্টের দায় স্বীকার করে নাঈম ভূইয়া বলেন‚ ‘আমরা যখন এটা করেছি আমাদের ধারণা ছিলো না যে এটার কারণে সৌন্দর্য নষ্ট হবে। এ কাজটা অযৌক্তিক হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার।’


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম বলেন‚ ‘এটা অবশ্যই শৃঙ্খলা ভঙ্গের আওতায় পড়ে। আমরা জড়িতদের নাম সংগ্রহ করছি। তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। এখন এগুলো মুছে ফেলার চেষ্টা করছি।’


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘জোরালো সুপারিশ’ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    ‘জুলাই ৩৬’ কনসার্ট করতে ৭৬ লাখ টাকা চেয়ে ৭০ প্রতিষ্ঠানে সাবেক সমন্বয়কের চিঠি

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:২২
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘জুলাই ৩৬’ কনসার্ট করতে ৭৬ লাখ টাকা চেয়ে ৭০ প্রতিষ্ঠানে সাবেক সমন্বয়কের চিঠি
    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অনুদানের নামে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চব্বিশের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’ কনসার্ট আয়োজনের জন্য ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৭৬ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। 


    আগামী ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই কনসার্ট। ইতোমধ্যেই রাজশাহী সিটি করপোরেশন তাদের দুই লাখ টাকাও দিয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।


    ফেসবুকে সালাউদ্দিন আম্মার নিজেই স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন, অন্তত ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দেওয়া চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব সুপারিশও করেছেন। 


    অনুদান চেয়ে চিঠি দেওয়া রাবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার ও ‘ক্যাম্পাস বাউলিয়ানা’ নামের একটি দলের পরিচালক কে এস কে হৃদয়।


    রাসিকে দেওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। তবে, অনুদান প্রদানের বিষয়ে জানতে রাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক খোন্দকার আজিম আহমেদকে দুদিনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে কলে পাওয়া যায়নি।


    রাসিক সচিব রুমানা আফরোজের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রশ্ন শুনে কোনো মন্তব্য করেননি।


    তবে টাকা দেওয়ার ছাড়পত্রে সই থাকা রাসিকের বাজেট কাম হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খানের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়গুলো প্রশাসক স্যার দেখেন। আমি দেখি না। তাই বলতে পারছি না। টাকার বিষয়ে দেখে আমি পরে আপনাকে জানাতে পারবো।’


    ভাইরাল হওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজশাহীর গৌরবময় ইতিহাসে ৩৬ জুলাই একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনটি আমরা ‘জুলাই আন্দোলন’ হিসেবে স্মরণ করি, যেখানে বহু তরুণ শহীদ হয়েছিলেন এবং অনেকে আহত হয়েছিলেন গণতান্ত্রিক অধিকারের সংগ্রামে। এই ঐতিহাসিক ঘটনার একবছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আমরা আয়োজন করতে যাচ্ছি ‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’। এই উৎসবে রাজশাহীর শহীদ পরিবার, আহতদের পরিবার, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সম্মানিত সমন্বয়কবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তরুণ প্রজন্মকে তাদের আত্মত্যাগের গল্প জানানো। এই মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই আয়োজন আরও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার


    ভাইরাল হওয়া চিঠিটি ছাড়াও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও ওয়ালটনে তাদের দেওয়া প্রস্তাবনা সমকালের হাতে এসেছে। এতে রাবি উপাচার্যের ‘জোরালো সুপারিশ’ রয়েছে।


    চিঠিতে বলা হয়েছে, ৩৬শে জুলাই ‘মুক্তির উৎসব’ (স্বাধীনতার উৎসব) আয়োজনে আপনার সদয় সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করছি, যা ৫ই আগস্ট, ২০২৫ তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই অনুষ্ঠানে বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় ৪০ হাজার অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই অনুষ্ঠানে জুলাই মাসের তথ্যচিত্র, শহীদ পরিবারের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ইন্টারেক্টিভ বিভাগ থাকবে যা জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সমৃদ্ধি তুলে ধরে এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যকে উৎসাহিত করে। যেহেতু এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বারা আয়োজিত একটি অলাভজনক উদ্যোগ, তাই এই অনুষ্ঠানটিকে একটি দুর্দান্ত সাফল্যের জন্য আমরা বিনীতভাবে আপনার সদয় সহযোগিতা এবং সমর্থন কামনা করছি। এই চিঠির সাথে আপনার সদয় বিবেচনার জন্য বিস্তারিত অনুষ্ঠানের বাজেট এবং কর্মসূচির রূপরেখা সংযুক্ত করা হয়েছে।


    এই বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘বিষয়টি তো চাঁদাবাজির মতোই হয়ে গেল। একটু ঘুরিয়ে ভিন্নভাবে চাঁদাবাজি করা আরকি! একজন ছাত্রনেতা বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকে এভাবে চিঠি দিয়ে চাঁদা দাবি করতে পারেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন তো থেকেই যায়!’


