ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম ডিবেটর সার্চ প্রোগ্রামে চ্যাম্পিয়ন আইন বিভাগ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৫ জুলাই, ২০২৫ ২০:৫৫
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম ডিবেটর সার্চ প্রোগ্রামে চ্যাম্পিয়ন আইন বিভাগ

কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির (সিওইউডিএস) উদ্যোগে ৭ম ডিবেটর সার্চ প্রোগ্রামে গনিত বিভাগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আইন বিভাগ। এতে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন আইন বিভাগের ১৭তম আবর্তণের শিক্ষার্থী কানিজ ফাতেমা রিমি।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল  ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুহসিন জামিল।

নাজমুস সাকিব ও ফাহিমা সুলতানা রাতুয়ার যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও পরিচালনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মতিউর রহমান,  ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সাদিয়া আফরিন,  সাধারণ সম্পাদক মুহসিন জামিল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 

এবারের ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালে সেরা ০৫ উদীয়মান বিতার্কিক হলেন মিশকাত ওয়াহিদ চৌধুরী, তৌহিদুর রহমান সাকিব, মোঃ মাঈনুল ইসলাম, কাজী আসমাতুল জান্নাত ও রায়হানুল বারী রাসেল।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাধারন সম্পাদক মুহসিন জামিল বলেন, "নতুন বিতার্কিক তৈরির উদ্দেশ্যে ৭ম ডিবেটর সার্চ ২০২৫ আয়োজন করা হয়েছে। এই ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালের মাধ্যমে বেশ কিছু পটেনশিয়াল বিতার্কিক আমরা পেয়েছি। ভবিষ্যতে গ্রুমিং সেশনের মাধ্যমে তাদের কে শানিত করা হবে। ডিবেটর অব দ্যা ফাইনালে অংশগ্রহণকারী ৬৪ জন বিতার্কিক প্রত্যেকের জন্যই শুভ কামনা থাকবে।"

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ওয়াসিমের স্মরণে পথশিশুদের নিয়ে চবি ছাত্রদল নেতার দোয়া মাহফিল

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১৫ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪৩
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ওয়াসিমের স্মরণে পথশিশুদের নিয়ে চবি ছাত্রদল নেতার দোয়া মাহফিল

    জুলাই আন্দোলনে বীর চট্টলার শহীদ ওয়াসিম আকরামের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রদলের  সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুনের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক পথশিশুকে নিয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ 

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলওয়ে স্টেশনে পথ শিশুদের নিয়ে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে শহীদ ওয়াসিমসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সব শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে নেতাকর্মীরা । এছাড়া দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়ের পক্ষে চলমান আন্দোলনের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।

    চবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মামুন উর রশিদ মামুন বলেন, “জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামসহ সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। যে উদ্দেশ্য নিয়ে ছাত্র-জনতা জীবন বাজি রেখে আন্দোলনে নেমেছিল—সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, এবং ভোটাধিকারের অধিকার—সেই লক্ষ্য আজও পূর্ণতা পায়নি। তাই আজও আমাদের রাজপথে থেকে সেই অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। আমরা চাই, ওয়াসিমদের আত্মত্যাগ ফলে সৈরাচারমুক্ত দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, এবং ভোটাধিকারের অধিকার ফিরে আসুক।”

    অনুষ্ঠানে চবি ছাত্রদল নেতা আজহারুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, “বীর চট্টলার শহীদ ওয়াসিমের নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ওয়াসিমের আত্মত্যাগ সকল প্রতিবাদীর অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। কোনো একদিন আবার কোনো প্রতিবাদীর মাঝে বাংলার মানুষ খুঁজে নেবে সেই সাহসী তরুণ ওয়াসিমকে। অমর হয়ে থাকবে তার সেই বজ্রকণ্ঠের ডাক—‘চলে আসুন ষোলশহর।’”

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রহিম, সাঈদ মো. রেদোয়ান, মাসরুল আল ফাহিম, মেহেদী, সুজাত, সাদাফ, তাসিন, ইস্তফাসহ চবি ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৩ দফা দাবিতে জাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৫ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩৮
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৩ দফা দাবিতে জাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      প্রকৌশলী পদে নিয়োগে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল, পদোন্নতির পরিবর্তে সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ এবং প্রকৌশলী হিসেবে স্বীকৃতির জন্য বিএসসি ডিগ্রিকে বাধ্যতামূলক করার দাবিতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) শতাধিক শিক্ষার্থীরা।

      মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকাল ১১টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ 'কোঠা না, মেধা- মেধা মেধা’— এই স্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে প্রকৌশল অনুষদের বাহিরেও শতাধিক সাধারণ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়।শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান, হাতে লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করে মিছিলটি ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবন, প্রধান ফটক প্রদক্ষিণ করে গোবিন্দগঞ্জ বাজারের দিকে অগ্রসর হলে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

      সমাবেশে শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন:

      ১. ইঞ্জিনিয়ারিং ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বিএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।

      ২. টেকনিকাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ সবার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বিএসসি উভয় ডিগ্রিধারীদেরকে পরীক্ষার সুযোগ দিতে হবে।

      ৩. ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া কেউ ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না, এই মর্মে আইন পাশ করে গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
       
      বিক্ষোভকারীরা জানান ‘প্রমোশনাল কোটা এবং ডিপ্লোমা কোটার কারণে মেধাবী বিএসসি প্রকৌশলীরা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটি একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’

      মিছিলটি গোবিন্দগঞ্জ বাজার থেকে ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করার হুঁশিয়ারি দেন।

      সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়ারম্যান সুজিত রায়, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের চেয়ারম্যান সিজার রহমান, প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মো: সাকিবুল হক লিপু ও জাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মিনহাজসহ বক্তব্য দেন৷ 

      এসময় বক্তারা বলেন, প্রকৌশল খাতে চলমান বৈষম্যের কারণে এই আন্দোলন। প্রকৌশল খাতে বর্তমানে চলছে চরম বৈষম্য। যার মধ্যে রয়েছে নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত পদোন্নতির কারণে বিএসসি প্রকৌশলীদের এন্ট্রি লেভেলের পদসংখ্যা সংকুচিত করা, ৯ম গ্রেডে সহকারী প্রকৌশলী পদে অভ্যন্তরীণ কোটার মাধ্যমে ডিপ্লোমাধারী উপ-সহকারী প্রকৌশলীরা নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত পদোন্নতি পেলেও সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রিদের প্রবেশ সংকুচিত হচ্ছে। এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পরে সেই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে ডিপ্লমাধারী উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে ৯ম গ্রেডের এন্ট্রি লেভেলের পদগুলো কমে যাচ্ছে।

      তারা আরও বলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে শুধুমাত্র ডিপ্লোমাধারীরা আবেদন করতে পারেন। সেখানে বিএসসি ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারছেন না। শুধুমাত্র বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরাই প্রকৌশলী পদবী ব্যবহার করতে পারেন, সেখানে এই পদবীরও অপব্যবহার করা হচ্ছে।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাবাকে হারিয়েও দমেননি রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী, সামলাচ্ছেন পরিবার ও লেখাপড়া

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৯
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      বাবাকে হারিয়েও দমেননি রাজশাহী কলেজ শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী, সামলাচ্ছেন পরিবার ও লেখাপড়া

      রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী জীবনযুদ্ধে এক অদম্য তরুণের নাম। প্রায় সাত বছর আগে হারিয়েছেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য প্রিয় বাবাকে। তবুও দমেননি ববং দুঃখকে শক্তিতে রূপান্তর করে আজ তিনি হয়ে উঠেছেন পরিবারের একমাত্র ভরসাস্থল। 

      মোহাম্মদ আলীর বাসা দিনাজপুর জেলায় হলেও পড়াশোনার সুবাদে বর্তমানে তিনি রাজশাহী শহরের বাটার মোড় এলাকায় একটি মেসে থাকেন। বাবার মৃত্যুর এক বছর পর, তার পরিবারে নেমে আসে নানা প্রতিকূলতা। সেই প্রতিকূলতায় আলী ভেঙে পড়েননি, বরং খুঁজেছেন টিকে থাকার নতুন পথ। সংসারের দায়িত্বের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার খরচ কাঁধে তুলে নিয়ে শুরু করেন পার্ট-টাইম হিসেবে ছোট ব্যবসা চটপটি, ফুসকা ও হালিম বিক্রি।

      ব্যবসার শুরুতে নানা বাঁধা ও আর্থিক টানাপোড়েন থাকলেও বর্তমানে সেই বাঁধা অতিক্রম করে তাঁর খাবারের স্বাদ কাস্টমারের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজের সামনে তিনি দোকান চালু করেন। দোকান শেষে মেসে ফিরে প্রতিদিন নির্ধারিত দুই ঘন্টা একাডেমিক বিষয়ে লেখাপড়া করেন। শুধু তাই নয়, সকালে কলেজের ক্লাস শেষে সময় বের করে একটি টিউশনিও করান। তার উপার্জিত অর্থে নিজের খরচ মেটানোর পাশাপাশি পরিবারের কাছেও নিয়মিত টাকা পাঠান আর সেই টাকায় তার পরিবার চলে।

      মোহাম্মদ আলী বলেন, “বর্তমান সমাজে শিক্ষার গুরুত্ব অনেক। তিনি চান, পড়াশোনা শেষ করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে। এছাড়াও ভবিষ্যতে নিজের নামে একটি রেস্টুরেন্ট চালু করার স্বপ্নও তার আছে।”

      তাঁর এই সংগ্রামী জীবনের গল্প সহপাঠীদের মাঝেও অনুপ্রেরণা ছড়িয়েছে। সহপাঠীরা মনে করেন, একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। 

      বাবাকে হারিয়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মোহাম্মদ আলী যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, তা তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ও অনুপ্রেরণার অংশ।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সাত কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০ জুলাইয়ের মধ্যে, থাকছে সেকেন্ড টাইম

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৫
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      সাত কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০ জুলাইয়ের মধ্যে, থাকছে সেকেন্ড টাইম

      রাজধানীর সরকারি সাত কলেজে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর চলতি মাস থেকে শুরু হতে পারে অনলাইন আবেদন।

      আবেদন প্রক্রিয়া শেষে আগস্ট মাসের শেষদিকে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে চায় কর্তৃপক্ষ। এ বছর থেকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধীনে সাত কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

      সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘আমরা পাঠদানের অনুমোদন পেয়েছি। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ অনুমোদন দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য খুঁটিনাটি কিছু কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহে আমরা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চাই। খুব বেশি দেরি হলেও ২০ জুলাই পার হবে না। তার আগেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’

      আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ বিষয়ে প্রশাসক অধ্যাপক ইলিয়াস বলেন, ‘ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে সেটা স্পষ্ট উল্লেখ করে দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত যে পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি, তাতে আগস্টের শেষ দিকে অথবা সেপ্টেম্বরের শুরুতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। দ্রুত ফল প্রকাশ ও ভর্তি শেষ করে অক্টোবরে ক্লাস শুরু করতে চাই আমরা।’

      আসন সংখ্যা ও সিলেবাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এবারও আমরা বিদ্যমান কাঠামোতে থাকছি। সেভাবেই (বিদ্যমান কাঠামো মেনে) শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে। আসন কমানো বলতে...যে বিভাগগুলোতে একেবারেই শিক্ষক নেই, শিক্ষকশূন্য; সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত রাখা হতে পারে। তাছাড়া বাকি সব ঠিক থাকবে। শিক্ষার্থীদের দাবি শ্রেণিকক্ষের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ভর্তি। সেটা এবার হয়তো পুরোপুরি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। আগামীতে হিসাব কষে আসন কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

      সেকেন্ড টাইম বা ২০২৩ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে কি না, এমন প্রশ্নে সাত কলেজ প্রশাসক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা সেকেন্ড টাইম রাখতে চাইছি। তারা হয়তো সুযোগ পাবে। আমাদের ভর্তির কমিটিগুলো কাজ করছে। ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে। তবে আগামী বছর থেকে সেকেন্ড টাইম নাও থাকতে পারে।’

      ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা সনাতন পদ্ধতি বা যেটি ছিল সেটাতেই এবার ভর্তি পরীক্ষা নেবো। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আমরা বুয়েটের টেকনিক্যাল সহায়তা নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। বুয়েটের টিমের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। চূড়ান্ত হলে ভর্তির টেকনিক্যাল দিকটা বুয়েটই দেখবে।’

      খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাবির অধিভুক্ত থাকার সময়ে চলতি বছর এক দফা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে সাত কলেজের অধীনে সব অনুষদ মিলিয়ে মোট ২৩ হাজার ৫২৮টি আসন ছিল। বিজ্ঞান অনুষদে মোট আসন ছিল ৮ হাজার ৬২৭টি। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে আসন সংখ্যা ১০ হাজার ১৯টি। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে আসন ছিল চার হাজার ৮৯২টি।

      অন্তর্বর্তী প্রশাসকের দেওয়া তথ্যমতে, ঢাবির অধিভুক্ত থাকা অবস্থায় সাত কলেজে যে আসন ছিল, তা এ বছর খুব সামান্য কমতে পারে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত