ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গোবিপ্রবির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:২২
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
গোবিপ্রবির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নানা আয়োজনে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকালে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।

পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করা হয়।সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও উদ্যাযাপন কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো. সোহেল হাসান ,কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম।

এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দিপংকর কুমার, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. মো. সোলাইমান হোসাইনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রক্টর ড. আরিফুজ্জামান রাজীব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলাম।

এ সময় বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. দিপংকর কুমার, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. মো. সোলাইমান হোসাইনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে আমাদের সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ, হীনস্বার্থের ঊর্ধ্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থান দিয়ে সার্বিক উন্নয়নের কথা ভাবতে হবে। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণাকে সমুন্নত রাখাটা আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমরা যার যা দায়িত্ব সঠিকভাবে প্রতিপালন করলেই এই বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসন উদ্দিন শেখর বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও মূলত ১৫ বছর ধরে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। যদিও এই সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি যেখানে পৌঁছানোর কথা ছিলো, নানা কারণে সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। তবে একটি ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব বৈশিষ্ট্য থাকে, সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা, আমরা সেই কাজটি করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে স্বনির্ভর কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ভাইস চ্যান্সেলরস অ্যাওয়ার্ড চালু হয়েছে, স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীতে বেস্ট টিচার এন্ড রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু করা হবে। এভাবে একটু একটু করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাবো। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
 

মন্তব্য

বাকৃবিতে চাকরির আবেদন এখন ডিজিটাল: ই-ফর্ম সিস্টেমের উদ্বোধন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৬
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
বাকৃবিতে চাকরির আবেদন এখন ডিজিটাল: ই-ফর্ম সিস্টেমের উদ্বোধন

ডিজিটাল ব্যবস্থার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো পদে চাকরির আবেদন করা যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। এতে চাকরিপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপাচার্য সচিবালয়ের সভাকক্ষে ‘ইন্টিগ্রেটেড ই-ফর্ম সিস্টেম’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এই প্রযুক্তিনির্ভর আবেদন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীদের আর কষ্ট করে কাগজপত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে হবে না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, "এই উদ্যোগের মাধ্যমে সময় ও খরচ দুটোই সাশ্রয় হবে। আমি বিশ্বাস করি, এই ডিজিটাল সেবা আমাদের নিয়োগ কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করে তুলবে।"

তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই এই ই-সিস্টেম চালু করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বিশেষভাবে আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোস্তম আলী ও তাঁর সহকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. ফারুক আহম্মদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মো. মঞ্জুর হোসেন এবং আইসিটি সেলের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অনলাইন আবেদন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৫ বছর পর খুবির সেই দুই শিক্ষার্থীর মুক্তি

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২৪
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৫ বছর পর খুবির সেই দুই শিক্ষার্থীর মুক্তি

    জঙ্গি সন্দেহে তুলে নেওয়ার ৫ বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মাদ অনিক এবং মোজাহিদুল ইসলাম। সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তারা। এর আগে গত সপ্তাহে উচ্চ আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

    সহপাঠীরা জানান, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি ওই দুই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ১৭ দিন অজানা স্থানে রেখে তাদের নির্যাতন করা হয়। পরে ২৫ জানুয়ারি তাদের বিস্ফোরক দ্রব্যসহ গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। ওই দিনই তাদের খুলনার কৃষক লীগ কার্যালয় ও আড়ংঘাটা থানার গাড়ির গ্যারেজে বোমা হামলা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর একে একে তাদের বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা করে পুলিশ। সেই থেকে পাঁচ বছর তারা কারাবন্দি ছিলেন। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মদ অনিক ও পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোজাহিদুল ইসলাম।

    অভ্যুত্থানের পরে তাদের মুক্তির দাবিতে খুবি ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করেন সহপাঠী, রুমমেট, শিক্ষক ও পরিবারের সদস্যরা। পরে ক্যাম্পাসে মানববন্ধনও করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদের আইনজীবী আকতার জাহান রুকু বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা দেওয়া হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় খালাস, দুটি মামলায় জামিন এবং সোনাডাঙ্গা থানার দুটি মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজা হওয়া দুটি মামলায় উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়।

    আদালত গত সপ্তাহে জামিন মঞ্জুর করেন। আশুরার ছুটি থাকায় তিন দিন পর আদেশ কারাগারে এসে পৌঁছায়। সোমবার সন্ধ্যায় তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, জঙ্গি নাটকে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার হওয়া উচিত। দীর্ঘদিন জেলে থাকা দুই শিক্ষার্থী নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে। তাদেরকে বরণ করার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল খুলনা কারাগারের ফটোকে অবস্থান করেছিল। এই দুই শিক্ষার্থীর ছাত্র জীবন ফিরে পাওয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।

    কারাগার থেকে মুক্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      অ্যাম্বুলেন্সের দাবিতে জাবিপ্রবিতে মানববন্ধন: ৭ দিনের আল্টিমেটাম

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:২০
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      অ্যাম্বুলেন্সের দাবিতে জাবিপ্রবিতে মানববন্ধন: ৭ দিনের আল্টিমেটাম

      জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের জন্য নেই কোন অ্যাম্বুলেন্স। রাতে কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় চরম বিপাকে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

      সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

      মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ‘প্রশাসন শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ একটি মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা দিলেও শুক্রবার ও শনিবার মাইক্রোবাসটি বন্ধ থাকে। রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে যেতে হয় জেলা শহরে চিকিৎসা নিতে।’

      শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, 'অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহারের ঘোষণা দেওয়া গাড়িটি কখনো সময়মতো মেলে না। অনেক সময় গাড়িটি চালক দূরে থাকে। কয়েকদিন আগে এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে চালককে ফোন দিলে অনুমতির দোহাই দিয়ে কালক্ষেপন করেন।’ এসময় শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে স্থায়ী অ্যাম্বুলেন্স সরবরাহের দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। একইসঙ্গে মাইক্রোবাস ব্যবহারের ঘোষণা বর্জনের ঘোষণা দেন।

      মানববন্ধনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহ-সমন্বয়ক লিটন আকন্দ বলেন, ‘আমাদের ৩১ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল অ্যাম্বুলেন্স প্রদান। প্রশাসন শিক্ষকদের গাড়িকে ‘অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস’ হিসেবে দেখিয়ে জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চাপিয়ে দিচ্ছে, যা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজকে আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করলাম। আগামী সাত দিনের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।’

      জাবিপ্রবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব যীনাত মিয়া আজিজুল বলেন, ‘কিছুদিন আগে এক ছাত্রী অসুস্থ হলে ৩৫ মিনিট পরেও গাড়ি মেলেনি। এমনকি এক ছাত্র হলের হামজা ভাই অসুস্থ হলে তাঁকে বাইকে করেই হাসপাতালে নিতে হয়। ড্রাইভারকে ফোন দিলে তিনি মেলান্দহে থাকার কথা জানান। প্রশাসনকে ৭ দিনের আলটিমেটাম দিচ্ছি এটার সূরহা করবে৷’ 

      এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী রাফসান হামিদ রানা ও কাজী মোহাম্মদ ইসমাইল প্রমুখ। 

      বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ নূর হোসেন চৌধুরী দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘গত অর্থ বছরে অ্যাম্বুলেন্স কেনার জন্য একটি বাজেট পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সরকারি গাড়ি কেনার অনুমোদন না থাকায় কিনতে পারেনি। এ বছরও গাড়ি কেনার প্রস্তাব দেওয়া রয়েছে। সরকার যদি অনুমোদন দেন তাহলে গাড়ি কিনে ফেলবো আমরা।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ৭ জন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১২
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ৭ জন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ
        ছবি : সংগৃহীত

        শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-তে একাডেমিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে নতুন করে ৭ জন শিক্ষককে সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়, ৭ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে এই নিয়োগ আদেশ কার্যকর হবে। নিয়োগপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

        নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন—

        ০১।ড. মো. রাশেদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক, ইইই বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০২। ড. মুহম্মদ ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক, পিএমই বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০৩। জনাব ফারহা মুন, প্রভাষক, আর্কিটেকচার বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০৪। জনাব আফসানা বেগম, প্রভাষক, ইইই বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০৫। জনাব মো. সাদেকিন ইসলাম, প্রভাষক, পরিসংখ্যান বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০৬। জনাব যুবাইর ইবনে দ্বীন, প্রভাষক, বিএমবি বিভাগ, শাবিপ্রবি

        ০৭। জনাব মোহাম্মদ ইমরান হোসেইন, প্রভাষক, রসায়ন বিভাগ, শাবিপ্রবি।

        বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা প্রকাশ করেছে, নতুন শিক্ষকরা শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে।

        এ নিয়োগের মাধ্যমে শাবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগে চলমান শিক্ষক সংকটও কিছুটা লাঘব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত