শিরোনাম
পরিবেশ সচেতনতার বার্তা নিয়ে হাওরের সৌন্দর্য উপভোগ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভ্রমণপ্রিয় শিক্ষার্থীদের সংগঠন পিএসটিইউ ট্রাভেলার্স সোসাইটি (PSTUTS) সম্প্রতি দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান টাঙুয়ার হাওরে একটি সফল ও সচেতনতামূলক ট্যুর আয়োজন করেছে।
পবিপ্রবি থেকে যাত্রা শুরু করে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ হয়ে মধ্যনগর উপজেলার ঘাট দিয়ে হাওরে প্রবেশ করেন ৪৩ জন সদস্য। পুরো ভ্রমণকালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। মধ্যনগরের ইউএনও জনাব উজ্জ্বল রায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করেন।

সদস্যরা নৌকায় রাত যাপন, হাওরের নয়নাভিরাম প্রকৃতি উপভোগ, স্থানীয় গ্রামাঞ্চল পরিদর্শন এবং এলাকার মানুষজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সময় কাটানোর সুযোগ পান। এছাড়াও, ভ্রমণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল টাঙুয়ার হাওরের বিভিন্ন স্থানে প্লাস্টিক ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম। পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে এই উদ্যোগটি প্রশংসিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি হিমেল মজুমদার বলেন, “স্থানীয় মানুষের আন্তরিক ব্যবহার আমাদের মুগ্ধ করেছে। আমরা ভবিষ্যতে আবারও এখানে আসতে চাই এবং অন্যদেরও এখানে ঘুরে যাওয়ার আহ্বান জানাই। টাঙুয়ার হাওর একটি নিরাপদ ও অসাধারণ গন্তব্য।”
নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উপর দুর্বৃত্তদের হামলা
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বিভাগের একাধিক শিক্ষার্থীর ওপর দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধায় চট্টগ্রাম থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় তাদের উপর এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আজ সকালে ভুক্তভোগী ইইই বিভাগের শিক্ষার্থী অনিমেষ দেব নাথ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে অভিযুক্ত করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ইইই বিভাগের এই শিক্ষার্থী এজাহারে উল্লেখ করেন, তিনি এবং তাঁর দুই সহপাঠী গতকাল চট্টগ্রামের একে খান এলাকা থেকে বাঁধন প্লাস পরিবহনের একটি বাসে করে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথিমধ্যে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পৌর হাজীপুর এলাকায় পৌঁছালে বাসে পূর্ব থেকে অবস্থান করা তিনজনযাত্রীসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন দুর্বৃত্ত তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা অনিমেষের গলা চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করে এবং তাকে ও তার দুই সহপাঠীকে কিল, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে। এতে অনিমেষের মাথা, কানের পাশে ও ডান বাহুতে গুরুতর জখম হয়। অপর শিক্ষার্থীদের শরীরেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হামলাকারীরা অনিমেষের পকেট থেকে ৬,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোবাইলে ছবি তুললে তা মুছে ফেলে ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে আহতদের বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানান, হামলাকারীরা শিক্ষার্থীদের পরিচয় জানার পরেও হামলা চালাতে দ্বিধা করেনি। শিক্ষার্থীরা বলেন, এ ধরনের হামলা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ডাক দিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এর প্রতিবাদে আজ বিকেলে বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌরাস্তায় একটি বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করবে শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের উপর এমন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগেও আমাদের শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমরা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি।
বেগমগঞ্জ মডেল থানায় দায়েরকৃত উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঘতিয়ে দেখা হবে।
কুবিতে সহকারী অধ্যাপককে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর মুতাসিম বিল্লাহকে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি উত্থাপন করেন— রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের সময় শিক্ষককে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হাসান কামরুলকে আজীবনের জন্য ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করতে হবে এবং প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও সহকারী প্রক্টর মুতাসিম বিল্লাহর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও হাসান কামরুল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের নিয়ে অশালীন ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে আসছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আরাফ ভূঁইয়া বলেন, “১১ জুলাই যখন হাসান কামরুল শিক্ষকদের হুমকি দিচ্ছিলেন, তখন আমরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিন্তু পরিবেশের কথা ভেবে আমরা কিছু বলিনি। কিন্তু তার অতীত কর্মকাণ্ড ও বারবার পরিবেশ বিনষ্টের অভিযোগের কারণে আমরা মনে করি, তাকে আজীবনের জন্য ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করা উচিত।”
কুবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থে অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন সাবেক শিক্ষার্থী হয়ে শিক্ষককে হুমকি দেওয়ার ঘটনা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।”
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক নাইম ভূঁইয়া বলেন, “১১ জুলাইয়ের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি সফল করতে মুতাসিম স্যারের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ তাকেই হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
‘পাটাতন’-এর সভাপতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহ বলেন, “একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী হয়ে হাসান কামরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্টেকহোল্ডার না হয়েও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমরা এমন পরিবেশ চাই না, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।”
উল্লেখ্য, গত ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় একটি অনুষ্ঠানের সময় প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল ও সহকারী প্রক্টর মুতাসিম বিল্লাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হাসান কামরুলের বিরুদ্ধে।
‘শাটডাউন’ ঘোষণা মিটফোর্ড শিক্ষার্থীদের
রাজধানীর মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে মেডিকেল কলেজ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে এই ঘোষণা দেন তারা।
এ সময় মিটফোর্ডে বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানো ছাড়াও ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ ও আনসার বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (০৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে পাকা রাস্তার ওপর ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
প্রকাশ্যে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ইতোমধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থীরাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতা।
সবশেষ রোববার চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সোহাগ হত্যার বিচার চেয়ে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বরে ব্যাবসায়ী সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। এই নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১২ই জুলাই) দুপুরে কলেজের প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে এসে শেষ হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা “চাঁদাবাজের ঠিকানা, ছাত্রদলে হবে হবে না”, “সোহাগ হত্যার বিচার চাই”, “আমার ভাই রাস্তায় মরে, ইন্টেরিম কি করে” প্রভৃতি স্লোগানে দেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান বলেন, “ জুলাই আগস্ট পরবর্তী সময়ে এদেশে মব কালচার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার মব দমনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় নি। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় তারেক রহমানকে জড়িয়ে নোংরামি করা হচ্ছে। তারেক রহমানকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা হলে ছাত্রদল হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে না। রাজপথে তার জবাব দিবে।”
তিনি আরো বলেন, “অপরাধীর কোনো দল হয় না। তারা যে দলেরই হোক না তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কঠিন বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, “আজ দেশে যারা সত্য কথা বলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের নির্মম পরিণতি হচ্ছে সোহাগ ভাইয়ের মতো হত্যা। আমরা এই হত্যা ও চাঁদাবাজির রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। ছাত্রদল কখনও অন্যায়ের সাথে আপস করবে না।”
নেতারা আরও অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী, কেউই আজ নিরাপদ নয়। সরকারের উদাসীনতায় সন্ত্রাসীরা বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বক্তারা অবিলম্বে সোহাগ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।
বিক্ষোভ শেষে নেতাকর্মীরা কলেজ প্রাঙ্গণে ফিরে গিয়ে ঘোষণা দেন, দোষীদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক কর্মসূচি চলতে থাকবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য