শিরোনাম
জাতীয় আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্কে রানার্স-আপ মাভাবিপ্রবি, চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২য় জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির বিতর্ক দল ‘স্বপ্ন চত্ত্বর’।
গত ৪ ও ৫ জুলাই দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের স্বনামধন্য ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় মাভাবিপ্রবি দল কোয়ার্টার ফাইনালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (বিইউপি)-কে পরাজিত করে ফাইনালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখোমুখি হয়ে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
দলের সদস্যরা হলেন—শেখ মহসিন আহমেদ, জামিরুল আলম মিয়াজী ও ইনজামামুল হক জয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, শেখআ মহসিন আহমেদ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্পিকার ব্রেক করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
এই গৌরবময় অর্জনের পর মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল আজীম আখন্দ-এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন—আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হওয়ার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। এই অর্জন শুধু তোমাদের ব্যক্তিগত নয়, বরং মাভাবিপ্রবির সম্মান, গৌরব এবং সক্ষমতার প্রকাশ।
বিতর্ক এমন একটি শিল্প, যেখানে যুক্তি, বিশ্লেষণ ও চিন্তার গভীরতা প্রকাশ পায়। তোমরা এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে যুক্তি দিয়ে সত্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছ, সমাজের নানা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করেছ। এ অর্জন প্রমাণ করে — আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যপুস্তকে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তারা বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতায়ও অনন্য।
আমি আশা করি, তোমাদের এই সাফল্য অন্য শিক্ষার্থীদের মাঝেও উৎসাহ যোগাবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় তোমাদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায় এবং ভবিষ্যতেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
তোমাদের জন্য শুভকামনা। সামনে আরও বড় অর্জনের আশায় মাভাবিপ্রবি।
জুলাই আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীর পাশে দাড়ালেন নজরুল
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত একজন শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী নজরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদযাপন উপলক্ষে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রশাসনিকভাবে কোনো সহযোগিতা না পাওয়া এবং নিজ হলে একটি সিট থেকেও বঞ্চিত হওয়া ইতিহাস বিভাগের নিরব হাসান নামের এই শিক্ষার্থীর মাসিক চিকিৎসা বাবদ ২০০০-২৫০০ টাকা ব্যয়ের খবর জানার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহনের ঘোষণা দিয়েছেন।
নজরুল ইসলাম জানান, "জুলাই-অভ্যুত্থানে আহত একজন শিক্ষার্থী প্রশাসনিকভাবে এখনও কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি, এমনকি তাঁর নিজ হলে একটি সিট পাওয়ার সুযোগও থেকে তিনি বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে প্রতি মাসে চিকিৎসার জন্য প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা খরচ করছেন।"
এই পরিস্থিতিতে তিনি আরও বলেন, "এই অবস্থায়, আমি ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, ইনশাআল্লাহ, যতদিন তাঁর চিকিৎসা চলবে, ততদিন আমি আমার বেতন থেকে প্রতি মাসে ২০০০-২৫০০ টাকা করে তাঁর চিকিৎসা খরচ বহন করবো।"
একইসাথে, তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, "এই ধরনের আহত এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের জন্য যেন উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে তাঁরা ভবিষ্যতে একটি সম্মানজনক জীবন যাপন করতে পারেন।"
নজরুল ইসলামের এই মানবিক উদ্যোগ ক্যাম্পাসের সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি অন্য শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে অনেকে মনে করছেন।
গোবিপ্রবির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
নানা আয়োজনে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করা হয়।সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও উদ্যাযাপন কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো. সোহেল হাসান ,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম।
এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দিপংকর কুমার, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. মো. সোলাইমান হোসাইনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম।
এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দিপংকর কুমার, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. মো. সোলাইমান হোসাইনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আমাদের সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ, হীনস্বার্থের ঊর্ধ্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থান দিয়ে সার্বিক উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণাকে সমুন্নত রাখাটা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমরা যার যা দায়িত্ব সঠিকভাবে প্রতিপালন করলেই এই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও মূলত ১৫ বছর ধরে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। যদিও এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেখানে পৌঁছানোর কথা ছিলো, নানা কারণে সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। তবে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব বৈশিষ্ট্য থাকে, সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা, আমরা সেই কাজটি করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে স্বনির্ভর কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ভাইস চ্যান্সেলরস অ্যাওয়ার্ড চালু হয়েছে, স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীতে বেস্ট টিচার এন্ড রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু করা হবে। এভাবে একটু একটু করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
বাকৃবিতে চাকরির আবেদন এখন ডিজিটাল: ই-ফর্ম সিস্টেমের উদ্বোধন
ডিজিটাল ব্যবস্থার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো পদে চাকরির আবেদন করা যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। এতে চাকরিপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপাচার্য সচিবালয়ের সভাকক্ষে ‘ইন্টিগ্রেটেড ই-ফর্ম সিস্টেম’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এই প্রযুক্তিনির্ভর আবেদন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের আর কষ্ট করে কাগজপত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে হবে না।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, "এই উদ্যোগের মাধ্যমে সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় হবে। আমি বিশ্বাস করি, এই ডিজিটাল সেবা আমাদের নিয়োগ কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলবে।"
তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই এই ই-সিস্টেম চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বিশেষভাবে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী ও তাঁর সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. ফারুক আহম্মদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেন এবং আইসিটি সেলের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অনলাইন আবেদন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
৫ বছর পর খুবির সেই দুই শিক্ষার্থীর মুক্তি
জঙ্গি সন্দেহে তুলে নেওয়ার ৫ বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মাদ অনিক এবং মোজাহিদুল ইসলাম। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তারা। এর আগে গত সপ্তাহে উচ্চ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
সহপাঠীরা জানান, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি ওই দুই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ১৭ দিন অজানা স্থানে রেখে তাদের নির্যাতন করা হয়। পরে ২৫ জানুয়ারি তাদের বিস্ফোরক দ্রব্যসহ গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। ওই দিনই তাদের খুলনার কৃষক লীগ কার্যালয় ও আড়ংঘাটা থানার গাড়ির গ্যারেজে বোমা হামলা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর একে একে তাদের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা করে পুলিশ। সেই থেকে পাঁচ বছর তারা কারাবন্দি ছিলেন। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মদ অনিক ও পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোজাহিদুল ইসলাম।
অভ্যুত্থানের পরে তাদের মুক্তির দাবিতে খুবি ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করেন সহপাঠী, রুমমেট, শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যরা। পরে ক্যাম্পাসে মানববন্ধনও করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদের আইনজীবী আকতার জাহান রুকু বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় খালাস, দুটি মামলায় জামিন এবং সোনাডাঙ্গা থানার দুটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজা হওয়া দুটি মামলায় উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়।
আদালত গত সপ্তাহে জামিন মঞ্জুর করেন। আশুরার ছুটি থাকায় তিন দিন পর আদেশ কারাগারে এসে পৌঁছায়। সোমবার সন্ধ্যায় তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, জঙ্গি নাটকে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার হওয়া উচিত। দীর্ঘদিন জেলে থাকা দুই শিক্ষার্থী নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে। তাদেরকে বরণ করার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল খুলনা কারাগারের ফটোকে অবস্থান করেছিল। এই দুই শিক্ষার্থীর ছাত্র জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।
কারাগার থেকে মুক্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য