শিরোনাম
প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকাশ হয় নি সাত কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
সম্প্রতি ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামক প্রস্তাবিত কাঠামোর অধীনে রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন প্রদান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনুমোদন পাওয়ার পর ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সাত কলেজের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছিলেন কলেজগুলোর অন্তর্বর্তী প্রশাসক।
তবে অন্তর্বর্তী প্রশাসকের সেই ‘প্রতিশ্রুতি’ পূরণ করতে পারেনি সাত কলেজের প্রশাসন। ২০ জুলাই পার হয়ে গেলেও প্রকাশিত হয় নি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি। এমনকি চলতি মাসের বাকি ১০ দিনের মধ্যেও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। ফলে নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস শুরুর সময় পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যার কারণে ভর্তির আগেই সেশনজটে পড়তে পারেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রশাসক হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া পর থেকে কলেজগুলোর অচলাবস্থা কাটিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম সচলে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস। তিনি সাত কলেজের প্রশাসকের পাশাপাশি ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সম্প্রতি তিনি দুই দফা তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ার ফলে স্থবিরতা নেমে এসেছে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রমে।
প্রথম দফায় অসুস্থ হওয়ার পর অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হতে চিকিৎসা গ্রহণ করে কাজে ফেরেন। পরবর্তীতে তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামে রয়েছেন।
সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রশাসক অধ্যাপক ইলিয়াস অসুস্থ থাকায় ভর্তি কার্যক্রমে কিছুটা ছেদ পড়েছে। ফলে ঘোষণা দিয়েও ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
ইতোপূর্বে, সাত কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত থাকাকালীন চলতি বছরের জানুয়ারীতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তিতে এক দফা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিলো। সে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সাতটি কলেজের অধীনে সব অনুষদ মিলিয়ে আসন ছিল ২৩ হাজার ৫২৮টি। ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে অনলাইন আবেদন চলে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। টানা ২৪ দিন আবেদন চলার পর তা স্থগিত করা হয়। ওই সময় পর্যন্ত প্রায় ৩৮ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন।
সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবেদন নেওয়া হবে। এরপর ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ঢাবি থেকে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের পূর্বে আবেদনকারীদের অবশ্য আবেদন বহাল রাখা কিংবা বাতিল করার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন সাত কলেজ প্রশাসক।
উল্লেখ্য, কলেজগুলো হলো—ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।
শিবিরবিদ্বেষী ছাত্রলীগ কর্মী এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শিবির সভাপতি
পূর্বে জামাত-শিবির নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করা সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি। ছাত্রলীগ থাকাকালীন সময়ে জামাত-শিবির নিয়ে তার বেশকিছু পোস্টের স্ক্রিনশট সাম্প্রতি ভাইরাল হয়
জানা গেছে, শিবিরের ওই নেতার নাম আবরার ফারাবী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
Google Adsense
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়া পোস্টগুলোতে দেখা যায়, এন ইউ আবরার ফারাবী নামক অ্যাকাউন্ট থেকে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট বেশকিছু পোস্ট ও জামায়াত-শিবির নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করেছেন তিনি। এসব পোস্টে নিষিদ্ধ সংগঠন শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট দেয়। এছাড়া ফ্যাসিবাদ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় তাকে।
২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি জামায়াত-শিবিরকে খুনি সম্বোধন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এছাড়া ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর তিনি তার ফেসবুক পোস্টে ছাত্রলীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া (সাবেক প্রক্টর) শিবিরের মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে তার বর্তমান ফেসবুক আইডি ঘুরে দেখা যায়, তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় অংশগ্রহণের পাশাপাশি গণঅভ্যুত্থানের অনেক আগ থেকেই তিনি ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত আছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবরার বলেন, ২০২২ সালের জুনের ১৭ তারিখ পর্যন্ত আমি ছাত্রলীগেই ছিলাম। পরবর্তীতে ২০২৩ সাল থেকে আমি পুরোদমে ছাত্রলীগের সব ধরনের রাজনীতি ছেড়ে ছাত্রশিবিরে যুক্ত হই। তারপর থেকে আমি আর হলে থাকিনি।
তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবিরের সাথে থেকেই কর্মী, সাথী ও সদস্য হই। যখন জুলাই বিপ্লব শুরু হয় তখন থেকেই মূলত আমি আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হই এবং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন নামে যে গ্রুপটা আছে সেটা খুলি। ছাত্রলীগ করেছি এটা আমি অস্বীকার করি না কিন্তু ২০২২ সালের জুনের পর থেকে ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে এখন যে বিষয়গুলো নিয়ে আসা হয়েছে সবগুলো ২০২১-২২ সালের পোস্ট। তখন তিনি ছাত্রলীগে যুক্ত ছিলেন। এরপর তিনি ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত হয়ে সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী মানোন্নয়ন করেন এবং দায়িত্বশীল পর্যায়ে আসেন। এখন এগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাপারটা এমন না যে তিনি আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে ছাত্রশিবিরের সাথে যুক্ত হয়েছেন, বরং আগস্টের আগে থেকে ২০২৪ সাল থেকে সোহরাওয়ার্দী হল শাখার দায়িত্ব পালন করছেন। পরে এ বছর জানুয়ারি থেকে তাঁকে সোহরাওয়ার্দী হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
মাইলস্টোন স্কুলে বিমান বিধ্বস্তে নিহতদের স্মরণে ইআবি উপাচার্যের শোক
ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে শিক্ষার্থীসহ একাধিক হতাহতের মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ভাইস চ্যান্সেলর। একই সঙ্গে তিনি অগ্নিদগ্ধ ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানি আমাদের হৃদয় বিদারিত করেছে। আহতদের সেবায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এটাই প্রত্যাশা।
এ ঘটনায় শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একাধিক শিক্ষার্থী নিহত হন এবং অনেকেই গুরুতরভাবে অগ্নিদগ্ধ হন। দেশের ইতিহাসে এটি একটি বেদনাদায়ক ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
সরকার এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। পাশাপাশি, জোহরের নামাজের পর নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
মাইলস্টোন শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ৬ দফা দাবি সরকার মেনে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ কলেজের ৫ নম্বর ভবনের সামনে এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
শিক্ষার্থীদের ৬য় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— নিহতদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ, আহতদের নির্ভুল তালিকা, শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা, ক্ষতিপূরণ প্রদান, ঝুঁকিপূর্ণ প্লেন বাতিল, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সংস্কার।

অন্যদিকে, আইন উপদেষ্টা দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। শিক্ষার্থীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন। তারা উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান দেন। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতা ও প্লাস্টিক বোতল নিক্ষেপ করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিষ্ঠানটির ৫ নং ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।
এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত (দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট) কলেজ ভবনের ভেতরে দুই উপদেষ্টা আটকে আছেন।

এদিন সকাল ১০টা থেকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের গোলচত্বরে জমায়েত হতে শুরু করেন শত শত শিক্ষার্থী। তারা বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় ৬ দফা দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এ সময় আন্দোলন কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, দুপুর সাড়ে বারোটার মধ্যে তাদের সঙ্গে যদি সরকারের কোনো প্রতিনিধি কথা বলতে না আসে, তাহলে তারা উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনের রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করবেন।
৬ দফা দাবিতে মাইলস্টোন কলেজ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ডাক
ঢাকার উত্তরা এলাকার মাইলস্টোন কলেজে বিমান বিধ্বস্তে প্রাণহানির ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। এই প্রেক্ষাপটে, সোমবারের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টায় কলেজের গোল চত্বরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্দোলন হবে সম্পূর্ণ অহিংস এবং গণতান্ত্রিক। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থানে থাকবে আপসহীন। ‘ভয় নয়, আমরা চাই ন্যায়বিচার’—এমন স্লোগান সামনে রেখে তারা ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে।
শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ৬টি দাবি হলো —
১. দুর্ঘটনায় নিহতদের সঠিক নাম ও পরিচয় প্রকাশ করতে হবে।
২. আহতদের নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
৩. ঘটনাস্থলে শিক্ষকদের গায়ে সেনাসদস্যদের ‘হাত তোলার’ অভিযোগে নিঃশর্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
৪. নিহত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর পরিবারকে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৫. বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বিমান বাতিল করে নতুন ও নিরাপদ প্লেন চালু করতে হবে।
৬. বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষণ এলাকা মানবিক ও নিরাপদভাবে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, শুধু বিবৃতি বা দুঃখপ্রকাশ নয়, তারা চায় দায়ীদের জবাবদিহি, ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ।
হাসিব বিল্লাহ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শুধু মাইলস্টোন নয়, ঢাকার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও এমন ঝুঁকিতে পড়ুক আমরা সেটি চাই না। গতকালের ঘটনায় আমাদের অনেক সহপাঠী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আমরা নিরাপদ শিক্ষাব্যবস্থা চাই।
শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন এই ন্যায়সংগত দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করে।
এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুর ১টার পর রাজধানীর উত্তরায় দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে গিয়ে পড়ে এবং বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়। যে ভবনে এটি বিধ্বস্ত হয় সেখানে বহু স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ছিল। যাদের বেশিরভাগই হতাহত হয়েছে।এ ঘটনায় শোক জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোক বার্তায় তিনি বলেন, বিমান বাহিনীর এফ-৭বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। দুর্ঘটনায় বিমানসেনা ও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যান্যদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। জাতির জন্য এটি একটি গভীর বেদনার ক্ষণ। আমি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালসহ সকল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ প্রদান করছি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য