শিরোনাম
যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের ৬ষ্ঠ ফ্রেশার্স লিগ অনুষ্ঠিত
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ডিবেট ক্লাবের ৬ষ্ঠ ফ্রেশার্স লিগ সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ও সোমবার (২৬ জুন ও ১ জুলাই) দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থী বিতার্কিকরা অংশগ্রহণ করে। এশিয়ান পার্লামেন্টারি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় মোট ৩টি রাউন্ডে ট্যাব পাওয়ার ম্যাচিংয়ের মাধ্যমে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম দিনে ৩টি রাউন্ড অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বিকেল ৪:৩০টায় সেমিফাইনাল বিতর্ক এবং দ্বিতীয় দিন বিকেল ৫টায় ফাইনাল বিতর্ক ও ৪র্থ কার্যনির্বাহী পরিষদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ডিবেট ক্লাবের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী দলকে পুরস্কৃত করা হয় এবং অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ফাইনাল বিতর্কে ‘এই সংসদ মনে করে, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পূর্ণ সংস্কার সম্ভব না হলে বিপ্লবের চেতনা ব্যর্থ হবে’—এই বিষয়ে সরকারি দল টিম ম্যাজিক মাইন্ডস (Magic Minds)-কে হারিয়ে বিরোধী দল দ্য স্পেল ক্যাস্টারস (The Spellcasters) চ্যাম্পিয়ন হয়। বিতর্কে টুর্নামেন্ট সেরা ও ফাইনাল সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী লাবনী ইসলাম।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো.নওসিন আমিন শেখ, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. সাব্বির হোসাইন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আসিফ আবদুল্লাহ। ক্লাবের সভাপতি মোতালেব হোসাইন, সম্পাদক সাব্বির হোসাইন এবং সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার কবির, আইমান ফাইয়াজ, সাধারণ সম্পাদক নাঈম জামান, নাওশিন জাহান জেরিনসহ ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ফ্রেশার্স লিগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীরা যুক্তিতর্ক ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তাধারার বিতর্ক চর্চার সুযোগ পায়, যা তাদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত দক্ষতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাকৃবির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৩৮৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য ৩৮৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন পেয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৪৫৮ কোটি ২৬ লাখ ৬৯ হাজার টাকার একটি প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়ন করেছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এর পক্ষ থেকে ৩৮৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার সিলিং নির্ধারণ করে দেওয়ার পর সে অনুযায়ী বাজেট পুনর্গঠন করে সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৩০ জুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট উপস্থাপন করেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই বাজেটে বিমক-এর বরাদ্দ থেকে ৩৭৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয়ের উৎস থেকে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা আয় হিসেবে ধরা হয়েছে।
এ বাজেটে বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বাবদ ১৮৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, সাধারণ পণ্য ও সেবা খাতে ৫৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, মেরামত ও সংরক্ষণ বাবদ ৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা, পেনশন ও অবসর সুবিধা বাবদ ১১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, গবেষণার জন্য ১৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা খাতে ৭৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য ও মূলধন অনুদানসহ বিভিন্ন খাতে সর্বমোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা।
এছাড়াও ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী ৩৭৯ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের তুলনায় এবারের বাজেটে ৭.৭১ শতাংশ বরাদ্ধ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজেট আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। এ লক্ষ্যে পরবর্তীতে সংশোধিত বাজেট প্রণয়নের সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বরাদ্দ পুনর্বিন্যাসের অনুরোধ জানানো হয়।
৫ লাখ কর্মী নেবে ইতালি, বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ
আগামী তিন বছরে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে ইতালি। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে শ্রমিক নিয়োগের লক্ষ্যে দেশটির সরকার সম্প্রতি একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে, যেখানে বাংলাদেশসহ ৩৪টি দেশের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘোষণাকে বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইতালির কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতে প্রতি বছরই বিপুলসংখ্যক নতুন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়, যার বড় একটি অংশ আসে বিদেশ থেকে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ বিদেশি শ্রমিক নেবে ইতালি- এমনটাই জানানো হয়েছে সরকারি গেজেটে।
এই তিন বছরের মধ্যে প্রথম বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ কর্মী নেবে দেশটি। শ্রমিকদের জন্য আবেদন গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখও জানানো হয়েছে।
আগামী বছর ১২ জানুয়ারি কৃষি, ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যটন ও ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থায়ী ও স্ব কর্মসংস্থান, ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষ ও উচ্চমান অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শ্রমিকদের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই চারটি ক্যাটাগরির প্রতিটিতেই বাংলাদেশিদের জন্য সুযোগ থাকছে বলে জানা গেছে এবং অনেকে সফল হবেন বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল। ইতালি সরকারে এমন উদ্যোগে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
উন্নত জীবনের আশায় গত কয়েক বছরে অনেক বাংলাদেশি স্পন্সর ভিসার মাধ্যমে ইতালিতে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও কিছু সংখ্যক সফল হয়েছেন, অনেকেই পড়েছেন প্রতারণা ও নানা ভোগান্তির ফাঁদে। তাই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আগামী বছর আবেদনকারীদের সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইতালির এই উদ্যোগ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। যারা অভিবাসনের সুযোগ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি বড় সুযোগ।
প্রতিবছর ২০২৪ শিক্ষার্থীকে ৬০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই ‘শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ চালু করা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২০২৪ শিক্ষার্থীকে ৬০০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বৃত্তি এককালীন দেওয়া হবে। প্রতিবছরই নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাবেন। এই বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীরা। আর প্রতিবছরই এই শিক্ষাবৃত্তি নিয়মিতভাবে দেওয়া হবে এবং বৃত্তির সংখ্যা ও টাকার পরিমাণ ভবিষ্যতে বাড়ানো হতে পারে।
মূলত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন শহীদ শিক্ষার্থীসহ যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে। শহীদদের অসামান্য দেশপ্রেম, প্রতিবাদী চেতনা এবং আত্মোৎসর্গ দেশের ইতিহাসে এক অবস্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবং তাদের জীবনাদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করতে এই শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে, মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের করবী হলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে তিনি ৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রথমবারের মতো এই শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন সারা দেশের ৭২৫টি কলেজের মোট ২০২৪ জন শিক্ষার্থী।
ছাত্রী হলে পুরুষ স্টাফের তল্লাশিতে ছাত্রীদের ক্ষোভ, প্রভোস্ট বললেন সতর্ক করা হবে
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) হযরত বিবি খাদিজা ছাত্রী হলে সম্প্রতি একটি তল্লাশি চালানো হয়েছে পুরুষ স্টাফদের মাধ্যমে। এ ঘটনায় হলে অবস্থানরত ছাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১লা জুলাই) সন্ধ্যার পর অভিযানের সময় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কোন পূর্ব সতর্কতা ছাড়া নারী স্টাফদের পাশাপাশি পুরুষ স্টাফ দিয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযানের সময় কিছু কক্ষ তল্লাশি করা হয়, এবং ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন—তাদের অনুমতি ছাড়াই কক্ষ খুলে প্রবেশ করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে হলে থাকা একাধিক ছাত্রী জানিয়েছেন, “আমরা বুঝতেই পারিনি কী হচ্ছে। হঠাৎ কিছু পুরুষ স্টাফ আমাদের ফ্লোরে চলে আসে। আমরা ওড়না পড়ার ও সুযোগ পাই নাই এটা খুবই লজ্জাজনক এবং ভীতিকর ছিল।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী জানায়-আমি তখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম, হুট করে নক না করেই ম্যাম ও মহিলা স্টাফের সাথে দুজন পুরুষ স্টাফও রুমে ঢুকে পড়েন। আমরা খুবই অপ্রস্তুত অবস্থায় ছিলাম, নক না করে পুরুষ স্টাফেরা রুমে আসার ব্যাপারটা কতটা যুক্তিযুক্ত।
অন্য আরেক ছাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন -চেকিং এর সময় ম্যাম দের পাশাপাশি অফিসের ছেলে যে গুলা থাকে ওরা, ডাইনিং এর মামা এমনকি কয়েকজন স্যার পর্যন্ত রুমে ঢুকে গেছে।আমি নিজে একটু পর্দা মেনে চলার চেষ্টা করি।আমি একদম অপ্রস্তুত ছিলাম,এটা কি রকমের সভ্য কাজ!!
এই বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, “হলে মেয়েদের রুমে অভিযানের সময় প্রথমে পুরুষ স্টাফ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।ম্যাডামদের পাশাপাশি পুরুষ স্টাফরা থাকে। আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। আজকের অভিযানের সময় আমিও উপস্থিত ছিলাম। কাল গিয়ে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট স্টাফদের সতর্ক করব।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য