ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে নিখোঁজ মাহিরা

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৯ জুন, ২০২৫ ২৩:২৮
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
এইচএসসি পরীক্ষা দিতে এসে নিখোঁজ মাহিরা

রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন মাহিরা বিনতে মারুফ পিউলি নামের এক শিক্ষার্থী। তিনি রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন, তার পরিক্ষাকেন্দ্র ছিলো মিরপুর কলেজে। 
  
 রবিবার (২৯ জুন) সকাল ৮টার দিকে পরীক্ষাকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হলেও তিনি আর পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাননি, ফেরেন নি বাড়িতেও। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। 

মাহিরার বাসা ভাটারা থানাধীন জগন্নাথপুর এলাকার কেবি বিল্ডিং, যমুনা হাজী সমীর উদ্দিন রোডে। তার বাবার নাম মো. আব্দুল্লাহ আল মারুফ এবং মায়ের নাম রেহানা পারভীন।

মাহিরার বড় বোন জানান, ঐদিন দুপুর ১টার দিকে তার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাহিরা বাড়ি না ফেরায় পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজ নিতে যায়। সেখানকার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন, মাহিরা ওই দিন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতই হননি।

এ ঘটনার পর সন্ধ্যার দিকে মাহিরার পরিবার রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাহিরার গায়ের রং ফর্সা, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি এবং নিখোঁজের সময় তার পরনে ছিল সাদা কলেজ ড্রেস। এ ঘটনায় বড় বোন মারিয়া বিনতে মারুফ ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর: ১৩৩৬/২৫) করেছেন। নিখোঁজ মাহিরার সন্ধান পেলে ভাটারা থানা বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মাহিরার খোঁজ পেতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আসাদুজ্জামান জানান, “আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। এখনো পর্যন্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাইনি। তবে আমরা বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালাচ্ছি। কোনো খবর পেলেই সাথে সাথে পরিবারকে অবহিত করা হবে।”

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    চবি বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ, পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে মানববন্ধন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৯ জুন, ২০২৫ ১৮:৫১
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    চবি বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর ফলাফল নিয়ে ক্ষোভ, পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে মানববন্ধন

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফলাফলে ‘অবিচারমূলক আচরণের’ অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল এবং খাতা পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

    রবিবার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন বাংলা বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন।

    শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের (৫৪তম ব্যাচ) স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফলাফল গত ২৬ মে ২০২৫ প্রকাশিত হয়। ফলাফলে দেখা যায়, যেখানে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে মাত্র ৯ জন শিক্ষার্থী ৩.০০-এর নিচে সিজিপিএ পেয়েছিলেন, সেখানে স্নাতকোত্তরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ জনে। যা ব্যাখ্যাতীত এবং অস্বাভাবিক বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

    তাদের ভাষ্য, একই ব্যাচের সম্মান পরীক্ষার ফলাফলের তুলনায় এই ফলাফলে চরম অসঙ্গতি রয়েছে। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন, যা সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ বলে তারা মনে করছেন।

    মানববন্ধনে বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা চাই নিরপেক্ষভাবে আমাদের খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা হোক। এতে যদি কেউ ন্যায্য নম্বর থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন, তারা যেন প্রকৃত মূল্যায়ন পান।”

    আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “ফলাফল প্রকাশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা উচিত। একজন শিক্ষক যেন তার মতাদর্শগত বা ব্যক্তিগত পক্ষপাতের ভিত্তিতে কোনো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ বিনষ্ট করতে না পারেন, সে বিষয়টি প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।”

    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বিভাগের দীর্ঘদিনের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে তাদের ব্যাচ প্রতিবাদ করে আসছিল। এর জের ধরেই এবার পরীক্ষার ফলাফলে তাদের ‘শাস্তি’ দেওয়া হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

    শিক্ষার্থীরা ফলাফল বাতিল করে নতুনভাবে নিরপেক্ষ খাতা মূল্যায়নের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন। দাবি আদায় না হলে পরবর্তী কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্রশিবিরের ৪ দাবি

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৯ জুন, ২০২৫ ১৭:৩৬
      অনলাইন ডেস্ক
      ঢাবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে ছাত্রশিবিরের ৪ দাবি

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সদ্য ভর্তি হওয়া প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসনসংক্রান্ত সংকট নিরসনে চার দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

      রোববার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।

      স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য ভর্তি হওয়া ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবাসনসংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা সময়সীমা এখনো জানানো হয়নি। অথচ তাদের নিয়মিত পাঠদান আগামী ২রা জুলাই ২০২৫ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ফলে নবাগত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে পার করছেন। নারী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই উদ্বেগ আরও প্রকট হয়ে ওঠেছে।

      ছাত্রশিবির দাবি করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হলে সিট পাওয়ার অধিকার রয়েছে এবং প্রথম বর্ষেই সিট বরাদ্দ পাওয়া তাদের একটি মৌলিক ও ন্যায্য অধিকার। এই প্রেক্ষাপটে তারা চারটি দাবি উত্থাপন করেছে—

      ১। নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য অবিলম্বে আবাসনসংক্রান্ত একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থীর আবাসিক থাকার ব্যবস্থা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, তাদের সিট বাতিল করে নবাগতদের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে। সিট বরাদ্দে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতহীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

      ২। সিট সংকটের অস্থায়ী সমাধান হিসেবে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী হোস্টেলের ব্যবস্থা করতে হবে। এবং সেখান থেকে মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের হলে স্থানান্তরের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

      ৩। অথবা, শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা হারে আবাসনভাতা (বৃত্তি) প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যতদিন সিট বরাদ্দ সম্ভব না হবে, ততদিন এ ভাতা বহাল থাকবে। সিট বরাদ্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বৃত্তি বন্ধ হয়ে যাবে।

      ৪। জুলাইয়ের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যেই গণরুম সংস্কৃতির কবর রচিত হয়েছে সেই সংস্কৃতি যেন শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে আবারও ফিরে না আসে। প্রশাসন যেন কোনভাবেই সংকটের আপাত সমাধান হিসেবে গণরুম সৃষ্টির অপচেষ্টা না করে।

      এ বিষয়ে ঢাবি ছাত্রশিবির সভাপতি এস এম ফরহাদ বলেন, ক্যাম্পাসে আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু মহল (বড় ভাই) সেজে শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিচ্ছে ‘তোমাদের সিট দেব, তোমরা চলে এসো’। এতে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সাময়িকভাবে আশ্বস্ত হলেও, এটি একটি সুপরিকল্পিত ফাঁদ। আবাসন সংকট এখনো নিরসন না হওয়ায়, এই সুযোগকে ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। ফলে শেষমেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষার্থীরাই। এমন পরিস্থিতিতে আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি—যাতে তারা অবিলম্বে আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেন। এছাড়াও আমরা প্রশাসনকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, শিক্ষার্থীদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে যেন ‘গণরুম’ সংস্কৃতি আবারও হলে ফিরে না আসে।

      ছাত্রশিবিরের ভাষ্য অনুযায়ী স্মারকলিপি দেওয়ার সময় উপাচার্য আশ্বস্ত করে বলেন, ডিন’স কমিটি, প্রভোস্ট কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ছাত্রদের আবাসন সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় নেওয়া করা হবে।

      প্রসঙ্গত, এর পূর্বেও ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে ছাত্রীদের আবাসন বৃত্তি প্রদানের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রীদের আবাসন ভাতা প্রদানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের হল সংকট নিরসনে এক্টের তিন দাবি

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৯ জুন, ২০২৫ ১৭:৫
        অনলাইন ডেস্ক
        ঢাবির নারী শিক্ষার্থীদের হল সংকট নিরসনে এক্টের তিন দাবি

        ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসনসংক্রান্ত সংকট নিরসনে তিন দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'একশন ফর কমিউনিটি ট্রান্সফরমেশন (এক্ট)'।

        রোববার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে সংগঠনটি ছাত্রীদের আবাসন–সংক্রান্ত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা দূর করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।

        স্মারকলিপিতে বলা হয়, “ছাত্রী হলগুলোতে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হচ্ছেন নারী শিক্ষার্থীরা। এতে তাঁদের মানসিক চাপ বাড়ছে এবং শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে আবাসিক ও অনাবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।”

        সংগঠনটির উত্থাপিত তিনটি দাবি হলো:

        ১. হলে অবস্থানরত ছাত্রীদের মা বা বোন অসুস্থতা বা জরুরি প্রয়োজনে হলে সাময়িকভাবে থাকার সুযোগ পাবেন।

        ২. অনাবাসিক ছাত্রীদের জন্য পরীক্ষার সময় বা জরুরি পরিস্থিতিতে (যেমন: অসুস্থতা) নির্দিষ্ট ফি দিয়ে হলে অস্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ দিতে হবে।

        ৩. ছাত্রীদের নির্ধারিত পরিচয়পত্র যাচাই করে প্রতিটি ছাত্রী হলেই তাদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সহপাঠীদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও সহায়তা সহজ হয়।

        স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, “নারী শিক্ষার্থীরা যেন মানবিক ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে শিক্ষাজীবন পরিচালনা করতে পারেন, সেজন্য সময়োপযোগীভাবে হল নীতিমালা হালনাগাদ করা জরুরি।”

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          মাভাবিপ্রবিতে অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের উদ্বোধন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          ২৯ জুন, ২০২৫ ১১:৫০
          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
          মাভাবিপ্রবিতে অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের উদ্বোধন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

          টাংগাইলে ‎মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) প্রথমবারের মতো “অ্যাকাউন্টিং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বৈশ্বিক ক্যারিয়ার সুযোগসমূহ” শীর্ষক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

          আজ ‎রবিবার (২৯ জুন) ২০২৫ইং তারিখে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনার রুমে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল নবগঠিত "মাভাবিপ্রবি অ্যাকাউন্টিং ক্লাব" এর মধ্য দিয়েই ক্লাবটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

          ‎এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল ইসলাম। ওয়ার্কশপের মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাবাকাস একাডেমির লিড মেন্টর শিবলি সাদিক।

          ‎প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, "মাভাবিপ্রবিতে এই প্রথমবারের মতো এমন একটি কর্মশালার আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। বর্তমান বিশ্বে অ্যাকাউন্টিং একটি চাহিদাসম্পন্ন ও বহুমুখী পেশা। শুধুমাত্র দেশের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও অ্যাকাউন্টিং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য রয়েছে অসংখ্য সুযোগ। তবে এসব সুযোগ কাজে লাগাতে হলে আমাদের প্রয়োজন হবে যথাযথ দক্ষতা, প্রযুক্তির জ্ঞান এবং বৈশ্বিক চাহিদা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা।"

          অনুষ্ঠানের মূল বক্তা শিবলি সাদিক বলেন, "আজকের এই কর্মশালাটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়—বরং এটি একটি দিগন্ত উন্মোচন, যেখানে আমরা বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টিং গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করছি। বর্তমান বিশ্বে অ্যাকাউন্টিং আর কেবল সংখ্যার খেলা নয়, এটি একটি কৌশলগত পেশা—যেখানে নেতৃত্ব, প্রযুক্তি জ্ঞান এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দক্ষতা অপরিহার্য। আজকের এই কর্মশালার মাধ্যমে আমরা আশা করি—শিক্ষার্থীরা জানতে পারবে কীভাবে গ্লোবাল মার্কেটে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। আন্তর্জাতিক জব মার্কেট, রিমোট ওয়ার্ক, ফিনটেক, করপোরেট গভার্ন্যান্সসহ নানা বিষয়ে নতুন জানার সুযোগ হবে।"

          ‎ওয়ার্কশপে ‎আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টিং গ্র্যাজুয়েটদের সম্ভাবনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। 

          উক্ত কর্মশালায় ‎বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী  অংশগ্রহণ করেন।  সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বয়ে এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রস্তুতি নিতে সহায়ক হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত