শিরোনাম
সোহাগ হত্যার বিচার চেয়ে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বরে ব্যাবসায়ী সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। এই নির্মম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১২ই জুলাই) দুপুরে কলেজের প্রধান ফটক থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে এসে শেষ হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা “চাঁদাবাজের ঠিকানা, ছাত্রদলে হবে হবে না”, “সোহাগ হত্যার বিচার চাই”, “আমার ভাই রাস্তায় মরে, ইন্টেরিম কি করে” প্রভৃতি স্লোগানে দেন।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান বলেন, “ জুলাই আগস্ট পরবর্তী সময়ে এদেশে মব কালচার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার মব দমনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় নি। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় তারেক রহমানকে জড়িয়ে নোংরামি করা হচ্ছে। তারেক রহমানকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা হলে ছাত্রদল হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবে না। রাজপথে তার জবাব দিবে।”
তিনি আরো বলেন, “অপরাধীর কোনো দল হয় না। তারা যে দলেরই হোক না তাদেরকে গ্রেপ্তার করে কঠিন বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, “আজ দেশে যারা সত্য কথা বলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের নির্মম পরিণতি হচ্ছে সোহাগ ভাইয়ের মতো হত্যা। আমরা এই হত্যা ও চাঁদাবাজির রাজনীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর। ছাত্রদল কখনও অন্যায়ের সাথে আপস করবে না।”
নেতারা আরও অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ী, কেউই আজ নিরাপদ নয়। সরকারের উদাসীনতায় সন্ত্রাসীরা বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বক্তারা অবিলম্বে সোহাগ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানান।
বিক্ষোভ শেষে নেতাকর্মীরা কলেজ প্রাঙ্গণে ফিরে গিয়ে ঘোষণা দেন, দোষীদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক কর্মসূচি চলতে থাকবে।
রাজধানীতে ব্যাবসায়ী হত্যার প্রতিবাদে বাঙলা কলেজ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের বিক্ষোভ মিছিল
রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় সোহাগ নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাঙলা কলেজ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ।
শনিবার (১২ই জুলাই) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কলেজের শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘চাঁদাবাজের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘সোহাগ হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাঙলা কলেজ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম রাব্বি বলেন, ‘সোহাগ ভাই শুধু চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বলেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমরা চাই, অবিলম্বে এই হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।’
মিছিল শেষে সদস্যসচিব শাওন আহমেদ সৈকত বলেন, ‘দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমরা সোহাগ ভাইয়ের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার দাবি করছি। সেই সঙ্গে, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবে।’
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, মিটফোর্ডের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক তৈরি করেছে। অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও শুরু হয়নি ওশানোগ্রাফি বিভাগের ল্যাব নির্মাণের কাজ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের বহুল প্রতীক্ষিত আউটডোর রিসার্চ শেড নির্মাণ প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও এখনো শুরু হয়নি কাজ। ২১ লাখ ১১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ প্রকল্প ১৯ মে শুরু হয়ে ১৮ জুন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেও কোনে কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীলদিঘীর দক্ষিণপ্রান্তে প্রকল্পের নির্ধারিত স্থান বিভিন্ন আগাছায় পরিপূর্ণ। ঝোপঝাড় এর মাঝে একটিমাত্র সাইনবোর্ড দেখা গেলেও নেই কোন স্থাপনা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় কাজ শুরুর উদ্দেশ্যে ওশানোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে ঝোপঝাড়ও পরিষ্কার করে। তবে ঐ স্থানটি আবারও আগাছায় পরিপূর্ণ হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, একটি গবেষণা নির্ভর বিভাগ হয়েও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগে নেই ন্যূনতম ল্যাব সুবিধা। বর্তমানে যে রুম ল্যাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সেখানে সব শিক্ষার্থীদের দাঁড়ানোর মতো জায়গাও থাকে না। নেই ল্যাব টেকনিশিয়ান, গ্যাস বা পানির সংযোগ। এ অবস্থায় আউটডোর রিসার্চ শেড প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ময়ূরী নূর বলেন, “বাংলাদেশ সুনীল অর্থনীতি নিয়ে নানা সেমিনার আয়োজন করছে, অথচ আমাদের ওশানোগ্রাফি বিভাগ অবহেলার চরম শিকার। যে ল্যাব আছে তা আসলে একটি স্টোররুম। সামান্য যন্ত্রপাতিও অব্যবস্থাপনায় নষ্ট হয়ে গেছে। দক্ষ টেকনিশিয়ান পর্যন্ত নেই। আউটডোর রিসার্চ ফিল্ডের জায়গায় গাছ কেটে পরিষ্কার করলেও আবার আগাছা জন্মে গেছে। কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন নেই।”
২য় বর্ষের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি বলেন, “গবেষণানির্ভর একটি বিভাগের এই অবস্থা অত্যন্ত হতাশাজনক। পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা না থাকায় আমাদের শিক্ষা ও গবেষণার স্বপ্ন ভেঙে যাচ্ছে। এটি কেবল শিক্ষার্থীদের প্রতি নয়, দেশের সামুদ্রিক গবেষণার ভবিষ্যতের প্রতিও অবহেলা। আমরা চাই, এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হোক।”
এ বিষয়ে ওশানোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. গোলাম মোস্তফা বলেন, “ ভিসি স্যারের আন্তরিকতায় আমরা জায়গা, অর্থ বরাদ্দ সবকিছুই সময় মতো পেয়েছি। বিভাগীয়ভাবে আমাদের দায়িত্ব যা ছিল, সবকিছুই সময়মতো করা হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কাজ শুরু না হওয়া অত্যন্ত হতাশার।”
প্রকল্প পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দীন বলেন, “ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময় অনেক আগেই শেষ হয়েছে। তারা সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা বলছে, সাইটে নির্মাণ সামগ্রী পৌঁছানো কষ্টসাধ্য। এজন্য কিছু গাছ কেটে সুযোগ করে দিলেও তারা বারবার আপত্তি জানাচ্ছে। এর মাঝে টানা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তারপরও তাদের কাজ শুরুর জন্য বলা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ঠিকাদারকে যে সময় দেওয়া হয়েছিল, সেটি পর্যাপ্ত ছিল না। তবে কাজটি শেষ করতে আমরা আরো সময় বিবেচনা করে দেখবো।”
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এমএস নূর ট্রেডার্স এর মালিক নূর চৌধুরী বলেন, “ওয়ার্ক অর্ডার পাওয়ার পর হাতে ১৫ দিন সময় ছিল। কিন্তু ঈদ এবং পরবর্তী সময়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাজ শুরু করা যায়নি। আমরা প্রস্তুত আছি আবহাওয়া ভালো হলেই কাজ শুরু হবে।”
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজুয়ানুল হক বলেন, “প্রশাসনিকভাবে আমরা দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি। যেহেতু ডিপিডির মাধ্যমে ওয়ার্ক অর্ডার হয়েছে, তাদেরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।”
এই হত্যাকাণ্ড নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ- জাবিপ্রবি উপাচার্য
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ব্যবসায়ী চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান।
শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে নিছক একটি ব্যক্তি হত্যা হিসেবে না দেখে, একে পুরো সমাজব্যবস্থার গভীর দুর্বলতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের নির্মম দলিল হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
পোস্টে তিনি আরো লেখেন, ‘বাংলাদেশে এই হত্যাকাণ্ড কেবল একটি ব্যক্তি হত্যার ঘটনা নয়; এটি পুরো সমাজব্যবস্থার গভীর দুর্বলতা, অনুশীলিত নৈতিকতাবোধের পতন, এবং সমষ্টিগত নির্লিপ্ততার একটি নির্মম দলিল। এই হত্যাকাণ্ডে নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ। যে সমাজে একটি মানুষের মৃত্যু আরেকজনের অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য হয়ে ওঠে, সেখানে সভ্যতা নয়, কেবল দৃষ্টিনন্দন নির্মমতা বেঁচে থাকে।’
সমাজের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে উপাচার্য লিখেন ‘এটাই যদি সভ্যতা হয়, তবে অসভ্যতায় হয়তো আরও কিছু মানবিকতা ছিল।’
উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই বুধবার রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের মূল ফটকে জনসমক্ষে সোহাগ নামে এক ব্যবসায়ী যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সারাদেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে৷ রাতে বিক্ষোভ মিছিল হয় রাজধানী ও দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে৷
মিটফোর্ড ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে খুবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ
রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল চত্বরে চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। এ সময় দেশব্যাপী বিএনপির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেরও প্রতিবাদ জানান তারা।
শুক্রবার (১১ জুলাই) মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে শুরু হয়ে কটকা-হাদি চত্বর ঘুরে শহীদ মুগ্ধ তোরণ হয়ে ক্যাম্পাসের মেইন গেটে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে এই মিছিল শেষ হয়।
সমাবেশে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা মিটফোর্ডে চাঁদা না দেওয়ায় ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যাসহ সারাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর দ্রুত বিচার দাবি করেন।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা "চাঁদাবাজের ঠিকানা—এই বাংলায় হবে না", "সৈরাচারের ঠিকানা—এই বাংলায় হবে না", "তারেক জিয়ার সৈনিক, চাঁদা তোলে দৈনিক" এমন নানা প্রতিবাদী স্লোগানের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের হুঁশিয়ার করে বলেন, “ছাত্রজনতা প্রয়োজনে আবার রক্ত দেবে, তবুও এই বাংলাদেশে কোনো ধরনের স্বৈরাচারের আশ্রয় হবে না।” তিনি আরো বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সুসজ্জিত পুলিশ বাহিনী থাকা সত্ত্বেও তাদের পতন হয়েছে। সুতরাং যারা অবাধে এ দেশে এ ধরনের নৃশংসতা চালাচ্ছেন, তাদের লাগাম ধরতে ছাত্রজনতার এক মুহূর্তও বিলম্ব হবে না।”
মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বর্ষের শিক্ষার্থী মুন্না জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণ করে বলেন, “আবু সাঈদ মুগ্ধের এই বাংলায় মধ্যযুগীয় বর্বর হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষ মেনে নেবে না। খুন, গুম, রাহাজানি এসবের মাধ্যমে রাজনীতিকে এ দেশের মানুষ লাল কার্ড দেখিয়েছে। বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল যদি আবার ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তবে তাদের বিচার এ দেশের ছাত্রসমাজ রাজপথেই করবে।”
বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী দিপন পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেন সোহাগ হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে, অভিযুক্ত মাহিন ও রবিনসহ সকল খুনিকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, সারাদেশে চাঁদাবাজি ও নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, রাজনৈতিক পরিচয়ের অপব্যবহার করে অপরাধীদের রক্ষা করার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য