ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইবিতে খুলনা জেলা কল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ জুলাই, ২০২৫ ২২:৫৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ইবিতে খুলনা জেলা কল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে খুলনা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির ১১৬ নাম্বার কক্ষে শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নবীন সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ এবং প্রবীণ সদস্যদের ক্রেস্ট ও  বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহমুদুর রহমান, অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী, সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, উপ-রেজিষ্ট্রার মাকসুদুর রহমান মাসুদসহ সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ, নবীন এবং প্রবীণ সদস্যবৃন্দ।

নবীন শিক্ষার্থীরা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির এমন সুন্দর আয়োজন আমাদের সবার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধুবান্ধব আর বড় ভাই-বোনদের স্নেহ-ভালোবাসা পেয়ে আমরা খুবই উচ্ছ্বাসিত। মনে হয় সমিতি প্রত্যেক বড় ভাই আপু আমাদের নিজ পরিবারের সদস্য। তারা এতটাই আমাদের আপন করে নিয়েছে, মনে হয় না যে আমরা পরিবার থেকে দূরে আছি। আমরা আশা করি, একে অপরের পাশে থেকে সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে পারব।"

ক্যাম্পাসের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রবীণ শিক্ষার্থীরা বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং আবেগের একটি মুহূর্ত। নতুন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছে, তাদেরকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের এই শুরুটা এক নতুন যাত্রা। এখানে তোমাদের দায়িত্ব শুধু পড়াশোনা করা নয়, বরং আত্মিক ও মানবিকভাবে বড় হয়ে ওঠা। আর অবশ্যই স্যারদের সাথে তোমরা যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে যাতে করে যেকোনো প্রয়োজনে স্যারদের সহায়তা নেওয়া যায়। তোমরা নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সহনশীলতা আর সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তুলবে। খুলনা জেলা সমিতি সবসময়ই পরিবার হিসেবে পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
 
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জেলা সমিতি অন্যান্য জেলা সমিতি থেকে অনেক সক্রিয়। আজকে এই অনুষ্ঠান একদিক যেমন আনন্দের তেমনি একদিকে বেদনা দায়ক। আমাদের সাথে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ খুবই কম। আমরা চাই এটা বৃদ্ধি পাক। তোমরা যেকোনো সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারো। আমরা তোমাদের সাধ্য মতো সহায়তা করার চেষ্টা করবো। আমরা কিন্তু এই সুযোগ তখন পাই নাই তাই তোমরা যেন এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারো। 

তিনি আরো বলেন, আমাদের জেলায় যেমন বিভিন্ন রকমের প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। তেমনি ক্যাম্পাসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সংগঠন। তোমরা সে সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নিজেকে আলোকিত করতে পারো। আর প্রবীণদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে কারণ আগামীর দেশ ও জাতির দায়ভার একদিন তারাই নিবে। তাই তাদের আগামী দিনগুলো যেন অনেক সুন্দর হয় তাদের জন্য অনেক শুভকামনা রইল।

সভাপতি সাজ্জাতুলাহ শেখ বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান থেকে নবীনদের অনেক অনেক অভিনন্দন এবং বিদায়ী বড় ভাইদের জন্য অনেক শুভকামনা জ্ঞাপন করছি। জেলা সংগঠন একটি আবেগের জায়গা। এখানে আমরা প্রত্যেকেই একটি পরিবারের সদস্য। তো সবসময় সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করবো। আর খুব শ্রীঘ্রই খুলনা জেলা থেকে যারা আসবে তাদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। কারোর যেন টাকার জন্য পড়ালেখার কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হবে। সবশেষে আগামীতে সকলকে একসাথে নিয়ে সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের পাশে থাকতে পারি সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, এইদিন পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে আয়োজন শুরু হয়। এসময় অনুষ্ঠানটির যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন রূপক এবং একই ব্যাচের সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া সাবরিনা।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ইবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ জুলাই, ২০২৫ ২২:৪৯
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ইবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল টুর্নামেন্টে দুই দলের মধ্যে মারামারির তথ্য সংগ্রহে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। 

রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় বিভাগের ২০২০-২১ থেকে ২০২৩-২৪ পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষাবর্ষের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। 

এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে গণমাধ্যম রুখে দাড়াক, নির্যাতনের প্রতিবাদ হোক; সাংবাদিকের উপর হামলা মানেই গণতন্ত্রের কবর; সাংবাদিকের কন্ঠরোধ, চলবে না চলবে না; সাংবাদিকের কন্ঠরোধ মানিনা মানবো না; অপরাধ কোনটি, সাংবাদিকতা না হামলা? যতই করো হামলা, কলম থামবে না ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহর জন্য একজন সাংবাদিককে যেভাবে ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা করা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে এমন ঘটনা ঘটবে তা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের প্রথম কাজ হয় যেকোন ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ডকুমেন্টস সংগ্রহ করা। তারপর সে সেটা যাচাই করে নিউজ হবে কিনা। ডকুমেন্টস সংগ্রহ করতে যেয়ে যদি এরকম হামলার শিকার হতে হয় তাহলে সাংবাদিকরা কাজ করবে কীভাবে। 

চ্যানেল আই প্রতিনিধি সাদিয়া আফরিন অমিন্তা বলেন, সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়, এটি মুক্ত পেশা। যদি সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মার খেতে হয় সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী হয়ে এর থেকে লজ্জ্বাজনক বিষষয় আর হতে পারেনা। যারা এই হামলার সাথে জড়িত আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মাহিমা হিমা বলেন, আমাদের বিভাগের বড় ভাইকে মারা হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেয়া হয়েছে। সাংবাদিকতাকে বলা হয় সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিক হিসেবে এটা আমাদের দায়ুত্ব কোনো দূর্ঘটনা ঘটলে তা তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া। এই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে যদি মার খেতে হয় তা কখনোই কাম্য নয়। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি যাতে পরবর্তীতে আর কেও এধরনের কাজ করার সাহস না দেখায়। 

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শামীম হোসেন বলেন, আমরা দেখেছি গতকাল আমাদের সহপাঠি সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন। একজন সাংবাদিক হিসেবে অপর একজন সাংবাদিককে মারধর করা হচ্ছিলো এটা অবশ্যই একটি নিউজ। সেই ঘটনা ভিডিও করতে যাওয়া তার পেশাগত দায়িত্ব। একজন সাংবাদিককে অন্য কোনো প্রেক্ষাপটে মারা হয়েছিলো কি না তা বিষয় নয়,  এখানে প্রধান বিষয় একজন সাংবাদিককে প্রহার করা হচ্ছিলো, আমাদের সহপাঠি একজন সাংবাদিক হিসেবে সেটা ভিডিও করতে গেলে তাকে নির্মমভাবে প্রহার করা হয়। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। প্রশাসনের কাছে আমরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এছাড়াও এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ও এনটিভি অনলাইনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মায়িশা মালিহা চৌধুরী, চ্যানেল আই প্রতিনিধি সাদিয়া আফরিন অমিন্তা, দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিনিধি ফারহানা ইয়াসমিন, দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের প্রতিনিধি ওয়াসিফ আল আবরার, দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিনিধি মানিক হোসেন, দৈনিক মূলধারার প্রতিনিধি আবু বকর, দৈনিক দেশের ডাকের প্রতিনিধি সুবংকর রয়, রাজ টাইমসের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাদ, দিক দিগন্তের প্রতিনিধি আবু সালমান।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

বাকৃবির দশমিক ৫৬ ব্যাচের প্রথম ইন্টার্নশীপ শুরু, বিএডিসিতে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার হাতেখড়ি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৯
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
বাকৃবির দশমিক ৫৬ ব্যাচের প্রথম ইন্টার্নশীপ শুরু, বিএডিসিতে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার হাতেখড়ি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের আওতায় বিএসসি ইন এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের দশমিক ৫৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রথম ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।

রবিবার (১৩ জুলাই) সিলেটে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) সেচ উইং ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এই ইন্টার্নশীপ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা।

প্রথম দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি সিলেট অঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রনজিত কুমার দেব । তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির টেকসই উন্নয়নে বিএডিসির ভূমিকা অপরিসীম। সেচ ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, সেচ কাঠামোর নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, কৃষকদের মধ্যে মানসম্পন্ন বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ—এই সবই বিএডিসির অন্যতম দায়িত্ব। সিলেট অঞ্চলে বিএডিসি বর্তমানে ধানক্ষেতে সোলার সেচ পাম্প স্থাপন, ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পানি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই ইন্টার্নশীপের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কৃষি প্রকৌশলীরা মাঠপর্যায়ে কৃষিভিত্তিক প্রকল্পগুলো সরাসরি দেখার সুযোগ পাবে। যা তাদের বাস্তব জ্ঞান অর্জনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হবে।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিএডিসি সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু আহমেদ মাহমুদুল হাসান।
ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমন্বয়কারীদের মধ্যে ছিলেন সহকারী প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সোহাগ মিয়া।

প্রথম দিনের কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান এবং ফার্ম স্ট্রাকচার এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রায়হানুল ইসলাম। তাঁরা শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করেন এবং বিএডিসির বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

এর আগে গত ৯ জুলাই বাকৃবি ক্যাম্পাসে ইন্টার্নশীপ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, “এই ব্যাচ দিয়েই কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ইন্টার্নশীপের যাত্রা শুরু হচ্ছে। তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে তারা বুঝতে পারবে চার বছরে অর্জিত জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ কেমন হয়। একজন প্রকৌশলী হিসেবে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে কাজ করতে হলে পরিশ্রমী হতে হবে, মনোযোগী হতে হবে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি—তাদের প্রত্যেকটি কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান জড়িয়ে রয়েছে।”

দশমিক ৫৬ ব্যাচের মাসব্যাপী এই ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাকৃবির কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। ব্যাচের মোট ৯৪ জন শিক্ষার্থী ৬টি গ্রুপে ভাগ এই প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছেন। 

সিলেটে শুরু হওয়া দশমিক ৫৬ ব্যাচের গ্রুপ-৩ এর শিক্ষার্থীরা প্রথম এক সপ্তাহ বিএডিসিতে ইন্টার্নশীপ করবেন। পরবর্তী এক সপ্তাহ তাঁরা আলিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড,  সিলেটে ইন্টার্নশীপ করবেন।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

জাবিপ্রবিতে থিসিস ও প্রজেক্ট প্রস্তাবনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১৩ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৭
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
জাবিপ্রবিতে থিসিস ও প্রজেক্ট প্রস্তাবনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে থিসিস ও প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরির কৌশল নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের কনফারেন্স রুমে ‘From Concept to Completion: Step by Step Guide to Thesis/Project Proposal Development and Research Execution’ শীর্ষক এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বিভাগের চেয়ারম্যান সুজিত রায়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোশারফ হোসেন এবং সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাসান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন৷ 

সেমিনারে প্রধান বক্তা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম. কামাল থিসিস এবং প্রজেক্ট প্রস্তাবনা তৈরির ক্ষেত্রে গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শাহজালাল, সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ওলি উল্লাহ চৌধুরী, সিএসই বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ হাসান, সাইদুর রহমান, খবির উদ্দিন, মাহফুজুল হকসহ বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে কামিল শ্রেণিতে ভর্তি সময় বাড়ল

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১৩ জুলাই, ২০২৫ ১৯:২২
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে কামিল শ্রেণিতে ভর্তি সময় বাড়ল

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল কামিল মাদ্রাসায় ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে কামিল (স্নাতকোত্তর) প্রথম পর্ব হাদীস, তাফসীর, ফিকহ ও আদব বিভাগে দুই বছর মেয়াদি কামিল (স্নাতকোত্তর)  শ্রেণিতে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে আজ রোববার (১৩ জুলাই ২০২৫) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বিলম্ব ফি ছাড়াই ভর্তির নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।  শিক্ষার্থীরা ১৩ জুলাই ২০২৫ থেকে ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন।

    এছাড়াও, পূর্বে প্রকাশিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তির আলোকে যারা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জন্য এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভর্তি ফি ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ফি জমাদানের সময়সীমাও পুনঃনির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন না করলে শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষাবর্ষে (২০২৩-২০২৪) আর ভর্তি হতে পারবেন না। ফলে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভর্তি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.iau.edu.bd) থেকে জানা যাবে।

    মোঃ আরিফুল ইসলাম/

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত