শিরোনাম
বেলুন উড়িয়ে রাজশাহী কলেজ আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
রাজশাহী কলেজে শুরু হয়েছে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট। শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় কলেজের কেন্দ্রীয় মাঠে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে কলেজ অধ্যক্ষ বলেন, খেলায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক খেলোয়াড়দের কাছে খেলোয়াড় সুলভ আচরণ আশা করছি, যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেদিকে সকলে খেয়াল রাখবো। কারো প্রতি হিংসা, রাগ, ক্ষোভের প্রকাশ না করে খেলার নিয়ম মেনে খেলবো। যারা শিক্ষক ও শৃঙ্খলা কমিটিতে রয়েছেন তারাও এ বিষয়ে সচেতন অবলম্বন করবেন। যারা খেলতে নামবে তারা জয় অর্জনের চেষ্টা করবে এবং একটি সুন্দর টুর্নামেন্টের আশা রেখে আজকে এই আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে খেলায় অংশগ্রহণ করবে ৮টি বিভাগের মোট ৪টি ফুটবল টিম। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে গ্রুপ-এ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ও অর্থনীতি বিভাগ। দ্বিতীয় ম্যাচে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ মুখোমুখি হবে ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের। তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে গ্রুপ-এ ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মধ্যে। সর্বশেষ চতুর্থ ম্যাচে গ্রুপ-বি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ।
এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ ইব্রাহিম আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মোঃ সেরাজ উদ্দীনসহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
একবারের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে মোট বিভাগের ২৪টি ফুটবল টিম। গ্রুপ-এ ও গ্রুপ-বি দুইটি ভাগে ২৪ টি দলকে ১২টি দলে বিভক্ত করে পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ টুর্নামেন্টে ঘিরে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
খুবির আইন ডিসিপ্লিনে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘উচ্চশিক্ষায় মানসিক স্বাস্থ্য: একাডেমিক ও ব্যক্তিগত প্রতিকূলতা মোকাবিলা’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ২৫ জুলাই (শুক্রবার) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।।এসময় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে একাডেমিক চাপের চেয়েও বড় চাপ হয়ে দাঁড়ায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও আর্থিক সংকট। এই বহুমাত্রিক চাপে হতাশার সৃষ্টি হয়, যা কখনো কখনো আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্তের দিকে ঠেলে দেয়। মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে হলে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়ন করতে হবে এবং সরাসরি আলাপ-আলোচনার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একাকিত্ব ধীরে ধীরে মানুষকে আত্মকেন্দ্রিক করে তোলে এবং মানসিক সমস্যায় নিমজ্জিত করে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক সমস্যা কিংবা আর্থিক অনটনের মতো বিষয়গুলোতে হতাশ না হয়ে বন্ধু, পরিবার বা শিক্ষক-পরামর্শদাতার সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনায় অবিচল থাকা উচিত।
উপাচার্য মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি সেমিনার আয়োজন করায় আইন ডিসিপ্লিনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন স্কুলের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান এবং ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর পুনম চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক এস. এম. হায়াত মাহমুদ।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘মাইন্ডউইজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ সাইকোলজিস্ট ফয়সাল আহমেদ রাফি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তিনি মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও তা রক্ষায় করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জেসিয়া হোসেন জেরিন ও শুভ্রদেব সিং। সেমিনারে আইন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
খুবিতে ‘শহিদ মীর মুগ্ধ বৃত্তি’ পেলেন গণিত ডিসিপ্লিনের ৪ শিক্ষার্থী
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ‘ম্যাথমেটিকস্ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন’ এর উদ্যোগে শহিদ মীর মুগ্ধ বৃত্তি প্রদান ও স্মরণ সভা আজ ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১০টায় ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এসময় তিনি বলেন, শহিদ মীর মুগ্ধ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বিশ্বব্যাপী এক অনন্য নাম। তিনি ছিলেন এক বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর মননে ও চিন্তায় সদা জাগরূক ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর স্মৃতিকে অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নামকরণ, ১৮ জুলাইকে ‘শহিদ মীর মুগ্ধ দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, স্মৃতি কর্নার ও পানি কর্নার স্থাপনসহ একাধিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে স্মৃতিফলক নির্মাণসহ আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ম্যাথমেটিকস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন যে মহান উদ্যোগে আজ এই বৃত্তি চালু করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, এই বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন অনুপ্রাণিত হবে, তেমনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মুগ্ধ-এর স্মৃতি আরও গভীরে প্রোথিত হবে। আমি এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, শহিদ মীর মুগ্ধ’র মতো তরুণরা জীবনের বিনিময়ে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে। তারা দেশের জন্য গর্ব। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ ছিল গভীর, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। আজকের এই বৃত্তি তাঁর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার প্রতিফলন এবং স্মৃতিকে অম্লান রাখার প্রয়াস।
গণিত ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আজমল হুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, শহিদ মীর মুগ্ধ’র বড়ভাই মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুন্সী শহীদ আনিস (সুমন)। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে স্মৃতিচারণ করেন ’১৯ ব্যাচের মোঃ জাকিরুল ইসলাম ও ’২১ ব্যাচের কাশেম আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ আনিচুর রহমান পলাশ ও নুসরাত ইয়াসমিন কনা।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ গণিত ডিসিপ্লিনের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তি তুলে দেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- ৪র্থ বর্ষ ২য় টার্মের মোঃ আনিচুর রহমান পলাশ, ৩য় বর্ষ ২য় টার্মের নূর আলম, ৩য় বর্ষ ১ম টার্মের মোঃ আব্দুল আলীম ও ১ম বর্ষ ২য় টার্মের আহসান হাবীব।
এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই শহিদদের স্মরণে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প শুরু
জুলাই বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী মহান শহিদদের স্মরণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর।
জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস ও সোসাইটি ফর এসিস্ট্যান্স টু হিয়ারিং ইস্পেয়ার্ড চিলড্রেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই হেল্থ ক্যাম্পের প্রথম দিনের কার্যক্রম চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
দ্বিতীয় ধাপের হেল্থ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ ও ৩০ জুলাই। এতে বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের ৮জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিনামূল্যে কনসালটেশন ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন।
হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহিদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। ঢাকা থেকে আগত বেশ অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য চিকিৎসকরা এখানে সেবা প্রদান করছেন। আজকের হেল্থ ক্যাম্পে মূলত রোগ শনাক্ত করা, ব্যবস্থাপত্র দেয়া এবং সঙ্গে কিছু ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
পবিপ্রবিতে ‘ফিল্ম সোসাইটি’ গঠিত সভাপতি বেনজিন ও সাধারণ সম্পাদক হীরা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ‘ফিল্ম সোসাইটি’ নামে একটি নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। চলচ্চিত্রচর্চা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহ দিতে গঠিত এ সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন এলএলএ অনুষদের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মো. নাঈমুর রহমান বেনজিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কৃষি অনুষদের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী রায়হান সরকার হীরা।
৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন সহ-সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, সজীব বড়ুয়া (এলএলএ, ২০২০-২১), ও শাহরিয়ার ইকবাল লিমন (কৃষি, ২০২০-২১); যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত বিশ্বাস ও মাশরাফি বিন অন্ত (কৃষি, ২০২১-২২); সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিত (কৃষি, ২০২১-২২); কোষাধ্যক্ষ আরশাদুল হক সাজিন (বিবিএ); প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আকাশ (বিবিএ, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার); ক্রীড়া সম্পাদক মো. রেদোয়ানুল্লাহ (এনএফএস, ২০২০-২১); মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোসা. তাসলিমা খাতুন (কৃষি, ২০২০-২১); সমাজসেবা সম্পাদক সাকিবুর রহমান (বিবিএ); ও দপ্তর সম্পাদক সিহাব ঢালী (কৃষি, ২০২১-২২)।
কমিটির সদস্যরা হলেন— মুনতাসীর মাহমুদ, ফাবিহা বুশরা, রাইফুন ইসলাম রাফি, আজমাইন ইমতিয়াজ মুরাদ, সানজিদ আহমেদ জিম, শর্মিষ্ঠা ব্যাপারী, আলভী, রিপা ভট্টাচার্য, আলিফ, আরহাম, রিয়াদ রহমান সুপ্ত, মির নাবিল হোসেন, মেহেদী হাসান, আরিফুল ইসলাম রিয়াদ, ফিরোজ আহমেদ, স্মৃতি রাণী মণ্ডল ও ফারজানা হক।
সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে আছেন পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম টিটো এবং আবু বকর সিদ্দিক।
নবগঠিত ফিল্ম সোসাইটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রভিত্তিক কর্মশালা, শর্টফিল্ম নির্মাণ, প্রদর্শনী ও স্ক্রিপ্ট লেখালেখিসহ নিয়মিত কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য