ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জুলাইয়ের শহীদ সাগরের নামে হচ্ছে বাঙলা কলেজের নতুন ছাত্রাবাস

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৯ জুলাই, ২০২৫ ০:৫৬
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
জুলাইয়ের শহীদ সাগরের নামে হচ্ছে বাঙলা কলেজের নতুন ছাত্রাবাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিগত ২০২৪ সালের ৭ই আগস্ট সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজটির নতুন ছাত্রাবাসের নাম দেয় 'শহীদ সাগর ছাত্রাবাস'। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী সাগরের নামে এই নামকরণ করা হয়। 

সাধারণ শিক্ষার্থী কর্তৃক নামকরণের পর দীর্ঘদিন পার হলেও ছাত্রাবাসের নামকরণ শহীদ সাগরের নামে করার অফিসিয়াল কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় নি এতোদিন। 
এরমধ্যে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘নতুন ছাত্রাবাস’ নামকরণের সিদ্ধান্ত হলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁদের দাবি, উক্ত ছাত্রাবাসের নামকরণ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত হওয়া শহীদ সাগরের নামে করার। 

এ প্রসঙ্গে কলেজটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, “শহীদ সাগর দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে। শহীদদের কাছে আমরা পুরো জাতি ঋণী। তারা রক্ত দিয়ে আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে। শহীদদের সম্মানার্থে আমরা যা কিছুই করি না কেন, তাদের ত্যাগের তুলনায় আমাদের প্রচেষ্টা তো অতি সামান্য। আমাদের নতুন ছাত্রাবাসকে শহীদ সাগরের নামে নামকরণের মধ্য দিয়ে আমরা তার ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টা করবো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের শহীদদের ইতিহাস পৌঁছে দেবো।” 

সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে নতুন ছাত্রাবাসের নামকরণে পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন সরকারি বাঙলা কলেজের অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান। তিনি বলেন, “নতুন হলটি চালুর প্রস্তুতি চলছে। ফার্নিচার টেন্ডারের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা শহীদ সাগরের নামে হলটির নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রক্রিয়াটি অনেকদূর এগিয়েছে। এই নামেই হলটি উদ্বোধন করা হবে।”

উল্লেখ্য, বিগত ২০২৪ সালের ১৯শে জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মো: সাগর। তিনি কলেজটির স্নাতক(সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যায়নরত ছিলেন। সাগরের নিজ বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বিলটাকাপোড়া গ্রামে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই - ফয়সাল মুরাদ

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৯ জুলাই, ২০২৫ ০:৪৯
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই - ফয়সাল মুরাদ

    এ বিষয়ে জুলাইকে অস্তিত্বের প্রতীক বলে শাখা বাগছাস সভাপতি মো. ফয়সাল মুরাদ বলেন, "প্রায় ১,৬০০ শহীদ ও হাজারো আহতের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়েছি। । ‘জুলাই স্মৃতি দেওয়াল লিখন’ তারই একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।"আমাদের সকল কার্যক্রমে জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। 

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘বছর ঘুরে জুলাই ফিরে এসেছে একবছর পর জুলাই গণঅভ্যত্থান নিয়ে আপনার প্রাপ্তি আক্ষেপ ও পরামর্শ ’ শীর্ষক ব্যানারের আয়োজনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি । 

    আজ মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার চত্বরে  মাঠে মাসব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো রেজাউল করিম পিএইচডি এর উদ্বোধন করেন। 

    তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবেই।  এর ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখতে হবে এবং  কাজ করতে হবে।

    জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ ও স্মরণীয় করতে রাখতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ব্যানার স্মৃতিচারণ আয়োজন করা হয়। 

    এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যােপক ড মো. রইছ উদ্দীন, গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক উপস্থিত ছিলেন। 

    অধ্যাপক রইছ উদ্দিন লেখেন, "প্রাপ্তি বলতে স্বস্তির নিঃশ্বাস, আক্ষেপ হলো জুলাই যোদ্ধাদের অনৈক্য, প্রত্যাশা হলো ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সবার ঐক্যমত।"

    অধ্যাপক ইমরানুল হক লেখেন, জুলাই মানে গণজাগরণ, জুলাই মানে অনুপ্রেরণা; এসেছি যতদূর যেতে হবে বহুদূর।

    গণযোগাযোগ সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সবুজ হোসেন বলেন, গণতান্তিক ছাত্র সংসদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই এবং আমাদের খেয়াল রাখতে হবে আমরা যেন জুলাইয়ে আমাদের ভাইদের তাজা রক্তকে ভুলে না যাই।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাকৃবিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৮ জুলাই, ২০২৫ ২১:৩৪
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      বাকৃবিতে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত

      বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতায় পালন করা হবে সরকার ঘোষিত ‘জুলাই শহীদ দিবস’ (১৬ জুলাই) এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ (৫ আগস্ট)। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এ উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

      মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকালে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উপাচার্যের সচিবালয়ের সভাকক্ষে আয়োজক কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

      সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমিন, বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও দফতরের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, কোষাধ্যক্ষ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর এবং শিক্ষক প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা।

      সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাকৃবিতে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি পালন করা হবে। তিনি নির্ধারিত অনুষ্ঠানমালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহবান জানান। 
       

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        চবি শিবিরের নতুন সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সেক্রেটারি পারভেজ

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৮ জুলাই, ২০২৫ ২১:২৬
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        চবি শিবিরের নতুন সভাপতি মোহাম্মাদ আলী, সেক্রেটারি পারভেজ

        ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়(চবি) শাখার নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ আলী এবং সেক্রেটারি মনোনীত হয়েছেন ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ পারভেজ।

        আজ (৮ জুলাই) মঙ্গলবার এক সদস্য সমাবেশে এই সেটআপ সম্পন্ন হয়। কেন্দ্রীয়  সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এর উপস্থিতিতে  সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সভাপতি এবং পরে সদস্যদের পরামর্শক্রমে সেক্রেটারি মনোনীত করা হয়। 

        কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান সম্পাদক ডা. উসামাহ রাইয়ানের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।

        প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জুলাই বিপ্লবের একবছর পর ছাত্রলীগ কর্তৃক শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তদন্ত কমিটি গঠন

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৪৬
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        জুলাই বিপ্লবের একবছর পর ছাত্রলীগ কর্তৃক শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তদন্ত কমিটি গঠন

        ১৬ জুলাই ২০২৪ রাজশাহী কলেজে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী  কর্তৃক সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রাজশাহী কলেজ প্রশাসন।

        মঙ্গলবার (৮ জুলাই) কলেজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কলেজ অধ্যক্ষ সাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। 

        বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব ও তৎপূর্বে (১৬ই জুলাই) রাজশাহী কলেজে সংঘটিত তৎকালীন সরকারের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্তৃক সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর সহিংস ঘটনা তদন্তের লক্ষ্যে সহিংসতা চলাকালীন প্রতাক্ষদর্শীদের (শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী) সাক্ষ্যর আগামী বৃহস্পতিবার ১০ জুলাই সকাল ১১ টায় শিক্ষক মিলনায়তনে গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে উক্ত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীদের (শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারী) তথ্য ও প্রমাণাদিসহ উল্লিখিত সময়ের মধ্যে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য।

        এ প্রসঙ্গে কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির বলেন, আমরা তদন্ত কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবো এবং যেদিন সাক্ষ্য প্রমাণ নেওয়া হবে সেইদিন আমরা উপস্থিত থাকবো। পাশাপাশি সুষ্ঠ তদন্তের জন্য সবধরনের সহযোগিতা আমরা করবো।

        তিনি আরো বলেন, যদি ১৬ তারিখে মধ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।

        কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো: মোশাররফ হোসেন বলেন, এটা দুঃখজনক কলেজ প্রশাসন জুলাই বিপ্লবের এক বছর পর জড়িতদের চিহ্নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করলো এবং নিজ উদ্যোগে নয় একাধিকবার স্মারকলিপি প্রদানের পর। ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের উপর হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের সকল কর্মীদের বিরুদ্ধে একাডেমি ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাদের সকলকে চিহ্নিত করে ছবিসহ কলেজের সামনে ঝুলিয়ে দিতে হবে যেন তারা কোনোভাবে কলেজে প্রবেশ করতে না পারে।

        তিনি আরো বলেন, আমাদের দাবি একটাই এই জুলাই বিপ্লবের মাসের মধ্যেই যেন হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কলেজ প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

        এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী বলেন, ঘটনার দিন ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমরা তথ্য ও প্রমাণাদি চেয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। সকালের সহযোগীতায় তথ্য প্রমাণের উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

        উল্লেখ্য গত বছরের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে আন্দোলনের সামিল হয় রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেই সময় কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীদের অতর্কিত হামলার শিকার হয় কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনার প্রায় দীর্ঘ এক বছর পর বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে থেকে একাধিকবার স্মারকলিপি প্রদানের পর অবশেষে কলেজ প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত