শিরোনাম
খুবিতে ‘শহিদ মীর মুগ্ধ বৃত্তি’ পেলেন গণিত ডিসিপ্লিনের ৪ শিক্ষার্থী
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ‘ম্যাথমেটিকস্ অ্যালামনাই এসোসিয়েশন’ এর উদ্যোগে শহিদ মীর মুগ্ধ বৃত্তি প্রদান ও স্মরণ সভা আজ ২৫ জুলাই (শুক্রবার) সকাল ১০টায় ইউআরপি লেকচার থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এসময় তিনি বলেন, শহিদ মীর মুগ্ধ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে আজ বিশ্বব্যাপী এক অনন্য নাম। তিনি ছিলেন এক বিশাল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। তাঁর মননে ও চিন্তায় সদা জাগরূক ছিল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়। জুলাই অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগের মাধ্যমে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর স্মৃতিকে অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নামকরণ, ১৮ জুলাইকে ‘শহিদ মীর মুগ্ধ দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, স্মৃতি কর্নার ও পানি কর্নার স্থাপনসহ একাধিক উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে স্মৃতিফলক নির্মাণসহ আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ম্যাথমেটিকস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন যে মহান উদ্যোগে আজ এই বৃত্তি চালু করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, এই বৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেমন অনুপ্রাণিত হবে, তেমনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মুগ্ধ-এর স্মৃতি আরও গভীরে প্রোথিত হবে। আমি এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। তিনি বলেন, শহিদ মীর মুগ্ধ’র মতো তরুণরা জীবনের বিনিময়ে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে। তারা দেশের জন্য গর্ব। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁর মমত্ববোধ ছিল গভীর, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। আজকের এই বৃত্তি তাঁর প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার প্রতিফলন এবং স্মৃতিকে অম্লান রাখার প্রয়াস।
গণিত ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আজমল হুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, শহিদ মীর মুগ্ধ’র বড়ভাই মেরিন ইঞ্জিনিয়ার মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুন্সী শহীদ আনিস (সুমন)। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে স্মৃতিচারণ করেন ’১৯ ব্যাচের মোঃ জাকিরুল ইসলাম ও ’২১ ব্যাচের কাশেম আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ আনিচুর রহমান পলাশ ও নুসরাত ইয়াসমিন কনা।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ গণিত ডিসিপ্লিনের মেধাবী ৪ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তি তুলে দেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- ৪র্থ বর্ষ ২য় টার্মের মোঃ আনিচুর রহমান পলাশ, ৩য় বর্ষ ২য় টার্মের নূর আলম, ৩য় বর্ষ ১ম টার্মের মোঃ আব্দুল আলীম ও ১ম বর্ষ ২য় টার্মের আহসান হাবীব।
এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই শহিদদের স্মরণে গোবিপ্রবিতে বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প শুরু
জুলাই বিপ্লবে আত্মত্যাগকারী মহান শহিদদের স্মরণে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) বিনামূল্যে হেল্থ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর।
জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস ও সোসাইটি ফর এসিস্ট্যান্স টু হিয়ারিং ইস্পেয়ার্ড চিলড্রেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই হেল্থ ক্যাম্পের প্রথম দিনের কার্যক্রম চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
দ্বিতীয় ধাপের হেল্থ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯ ও ৩০ জুলাই। এতে বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের ৮জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিনামূল্যে কনসালটেশন ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন।
হেল্থ ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহিদদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। ঢাকা থেকে আগত বেশ অভিজ্ঞ ও স্বনামধন্য চিকিৎসকরা এখানে সেবা প্রদান করছেন। আজকের হেল্থ ক্যাম্পে মূলত রোগ শনাক্ত করা, ব্যবস্থাপত্র দেয়া এবং সঙ্গে কিছু ঔষধ সরবরাহ করা হচ্ছে।
পবিপ্রবিতে ‘ফিল্ম সোসাইটি’ গঠিত সভাপতি বেনজিন ও সাধারণ সম্পাদক হীরা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ‘ফিল্ম সোসাইটি’ নামে একটি নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। চলচ্চিত্রচর্চা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহ দিতে গঠিত এ সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন এলএলএ অনুষদের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মো. নাঈমুর রহমান বেনজিন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কৃষি অনুষদের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী রায়হান সরকার হীরা।
৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দ হলেন সহ-সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, সজীব বড়ুয়া (এলএলএ, ২০২০-২১), ও শাহরিয়ার ইকবাল লিমন (কৃষি, ২০২০-২১); যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত বিশ্বাস ও মাশরাফি বিন অন্ত (কৃষি, ২০২১-২২); সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিত (কৃষি, ২০২১-২২); কোষাধ্যক্ষ আরশাদুল হক সাজিন (বিবিএ); প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আকাশ (বিবিএ, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার); ক্রীড়া সম্পাদক মো. রেদোয়ানুল্লাহ (এনএফএস, ২০২০-২১); মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোসা. তাসলিমা খাতুন (কৃষি, ২০২০-২১); সমাজসেবা সম্পাদক সাকিবুর রহমান (বিবিএ); ও দপ্তর সম্পাদক সিহাব ঢালী (কৃষি, ২০২১-২২)।
কমিটির সদস্যরা হলেন— মুনতাসীর মাহমুদ, ফাবিহা বুশরা, রাইফুন ইসলাম রাফি, আজমাইন ইমতিয়াজ মুরাদ, সানজিদ আহমেদ জিম, শর্মিষ্ঠা ব্যাপারী, আলভী, রিপা ভট্টাচার্য, আলিফ, আরহাম, রিয়াদ রহমান সুপ্ত, মির নাবিল হোসেন, মেহেদী হাসান, আরিফুল ইসলাম রিয়াদ, ফিরোজ আহমেদ, স্মৃতি রাণী মণ্ডল ও ফারজানা হক।
সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। এছাড়া উপদেষ্টা হিসেবে আছেন পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান সবুজ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. আমিনুল ইসলাম টিটো এবং আবু বকর সিদ্দিক।
নবগঠিত ফিল্ম সোসাইটির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রভিত্তিক কর্মশালা, শর্টফিল্ম নির্মাণ, প্রদর্শনী ও স্ক্রিপ্ট লেখালেখিসহ নিয়মিত কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা হবে।
খুবির ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ২২ শিক্ষার্থী পেলেন ডিন’স অ্যাওয়ার্ড
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলভুক্ত ২টি ডিসিপ্লিনের ২২ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। আজ ২৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বেলা ১১.৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের বিবিএ ’২০ ব্যাচের ঋতুপর্ণা সাহা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), শেখ মুহাম্মদ তাহমিদ (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮১), এমবিএ প্রোগ্রামের ’১৯ ব্যাচের শ্যামা ফলিয়া (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৪.০০), কাজী নিশাত ফারহা লোপা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৪), মো. ফাহমিদুল হক (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৩), ’২০ ব্যাচের গায়ত্রী অদিতি মিত্র (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৪.০০), সৈয়দ শামীম হাসান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), ’২৩ ব্যাচের ফারহানা ইয়াসমিন (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৮), আব্দুল্লাহ তারিক (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮০), পূজা রায় (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৭৮), হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের বিবিএ ’১৯ ব্যাচের সাব্বির আহমেদ (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৭), তামিমা হাসান তৈশি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৭), জারিন রাফা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), নাতাশা শিকদার (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৮), ’২০ ব্যাচের খাদিজা আক্তার রোশনি (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯), আতকিয়া মায়শা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৭), এমবিএ ’২০ ব্যাচের শেখ নিয়াজুর রহমান (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৭), ফারহানা আমিন কনা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯২), ’২৩ ব্যাচের ব্রিতো রায় (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯১), নূর-ই-আলম সিদ্দিকী (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯১), রুকাইয়া আবিহা (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৯) ও মো. মুবিনুল ইসলাম (প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৭৬)।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য বলেন, পিতা-মাতা ও শিক্ষকরা সবসময় চান, তাঁদের সন্তান ও শিক্ষার্থীরা যেন তাঁদের চেয়ে আরও এগিয়ে যান, নিজেদের গণ্ডি ছাড়িয়ে দেশের প্রতিনিধি হয়ে উঠুন। তাঁদের সেই স্বপ্নপূরণের পথে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এটি নিঃসন্দেহে বিশেষ কিছু- শুধু একটি পুরস্কার নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের জীবনের গৌরবময় স্মৃতি ও আজীবন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যেসব ডিসিপ্লিন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, তার অন্যতম ছিল ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন। শুরু থেকেই এ ডিসিপ্লিন তার সক্ষমতা প্রমাণ করে এসেছে। এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনও ইতোমধ্যে নিজেদের মেধা, মনন ও কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে, যা তাদের সামগ্রিক বিকাশে ভূমিকা রাখছে।
উপাচার্য শিক্ষার্থীদের একাডেমিক রেজাল্টের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আগামীতেও এ ধরনের অনুষ্ঠান আরও বড় পরিসরে আয়োজনের আহ্বান জানান।
ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নূর আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. এস এম তৌহিদুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিন প্রধান মোঃ মেহেদী হাসান।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের এমবিএ ’১৯ ব্যাচের মোঃ ফাহমিদুল হক, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের বিবিএ ’১৯ ব্যাচের তামিমা হাসান তৈশি ও এমবিএ ইন এইচআরএম ’২৩ ব্যাচের নূর-ই-আলম সিদ্দিকী। অভিভাবকদের মধ্য থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের এমবিএ ’২৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা ইয়াসমিনের পিতা গোলাম মোক্তাদির।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ এনামুল হক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, সংশ্লিষ্ট স্কুলভুক্ত ডিসিপ্লিনসমূহের প্রধানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্টুডেন্ট ফেডারেশন পাবনা জেলা রাজশাহী কলেজের নেতৃত্বে সৌরভ-তোহা
"সাম্য ভাতৃত্ব, বন্ধন সম্পর্কের এই ভাবনা গড়ে তুলবে শক্তি" অঙ্গিকারকে ধারণ করে এক পাবনা নীতিকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো রাজশাহী কলেজে "স্টুডেন্ট ফেডারেশন পাবনা জেলা" কার্যনির্বাহী কমিটি আত্মপ্রকাশ করেছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে মো শরিফুল ইসলাম সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছে এস এম নুরুজ্জামান তোহা।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ২৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কার্যকর কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাবনা জেলা থেকে আগত রাজশাহী কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সার্বিকভাবে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত, সম্পর্ক উন্নয়ন, সাহায্য সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় কে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো পাবনা জেলার শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই সংগঠনের যাত্রা।
সংগঠনটি জাতীয় বিদ্যালয় কর্তৃক চালু হওয়া ভর্তি পরিক্ষায় নবীন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, পাবনা জেলা থেকে রাজশাহী কলেজে কর্মরত শিক্ষকদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ পরিচালনা করবে। এছাড়াও পরবর্তীতে আলোচনা সাপেক্ষে আগ্রহী সদস্যদের সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
২৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটির বাকিরা হলেন, সহ-সভাপতি জয় দাস, সহ-সভাপতি মো: আরমান হোসেন শুভ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোদেলা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল হোসাইন, প্রচার সম্পাদক হুসাইন আহমেদ নুর, উপ-প্রচার সম্পাদক রাফিউল, আওয়াল, দপ্তর সম্পাদক মো: নাজমুল হাসান আবির, সহ-দপ্তর সম্পাদক এস এম সাজিদ রায়হান, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মিরাতুজ জাহান মিলি, সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মোছা: লাবনী খাতুন, ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক আবরার শাহরিয়ার, শিক্ষা ও আইন বিষয়ক আবুশামা শাওন, ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর শাহরিয়ার নাফিস।
এছাড়াও সদস্য হিসেবে আছেন, মো: মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার কবির সুমন, আব্দুল্লাহ আল আশিফ, মিথিলা ফারজানা মীম, আকিব মোরসেদ নিযুম, আনিকা নওয়ার জেরীন, মো: আব্দুল্লাহ প্রামানিক, মুনতাসীর রহমান, এস কে এহসান মাহমুদ, মো: রাব্বি রহিম রাজ।
পাবনা জেলার শিক্ষার্থীরা মনে করেন, রাজশাহী কলেজে স্টুডেন্ট ফেডারেশন পাবনা জেলা গঠনের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণতা পেয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি তাদের জন্য অনেক সহায়ক হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য