শিরোনাম
জাবিপ্রবিতে ‘জুলাই স্মৃতি স্মরণানুষ্ঠান’: অভিযোগ নানা অব্যবস্থাপনার
‘স্মৃতি, সংগ্রাম ও রাষ্ট্রচিন্তা—জুলাই ২০২৪ আমাদের প্রেরণা’ এই মহত্বাহী প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) পালিত হয় 'জুলাই স্মৃতি স্মরণানুষ্ঠান'। ঐতিহাসিক স্মৃতি পুনর্পাঠের এই আয়োজনে ছিল র্যালি, আলোচনা সভা এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।
কিন্তু অব্যবস্থাপনায় আয়োজনটির মর্মার্থ আংশিকভাবে ম্লান হয়ে পড়েছে বলে উঠেছে অভিযোগ৷ অনুষ্ঠানের লক্ষ্য স্মৃতি, শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত ও রাষ্ট্রচিন্তার পুনর্নির্মাণ হলেও তবে সেই ভাবনাকে ছাপিয়ে উঠে এসেছে আয়োজনের গা ছমছমে বাস্তবতা—যেখানে চেতনার ঝান্ডা উড়াতে গিয়ে ভুল বানানে ঝাপসা হয়ে যায় ব্যানারের বর্ণ, নিম্নমানের খাবারে অসন্তুষ্ট হয় শিক্ষার্থীরা, আর মেঘমালার ছায়ায় ভেজা প্যান্ডেলে অনুষ্ঠানে প্রশ্ন জাগে: প্রস্তুতির এই পরিণতি কেন?

সচিত্রে গিয়ে দেখা যায়, আলোচনা সভার ব্যানারে ছিলো ভাষাগত ত্রুটি, আবহাওয়াগত পূর্বাভাস উপেক্ষা করে বৃষ্টির জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পরবর্তীতে একাডেমিক ভবনের সভাকক্ষে স্থানান্তরিত হয় অনুষ্ঠান এবং দুপুরে রাখা খাবারের মান নিয়েও অভিযোগ৷
অন্যদিকে অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ‘স্মৃতি, সংগ্রাম ও রাষ্ট্রচিন্তা’ হলেও ‘রাষ্ট্রচিন্তা’ বিষয়ক চিন্তাশীল মতামত উপস্থাপন হয়নি৷ যে আয়োজন একসাথে অতীত ও ভবিষ্যতের সেতুবন্ধ হবে বলে প্রত্যাশা ছিল, তা যেন শুধু অতীতচর্চাতেই সীমাবদ্ধ থেকেছে৷

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান ‘শ্রদ্ধা ও স্মরণের ব্যানারে বানান ভুল জুলাইয়ের প্রতি অবহেলার চিত্র৷ অন্যদিকে এমন খাবারের মান সর্বশেষ ছাত্রলীগের সময়ে দেখেছি৷ আজ যেনো জুলাই চব্বিশের পরিবর্তে সেটারই স্মৃতি প্রতিফলিত হইছে৷’
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, ‘এটা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুলটা হয়েছে৷ কিছু ভূলত্রুটি হয়েছে আমি সমাপনী বক্তব্যে দুঃখপ্রকাশ করেছি৷ কথাটা উঠে এসেছে, এগুলো যত বাজেট ভালো হয় তত কোয়ালিটিপূর্ণ হয়৷ তবুও আমরা চেষ্টা করেছি; যাদেরকে দিয়ে করিয়েছি তাদেরকে বহুবার সর্তক করিয়েছি৷ এরপরেও আমি নিজেও দেখেছি, কথা বলেছি এমনটা হলো কেন৷’
রাজশাহী কলেজের একমাত্র শহীদ রায়হান আলীর পরিবার ছাড়াই প্রশাসনের শহীদ দিবস পালন
জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী কলেজেও ১৬ জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার কলেজ প্রশাসনের উদ্যোগে কলেজের মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং জুলাই পুনর্জাগরণের ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। তবে জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ডাকা হয় নি রাজশাহী কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাজশাহী কলেজের একমাত্র শহীদ রায়হান আলীর পরিবারকে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ জুলাই রাজশাহী কলেজেও নানান আয়োজনে পালিত হয়েছে জুলাই শহীদ দিবস। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন কলেজ শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা এবং জুলাইয়ের স্মৃতিচারণ করে অনুষ্ঠানে তারা বক্তব্যও রাখেন। তবে সেখানে দেখা যায় নি কোনো শহীদ পরিবারের স্বজন কিংবা আহত জুলাই যোদ্ধাদের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজশাহী কলেজের একমাত্র শহীদ রায়হান আলীর পরিবারের কারো সাথে যোগাযোগ পর্যন্ত করেননি কলেজ প্রশাসন। এছাড়াও রাজশাহীর প্রথম শহীদ সাকিব আঞ্জুমের স্বজনদেরও জানানো হয়নি।
এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির বলেন, ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে রাজশাহী কলেজের পক্ষ থেকে ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী ও শহীদদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে রাজশাহীর কোনো শহীদ পরিবারের সদস্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। শহীদদের আত্মত্যাগের সবচেয়ে বড় সাক্ষী ও উত্তরাধিকারী হচ্ছেন তাঁদের পরিবার। তাঁদের উপস্থিতি ছাড়া শহীদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো কখনোই সম্পূর্ণ হয় না।
তিনি আরও বলেন, এটি অত্যন্ত অযত্ন ও অবিবেচনার কাজ। আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাই, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন যেন শহীদ পরিবারদের যথাযোগ্য সম্মান ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা হয়। যাতে তাঁদের ত্যাগ ও বেদনার কণ্ঠস্বর সবার নিকট পৌঁছে এবং নতুন প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে পারে।
কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টা দুঃখজনক এবং বেমানান। আমাদের রাজশাহীতে যেহেতু দুইজন শহীদ আছে, দুই পরিবারের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলে অনুষ্ঠানটা পরিপূর্ণতা লাভ করতো। বিশেষ করে আমাদের রাজশাহী কলেজের গর্ব রাজশাহী কলেজের জুলাই বিপ্লবের একমাত্র শহীদ রায়হান আলী ভাইয়ের পরিবারকে ডাকা দরকার ছিল। কিন্তু কলেজ প্রশাসন বিষয়টা গুরুত্ব দেয়নি।
তিনি বলেন, আমরা আগেও দেখেছি কলেজ প্রশাসন শহীদ রায়হান আলীর নামে ভবনের নামকরণের সময়ও ইচ্ছাকৃত ভুল করেছিলো। আবারও দেখলাম যে তারা তাদেরই কলেজের একমাত্র শহীদ ছাত্রের পরিবারকে এরকম একটা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করেনি। রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে কলেজ প্রশাসনের যথেষ্ট অনীহা আছে বলেও অভিযোগ করেন এই ছাত্রশিবির নেতা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের এক শিক্ষক বলেন, ‘কলেজ প্রশাসন বরাবরই ২৪- ইস্যুতে অপ্রত্যাশিত আচরণ করে আসছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে বাহ্যিক দৃষ্টিতে কলেজে অনেক পরিবর্তন আসলেও অভ্যন্তর থেকে এখনও একটা গোষ্ঠী বিতর্কিত করার চেষ্টায় আছেন। তারই অংশ হিসেবে গত বছরের ১৬ জুলাই কলেজের নিন্দনীয় ঘটনায় দায় সারা তদন্ত কমিটি, কলেজের ডিজিটাল বোর্ডে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বার্তা প্রকাশ, বিতর্কিত ভূমিকার জন্য সমালোচিত শিক্ষককে প্রশ্রয় দেওয়া, আওয়ামী আমলে প্রশাসনের কাছে সুবিধাভোগী ও নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষকদের শেল্টার, নতুন ভবনে রায়হান আলীর নামকরণ কাণ্ডের মতো ঘটনাগুলোকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একটারও কোনো সমাধান করা যায়নি। কলেজ প্রশাসন দ্রুতই তাদের ভুলগুলো শোধরাবেন বলেও আশা করেন তিনি।
এ বিষয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজশাহী কলেজের একমাত্র শহীদ রায়হান আলীর বাবা মোঃ মুসলেম উদ্দীন বলেন, এ রকম প্রোগ্রামের ব্যাপারে রাজশাহী কলেজ থেকে কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। আমরা রাজশাহীতেই জেলা প্রশাসকের অনুষ্ঠানে ছিলাম। কলেজে তাকে স্মরণ করে দোয়া হচ্ছে, জানলে আমরা সেখানেও যেতাম।
তবে এ বিষয়ে জানতে জুলাই শহীদ দিবস কর্মসূচির সভাপতি ও রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলীর সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নি।
গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ মিছিল
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) সমাবেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৬ই জুলাই) রাত এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জননেতা আব্দুল মান্নান হলের সামনে থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক হয়ে আবার মান্নান হলের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিলটি শেষ হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা "মুজিববাদ, মুজিববাদ, মুর্দাবাদ, মুর্দাবাদ", "ইনকিলাব জিন্দাবাদ," "ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙ্গে দাও, গুড়িয়ে দাও," "গোপালগঞ্জে হামলা কেন প্রশাসন জবাব চাই," সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ মিছিলে ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে আবির - সাকিব
সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৫ সেশনের বাকি সময়ের (ষান্মাসিক) জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (১৫ জুলাই) এক অভ্যন্তরীণ সভার মাধ্যমে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী আবির মাহমুদ সোহাগ। সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের ছাত্র সাইফুর রহমান সাকিব।
আবির মাহমুদ সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপরদিকে, সাইফুর রহমান সাকিব কলেজ শাখার বিভিন্ন সাংগঠনিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের দক্ষতা ও আস্থার প্রমাণ দিয়েছেন। ইতোপূর্বে তিনি একাধিকবার কলেজ শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নতুন সভাপতি ও সেক্রেটারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আদর্শিক ছাত্ররাজনীতি চর্চা, শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নেতৃত্ব তৈরি করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”
সভায় উপস্থিত কলেজ শাখার সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ নতুন নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল এবং প্রাসঙ্গিক করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
কুবিতে ভাইস-চ্যান্সেলর ও ইউজিসি বৃত্তি বিতরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর স্কলারশিপ-২০২৫’ এবং ইউজিসি মেধাবৃত্তি ২০২৩-২৪ এর বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান।
আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বর কক্ষে দিনব্যাপী এই বৃত্তি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভাইস-চ্যান্সেলর স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৮ হাজার ৫'শ টাকা এবং ইউজিসি মেধাবৃত্তিপ্রাপ্তদের ২৬ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানের দিন বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের দিয়ে বৃত্তি বিতরণ শুরু হবে। দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে বৃত্তি বিতরণ করা হবে কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এরপর বিকেল ৪টা থেকে বৃত্তি বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেবে ব্যাবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী।এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা বিশ্বিবদ্যালয়ের উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
উল্লেখ্য, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য