ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ঢাবির অধিভুক্তি বাতিল ও বিআইটি গঠনের দাবিতে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

থানা প্রতিনিধি
৯ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৩
থানা প্রতিনিধি
ঢাবির অধিভুক্তি বাতিল ও বিআইটি গঠনের দাবিতে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা বৃষ্টির মধ্যেই তারা এই কর্মসূচি পালন করে।

কলেজের শহীদ মিনার এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা কলেজ সংলগ্ন ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল ও রহমতপুর-দিঘারকান্দা বাইপাস সড়ক ঘুরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হন। এ সময় একদফা দাবিতে তারা বিআইটির (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) আদলে প্রতিষ্ঠানটির স্বতন্ত্র কাঠামো গঠনের আহ্বান জানান।

সমাবেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী আল আমিন বলেন, “দীর্ঘ দুই মাস আন্দোলন চললেও আমাদের দাবি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করেনি। তাই আগামীকাল থেকে রহমতপুর বাইপাস মোড়ে পূর্ণ সড়ক অবরোধের কর্মসূচি শুরু হবে। এখান দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।” তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আন্দোলনে সহযোদ্ধা হয়ে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

 আত্মহত্যা থেকে আন্দোলনের সূত্রপাত

গত ১৮ মে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ কর্মকার আত্মহত্যা করেন। চলমান শিক্ষা কাঠামোর চাপে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন বলে সহপাঠীরা অভিযোগ করেন। এরপর ২০ মে থেকে একাডেমিক কম্বাইন্ড সিস্টেম বাতিলসহ বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলনে নামে।

১৪ জুন ঈদের ছুটির পর কলেজ খুললেও শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফেরেননি। ২৪ জুন থেকে তারা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেন, ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। ৫ জুলাই থেকে শুরু হয় বিআইটি গঠনের দাবিতে আনুষ্ঠানিক আন্দোলন।

শিক্ষার্থীদের বিবৃতি

আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আজ শিক্ষার্থীরা একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেন। এতে জানানো হয়, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও বরিশাল—এই তিনটি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ২০ মে থেকে একযোগে সব একাডেমিক কার্যক্রম ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রযুক্তি ইউনিট সরকারের অধীন এই কলেজগুলোকে উপেক্ষা করে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের প্রতি পক্ষপাতমূলক নীতি নিচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রযুক্তি ইউনিটের মাধ্যমে আয়োজিত ভর্তি পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করছি। এই শিক্ষাবর্ষে কেউ এই ইউনিটের মাধ্যমে উল্লিখিত তিন কলেজে ভর্তি হতে পারবে না।”

তারা দাবি করেন, এই তিনটি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিআইটির আওতায় এনে স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ভর্তির কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

 কর্তৃপক্ষের অবস্থান

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, “গতকাল কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সব দাবি নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে গৃহীত হতে হবে এবং এতে সময় লাগবে। সে পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন এবং আগামীকাল (বুধবার) পূর্ণ সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শাবিপ্রবিতে শুরু হলো 'অংকন রায় মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫'

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৯ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫৩
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    শাবিপ্রবিতে শুরু হলো 'অংকন রায় মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫'

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) হ্যান্ডবল মাঠে আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘অংকন রায় মেমোরিয়াল ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫’। চার দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

    টুর্নামেন্টটির আয়োজন করেছে লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৭তম ব্যাচ। খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং প্রয়াত শিক্ষার্থী অংকন রায়ের স্মৃতিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতেই এই আয়োজনে ব্যাচটি সক্রিয় ভূমিকা নেয়।খেলাটি বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ইতোমধ্যে উচ্ছ্বাস ও আবেগ তৈরি করেছে। প্রতিদিন হ্যান্ডবল মাঠে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে বন্ধুদের হারানোর বেদনার সঙ্গে এক আত্মিক মিলনও ঘটছে খেলাধুলার মাধ্যমে।

    এই টুর্নামেন্টের মূল লক্ষ্য শুধু খেলাধুলার মাধ্যমে শরীরচর্চা ও মননশীলতা বৃদ্ধি নয়—এর নেপথ্যে রয়েছে এক হৃদয়স্পর্শী স্মৃতি। ১৭তম ব্যাচের মেধাবী ও প্রাণবন্ত শিক্ষার্থী আনকন রায়–এর স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই এই আয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে যার হাসি, প্রাণবন্ততা ও বন্ধুত্ব সবার মন জয় করেছিল, তার হঠাৎ মৃত্যুই বন্ধুদের মনে গভীর শূন্যতা তৈরি করে। সেই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার জায়গা থেকেই সৃষ্টি হয়েছে এই টুর্নামেন্টের।

    টুর্নামেন্টে লোকপ্রশাসন বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে খেলা শুরু হয়। খেলার মধ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ—যা একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণ বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আয়োজকরা জানান, অংকনের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই তারা এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছেন এবং আগামী বছরগুলোতেও এই আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

    এই টুর্নামেন্ট শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে স্মৃতি, সম্পর্ক আর আবেগের এক মহামঞ্চ—যেখানে খেলাধুলা আর ভালোবাসা মিলেমিশে তৈরি করছে মানবিকতা ও ঐক্যের নতুন গল্প।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মাভাবিপ্রবিতে শিক্ষা সফরে আসছে দক্ষিণ কোরিয়ান শিক্ষার্থীরা

