শিরোনাম
বাকৃবিতে গ্রীন ভয়েসের ‘মেঘের আড়ালে’ অনুষ্ঠিত
বর্ষা মানেই নতুন প্রাণের স্পন্দন, হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া গান আর প্রকৃতির সঙ্গে মিতালি। এই ঋতুকেই বরণ করে নিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হলো পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীন ভয়েস’-এর ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ‘মেঘের আড়ালে’। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমতলায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি শুধু সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং পরিবেশ ও সচেতনতার এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল । শিশুদের কলকাকলি, উৎসবের ছোয়া ও মেঘের অনাবিল ছন্দে, ঢোলের শব্দ ও শ্রাবণের প্রতিধ্বনিতে শুরু হয় ওই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আনুষ্ঠানিকতা। একে একে মঞ্চে ওঠেন নৃত্যশিল্পী, সংগীত শিল্পী ও পরিবেশকর্মীরা। প্রতিটি পরিবেশনাতেই ছিল প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা আর দায়বদ্ধতার বার্তা।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল হক, চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হুমায়ূন কবির, মাওলানা ভাসানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শরীফ-আর-রাফি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবির, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমন্বয়ক শাকিল কবির, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি পারিকা মুস্তাফা পুন্যসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিলো বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি।
অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাগুলোতে স্থান পায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝুমুর নৃত্য, বাউল গান ও আধুনিক উপস্থাপনা। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল পরিবেশবান্ধব খাবার ও গাছের স্টল ও হস্ত শিল্পের স্টল। এছাড়াও আয়োজন ছিল মজার মজার খেলাধুলার। খেলার জয়ীদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।
সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশ ছিল প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা ও পরিবেশ বান্ধব উপকরণ বিতরণ। এসময় দেড় শতাধিক গাছ বিতরণ করা হয় যা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও দর্শকদের মধ্যে। প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে এমন উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
আয়োজন শেষে গ্রীন ভয়েস বাকৃবি শাখার সভাপতি ইফরান ইউসুফ শিহাব বলেন, এই বর্ষাবরণ শুধুই উৎসব নয়, এটি এক আহ্বান প্রকৃতিকে ভালোবাসার, তাকে রক্ষা করার। আমাদের প্রতিটি উৎসবে প্রকৃতির প্রতিই থাকতে হবে দায়বদ্ধতা। ‘মেঘের আড়ালে’ তাই শুধু বিনোদনের সন্ধ্যা নয়, ছিল আত্মজাগরণের মুহূর্ত। যেখানে গান আর নৃত্যের ছন্দে প্রকৃতি হয়ে ওঠে প্রতিটি মানুষের অনুভবে এক নতুন উপলব্ধি। আমরা চাই আমাদের মতো অন্য সংগঠন গুলোও এ ধরনের অনুষ্ঠান বেশি করুক। আমরা আমাদের চাহিদার থেকেও বেশি সাড়া পেয়েছি যা আমাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
রুয়া নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেন ২৭ অ্যালামনাস
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (রুয়া) নির্বাচন ২০২৫ আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে যা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৫টি-সহ গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি পদে ইতোমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে সংবিধান লঙ্ঘনসহ কয়েকটি অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করেছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী জীবন সদস্যবৃন্দ।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. নিজাম উদ্দীন, সহসভাপতি (সংরক্ষিত মহিলা) সাবরীনা শারমিন, কোষাধ্যক্ষ জে এ এম সকিলউর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (সংরক্ষিত মহিলা) ড. মোছা. ইসমত আরা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমাজ উদ্দিন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কবির উদ্দীন, শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক ড. মো. নাসির উদ্দিন, যুগ্ম-শিক্ষা ও পাঠাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. মো. নূরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ।
যুগ্ম-প্রচার, প্রকাশনা ও জনসংযোগ সম্পাদক মোহা. আশরাফুল আলম ইমন, যুগ্ম-ক্রীড়া সম্পাদক রুকন উদ্দিন মো. রওশন জামির খান, দপ্তর সম্পাদক কাজী মামুন রানা, যুগ্য-দপ্তর সম্পাদক মো. মোজাহিদ হাসান, আইটি সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, যুগ্ম-আইটি সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান মুন্না, আইন সম্পাদক মুহম্মদ শাহাদাৎ হোসাইন, মুখ্য-কল্যাণ ও উন্নয়ন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ তাফসীর, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ. বি. এম. কামরুজ্জামান, যুগ্ম-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. ফরহাদ আলম।
এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাহী সদস্য হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোছা. ফাতিমা খাতুন, মোসা. সখিনা খাতুন, ড. সিরাজুম মুনীরা, শাহানারা বেগম ও শারমিন আকতার।
নির্বাচনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, "দীর্ঘদিন পর একটি কার্যকর রুয়া হতে যাচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশে রুয়া নির্বাচন হচ্ছে। তবে যারা নির্বাচন বর্জন করেছেন, তারা যদি নির্বাচনে অংশ নিতেন তাহলে বিষয়টা আরো ভালো হতো। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রুয়াকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করছি। "
সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, এটা ডাহা মিথ্যা অপবাদ। এই নির্বাচনে বিন্দুমাত্র সংবিধানের লঙ্ঘন ঘটেনি। যারা এই অভিযোগ তুলছেন তারাই প্রমাণ করুক যে কোথায় লঙ্ঘন হয়েছে।
পবিপ্রবিতে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) "জুলাই গণঅভ্যুত্থান" এর ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স কক্ষে এ আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও পবিপ্রবি ফিল্ম সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম হেমায়েত জাহান ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ফারানা রহমান। ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম টিটো ও ডেপুটি ডিরেক্টর মাহফুজুর রহমান সবুজের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পবিপ্রবি'র ছাএদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেলরানা জনি, পবিপ্রবি'র ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রায়হান সরকার হীরা প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ কেন্দ্রিক একটি ঘণ্টাব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনির্বাচিত ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি নাইমুর রহমান বেনজিন ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান সরকার হীরা তথ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠান শেষে নবনির্বাচিত ফিল্ম সোসাইটির নেতৃবৃন্দ প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও সভাপতির সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো ভিসি প্রফেসর ড. এস.এম হেমায়েত জাহান বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ঋন শোধ হবার নয়। তারা জীবন দিয়ে আরেকটি স্বাধীনতার জন্ম দিল।তিনি পবিপ্রবি'র নবনির্বাচিত ফিল্ম সোসাইটিকে ধন্যবাদ জানান।তিনি ফিল্ম আর্কাইভের মাধ্যমে পবিপ্রবিতে আরো সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান উপহার দিবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।"
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে। এ গণঅভ্যুত্থান হলো একটি ফ্যাসিবাদী রাস্ট্রব্যবস্হার বিপরীতে একটি জাতির সম্মিলিত স্লোগান-যার মধ্য দিয়ে ফিরে আসে হারানো স্বাধীনতা। পুনরুজ্জীবন লাভ করে গণতন্ত্র। দেশ থেকে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের পতন ঘটে।"
বেলুন উড়িয়ে রাজশাহী কলেজ আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
রাজশাহী কলেজে শুরু হয়েছে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট। শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় কলেজের কেন্দ্রীয় মাঠে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে কলেজ অধ্যক্ষ বলেন, খেলায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়দের কাছে খেলোয়াড় সুলভ আচরণ আশা করছি, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেদিকে সকলে খেয়াল রাখবো। কারো প্রতি হিংসা, রাগ, ক্ষোভের প্রকাশ না করে খেলার নিয়ম মেনে খেলবো। যারা শিক্ষক ও শৃঙ্খলা কমিটিতে রয়েছেন তারাও এ বিষয়ে সচেতন অবলম্বন করবেন। যারা খেলতে নামবে তারা জয় অর্জনের চেষ্টা করবে এবং একটি সুন্দর টুর্নামেন্টের আশা রেখে আজকে এই আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে খেলায় অংশগ্রহণ করবে ৮টি বিভাগের মোট ৪টি ফুটবল টিম। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে গ্রুপ-এ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ও অর্থনীতি বিভাগ। দ্বিতীয় ম্যাচে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ মুখোমুখি হবে ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের। তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে গ্রুপ-এ ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে। সর্বশেষ চতুর্থ ম্যাচে গ্রুপ-বি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ।
এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীনসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
একবারের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে মোট বিভাগের ২৪টি ফুটবল টিম। গ্রুপ-এ ও গ্রুপ-বি দুইটি ভাগে ২৪ টি দলকে ১২টি দলে বিভক্ত করে পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে ঘিরে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
খুবির আইন ডিসিপ্লিনে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘উচ্চশিক্ষায় মানসিক স্বাস্থ্য: একাডেমিক ও ব্যক্তিগত প্রতিকূলতা মোকাবিলা’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৫ জুলাই (শুক্রবার) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।।এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে একাডেমিক চাপের চেয়েও বড় চাপ হয়ে দাঁড়ায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও আর্থিক সংকট। এই বহুমাত্রিক চাপে হতাশার সৃষ্টি হয়, যা কখনো কখনো আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেয়। মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হলে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়ন করতে হবে এবং সরাসরি আলাপ-আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একাকিত্ব ধীরে ধীরে মানুষকে আত্মকেন্দ্রিক করে তোলে এবং মানসিক সমস্যায় নিমজ্জিত করে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক সমস্যা কিংবা আর্থিক অনটনের মতো বিষয়গুলোতে হতাশ না হয়ে বন্ধু, পরিবার বা শিক্ষক-পরামর্শদাতার সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনায় অবিচল থাকা উচিত।
উপাচার্য মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি সেমিনার আয়োজন করায় আইন ডিসিপ্লিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান এবং ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর পুনম চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক এস. এম. হায়াত মাহমুদ।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘মাইন্ডউইজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সাইকোলজিস্ট ফয়সাল আহমেদ রাফি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তিনি মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও তা রক্ষায় করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জেসিয়া হোসেন জেরিন ও শুভ্রদেব সিং। সেমিনারে আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য