    চিঠিটি ফেসবুকে ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন, আবার অনেকেই নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।


    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা এক পোস্টে লিখেন, এই আয়োজন কারা করছে সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই নিয়ে একটা সিনেমার বিষয়ে সহায়তার জন্য আমরা রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কাছে গিয়েছিলাম কিন্তু তিনি কোনো সহায়তা করেননি। অথচ এখানে কনসার্ট হবে সেখানে তিনি কীভাবে সহায়তা দেন?


    এক ফেসবুক পোস্টে শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল ইসলাম লিখেছেন, ‘জুলাই-অভ্যুত্থানে এখনো অসংখ্য আহতরা তাদের চিকিৎসা করতে পারেনি। সরকারি টাকায় উদযাপনের আগে তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, সুতরাং একক ক্রেডিট নিয়ে সরকারি টাকায় জুলাই উদযাপন করা জুলাই যোদ্ধাদের সাথে মুনাফেকি করার নামান্তর।’


    চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, আমাদের দেওয়া রাসিকের চিঠিটি নিয়ে নোংরামি করা হচ্ছে। অথচ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, ওয়ালটন, যমুনা ব্যাংক, সুলতানস ডাইনসহ প্রায় ৭০টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আমরা প্রপোজাল দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যারের সুপারিশ নিয়ে, যথাযথ নিয়ম মেনেই প্রোপোজাল দেওয়া হয়েছে। আমাদের উপাচার্য স্যার প্রতিটি প্রপোজালে তার সিল, স্বাক্ষর দিয়েছেন। সিটি কর্পোরেশনে আমরা চিঠি দিয়ে বলেছিলাম আপনাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা যায় আপনারা করবেন। আমাদের ব্যানার হবে ৬৮ থেকে ৭২ পর্যন্ত সকল ব্যাচের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজন। এর আগেও রাসিক বিভিন্ন সংগঠনকে অর্থায়ন করেছে। আয়োজনটা যেন না করতে পারি সেজন্য এটা নিয়ে এক পক্ষ নোংরামি শুরু করেছে। আমার পেছনে সব পক্ষ লেগে রয়েছে।


    অনুষ্ঠানের আরেক আয়োজক কে এস কে হৃদয় বলেন, কোনও একটা প্রোগ্রাম অর্গানাইজ করার সময় বিভিন্ন কোম্পানির কাছে স্পন্সর এর প্রপোজাল দেওয়ার রীতি নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে। স্পন্সর নেওয়া যদি চাঁদাবাজি হয়, তাহলে আমি বলবো যুগ যুগ ধরে এই চাঁদাবাজি চলতেছে। সিটি কর্পোরেশন শুধু আমাদের না, সব ভালো কাজেই স্পন্সর করে। কিছু দিন আগে একটা সংগঠনের বইমেলায় স্পন্সর করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের কনফারেন্সে করছে। তাই আমাদের প্রোগ্রামের জন্য এটা ব্যতিক্রম কিছু নয়। তাছাড়া প্রত্যেক কোম্পানির কিছু সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকে সেই জায়গা থেকে তারা সামাজিক কাজগুলোতে অনুদান দেয়। যেমন: ব্যাংকগুলো সিএসআর ফান্ড থেকে টাকা দেয়। আর বড় কোম্পানিগুলোর টাকা আমাদের হাত পর্যন্তও আসে না। তারা নিজেরাই সব জায়গায় পেমেন্ট করে। আমাদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম কিছু হবে না। আমরা প্রপোজালে কোথায় কত টাকা খরচ হবে, সবকিছু উল্লেখ করে দিয়েছি। পুরো প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়েছি।


    সম্মতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, আমি প্রথমেই বলে দিয়েছি এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো অর্থ সহায়তা করতে পারবে না। এটা সম্পূর্ণ তোমাদের উদ্যোগে করতে হবে। তখন সে আমায় বলে অর্থ বরাদ্দের জন্য সুপারিশ করে দিতে। আমি ক্যাম্পাসের অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য এর আগেও সুপারিশ করেছি। এটাও সেরকমই একটি ছিল।




    মন্তব্য

    সাত কলেজের আসনসংখ্যা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের নির্দেশনা

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৭
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    সাত কলেজের আসনসংখ্যা যৌক্তিকভাবে নির্ধারণের নির্দেশনা

    সরকারি সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অথবা সমকক্ষ প্রতিষ্ঠানের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে আসন সংখ্যা নির্ধারণে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কলেজগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষকসংখ্যা ও একাডেমিক সক্ষমতা বিবেচনায় রেখে যৌক্তিকভাবে আসন নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে নির্দেশনায়। আজ মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। 


    চিঠিতে সাত কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ (সম্মান) শ্রেণিতে বিষয়ভিত্তিক ছাত্র ভর্তির ক্ষেত্রে স্ব-স্ব কলেজের বিদ্যমান ক্যাম্পাসের আকার, ভবন, ক্লাসরুম ও ল্যাব সুবিধাসহ অবকাঠামো সুবিধা, শিক্ষক ও জনবলের সংখ্যা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থী ভর্তির নিমিত্ত যৌক্তিকভাবে আসন সংখ্যা নির্ধারণ করতে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্যবিহীন অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।