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৯ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫০
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      মাভাবিপ্রবিতে শিক্ষা সফরে আসছে দক্ষিণ কোরিয়ান শিক্ষার্থীরা

      ‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যৌথ প্রকল্পের শিক্ষা সফরে আসছেন দক্ষিণ কোরিয়ার কুংজু ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

      ‎দক্ষিণ কোরিয়ার কুংজু ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গতকাল ৮ জুলাই রাতে বাংলাদেশে এসেছে এবং আগামী ১১ জুলাই কোরিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হ্যাং মুক চো সফরে আসবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. মো. ইকবাল মাহমুদ।

      ‎তিনি জানান, "মাভাবিপ্রবি ও কুংজু ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে চলমান একটি যৌথ শিক্ষা  প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ আয়োজন।"

      ‎প্রতিনিধি দলটি ১৪ জুলাই মাভাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফরকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করবে। 

      ‎এই সফরের কার্যক্রম শেষে তারা আগামী ১৫ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করবেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জুলাইয়ের শহীদ সাগরের নামে হচ্ছে বাঙলা কলেজের নতুন ছাত্রাবাস

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৯ জুলাই, ২০২৫ ০:৫৬
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        জুলাইয়ের শহীদ সাগরের নামে হচ্ছে বাঙলা কলেজের নতুন ছাত্রাবাস

        জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিগত ২০২৪ সালের ৭ই আগস্ট সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজটির নতুন ছাত্রাবাসের নাম দেয় 'শহীদ সাগর ছাত্রাবাস'। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী সাগরের নামে এই নামকরণ করা হয়। 

        সাধারণ শিক্ষার্থী কর্তৃক নামকরণের পর দীর্ঘদিন পার হলেও ছাত্রাবাসের নামকরণ শহীদ সাগরের নামে করার অফিসিয়াল কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় নি এতোদিন। 
        এরমধ্যে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘নতুন ছাত্রাবাস’ নামকরণের সিদ্ধান্ত হলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁদের দাবি, উক্ত ছাত্রাবাসের নামকরণ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হওয়া শহীদ সাগরের নামে করার। 

        এ প্রসঙ্গে কলেজটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, “শহীদ সাগর দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে। শহীদদের কাছে আমরা পুরো জাতি ঋণী। তারা রক্ত দিয়ে আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে। শহীদদের সম্মানার্থে আমরা যা কিছুই করি না কেন, তাদের ত্যাগের তুলনায় আমাদের প্রচেষ্টা তো অতি সামান্য। আমাদের নতুন ছাত্রাবাসকে শহীদ সাগরের নামে নামকরণের মধ্য দিয়ে আমরা তার ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করবো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের শহীদদের ইতিহাস পৌঁছে দেবো।” 

        সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে নতুন ছাত্রাবাসের নামকরণে পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান। তিনি বলেন, “নতুন হলটি চালুর প্রস্তুতি চলছে। ফার্নিচার টেন্ডারের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা শহীদ সাগরের নামে হলটির নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রক্রিয়াটি অনেকদূর এগিয়েছে। এই নামেই হলটি উদ্বোধন করা হবে।”

        উল্লেখ্য, বিগত ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মো: সাগর। তিনি কলেজটির স্নাতক(সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যায়নরত ছিলেন। সাগরের নিজ বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বিলটাকাপোড়া গ্রামে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই - ফয়সাল মুরাদ

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ৯ জুলাই, ২০২৫ ০:৪৯
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই - ফয়সাল মুরাদ

          এ বিষয়ে জুলাইকে অস্তিত্বের প্রতীক বলে শাখা বাগছাস সভাপতি মো. ফয়সাল মুরাদ বলেন, "প্রায় ১,৬০০ শহীদ ও হাজারো আহতের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়েছি। । ‘জুলাই স্মৃতি দেওয়াল লিখন’ তারই একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।"আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। 

          জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘বছর ঘুরে জুলাই ফিরে এসেছে একবছর পর জুলাই গণঅভ্যত্থান নিয়ে আপনার প্রাপ্তি আক্ষেপ ও পরামর্শ ’ শীর্ষক ব্যানারের আয়োজনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি । 

          আজ মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে  মাঠে মাসব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো রেজাউল করিম পিএইচডি এর উদ্বোধন করেন। 

          তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবেই।  এর ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখতে হবে এবং  কাজ করতে হবে।

          জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ ও স্মরণীয় করতে রাখতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ব্যানার স্মৃতিচারণ আয়োজন করা হয়। 

          এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যােপক ড মো. রইছ উদ্দীন, গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক উপস্থিত ছিলেন। 

          অধ্যাপক রইছ উদ্দিন লেখেন, "প্রাপ্তি বলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস, আক্ষেপ হলো জুলাই যোদ্ধাদের অনৈক্য, প্রত্যাশা হলো ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সবার ঐক্যমত।"

          অধ্যাপক ইমরানুল হক লেখেন, জুলাই মানে গণজাগরণ, জুলাই মানে অনুপ্রেরণা; এসেছি যতদূর যেতে হবে বহুদূর।

          গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সবুজ হোসেন বলেন, গণতান্তিক ছাত্র সংসদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই এবং আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরা যেন জুলাইয়ে আমাদের ভাইদের তাজা রক্তকে ভুলে না যাই।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত