শিরোনাম
৫ লাখ কর্মী নেবে ইতালি, বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ
আগামী তিন বছরে প্রায় পাঁচ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে ইতালি। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে শ্রমিক নিয়োগের লক্ষ্যে দেশটির সরকার সম্প্রতি একটি রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে, যেখানে বাংলাদেশসহ ৩৪টি দেশের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘোষণাকে বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইতালির কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতে প্রতি বছরই বিপুলসংখ্যক নতুন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়, যার বড় একটি অংশ আসে বিদেশ থেকে। ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ বিদেশি শ্রমিক নেবে ইতালি- এমনটাই জানানো হয়েছে সরকারি গেজেটে।
এই তিন বছরের মধ্যে প্রথম বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ কর্মী নেবে দেশটি। শ্রমিকদের জন্য আবেদন গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখও জানানো হয়েছে।
আগামী বছর ১২ জানুয়ারি কৃষি, ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যটন ও ১৬ ফেব্রুয়ারি স্থায়ী ও স্ব কর্মসংস্থান, ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষ ও উচ্চমান অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শ্রমিকদের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এই চারটি ক্যাটাগরির প্রতিটিতেই বাংলাদেশিদের জন্য সুযোগ থাকছে বলে জানা গেছে এবং অনেকে সফল হবেন বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল। ইতালি সরকারে এমন উদ্যোগে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
উন্নত জীবনের আশায় গত কয়েক বছরে অনেক বাংলাদেশি স্পন্সর ভিসার মাধ্যমে ইতালিতে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। যদিও কিছু সংখ্যক সফল হয়েছেন, অনেকেই পড়েছেন প্রতারণা ও নানা ভোগান্তির ফাঁদে। তাই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আগামী বছর আবেদনকারীদের সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইতালির এই উদ্যোগ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। যারা অভিবাসনের সুযোগ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি বড় সুযোগ।
প্রতিবছর ২০২৪ শিক্ষার্থীকে ৬০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জুলাই ‘শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ চালু করা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২০২৪ শিক্ষার্থীকে ৬০০০ টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বৃত্তি এককালীন দেওয়া হবে। প্রতিবছরই নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাবেন। এই বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন আর্থিকভাবে অসচ্ছল, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অথচ মেধাবী শিক্ষার্থীরা। আর প্রতিবছরই এই শিক্ষাবৃত্তি নিয়মিতভাবে দেওয়া হবে এবং বৃত্তির সংখ্যা ও টাকার পরিমাণ ভবিষ্যতে বাড়ানো হতে পারে।
মূলত, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ৩২ জন শহীদ শিক্ষার্থীসহ যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে। শহীদদের অসামান্য দেশপ্রেম, প্রতিবাদী চেতনা এবং আত্মোৎসর্গ দেশের ইতিহাসে এক অবস্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছে। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবং তাদের জীবনাদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করতে এই শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে, মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের করবী হলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে তিনি ৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। প্রথমবারের মতো এই শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন সারা দেশের ৭২৫টি কলেজের মোট ২০২৪ জন শিক্ষার্থী।
ছাত্রী হলে পুরুষ স্টাফের তল্লাশিতে ছাত্রীদের ক্ষোভ, প্রভোস্ট বললেন সতর্ক করা হবে
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) হযরত বিবি খাদিজা ছাত্রী হলে সম্প্রতি একটি তল্লাশি চালানো হয়েছে পুরুষ স্টাফদের মাধ্যমে। এ ঘটনায় হলে অবস্থানরত ছাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১লা জুলাই) সন্ধ্যার পর অভিযানের সময় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কোন পূর্ব সতর্কতা ছাড়া নারী স্টাফদের পাশাপাশি পুরুষ স্টাফ দিয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযানের সময় কিছু কক্ষ তল্লাশি করা হয়, এবং ছাত্রীরা অভিযোগ করেছেন—তাদের অনুমতি ছাড়াই কক্ষ খুলে প্রবেশ করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে হলে থাকা একাধিক ছাত্রী জানিয়েছেন, “আমরা বুঝতেই পারিনি কী হচ্ছে। হঠাৎ কিছু পুরুষ স্টাফ আমাদের ফ্লোরে চলে আসে। আমরা ওড়না পড়ার ও সুযোগ পাই নাই এটা খুবই লজ্জাজনক এবং ভীতিকর ছিল।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী জানায়-আমি তখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম, হুট করে নক না করেই ম্যাম ও মহিলা স্টাফের সাথে দুজন পুরুষ স্টাফও রুমে ঢুকে পড়েন। আমরা খুবই অপ্রস্তুত অবস্থায় ছিলাম, নক না করে পুরুষ স্টাফেরা রুমে আসার ব্যাপারটা কতটা যুক্তিযুক্ত।
অন্য আরেক ছাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন -চেকিং এর সময় ম্যাম দের পাশাপাশি অফিসের ছেলে যে গুলা থাকে ওরা, ডাইনিং এর মামা এমনকি কয়েকজন স্যার পর্যন্ত রুমে ঢুকে গেছে।আমি নিজে একটু পর্দা মেনে চলার চেষ্টা করি।আমি একদম অপ্রস্তুত ছিলাম,এটা কি রকমের সভ্য কাজ!!
এই বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, “হলে মেয়েদের রুমে অভিযানের সময় প্রথমে পুরুষ স্টাফ যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।ম্যাডামদের পাশাপাশি পুরুষ স্টাফরা থাকে। আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। আজকের অভিযানের সময় আমিও উপস্থিত ছিলাম। কাল গিয়ে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট স্টাফদের সতর্ক করব।
যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ
রাতে ছাত্রীকে ভিডিও কল দেন ইবি শিক্ষক
বাজে ইঙ্গিত প্রদান, কুরুচিপূর্ণ মেসেজ ও যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত ২২ জুন বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ডজনখানেক ছাত্রী। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঐ শিক্ষককে বিভাগের কার্যক্রম থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
অভিযোগপত্রে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এক ছাত্রী বলেন, ‘স্যার আমাকে ইমোতে ভিডিও কল দেন। আমি কল রিসিভ না করায় পরে অডিও কল দেন। তখন তিনি বলেন, অনেকদিন তোমাদের দেখি না, তোমরা মোটা হয়েছো না চিকন হয়েছো দেখার জন্য ভিডিও কল দিচ্ছি। তারপর উনি বলেন, তোমার কি কথা বলার লোক আছে?’ আমি বলি না নেই। তখন তিনি বলেন, এখন বলছো কেউ নাই, কিছুদিন পর তো দেখবো ক্যাম্পাসে কোনো ছেলের হাত ধরে ঘুরছো।’
ওই ছাত্রী আরও জানান, ‘স্যার ক্লাসে বিভিন্ন সময় আমাকে উদ্দেশ্য করে আজেবাজে ইঙ্গিত করে বাজে কথা বলেন। আমার উচ্চতা নিয়ে তিনি কুরুচিপূর্ণ জোকস করেন। আমি বিবাহিত হওয়ায় বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পর্ক নিয়ে আমাকে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। তিনি আমাকে সবার মাঝে ক্লাসে দাগ করিয়ে মেন্সট্রুয়েশন সাইকেল নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন। যা আমার জন্য খুবই অপমানজনক। এভাবে বিভিন্ন সময় উনি ক্লাসে বাজে ঈঙ্গিতপূর্ণ কথা বলার পাশাপাশি বডি শেমিং করেন এবং হুমকি দেন যে তার কোর্সে ভালো রেজাল্ট করতে পারবো না।’
বিভাগটির শিক্ষার্থীরা জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজুল ইসলাম দীর্ঘদিন থেকে ছাত্রীদের সাথে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন ব্যবহার করে আসছেন। হোয়াটসঅ্যাপে কুরুচিপূর্ণ মেসেজ প্রদান, ইচ্ছাকৃতভাবে পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে দেওয়া, রুমে ডেকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন নিয়ে আপত্তিকর জিজ্ঞাসা, ক্লাসে সবার সামনে আজেবাজে ইঙ্গিত করা, ছাত্রীদের রাতে ভিডিও কল দেওয়া, কল না ধরলে রেজাল্ট খারাপ করানোর হুমকি, বিবাহিত ছাত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, নিজের আন্ডারে প্রজেক্ট করতে পছন্দের ছাত্রীদের বাধ্য করা ও ছাত্রীদের বডি শেমিং করাসহ নানাভাবে হেনস্তা করতেন। তবে এতোদিন শিক্ষার্থীরা ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস করেনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আজিজুল ইসলাম বলেন, আমি কোনো শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করিনি। বরং তারা আমার কথা ও কাজকে ভুলভাবে নিয়েছে। আমি মনে করি পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে অসত্য অভিযোগ দিয়েছে। আর কখন কোন পরিস্থিতিতে কি বলেছি তা আমি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। বিভাগের বিভিন্ন কাজের সুবাদে অনেক প্রোগ্রাম ও মিটিং করেছি, আমি আন্তরিকতা নিয়ে সুন্দর ড্রেস পড়ে আসার কথা বলেছি। কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি সবার মেন্টালিটি সমান না।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম নাজমুল হুদা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা নিয়মানুযায়ী একাডেমিক কমিটির সভায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে আমরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি বিভাগের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।
খুবিতে ধর্ম অবমাননা ও ‘জুলাই আন্দোলন’ কটাক্ষের প্রতিবাদে মানববন্ধন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম অবমাননা ও ঐতিহাসিক ‘জুলাই আন্দোলন’ নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১ জুলাই (মঙ্গলবার) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে শিক্ষার্থীরা এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা “সম্প্রতির এই বাংলায় উস্কানির ঠাঁই নাই”, “অপরাধীদের ক্ষমা নাই, আজীবন বহিষ্কার চাই”, “জিরো টলারেন্স ফর ব্লাসফেমি”—ইত্যাদি লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
সমাবেশে ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী তালহা বলেন, “এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি শহীদ মুগ্ধ ভাইয়ের রক্তে ভেজা। এখানে বসে যারা আওয়ামী লীগের গাদ্দারদের পক্ষে কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে এই মাটি রুখে দাঁড়াবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে যেকোনো ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করলে তার এখানে কোনো জায়গা হবে না।”
১৭ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী তমিজউদ্দীন বলেন, “৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে ধর্ম ও আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে কটূক্তি করার পরও আমরা যথাযথ ব্যবস্থা দেখতে পাই না। যারা ধর্ম ও ‘জুলাই আন্দোলন’ নিয়ে কটূক্তি করেছে, আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
মানববন্ধন থেকে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়:
১. রাষ্ট্রের প্রতি দাবি—ধর্ম অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।
২. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দাবি—অভিযুক্তদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে আজীবন বহিষ্কার এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩. জনসাধারণের প্রতি দাবি—অভিযুক্তদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, “ধর্ম অবমাননা এবং ‘জুলাই আন্দোলন’কে কটাক্ষ করার অভিযোগে অভিযুক্তদের আবাসিক হলের সিট বাতিল করা হয়েছে। রেজিস্ট্রার অফিস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি প্রদান করা হয়েছে এবং সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী হলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের ২১তম ব্যাচের মো. রাসেল এবং ২৩তম ব্যাচের তনয় রায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাসেল তার ফেসবুক পোস্টে কুরআনের কিছু সূরা নিয়ে আপত্তি ও আল্লাহ তায়ালাকে ‘বর্ণবাদী’ আখ্যা দেন। তিনি ফেসবুকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ‘জুলাই আন্দোলনকারীদের’ নিয়ে কটূক্তি ও হুমকি প্রদান করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ, কুমিল্লার মুরাদনগরের ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে ফেসবুক স্টোরির মাধ্যমে তিনি ইসলামের ফরজ বিধান ‘জিহাদ’ সম্পর্কেও কটূক্তি করেন।
অপর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী তনয় রায় ওই বিতর্কিত স্টোরিটি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন এবং এর আগেও ‘জুলাই আন্দোলন’ নিয়ে কটূক্তি ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য