ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

লুৎফুর রহমান – স্বপ্ন পূরণের পথপ্রদর্শক শিক্ষক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
লুৎফুর রহমান – স্বপ্ন পূরণের পথপ্রদর্শক শিক্ষক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর থেকেই লুৎফুর রহমান নিজের জীবনকে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের কাজে উৎসর্গ করেছেন। ছাত্রজীবনেই তিনি শিক্ষতা পেশাকে বেছে নেন। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট পরিসরে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে করতেই গড়ে ওঠে তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান “লুৎফুর’স এডমিশন প্রাইভেট ব্যাচ”। বর্তমানে এটি সিলেটের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।


তার আন্তরিক পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনায় গড়ে ওঠা শত শত শিক্ষার্থী দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, শাবিপ্রবি, বেগম রোকেয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন তার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি রয়েছে।


লুৎফুর স্যার প্রায়ই তার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভালোবাসা ভরা কণ্ঠে বলেন—

“তোমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ো। কোনো একদিন যদি দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমার একজন শিক্ষার্থী এসে বলে—‘স্যার, কেমন আছেন? কবে এলেন?’—সেই দিনটিই হবে আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য ও আনন্দের মুহূর্ত।”


তার এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে অনেকেই। তাদের মধ্যে একজন হলেন মোহাম্মদ এহছানুল হক মিলন, বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী।


মিলন বলেন—

“আমার বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির যাত্রা শুরু হয়েছিল লুৎফুর’স এডমিশন প্রাইভেট ব্যাচ থেকে। স্যারের হ্যান্ডনোট, সাজেশন আর দিকনির্দেশনা আমাকে শুধু ভর্তি পরীক্ষায় সফল হতে সাহায্য করেনি—বরং আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে পরিকল্পনা করে পড়তে হয়, সময়কে কাজে লাগাতে হয়, আর কোন বিষয় আগে গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে।”


তিনি আরও যোগ করেন—

“আজ যখন শাবিপ্রবির সুন্দর ক্যাম্পাসে হাঁটি, মাঝে মাঝে মনে হয়—এই যাত্রার শুরুটা হয়েছিল লুৎফুর স্যারের হাত ধরেই। যদি একদিন স্যারকে ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে বলতে পারি—‘স্যার, দেখুন, আপনার স্বপ্নের একটি অংশ পূর্ণ হয়েছে’—সেটাই হবে আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।”


শুধু মিলন নয়—লুৎফুর স্যারের অসংখ্য শিক্ষার্থী একইভাবে তার প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের সাফল্যই প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং এক নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের হাত ধরলে একজন শিক্ষার্থীর জীবন কতটা বদলে যেতে পারে।


লুৎফুর রহমান স্যার শিক্ষার্থীদের কাছে শুধু শিক্ষক নন—তিনি অনুপ্রেরণা, পথপ্রদর্শক এবং স্বপ্নবান একজন মানুষ। তার কোচিং সেন্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা শুধু ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিই নেয় না—বরং গড়ে তোলে আত্মবিশ্বাস, স্বপ্ন ও সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা।


সকল শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে লুৎফুর রহমান স্যারের জন্য রইল অফুরন্ত শুভকামনা ও ভালোবাসা।

তিনি যেন আরও অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকেন—এই কামনা সবার।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    রুয়া'র সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক নিজাম উদ্দীন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৬:১৭
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    রুয়া'র সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক নিজাম উদ্দীন

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) নির্বাচন ২০২৫-এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের প্রফেসর ও সিন্ডিকেট সদস্য ড. মো. নিজাম উদ্দীন। 


    শনিবার (২৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পযর্ন্ত ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষণা করেন রুয়া'র প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এফ নজরুল ইসলাম ও নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ।  


    নির্বাচনে সহসভাপতি হয়েছেন মো. কেরামত আলী ও মো. মতিউর রহমান আখন্দ এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে সাবরীনা শারমিন, কোষাধ্যক্ষ জে এ এম সকিলউর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল আহসান ও দেলাওয়ার হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (সংরক্ষিত মহিলা) ড. মোছা. ইসমত আরা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমাজ উদ্দিন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির উদ্দীন, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক ড. মো. নাসির উদ্দিন, যুগ্ম-শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা, যুগ্ম-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. মো. নূরুল ইসলাম। 


    সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ড. মো. হারুন-আর রশিদ, যুগ্ম-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ, প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সম্পাদক কে. এম. কামরুজ্জামান কোরবান, যুগ্ম-প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সম্পাদক মোহা. আশরাফুল আলম ইমন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক, যুগ্ম-ক্রীড়া সম্পাদক রুকন উদ্দিন মো. রওশন জামির খান, দপ্তর সম্পাদক কাজী মামুন রানা, যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক মো. মোজাহিদ হাসান। 


    আইটি সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, যুগ্ম-আইটি সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান মুন্না, আইন সম্পাদক মুহম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন, যুগ্ম-আইন সম্পাদক মো. মিল্টন হোসেন, কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক ড. শাহ্ হোসাইন আহমেদ মেহ্দী, মুখ্য-কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ তাফসীর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ. বি. এম. কামরুজ্জামান, যুগ্ম-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. ফরহাদ আলম।


    এছাড়া নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ১৫ জন। তারা হলেন মো. আশফাকুল রহমান, মো. আবু তালেব, মো. আব্দুল বাছেদ, মো. আবদুল খালেক, এম উমার আলী, আ. স. ম. খায়রুজ্জামান, মো. গোলাম রছুল, মো. নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মো. মহিউদ্দীন, মো. মাহবুবুল আহসান, মো. রেজাউল করিম, মো. রফিকুল ইসলাম, মোহা. লতিফুল রহমান, মো. শফিকুল ইসলাম। 


    সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫ জন নির্বাহী সদস্য হয়েছেন। তারা হলেন মোছা. ফাতিমা খাতুন, মোসা. সখিনা খাতুন, ড. সিরাজুম মুনীরা, শাহানারা বেগম ও শারমিন আকতার।


    ঘোষণা অনুযায়ী, রুয়া'র মোট জীবন সদস্য ৮ হাজার ২৭৫ জন। আজ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উপস্থিত ছিল সাড়ে তিন হাজার ভোটার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৮০০ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০৯ জন ভোট দিয়েছেন। সে হিসেবে মোট ৪৩ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি ছিলেন।


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন সমকামিতা প্রতিষ্ঠা করে, রাজশাহী কলেজে বিক্ষোভ

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৩৪
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন সমকামিতা প্রতিষ্ঠা করে, রাজশাহী কলেজে বিক্ষোভ

      বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের প্রতিবাদে রাজশাহী কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজিত বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন নাম দিলেও এই কমিশন মূলত সমকামিতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে, ইহুদীবাদী খ্রিষ্টান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে। 


      শনিবার (২৬ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে কলেজের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তারা এইসব কথা বলেন। এসময় তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ, কিন্তু জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের অধিকাংশ নীতি ইসলামী মূল্যবোধ বিরোধী। তাই আমরা একটি মুসলিম দেশে এইরকম নাপাক কমিশনকে স্থান দিতে পারি না। এ জমিনে শহীদ তিতুমীর, হাজী শরিয়ত উল্লাহ, শাহজাহান, শাহ মখদুমের মতো ব্যক্তিরা ছিলেন। এই পবিত্র জমিতে এই রকম নাপাক মানবাধিকার কমিশন থাকবে এটা মুসলিম হিসেবে আমরা কখনোই বরদাস্ত করবো না। 


      বক্তারা বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার মুসলিম দেশগুলোর জন্য কখনো কার্যকর হয় না। ফিলিস্তিন, সিরিয়া, কাশ্মীসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে যখন মুসলিমদের উপর হামলা করা হয়, হত্যা করা হয় তখন এই মানবাধিকার কমিশন তাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সবসময় নিশ্চুপ ও ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। কিন্তু বিপরীতে কোনো অমুসলিমদের উপর হামলা হলে এই কমিশন তাদের জন্য সক্রিয় হয়ে কাজ করে। আমরা মুসলিম হিসেবে ঈমানের তাগিদে আজকে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যাতে বাংলাদেশে এই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেওয়া হয়।


      এসময় বক্তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সরকারের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি এই সরকার যেন এই কমিশনের কার্যক্রম বাংলাদেশে স্থগিত করেন। যদি এই কমিশনের কার্যক্রম স্থগিত করা না হয় পরবর্তীতে আরো কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা। 


      বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রাজশাহী কলেজের অর্থনীতি বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল আল মারুফ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদ হাসান, অর্থনীতি বিভাগের ৩ম বর্ষের শিক্ষার্থী তানিমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শুরুতে কলেজের প্রশাসন ভবনের সামনে বক্তারা বক্তব্য রাখেন এবং পরবর্তীতে মিছিল নিয়ে কলেজের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করা হয়।


      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাকৃবিতে গ্রীন ভয়েসের ‘মেঘের আড়ালে’ অনুষ্ঠিত

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৪০
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      বাকৃবিতে গ্রীন ভয়েসের ‘মেঘের আড়ালে’ অনুষ্ঠিত

      বর্ষা মানেই নতুন প্রাণের স্পন্দন, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গান আর প্রকৃতির সঙ্গে মিতালি। এই ঋতুকেই বরণ করে নিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হলো পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’-এর ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ‘মেঘের আড়ালে’। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমতলায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


      অনুষ্ঠানটি শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং পরিবেশ ও সচেতনতার এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল । শিশুদের কলকাকলি, উৎসবের ছোয়া ও মেঘের অনাবিল ছন্দে, ঢোলের শব্দ ও শ্রাবণের প্রতিধ্বনিতে শুরু হয় ওই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আনুষ্ঠানিকতা। একে একে মঞ্চে ওঠেন নৃত্যশিল্পী, সংগীত শিল্পী ও পরিবেশকর্মীরা। প্রতিটি পরিবেশনাতেই ছিল প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা আর দায়বদ্ধতার বার্তা।


      অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল হক, চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হুমায়ূন কবির, মাওলানা ভাসানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শরীফ-আর-রাফি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক শাকিল কবির, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি পারিকা মুস্তাফা পুন্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিলো বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি। 


      অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাগুলোতে স্থান পায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝুমুর নৃত্য, বাউল গান ও আধুনিক উপস্থাপনা। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল পরিবেশবান্ধব খাবার ও গাছের স্টল ও হস্ত শিল্পের স্টল। এছাড়াও আয়োজন ছিল মজার মজার খেলাধুলার। খেলার জয়ীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।


      সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা ও পরিবেশ বান্ধব উপকরণ বিতরণ। এসময় দেড় শতাধিক গাছ বিতরণ করা হয় যা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও দর্শকদের মধ্যে। প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।


      আয়োজন শেষে গ্রীন ভয়েস বাকৃবি শাখার সভাপতি ইফরান ইউসুফ শিহাব বলেন, এই বর্ষাবরণ শুধুই উৎসব নয়, এটি এক আহ্বান প্রকৃতিকে ভালোবাসার, তাকে রক্ষা করার। আমাদের প্রতিটি উৎসবে প্রকৃতির প্রতিই থাকতে হবে দায়বদ্ধতা। ‘মেঘের আড়ালে’ তাই শুধু বিনোদনের সন্ধ্যা নয়, ছিল আত্মজাগরণের মুহূর্ত। যেখানে গান আর নৃত্যের ছন্দে প্রকৃতি হয়ে ওঠে প্রতিটি মানুষের অনুভবে এক নতুন উপলব্ধি। আমরা চাই আমাদের মতো অন্য সংগঠন গুলোও এ ধরনের অনুষ্ঠান বেশি করুক। আমরা আমাদের চাহিদার থেকেও বেশি সাড়া পেয়েছি যা আমাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রুয়া নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন ২৭ অ্যালামনাস

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২৮
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        রুয়া নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন ২৭ অ্যালামনাস

        রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) নির্বাচন ২০২৫ আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে যা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৫টি-সহ গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি পদে ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে সংবিধান লঙ্ঘনসহ কয়েকটি অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করেছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী জীবন সদস্যবৃন্দ।


        বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. নিজাম উদ্দীন, সহসভাপতি (সংরক্ষিত মহিলা) সাবরীনা শারমিন, কোষাধ্যক্ষ জে এ এম সকিলউর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (সংরক্ষিত মহিলা) ড. মোছা. ইসমত আরা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমাজ উদ্দিন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির উদ্দীন, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক ড. মো. নাসির উদ্দিন, যুগ্ম-শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. মো. নূরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ। 


        যুগ্ম-প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সম্পাদক মোহা. আশরাফুল আলম ইমন, যুগ্ম-ক্রীড়া সম্পাদক রুকন উদ্দিন মো. রওশন জামির খান, দপ্তর সম্পাদক কাজী মামুন রানা, যুগ্য-দপ্তর সম্পাদক মো. মোজাহিদ হাসান, আইটি সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, যুগ্ম-আইটি সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান মুন্না, আইন সম্পাদক মুহম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন, মুখ্য-কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ তাফসীর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ. বি. এম. কামরুজ্জামান, যুগ্ম-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. ফরহাদ আলম।


        এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাহী সদস্য হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোছা. ফাতিমা খাতুন, মোসা. সখিনা খাতুন, ড. সিরাজুম মুনীরা, শাহানারা বেগম ও শারমিন আকতার। 


        নির্বাচনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, "দীর্ঘদিন পর একটি কার্যকর রুয়া হতে যাচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশে রুয়া নির্বাচন হচ্ছে। তবে যারা নির্বাচন বর্জন করেছেন, তারা যদি নির্বাচনে অংশ নিতেন তাহলে বিষয়টা আরো ভালো হতো। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রুয়াকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছি। "


        সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, এটা ডাহা মিথ্যা অপবাদ। এই নির্বাচনে বিন্দুমাত্র সংবিধানের লঙ্ঘন ঘটেনি। যারা এই অভিযোগ তুলছেন তারাই প্রমাণ করুক যে কোথায় লঙ্ঘন হয়েছে।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত