শিরোনাম
বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে আবির - সাকিব
সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৫ সেশনের বাকি সময়ের (ষান্মাসিক) জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (১৫ জুলাই) এক অভ্যন্তরীণ সভার মাধ্যমে এই কমিটি প্রকাশ করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী আবির মাহমুদ সোহাগ। সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের ছাত্র সাইফুর রহমান সাকিব।
আবির মাহমুদ সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। অপরদিকে, সাইফুর রহমান সাকিব কলেজ শাখার বিভিন্ন সাংগঠনিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে নিজের দক্ষতা ও আস্থার প্রমাণ দিয়েছেন। ইতোপূর্বে তিনি একাধিকবার কলেজ শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নতুন সভাপতি ও সেক্রেটারি দায়িত্ব গ্রহণের পর এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আদর্শিক ছাত্ররাজনীতি চর্চা, শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ নেতৃত্ব তৈরি করাই আমাদের মূল অঙ্গীকার। সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমরা এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”
সভায় উপস্থিত কলেজ শাখার সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ নতুন নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল এবং প্রাসঙ্গিক করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
কুবিতে ভাইস-চ্যান্সেলর ও ইউজিসি বৃত্তি বিতরণ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ভাইস-চ্যান্সেলর স্কলারশিপ-২০২৫’ এবং ইউজিসি মেধাবৃত্তি ২০২৩-২৪ এর বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান।
আগামী ২০ জুলাই (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নম্বর কক্ষে দিনব্যাপী এই বৃত্তি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ভাইস-চ্যান্সেলর স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৮ হাজার ৫'শ টাকা এবং ইউজিসি মেধাবৃত্তিপ্রাপ্তদের ২৬ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানের দিন বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীদের দিয়ে বৃত্তি বিতরণ শুরু হবে। দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে বৃত্তি বিতরণ করা হবে কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং আইন অনুষদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এরপর বিকেল ৪টা থেকে বৃত্তি বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেবে ব্যাবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী।এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কুমিল্লা বিশ্বিবদ্যালয়ের উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
উল্লেখ্য, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম ডিবেটর সার্চ প্রোগ্রামে চ্যাম্পিয়ন আইন বিভাগ
কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (সিওইউডিএস) উদ্যোগে ৭ম ডিবেটর সার্চ প্রোগ্রামে গনিত বিভাগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আইন বিভাগ। এতে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন আইন বিভাগের ১৭তম আবর্তণের শিক্ষার্থী কানিজ ফাতেমা রিমি।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুহসিন জামিল।

নাজমুস সাকিব ও ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও পরিচালনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মতিউর রহমান, ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সাদিয়া আফরিন, সাধারণ সম্পাদক মুহসিন জামিল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
এবারের ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালে সেরা ০৫ উদীয়মান বিতার্কিক হলেন মিশকাত ওয়াহিদ চৌধুরী, তৌহিদুর রহমান সাকিব, মোঃ মাঈনুল ইসলাম, কাজী আসমাতুল জান্নাত ও রায়হানুল বারী রাসেল।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাধারন সম্পাদক মুহসিন জামিল বলেন, "নতুন বিতার্কিক তৈরির উদ্দেশ্যে ৭ম ডিবেটর সার্চ ২০২৫ আয়োজন করা হয়েছে। এই ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালের মাধ্যমে বেশ কিছু পটেনশিয়াল বিতার্কিক আমরা পেয়েছি। ভবিষ্যতে গ্রুমিং সেশনের মাধ্যমে তাদের কে শানিত করা হবে। ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালে অংশগ্রহণকারী ৬৪ জন বিতার্কিক প্রত্যেকের জন্যই শুভ কামনা থাকবে।"
ওয়াসিমের স্মরণে পথশিশুদের নিয়ে চবি ছাত্রদল নেতার দোয়া মাহফিল
জুলাই আন্দোলনে বীর চট্টলার শহীদ ওয়াসিম আকরামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুনের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক পথশিশুকে নিয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলওয়ে স্টেশনে পথ শিশুদের নিয়ে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শহীদ ওয়াসিমসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে নেতাকর্মীরা । এছাড়া দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়ের পক্ষে চলমান আন্দোলনের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
চবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুন বলেন, “জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। যে উদ্দেশ্য নিয়ে ছাত্র-জনতা জীবন বাজি রেখে আন্দোলনে নেমেছিল—সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, এবং ভোটাধিকারের অধিকার—সেই লক্ষ্য আজও পূর্ণতা পায়নি। তাই আজও আমাদের রাজপথে থেকে সেই অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। আমরা চাই, ওয়াসিমদের আত্মত্যাগ ফলে সৈরাচারমুক্ত দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, এবং ভোটাধিকারের অধিকার ফিরে আসুক।”
অনুষ্ঠানে চবি ছাত্রদল নেতা আজহারুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, “বীর চট্টলার শহীদ ওয়াসিমের নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ওয়াসিমের আত্মত্যাগ সকল প্রতিবাদীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। কোনো একদিন আবার কোনো প্রতিবাদীর মাঝে বাংলার মানুষ খুঁজে নেবে সেই সাহসী তরুণ ওয়াসিমকে। অমর হয়ে থাকবে তার সেই বজ্রকণ্ঠের ডাক—‘চলে আসুন ষোলশহর।’”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রহিম, সাঈদ মো. রেদোয়ান, মাসরুল আল ফাহিম, মেহেদী, সুজাত, সাদাফ, তাসিন, ইস্তফাসহ চবি ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
৩ দফা দাবিতে জাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
প্রকৌশলী পদে নিয়োগে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল, পদোন্নতির পরিবর্তে সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ এবং প্রকৌশলী হিসেবে স্বীকৃতির জন্য বিএসসি ডিগ্রিকে বাধ্যতামূলক করার দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) শতাধিক শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ 'কোঠা না, মেধা- মেধা মেধা’— এই স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে প্রকৌশল অনুষদের বাহিরেও শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান, হাতে লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করে মিছিলটি ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন, প্রধান ফটক প্রদক্ষিণ করে গোবিন্দগঞ্জ বাজারের দিকে অগ্রসর হলে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:
১. ইঞ্জিনিয়ারিং ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বিএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।
২. টেকনিকাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বিএসসি উভয় ডিগ্রিধারীদেরকে পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে।
৩. ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া কেউ ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না, এই মর্মে আইন পাশ করে গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
বিক্ষোভকারীরা জানান ‘প্রমোশনাল কোটা এবং ডিপ্লোমা কোটার কারণে মেধাবী বিএসসি প্রকৌশলীরা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’
মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ বাজার থেকে ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করার হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়ারম্যান সুজিত রায়, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চেয়ারম্যান সিজার রহমান, প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মো: সাকিবুল হক লিপু ও জাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মিনহাজসহ বক্তব্য দেন৷
এসময় বক্তারা বলেন, প্রকৌশল খাতে চলমান বৈষম্যের কারণে এই আন্দোলন। প্রকৌশল খাতে বর্তমানে চলছে চরম বৈষম্য। যার মধ্যে রয়েছে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত পদোন্নতির কারণে বিএসসি প্রকৌশলীদের এন্ট্রি লেভেলের পদসংখ্যা সংকুচিত করা, ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে অভ্যন্তরীণ কোটার মাধ্যমে ডিপ্লোমাধারী উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত পদোন্নতি পেলেও সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রিদের প্রবেশ সংকুচিত হচ্ছে। এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে ডিপ্লমাধারী উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে ৯ম গ্রেডের এন্ট্রি লেভেলের পদগুলো কমে যাচ্ছে।
তারা আরও বলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে শুধুমাত্র ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারেন। সেখানে বিএসসি ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারছেন না। শুধুমাত্র বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরাই প্রকৌশলী পদবী ব্যবহার করতে পারেন, সেখানে এই পদবীরও অপব্যবহার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য