    ইতোপূর্বে আলাদা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্বর্তী প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস। আগামী ৩ আগস্ট ২০২৫ দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে ভর্তি আবেদন চলবে ১০ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।


    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (প্রস্তাবিত)। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ভর্তি নেওয়া হবে বিদ্যমান একাডেমিক কাঠামো অনুসারে। আবেদন করতে হবে https://collegeadmission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০০ টাকা, যা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদান করা যাবে। 


    এস এম মঈন, সরকারি বাঙলা কলেজ প্রতিনিধি

    মন্তব্য

    ‎গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরার চেষ্টা বেরোবির বামপন্থী দলের নেতা সোহাগের

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ‎গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরার চেষ্টা বেরোবির বামপন্থী দলের নেতা সোহাগের

    ‎রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাজেট বৈষম্য ইস্যুতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নিজেদের মধ্যে বিভাজনে জড়ালেন আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা। সেই উত্তপ্ত মুহূর্তে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকতার সরঞ্জামাদি কেড়ে নেন বামপন্থী দলের নেতা শাহরিয়ার সোহাগ।

    ‎মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর পৌনে বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    ‎বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকের উপর এমন আচরণকে অনেকে গণমাধ্যম স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।

    ‎এ বিষয়ে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আবু সাঈদ বলেন, “আজকের কর্মসূচি ছিল স্মারকলিপি প্রদান। সময়মতো আমি উপস্থিত হয়ে দেখি, চত্বরে কেউ নেই। মূল ফটকের দিকে এগিয়ে গেলে কয়েকজন সমন্বয়ককে প্রস্তুতি নিতে দেখি। সেখানে অপেক্ষা করতে থাকি। হঠাৎ দেখি সমন্বয়ক সোহাগ ও জয় নিজেদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। আমি ভিডিও ধারণ করতেই সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। পরে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় মোবাইল ফেরত পাই।”

    ‎এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আহমদুল হক আলবি বলেন, “নেতাদের দ্বন্দ্বে আন্দোলন কার্যত ভণ্ডুল হয়ে যায়। আমরা আন্দোলনের জন্য জড়ো হলেও তারা নিজেদের মধ্যে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। ভিডিও করছিলেন সাংবাদিক আবু সাঈদ, তখনই সোহাগ মোবাইল কেড়ে নেন।”

    ‎ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সমন্বয়ক শাহরিয়ার সোহাগ বলেন, “আমি ফোন কেড়ে নিয়ে কোনো ভুল করিনি। তবে সরি বলেছি, কারণ তখন মাথা গরম ছিল। আবু সাঈদকে বলেছি, 'বন্ধু, সিচুয়েশনটা বুঝতে পারতেছ?' ভিডিও বন্ধ করার জন্যই ফোন নিয়েছি।”

    ‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো ফেরদৌস রহমান বলেন, সাংবাদিকরা এর আগে এদের আক্রমণের শিকার হয়। আবু সাঈদের ক্যাম্পাসে সাংবাদিকরা যদি আবারও এরকম ঘটনার সম্মুখীন হয় তাহলে এটা মেনে নেওয়ার মতো না। ফ্যাসিস্টদের সহযোগী কিছু সমন্বয়ক আবার এই সব ঘটনা ঘটাচ্ছে।


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      তপশিল ঘোষণা

      ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৭
      অনলাইন ডেস্ক
      ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


      মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন পরিচালনায় নিযুক্ত প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই তপশিল ঘোষণা করেন।


      ঘোষিত সময় অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুলাই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া তালিকায় আপত্তি জানানোর শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ১১ আগস্ট বিকেল ৪টায়।


      মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে ১২ আগস্ট থেকে এবং তা চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৯ আগস্ট দুপুর ৩টা। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২০ আগস্ট। প্রাথমিক প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশিত হবে ২১ আগস্ট দুপুর ১টায়। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ আগস্ট দুপুর ১টা পর্যন্ত। এরপর ২৬ আগস্ট বিকেল ৪টায় প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা।


      নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ভোট গণনা এবং ফলাফল প্রকাশও ওইদিনই, অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই সম্পন্ন হবে। হল সংসদের ফলাফল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে এবং ডাকসুর ফলাফল সিনেট ভবনের সিনেট সভাকক্ষে ঘোষণা করা হবে।


      পরিচয়পত্র পে স্লিপ ছাড়া কেউ ভোট দিতে পারবেন না বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক জসীম। 


      এবারই প্রথম নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র ও হলভিত্তিক ভোটারদের ভাগ করে দেওয়া হয়েছে ছয়টি কেন্দ্রে। এ বিষয়ে জানান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী।


      কার্জন হল কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, অমর একুশে এবং ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থীরা। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রে ভোট দেবেন জগন্নাথ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।


      ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন রোকেয়া, শামসুন নাহার ও কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে নির্ধারিত হয়েছে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীদের ভোটদান। সিনেট ভবন কেন্দ্রে ভোট দেবেন স্যার এ এফ রহমান, হাজী মুহম্মদ মহসীন এবং বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।


      এ ছাড়া উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে মাস্টার দা সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান, শেখ মুজিবুর রহমান ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীদের জন্য।


      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত