ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বাকৃবিতে পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:৪১
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
বাকৃবিতে পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

"চাকরির ক্ষেত্রে ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি (কম্বাইন্ড) ডিগ্রিধারীরা প্রাধান্য পাবে" মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোভ মিছিল ও পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ১০টায় এক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে পশুপালন অনুষদে এসে শেষ হয়।

এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় পশুপালন অনুষদীয় ডিন অফিসের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম, অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, পশুপুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন। এছাড়াও অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পশুপালন অনুষদ ছাত্র সমিতির পক্ষে জামিল হোসেন। তিনি বলেন, ‘পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। অথচ গত ২৯ জুন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার যে বক্তব্য দিয়েছেন যেখানে তিনি বলেন, ‘চাকরির ক্ষেত্রে কম্বাইন্ড ডিগ্রিকে অবশ্যই প্রাধান্য দেওয়া হবে’ এটি অত্যন্ত অপমানজনক, বৈষম্যমূলক ও হতাশাজনক। এর ফলে দেশে বিভিন্ন চাকরিতে পশুপালন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নষ্ট হবে। এজন্য পশুপালন ডিগ্রীধারীরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন।

এসময় তিনি আরও দাবি করেন, প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে (সায়েন্টিফিক অফিসার/ সমমানের পদ) পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ১৯৮০ সালের বর্তমান ডিএলএস কে ডিরেক্টর অফ অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি এবং ডিরেক্টর অফ ভেটেরিনারি সার্ভিসেস দুই ভাগে ভাগ করে পশুপালন ও ডিভিএম ডিগ্রিধারীদের কে চাকরির সুযোগ দিলে এই সেক্টরের স্থায়ী সমাধান হবে। এই প্রস্তাবনা পুনর্বিবেচনা করতে হবে। প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় পশুপালন গ্র্যাজুয়েটদের যথাযথ স্থান দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আজিজুল হক বলেন, ‘আমরা যখন দেশ ও কৃষিভিত্তিক উৎপাদন উন্নয়নের কথা বলি, তখন বারবার শুনি কেন দেশ উন্নত হচ্ছে না, কেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে, কেন আমদানি কমছে না। এসব প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গেলে দেখতে পাই, আমাদের উৎপাদন সম্পর্কিত সেক্টরগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। অথচ প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতির বড় অংশ জুড়ে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি শুধুমাত্র কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, তবে দেশের প্রাণিসম্পদ খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে। কারণ তারা মূলত চিকিৎসাকেন্দ্রিক, উৎপাদন বিষয়ে তাদের দক্ষতা তুলনামূলক কম। উন্নত বিশ্বে যেমন নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কানাডা ও আমেরিকায় পশুপালনের জন্য আলাদা ডিগ্রি রয়েছে। অথচ আমরা এখনো সেই বাস্তবতা মানতে পারছি না।’

অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘একজন উপদেষ্টা, যিনি রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, তার বক্তব্যে এমন বৈষম্যমূলক মনোভাব গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তব্য দেওয়ার আগে তথ্য-প্রমাণ ও বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।’

অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দুটি আলাদা প্রয়োজনকে সামনে রেখে ভেটেরিনারি ও পশুপালন অনুষদ চালু করা হয়। একটির মূল লক্ষ্য চিকিৎসা, অন্যটির মূল লক্ষ্য উৎপাদন। এই দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম বলেন, ‘খামারে প্রাণী অসুস্থ হলে চিকিৎসা প্রয়োজন, কিন্তু সেই প্রাণী সুস্থ রাখার পেছনে বিজ্ঞানভিত্তিক উৎপাদন পদ্ধতির অবদান সবচেয়ে বেশি। এজন্য চিকিৎসা ও উৎপাদন উভয় ক্ষেত্রের শিক্ষার্থীদের সমান গুরুত্ব দিতে হবে। কোনো একপক্ষকে বাদ দেওয়া মানে সমন্বিত উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা।’

উল্লেখ্য, বাকৃবি শিক্ষার্থীদের অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি এবং ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) দুইটি ডিগ্রি ভিন্ন অনুষদ থেকে প্রদান করলেও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি দুটি কম্বাইন্ডলি প্রদান করে। ডিগ্রি দুটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্নভাবে প্রদান করায় এ সংশ্লিষ্ট গ্র্যাজুয়েটদের চাকরি ক্ষেত্রে যোগ্যতাকেন্দ্রিক বিভিন্ন বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।। তাদের মতে, এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে একাডেমিক ও পেশাগত ক্ষেত্র আরও সংকটে পড়বে।
 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অফ মাওলানা ভাসানীর ২০তম ইনস্টলেশন ও বর্ষসমাপ্তি অনুষ্ঠান

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:২৪
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অফ মাওলানা ভাসানীর ২০তম ইনস্টলেশন ও বর্ষসমাপ্তি অনুষ্ঠান

    "রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব মাওলানা ভাসানী টাংগাইল" এর ২০তম ক্লাব ইনস্টলেশন সেরেমনি ও বর্ষসমাপ্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ (বৃহস্প্রতিবার) ৩রা জুলাই ২০২৫ ইং সন্ধ্যা ৬ টায় টাংগাইল জেলার ভিক্টোরিয়া ফুড জোন এন্ড পার্টি সেন্ট্রারে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অফ মাওলানা ভাসানী টাংগাইল কর্তৃক এই প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    ভিক্টোরিয়া ফুড সেন্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত বোর্ড মেম্বারদের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয় এবং বিদায়ী কমিটির কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রোটারিয়ান অধ্যাপক ডা. রতন চন্দ্র সাহা বলেন, "গত এক বছরে রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অসাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। কমিউনিটি সার্ভিস, ক্যারিয়ার গাইড, আরও নানা সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সবাই মিলে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আপনারা সত্যিই এই ক্লাবের সুনাম অটুট রেখেছেন।"

    অনুষ্ঠানের সভাপতি পলাশ হোসেন বলেন, "আজকের দিনে, নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচয় ও উত্তীর্ণদের স্বীকৃতি, পুরস্কার বিতরণ ও বরণীয় মুহূর্তগুলোকে তুলে ধরবে আমাদের ভবিষ্যত পথচলার মানচিত্র। আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও উৎসাহ নিয়ে  প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমরা আগামী বছর এই ক্লাবকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।"

    প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান এস এম জাহিদ হোসেন বলেন, "আমরা গত এক বছরে অনেক কিছু অর্জন করেছি—সেবামূলক কর্মকাণ্ড, মিলনমেলা ও উঠতি প্রজন্মের জন্য নানা উদ্যোগ। আজকের এই আয়োজন আমাদের পুরনো সাফল্যকে স্মরণ করে নতুন সংস্কৃতি ও দায়িত্বের অঙ্গীকার করে।"

    এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে রোটারিয়ান মেজবাহ উদ্দিন, সাব্বির আহমেদ পল, হামিদুল হক চৌধুরী শেলি এবং ক্লাব এডভাইজর অধ্যাপক ড. পিনাকী দে উপস্থিত ছিলেন। উক্ত প্রোগ্রামে ক্লাব ট্রেনিং সেশন পরিচালনা করেন পিডিআরআর মোস্তাফিজুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা রোটার‌্যাক্ট ক্লাবের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম, নেতৃত্ব বিকাশ ও যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও, বিগত বছরে ক্লাবের কার্যক্রম তুলে ধরা হয় এবং আগামী বছরের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়।

    পরবর্তীতে সাকিব হাসান খানের নেতৃত্ব নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জিন প্রকৌশলে বিশ্ব জয় করার স্বপ্নে মাভাবিপ্রবি

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:১৬
      অনলাইন ডেস্ক
      জিন প্রকৌশলে বিশ্ব জয় করার স্বপ্নে মাভাবিপ্রবি

      টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ‘আইজিইএম ভাবনা থেকে বাস্তবায়নে: বাংলাদেশের আইজিইএম ভবিষ্যৎ নির্মাণের যাত্রা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

      বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগে মাভাবিপ্রবি বায়োটেক ক্লাব ও ইন্টারন্যাশনাল জেনেটিকালি ইঞ্জিনিয়ার্ড মেশিনের (আইজিইএম) যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

      বুধবার (২ জুলাই) বিশ্বের সিনথেটিক বায়োলজি অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান তৈরির লক্ষ্যে বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

      সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ। সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান ও বায়োটেক ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম।

      রিসোর্স পার্সন ছিলেন ইউরোপ, এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের ওএঊগ অ্যাম্বাসেডর ও যুক্তরাজ্য দ্য ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের শিক্ষার্থী উসরাত নুবাহ এবং এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের আইজিইএম অ্যাম্বাসেডর ও প্রোমোটর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবরার হাসান। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

      প্রধান অতিথি বলেন, আমাদের দেশের বিজ্ঞানভিত্তিক উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইন্টারন্যাশনাল জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ার্ড মেশিনের প্রতিযোগিতা আজ বিশ্বের তরুণ গবেষকদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।

      বাংলাদেশের মেধাবী তরুণেরা এই প্ল্যাটফর্মে অংশ নিয়ে যে উদ্ভাবনী চিন্তা এবং সৃজনশীল প্রকল্প উপস্থাপন করছে, তা আমাদের দেশের জন্য গৌরবের বিষয়। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সম্মান বয়ে এনেছে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে আইজিইএম-এর এই যাত্রা আরো বেগবান হবে, নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে সুনাম অর্জন করবে।

      বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল উদ্যোগ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকান্ডের পাশে ছিলো এবং থাকবে। আইজিইএম -এর এই যাত্রা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়-এটি এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার সংকল্প।

      উল্লেখ্য, আইজিইএম হলো বিশ্বব্যাপী সিনথেটিক বায়োলজি (সিনথেটিক বায়োলজি) বিষয়ক সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী এবং গবেষকরা জিন প্রকৌশল ও জীববিজ্ঞান প্রযুক্তির মাধ্যমে মানব কল্যাণে কার্যকর কোনো উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরি করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বাসের দাবিতে সুবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০
        অনলাইন ডেস্ক
        বাসের দাবিতে সুবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আলটিমেটাম

        বাস সংকট নিরসনের দাবিতে আটদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

        বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে শান্তিগঞ্জের অস্থায়ী ছাত্রাবাসে সংবাদ সম্মেলন করে এ আলটিমেটাম ঘোষণা করেন তারা।

        শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনের জন্য ইতোমধ্যে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ইউজিসির অনুমতি না পাওয়ার অজুহাতে সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে এখনো কোনো বাসের ব্যবস্থা হয়নি।

        শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সিএনজি-বাসে চড়ে ক্লাসে আসতে হয় শিক্ষার্থীদের। এতে একদিকে সময়-ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে হাফপাস নিয়ে প্রায় যানবাহন চালকদের সঙ্গে বিতর্কে জড়াতে হয় তাদের। অনেক সময় অপমানজনক আচরণেরও শিকার হন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

        শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে বাস ব্যবস্থা করা না হলে ক্লাস বর্জনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এর দায়ভার সম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিতে হবে।

        সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষার্থী জাকারিয়া নাইম, জি এম তাইমুম, সুরভি চৌধুরী, সোহানুর রহমান ও তাকবিল হাসান।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারীদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি

          অনলাইন ডেস্ক
          ৩ জুলাই, ২০২৫ ১৫:২০
          অনলাইন ডেস্ক
          এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারীদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি

          সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করছেন।

          বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কয়েক শতাধিক কর্মচারীরা বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করছে কর্মচারীরা।

          কর্মচারীরা জানান, আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া যে সব কর্মচারীরা কোভিড, ডেঙ্গু, রানা প্লাজার ধস ও বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কাজ করেছে তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি। একই সঙ্গে প্রতি মাসের বেতন ৫ তারিখের মধ্যে প্রদানসহ কর্মচারীদের আত্মীয়-স্বজনদের চিকিৎসার খরচ ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
           
          এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মচারী স্মৃতি বলেন, আমাদের দাবি নিয়ে আমরা এর আগেও কর্মবিরতি পালন করেছি। সেসময় জুলাই মাসে মেনে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেগুলো মেনে নেয়নি। আমাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। 

          এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপক শামস মোহাম্মদ এনাম বলেন, আমরা কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করেছি। তাদের যুক্তির দাবিগুলো মেনে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।  

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত