ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

‎গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরার চেষ্টা বেরোবির বামপন্থী দলের নেতা সোহাগের

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
‎গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরার চেষ্টা বেরোবির বামপন্থী দলের নেতা সোহাগের

‎রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাজেট বৈষম্য ইস্যুতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে নিজেদের মধ্যে বিভাজনে জড়ালেন আন্দোলনের সমন্বয়কারীরা। সেই উত্তপ্ত মুহূর্তে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকতার সরঞ্জামাদি কেড়ে নেন বামপন্থী দলের নেতা শাহরিয়ার সোহাগ।

‎মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর পৌনে বারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকের উপর এমন আচরণকে অনেকে গণমাধ্যম স্বাধীনতার লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন।

‎এ বিষয়ে দৈনিক সংবাদ পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আবু সাঈদ বলেন, “আজকের কর্মসূচি ছিল স্মারকলিপি প্রদান। সময়মতো আমি উপস্থিত হয়ে দেখি, চত্বরে কেউ নেই। মূল ফটকের দিকে এগিয়ে গেলে কয়েকজন সমন্বয়ককে প্রস্তুতি নিতে দেখি। সেখানে অপেক্ষা করতে থাকি। হঠাৎ দেখি সমন্বয়ক সোহাগ ও জয় নিজেদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন। আমি ভিডিও ধারণ করতেই সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। পরে শিক্ষার্থীদের সহায়তায় মোবাইল ফেরত পাই।”

‎এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আহমদুল হক আলবি বলেন, “নেতাদের দ্বন্দ্বে আন্দোলন কার্যত ভণ্ডুল হয়ে যায়। আমরা আন্দোলনের জন্য জড়ো হলেও তারা নিজেদের মধ্যে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। ভিডিও করছিলেন সাংবাদিক আবু সাঈদ, তখনই সোহাগ মোবাইল কেড়ে নেন।”

‎ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সমন্বয়ক শাহরিয়ার সোহাগ বলেন, “আমি ফোন কেড়ে নিয়ে কোনো ভুল করিনি। তবে সরি বলেছি, কারণ তখন মাথা গরম ছিল। আবু সাঈদকে বলেছি, 'বন্ধু, সিচুয়েশনটা বুঝতে পারতেছ?' ভিডিও বন্ধ করার জন্যই ফোন নিয়েছি।”

‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো ফেরদৌস রহমান বলেন, সাংবাদিকরা এর আগে এদের আক্রমণের শিকার হয়। আবু সাঈদের ক্যাম্পাসে সাংবাদিকরা যদি আবারও এরকম ঘটনার সম্মুখীন হয় তাহলে এটা মেনে নেওয়ার মতো না। ফ্যাসিস্টদের সহযোগী কিছু সমন্বয়ক আবার এই সব ঘটনা ঘটাচ্ছে।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    তপশিল ঘোষণা

    ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৪৭
    অনলাইন ডেস্ক
    ডাকসু নির্বাচন ৯ সেপ্টেম্বর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।


    মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন পরিচালনায় নিযুক্ত প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই তপশিল ঘোষণা করেন।


    ঘোষিত সময় অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুলাই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া তালিকায় আপত্তি জানানোর শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ১১ আগস্ট বিকেল ৪টায়।


    মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হবে ১২ আগস্ট থেকে এবং তা চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৯ আগস্ট দুপুর ৩টা। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২০ আগস্ট। প্রাথমিক প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশিত হবে ২১ আগস্ট দুপুর ১টায়। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ আগস্ট দুপুর ১টা পর্যন্ত। এরপর ২৬ আগস্ট বিকেল ৪টায় প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা।


    নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ভোট গণনা এবং ফলাফল প্রকাশও ওইদিনই, অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই সম্পন্ন হবে। হল সংসদের ফলাফল সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে এবং ডাকসুর ফলাফল সিনেট ভবনের সিনেট সভাকক্ষে ঘোষণা করা হবে।


    পরিচয়পত্র পে স্লিপ ছাড়া কেউ ভোট দিতে পারবেন না বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক জসীম। 


    এবারই প্রথম নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র ও হলভিত্তিক ভোটারদের ভাগ করে দেওয়া হয়েছে ছয়টি কেন্দ্রে। এ বিষয়ে জানান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী।


    কার্জন হল কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, অমর একুশে এবং ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থীরা। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রে ভোট দেবেন জগন্নাথ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থীরা।


    ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন রোকেয়া, শামসুন নাহার ও কবি সুফিয়া কামাল হলের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে নির্ধারিত হয়েছে বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের শিক্ষার্থীদের ভোটদান। সিনেট ভবন কেন্দ্রে ভোট দেবেন স্যার এ এফ রহমান, হাজী মুহম্মদ মহসীন এবং বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থীরা।


    এ ছাড়া উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে মাস্টার দা সূর্য সেন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান, শেখ মুজিবুর রহমান ও কবি জসীম উদ্দীন হলের শিক্ষার্থীদের জন্য।


    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৩৫ বছর রাকসু'র তপশিল ঘোষণা, নির্বাচন ১৫ সেপ্টেম্বর

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫৬
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৩৫ বছর রাকসু'র তপশিল ঘোষণা, নির্বাচন ১৫ সেপ্টেম্বর

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৫ সেপ্টেম্বর। আজ সোমবার (২৮ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে তপশিল ঘোষণা করেন রাকসুর নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এনামুল হক।


    নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩১ জুলাই আচরণবিধি প্রকাশ, ৬ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ৭ ও ১০-১২ আগস্ট ভোটার তালিকায় আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, ১৪ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। 


    ১৭-১৯ আগস্ট মনোয়নপত্র বিতরণ, ২১ ও ২৪-২৫ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিল, ২৭-২৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই, ৩১ আগস্ট প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ২ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ৪ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, ১৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ (প্রত্যেক আবাসিক হলে ভোট গ্রহণ) শেষে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে।


    প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন স্বাগত বক্তব্যে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন দশক পর এই বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে আমরা ইতিহাসের নতুন অধ্যায় সূচনার পথে অগ্রসর হচ্ছি। রাকসু নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


    আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনিসহ সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছি। নির্বাচন গ্রহণ থেকে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা পর্যন্ত কোনো অঘটন ঘটবে না, ইনশাআল্লাহ।


    এদিকে রাকসু নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করার পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব জানান, "বেটার লেইট দেন নেভার। সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। আশা করি তিন যুগেরও পর এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভালো নির্বাচনের মাধ্যমে একটা চমৎকার ছাত্র সংসদ পাবে।"

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      গোবিপ্রবিতে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫৪
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      গোবিপ্রবিতে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

      গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) অধ্যয়নরত মেধাবী ও অসচ্ছল ১,০৯১ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।


      সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের মুক্তমঞ্চে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের আয়োজনে এ বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


      অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রত্যেক সেমিস্টারে প্রথম থেকে পঞ্চম মেধাক্রমে থাকা ৮০০ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি এবং ২৯১ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।


      বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজিমউদ্দীন খান। তিনি বলেন, “মেধার স্বীকৃতি দিতে পারায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত, তার অনেকটাই অনুপস্থিত। অতীতে ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত কর্মকাণ্ডেই আজকের সংকট তৈরি হয়েছে। ইউজিসি চেষ্টা করছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন প্রকৃত অর্থেই ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ হয়ে ওঠে। যাতে যোগ্য শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পায়।”


      তিনি আরও বলেন, “বর্তমান প্রশাসনের প্রতি আমার প্রত্যাশা থাকবে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত উচ্চতায় নিয়ে যাবে। ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাদ দিয়ে নতুন জ্ঞান সৃষ্টির দিকে মনোযোগী হতে হবে। আমরা হাজারো লাশের ভার বহন করছি—এই বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না।”


      অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “আমরা পাহাড়সম সমস্যা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আজ ২১ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হলো। এর আগে ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ডে ১০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। স্বনির্ভর কর্মসূচিতে ১০০ শিক্ষার্থী যুক্ত রয়েছে, যেখানে প্রতি মাসে দুই লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।”


      তিনি ইউজিসির সদস্য ড. তানজিমউদ্দীন খানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমাদের দুটি বিভাগ ‘হিট প্রজেক্ট’ প্রাপ্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণা, অবকাঠামো উন্নয়ন, অডিটোরিয়াম নির্মাণ ও সড়ক উন্নয়নে সহায়তা করলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বি-গ্রেড থেকে এ-গ্রেডে উন্নীত হবে।”


      অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাইয়ের শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে অতিথিদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        উত্তরের বাজেট বৈষম্য নিরসনের দাবিতে 'উত্তরবঙ্গ ব্লকেড' ও দুই দফা

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫২
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        উত্তরের বাজেট বৈষম্য নিরসনের দাবিতে 'উত্তরবঙ্গ ব্লকেড' ও দুই দফা

        ‎রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) এবং উত্তরবঙ্গের প্রতি অনন্তকালের বাজেট বৈষম্য নিরসনের দাবিতে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার "মডার্ন মোড় ব্লকেড" দিয়েছে বেরোবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

        ‎সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল মডার্ন মোড়ে এসে অবস্থান করে দুই দফা দাবি ঘোষণা করেন।


        এসময় শিক্ষার্থীরা "রক্ত লাগলে রক্ত নে, রংপুরে বাজেট দে", "লাশ লাগলে লাশ নে, রংপুরে বাজেট দে", "ঢাবির সিন্ডিকেট ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও", "ইন্টারিমের দালালরা, হুঁশিয়ার সাবধান," "আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই" " আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ", ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, রংপুরে বাজেট দে" ইত্যাদি বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে দেখা যায়। 


        এসময় শিক্ষার্থীরা রংপুরের বৈষম্য নিরসনের জন্য দুই দফা দাবি দুই দফা ও আল্টিমেটাম ঘোষণা দেন বেরোবি শিক্ষার্থীরা,


        দুই দফাঃ

        ১। উত্তরবঙ্গের অনন্তকালের বাজেট বৈষম্য নিরসন ও এ অঞ্চলের সার্বিক (অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামোগত) উন্নয়ন নিশ্চিতে একটি সতন্ত্র আঞ্চলিক কমিশন গঠন করতে হবে।

        ২। উত্তরবঙ্গের বাতিঘর অর্থাৎ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি স্বায়ত্তশাসিত পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তর করতে হবে।


        আল্টিমেটামঃ

        ১. আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দাবী আদায় না হলে উত্তরবঙ্গ ব্লকেড ও উত্তরবঙ্গ থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

        ২. আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে উপরোক্ত ২দফা দাবি আদায়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হবে।


        ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী শিবলী সাদিক বলেন, "জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে কোন প্রকার বৈষম্য থাকবে না  কিন্তু আমরা জুলাই পরবর্তী সময় দেখতেছি সরকার রংপুর এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বাজেট বৈষম্য করছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস রুম সংকট আবাসন সংকট এবং রংপুরের নানা উন্নয়নে কোন বাজেট দেয়নি এই অন্তবর্তী কালীন সরকার । আমরা চাই এই সকল কাজের জন্য বাজেট প্রণয়ন করা হোক এবং রংপুরে তিস্তা পরিকল্পনা সহ সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার জন্য আজকের এই আন্দোলন। "


        সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান জয় বলেন, " রংপুর এবং বেগম রোকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছরের ন্যায় এই বছর আমরা বাজেট বৈষম্য দেখতে পেয়েছি। আমরা ভেবেছিলাম ২৪ এর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পর এ ধরনের বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু এখনো কোনো বাজেট বৈষম্য দূর হয়নি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সহ রংপুরের উন্নয়ন কাজে নূন্যতম কোন বাজেট প্রণয়ন করা হয়নি। তাই আমরা এই বৈষম্য নিরাশনের দাবিতে রাজপথে নেমেছি।"


        গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শাহরিয়ার সোহাগ বলেন,"আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো একটি অডিটোরিয়াম নেই। নেই কোনো টিএসসি। পর্যাপ্ত বাস ও ক্লাসরুমের অভাবে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। আমরা চাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হোক।


        উল্লেখ, গতাকাল রবিবার (২৭ জুলাই) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৮ হাজার ১৪৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১২টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতরো উন্নয়নের জন্য ২৮৪০ কোটি টাকা বাজেট অনুমোদন করা হয় । কিন্তু বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কোন বাজেট অনুমোদন করা হয়নি। উত্ততির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত