শিরোনাম
কক্সবাজারে সমুদ্রে নেমে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, নিখোঁজ ২
কক্সবাজারে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে কে এম শাদনান সাবাব রহমান (২১) নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুই শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) হিমছড়ি সমুদ্র সৈকত পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। গোসলের এক পর্যায়ে স্রোতের টানে তিনজনই ভেসে যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
আক্রান্ত তিনজন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
মারা যাওয়া শিক্ষার্থী সাবাব রহমান ঢাকার মিরপুর এলাকার কে এম আনিসুর রহমানের ছেলে। এখনো যে দুজন নিখোঁজ রয়েছেন তারা হলেন, বগুড়া জেলার রফিকুল ইসলামের ছেলে আসিফ আহমেদ (২২), একই এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে অরিত্র (২২)।
হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) সুমনাথ বসু বলেন, চার বন্ধু মিলে হিমছড়ি পয়েন্টে ঘুরতে আসেন। তিন বন্ধু এক সঙ্গে গোসল করতে নামেন। গোসলের এক পর্যায়ে স্রোতের টানে তারা ভেসে যান। একজনের মরদেহ পাওয়া গেলেও এখনো দুইজন নিখোঁজ আছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সি সেইফ লাইফ গার্ড উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।
শাবিপ্রবিতে লোক প্রশাসন বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) লোক প্রশাসন বিভাগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি বিল্ডিংয়ের ৪০২২ নম্বর কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও নবীনদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আশরাফ সিদ্দিকী। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আনোয়ারা বেগম, অধ্যাপক ড. ফাতেমা খাতুন, অধ্যাপক ড. ইসমত আরা, সহযোগী অধ্যাপক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল হুসাইনি, সহকারী অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা, সহকারী অধ্যাপক মো. জহির উদ্দিন এবং প্রভাষক ও ছাত্র উপদেষ্টা আব্দুল বাছিত।
অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বাবা-মা, বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং লোক প্রশাসন সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য নাঈম, রিপন, অংকুর, মিলন ও হ্রিদিকা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, “শিক্ষা, গবেষণা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা এবং সামাজিক উদ্যোগে লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সবসময়ই অনন্য। সদ্য প্রকাশিত ৪৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে আমাদের বিভাগের একজন শিক্ষার্থী প্রথম স্থান অর্জন করেছে, যা আমাদের গর্বের বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তারা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আমাদের শিক্ষকরা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন এবং থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে স্বপ্ন নিয়ে এসেছ, এখন তা পূরণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করো। বাবা-মা ও সমাজের মুখ উজ্জ্বল করাই হবে তোমার মূল দায়িত্ব।”
নতুনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতা থাকবে, তবে তোমার জন্য কোনটা ভালো সেটা বুঝে নিতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি মেনে চলতে হবে এবং কোনো বিশৃঙ্খলতায় জড়ানো যাবে না। এখন থেকেই লক্ষ্য স্থির করে নিজের স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাও।”
উল্লেখ্য, নবীন হলেও লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা, প্রশাসন ও বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে সাফল্যের ছাপ রেখেছেন।
১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের হুঁশিয়ারি
১৬ জুলাই ২০২৪ রাজশাহী কলেজে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী কর্তৃক সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ১৬ই জুলাইয়ের মধ্যে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদল কলেজ প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সোমবার (৭ জুলাই) বেলা ১২ টায় রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবিরের নেতৃত্বে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষের নিজ কার্যালয়ে অধ্যক্ষ বরাবর এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশিকুজ্জামান প্রীতমসহ কলেজ শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিল।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজশাহী কলেজ প্রশাসন কর্তৃক একটি পৃথক মামলা দায়ের করতে হবে। হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের শিক্ষার্থী তালিকা থেকে বহিষ্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। সেদিনের নির্যাতিত শিক্ষার্থীদের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে।
এ বিষয়ে কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির বলেন, আমরা গত বছরের ডিসেম্বরে হামলায় জড়িত ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবি জানালেও এখনও পর্যন্ত কলেজ প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আজকে আমরা আবারও স্মারকলিপি দিলেছি এবং কঠোরভাবে বলছি যদি ১৬ তারিখের মধ্যে কোন দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রশাসনিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছি এবং আমরা তাদের এই বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।
রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মুঃ যহুর আলী বলেন, যে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে আমরা এ বিষয়ে শিক্ষকদের সাথে বসবো এবং আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
উল্লেখ্য এর আগেও একাধিকবার রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কলেজে সংগঠিত ১৬ জুলাই হামলার বিচার ও হোস্টেলে ছাত্রদের উপর বিগত ছাত্রলীগের আমলে চলমান নির্যাতনের বিচার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিল।
মাভাবিপ্রবি থেকেই টাঙ্গাইলে ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা
১৮-এর পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান প্রতিবাদের ঢেউ ৪ জুলাই বাস্তব রূপ নেয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি)–তে।
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাকিবের জ্বালাময়ী ফেসবুক পোস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে শুরু হয় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসব্যাপী গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা।
সেদিন রাকিবের পোস্টের পর লাইব্রেরিতে পাঠরত শিক্ষার্থীরা কোটাবিরোধী আলোচনা শুরু করে এবং রাতেই তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই রাতে শিক্ষার্থীরা ১৮-এর পরিপত্র পূর্ণ পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়। পরদিন ৫ জুলাই আন্দোলনের অংশ হিসেবে ব্যানার তৈরি করে টাঙ্গাইলের সন্তোষ এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আন্দোলন আরও বেগবান হয়। আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন যে, পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে টাঙ্গাইল শহর এবং আশেকপুর বাইপাসে মহাসড়ক অবরোধ করা হবে।
যদিও পরবর্তীতে আন্দোলন দমাতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া হয়, তবুও আন্দোলন থেমে থাকেনি।
৬ জুলাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে রওনা হয়ে আশেকপুর বাইপাসে মহাসড়কে গিয়ে তৎকালীন পুলিশ প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও সরকারি সাদত কলেজ, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ, এম. এম. আলী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
এইভাবেই মাভাবিপ্রবিকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে।
গাজায় মানবিক সহায়তা পাঠালো জবি শিক্ষার্থীরা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন গাজা’-এর আওতায় ২০০টি পরিবারের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বিতরণকৃত খাদ্যপ্যাকেটগুলো গাজার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানকারী অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত পরিবারের কাছে পৌঁছানো হয়েছে, যারা উত্তর গাজার বাইত হানুন থেকে যুদ্ধের কারণে পালিয়ে এসে সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন।
এই প্রজেক্টের উদ্যোগ নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটি এবং পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।
এই মানবিক উদ্যোগ পরিচালনা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা হলেন- প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের নওশীন নাওয়ার জয়া ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের আম্মার বিন আসাদ, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুনায়েদ মাসুদ, ইংরেজি বিভাগের তানজিলা সুলতানা তানি, সিফাত হাসান সাকিব, উম্মে হাবিবা এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ওমর ফারুক শ্রাবণ।
প্রজেক্ট পরিচালনায় থাকা জবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আম্মার বিন আসাদ বলেন, আমরা এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র কয়েকজন আন্তরিক মানুষকে নিয়ে খুবই স্বল্প পরিসরে শুরু করেছিলাম। আমরা মনে করি, এই উদ্যোগের সফলতা মূলত আমাদের যাত্রার শুরু। আমরা ফিলিস্তিনের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সামনে আরও বড় পরিসরে এমন উদ্যোগকে চলমান রাখব। আমাদের ইচ্ছা আছে, আমাদের কার্যক্রমকে আমরা শুধুমাত্র সাহায্য পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং দখলদার সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরায়েলের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং পশ্চিমা বিশ্বের দ্বিমুখী মানবতাবাদী অবস্থান ও গণহত্যার সম্মতি উৎপাদনকারী ভূমিকার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী প্রো-প্যালেস্টাইন মুভমেন্টের কাতারে বাংলাদেশকে শক্তিশালীভাবে দাঁড় করানোর বৃহৎ লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব।

প্রজেক্ট পরিচালনাকারী আরেক শিক্ষার্থী নওশীন নাওয়ার জয়া বলেন, গাজা মানবতার দায়। চোখের সামনে প্রতিনিয়ত গাজাবাসীর ওপর যে নির্মমতা আমরা দেখছি, তার বিপরীতে মানুষ হিসেবে আমাদের সামান্যতম করণীয়টুকুই আমরা করার চেষ্টা করেছি। তারই প্রয়াসে ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন গাজা’ নামক প্রকল্পটি আমরা গ্রহণ করি। আমরা এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ২,২৬০ ডলার পাঠাতে সক্ষম হই, যার মাধ্যমে ২০০টি পরিবারের জন্য খাবার প্রদান করা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিউম্যান রাইটস সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ মাসুদ বলেন, এই মানবিক প্রচেষ্টার অংশ হতে পারা আমাদের জন্য এক গভীর দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। মানবিকতা, ন্যায়বোধ এবং বৈশ্বিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই আমাদের এই প্রয়াস।
উল্লেখ্য, ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন গাজা’ একটি স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ, যা গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক ছাত্র-যুবকদের সক্রিয়তায় গঠিত হয়েছে। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও গাজার অসহায় মানুষদের জন্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শাকিল/রাইজিং ক্যাম্পাস
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য