ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জুলাই শহীদদের স্মরনে জাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর অভিনব উদ্যোগ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
১১ জুলাই, ২০২৫ ১৩:৬
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
জুলাই শহীদদের স্মরনে জাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর অভিনব উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও উৎসাহিতকরণ, পরিবশ সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য ও অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি এবং একটি বাসযোগ্য সবুজ পরিবেশ তৈরিতে বৃক্ষরোপন হতে পারে ইতিবাচক উদ্যোগ তবে সেটা যদি হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বরণে তবে তো অভিনব বলাই চলে৷      

তাইতো গতানুগতিকতার বাহিরে ভিন্নধর্মী উদ্যোগের মাধ্যমে গতবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরনে ক্যাম্পাসে ব্যক্তি উদ্যোগে বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নেয় জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যীনাত মিয়া আজিজুল।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সহপাঠী, অনুজ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে ক্যাম্পসের বিভিন্ন স্থানে প্রায় পনেরোটি ফুল ও ফলের চারা রোপন করে যীনাত৷ এর মধ্যে ছিলো- আতা, পেয়ারা, কাঠাল, কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি৷ 

এ প্রসঙ্গে শিক্ষার্থী যীনাত মিয়া আজিজুল দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘দেশপ্রেম ও পরিবেশ রক্ষার চেতনাকে ধারণ করে এবং জুলাই চব্বিশের শহীদদের স্মরনে আমরা ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমরা পরিবেশ উন্নয়নে ক্যাম্পাসে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷ জুলাই চব্বিশে যাঁরা দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষায় প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের স্মৃতি যেন হারিয়ে না যায়, সেই চেতনা থেকেই আমরা আজ এই বৃক্ষরোপন লক্ষ সবুজ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।’ 

পড়াশোনার পাশাপাশি যীনাত ছাত্র রাজনীতির সাথেও সম্পৃক্ত৷ তিনি রাজনীতি নিষিদ্ধ জাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ১০ জুলাই মাভাবিপ্রবিসাসের 'কালো দিবস’

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১০ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৪১
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ১০ জুলাই মাভাবিপ্রবিসাসের 'কালো দিবস’

    ‎টাঙ্গাইলের  মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  সাংবাদিক সমিতি—মাভাবিপ্রবিসাস—আজ দিনটি ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালিত করেছে। ২০২৪ সালের ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একতরফা ও স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তে সমিতির কার্যক্রম স্থগিতের ঘটনাকে স্মরণ করেই এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

    ‎গত বছরের ওই দিনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় মেধা-নির্ভর ভর্তি নাগরিক সুবিধার দাবিতে জড়িত ছাত্রদের খবর প্রচার করায় সাংবাদিক জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে “সরকারি এম.এম. আলী কলেজের শিক্ষার্থী মাহিনকে মিছিলে নেন”—এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহীর ন্যায় বর্হিবিশ্বাস আগ্রহী ঘোষণা করা হয়। এরপর তার কাছ থেকে স্বল্প খসড়ে একটি মুচলেকা নিয়ে সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রম একতরফাভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

    ‎প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপের পিছনে কাজ করছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ছাত্রকল্যাণ পরিচালক, প্রক্টর, জনসংযোগ ও প্রকাশনা পরিচালক এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল ও তার সহযোগীরা।

    ‎সাংবাদিক জাহিদ হোসেন বলেন, “ওই দিনটি আমার জন্য ছিল ভয়াবহ একটি দিন। নিউজ প্রচার ও সহায়তার জন্য আমাকে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অনুঘটক বানিয়ে মুচলেকা নেয়া হয়। যা জীবনের জন্যই এক ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।” সংবাদ সংগ্রহে বাধা, মানসিক হুমকি ও প্রশাসনের তীক্ষ্ণ নজরদারিতেও মাভাবিপ্রবি সাংবাদিকরা থেমে যায়নি—এই সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী একটি সাহসী কর্মজীবনের ইতিহাস রচনা করেছে।

    ‎বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক তুষার আহমেদ বলেন, “ স্বৈরাচারের সময়ে গণমাধ্যম এবং নিউজ চ্যানেল গুলো ছিল ক্রয় করা পণ্যের মতো। কিন্তু এর মধ্যেও যে সাংবাদিক ভাইয়েরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন তাদেরকে বিভিন্ন মাধ্যমে চাপ দিয়ে মুখ বন্ধ করানো হতো। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসনও সেটার ব্যতিক্রম ছিল না। 10 জুলাই সাংবাদিক সমিতি বন্ধ করার পরেও আমাদের সাহসী সাংবাদিক রা দমে যান নি বরং জুলাই আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন। অবশ্যই তাদের কাজের জন্যে তারা প্রশংসার দাবিদার
    ‎‎
    ‎বর্তমান সভাপতি বিজয় সরকার জানান, “জুলাই আন্দোলনের সময় সাংবাদিক সমিতির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য সরবরাহ করছিলাম। প্রশাসন সাংবাদিক সমিতি বন্ধ ঘোষণা করলেও আমরা কখনো পিছিয়ে যাইনি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সংবাদ প্রচার করতে।”

    ‎আজকের ‘কালো দিবস’ কেবল একটি প্রতিবাদ নয়—এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা রক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে একটি ঐতিহাসিক বার্তা। ভবিষ্যতে এমন স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রশাসন যেন গণতন্ত্রের শর্ত ভঙ্গ না করে—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে এই দিনকে স্মরণ করে রাখা হলো। মভাবিপ্রবি সাংবাদিকদের অঝোর সংগ্রাম আগামী প্রজন্মের ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের কাছে উদ্দীপনা রূপে থাকবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পদন্নোতি পেলেন মাভাবিপ্রবির ২১ শিক্ষক

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১০ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১৭
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      পদন্নোতি পেলেন মাভাবিপ্রবির ২১ শিক্ষক

      টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ২১ জন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৬ জন সহযোগী অধ্যাপক এবং ৫ জন অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

      রেজিস্ট্রার অফিস থেকে চিঠির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পদোন্নতির বিষয়টি সকলকে জানায়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের ২৪৯ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

      সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন অর্থনীতি বিভাগের ড. মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিটন, ফার্মেসী বিভাগের ড.মোঃ আশরাফ আলী,পরিসংখ্যান বিভাগের ড. মাশফিকুল হক চৌধুরী, পরিসংখ্যান বিভাগের ড. সৈয়দ মহিবুল হোসেন এবং বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের(বিএমবি) ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম। 

      সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্তরা হলেন ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের (সিপিএস) মোঃ আওরঙ্গজেব আকন্দ, নিলুফার ইয়াসমিন, সুমনা শারমিন,মাহমুদা আক্তার, অর্থনীতি বিভাগের রোকসানা আখতার, ছাবিহা বিনতে হাসান, রসায়ন বিভাগের পীযূষ কান্তি রায়, ড. শারমিন সুলতানা, গণিত বিভাগের সঞ্জয় কুমার সাহা, মোঃ শফিকুল ইসলাম (তুহিন), ফার্মেসী বিভাগের মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (সিএসই) লুবনা ইয়াসমিন পিংকি, বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের (বিএমবি) মেরিনা খাতুন, সায়মা সাবরিনা, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সুব্রত বণিক ও ইংরেজি বিভাগের ইফতেখার আহমেদ।

      সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত ফার্মেসী বিভাগের ড.মোঃ আশরাফ আলী জানান, "সকলের নিকট শারীরিক সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি, যাতে শিক্ষা ও গবেষণায় সততার সঙ্গে কাজ করে ফার্মেসি বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে যথাযথভাবে অবদান রাখতে পারি, ইনশাআল্লাহ।"


      সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের (সিপিএস) মোঃ আওরঙ্গজেব আকন্দ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, "একজন শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি, সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে আপগ্রেড হওয়া মানে শুধু উচ্চতর পদ লাভ নয়; বরং এটি আমাদের বর্তমান একাডেমিক দায়িত্বের পরিধি আরও বৃদ্ধি করেছে। এই পদোন্নতি আমাদেরকে আরও  অধিকতর দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারে আবদ্ধ করেছে। এই পর্যায়ে আমাদের শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানই নয়, বরং অধিকতর মানসম্পন্ন গবেষণা এবং জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণে অবদান ও নেতৃত্ব প্রদানের সক্ষমতাও অর্জনের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে।"

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘GreenSteps Bangladesh’-এর উদ্যোগে কুবিতে পরিবেশ সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ১০ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৩
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ‘GreenSteps Bangladesh’-এর উদ্যোগে কুবিতে পরিবেশ সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

        পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) একদল শিক্ষার্থীর উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে পরিবেশ রক্ষার ক্যাম্পেইন।

        বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীসহ সকলকে পরিবেশ নিয়ে সচেতন থাকার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করা হয়।

         ক্যাম্পেইনটি ‘GreenSteps Bangladesh’ নামের এক পরিবেশবান্ধব সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। যা পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করেন।

        তাদের এই ক্যাম্পেইনে আজ শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সুরক্ষার বার্তা দেওয়া হয়। প্লাস্টিক-পলিথিনের পরিবর্তে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার, যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা, চারপাশ পরিস্কার-পরিচ্ছিন্ন রাখা ও গাছ রোপণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে শিক্ষার্থী-কর্মকর্তাদের উদ্বুদ্ধ করা হয়।

        ক্যাম্পেইন সম্বনয়কারী সাদেকুর রহমান বলেন, ‘GreenSteps Bangladesh’ পরিবেশবান্ধব পৃথিবী গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি পরিবর্তনের শুরু হয় ছোট একটি পদক্ষেপ থেকে। একটি ছোট পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তুললেই আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলতে পারি টেকসই একটি ভবিষ্যৎ।

        জানা যায়, তাদের এই পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম আশেপাশের স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন এলাকায় চলমান থাকবে।
         

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হামলায় অভিযুক্ত নোবিপ্রবি কর্মকর্তা আটক

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ১০ জুলাই, ২০২৫ ১২:২৬
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হামলায় অভিযুক্ত নোবিপ্রবি কর্মকর্তা আটক

          জুলাই আন্দোলনে সরাসরি হামলার অভিযোগে  নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের (নোবিপ্রবি) এক কর্মকর্তাকে পুলিশে সোপর্দ করে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন বলে জানা যায়। এমনকি কর্মরত অবস্থায় নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের কর্মীসভায় কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়৷ বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সেকশন অফিসার হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। 

          বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে শিক্ষার্থীরা ঐ কর্মকর্তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিজেদের জিম্মায় নেন এবং পুলিশের কাছে সোপার্দ করে দেন।

          আটকের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মো: আশরাফ আরেফিন নামে এক ব্যক্তি পোস্ট করেন, ১৫ই জুলাই, ২০২৪। ঢাবি ভিসি চত্বরে আমার উপর হামলাকারী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতাকে আটক করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক যেন পরবর্তীতে আর কেউ এমন হামলা করার সাহস না দেখাতে পারে।

          এ বিষয়ে অভিযুক্ত আইন বিভাগের সেকশন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন  বলেন : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার যে ছবিতে আমাকে দেখানো হচ্ছে সেই ব্যাক্তি আমি নই, এ ছবিটি এডিট করা বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরো জানান, আইন অনুযায়ী যদি তদন্ত সাপেক্ষে এই ব্যাপারে সত্যতার প্রমাণ মেলে তাহলে আইন অনুযায়ী সে যে কোন প্রকার শাস্তি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত ।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের  প্রক্টর আ ফ ম আরিফুর রহমান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আইন বিভাগে কর্মরত শাখা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। তার বিরুদ্ধে আনিত আভিযোগ তদন্তের জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়া সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত