শিরোনাম
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের শিক্ষার্থী রাকিব বাঁচতে চান
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) আইন ডিসিপ্লিনের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান। ক্যাম্পাসের নানামুখী কর্মকাণ্ডে সরব রাকিব এখন অনেকটাই নীরব। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর বোন ম্যারো ড্যামেজ (অস্থিমজ্জা বিকল হওয়া) ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়েছে । এ অবস্থায় অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনে প্রায় ৫০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে তাঁর চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে না।
ঝিনাইদা বাসিন্দা রাকিবের বাবা বয়সের ভারে কর্মক্ষম নন। বড় ভাই তাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। নিজেদের জমি বিক্রি করে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাতে গিয়ে তাঁদের পরিবার প্রায় নিঃস্ব। চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারলেই সেরে উঠবেন সদা হাস্যোজ্জ্বল রাকিব। তাই তাঁর পরিবার ও সহপাঠীরা বিত্তশালীদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।
রাকিব হাসান বলেন, ‘ জানতে পারলাম আমার অস্থিমজ্জা বিকল হয়ে গেছে। অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন না করা গেলে আমি বাঁচবো না। একজন ক্যান্সার পেশেন্টের MRD শতাংশ থাকা উচিত ০.১শতাংশ, আমার রিপোর্টে এসেছে ৭.৭৯শতাংশ, মানে ৭০০ গুন বেশি। এমতবস্থায় আমার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০-৩৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং এতটাকা ম্যানেজ করা কিভাবে সম্ভব আমি জানিনা। আপনাদের কাছে আগে শুধু দোয়া চেয়েছি, এখন আমার দোয়ার সাথে সাহায্যও প্রয়োজন।
রাকিবের সহপাঠী তৌসিফ অনিক বলেন, ‘আমাদের বন্ধু রাকিব খুবই বিনয়ী। সবার বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াত। রাকিবের অস্থিমজ্জা বিকল হয়ে গেছে, ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়েছে। ওর পরিবারের পক্ষে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা সবাই মিলে এগিয়ে এলে হয়তো রাকিব আবার সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে। সবার কাছে অনুরোধ, যায় যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসুন।’
রাকিবের জন্য সাহায্য পাঠাতে...
Bkash: 01729408713 - Md. Ataullah
Rocket: 016251534415 - Tawsif Anik
Nagad: 01766225186 - Sujan Das
Bank:
Account Holder: 18 Batch, Law Discipline, Khulna University Account No. 0200024005564
Branch: Agrani Bank, Khulna University Branch
Routing No. 010471690
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ভর্তির ৮মাস পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে এম আজহারুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষা হচ্ছে সেই আলো যা উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ আলোকিত করে, শিক্ষা হচ্ছে সেই হাতিয়ার যা একজন মানুষকে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এসময় তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান নয়। এটি এমন একটি অধ্যায় যেখানে থাকবে জ্ঞানার্জন, গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিভঙ্গি গঠনকরা ও ব্যক্তিগত বিকাশের সুযোগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ তানভীর কায়ছারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন মোঃ হারুন-অর-রশিদ, আইন অনুষদের ডিন সরদার কায়সার আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. ধীমান কুমার রায় এবং সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ইসরাত জাহান।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিনা হাবিব জান্নাতী, রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহান বাশার সিয়াম, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইজা আক্তার এবং কোস্টাল স্টাডিজ এন্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম সরদার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন উপলক্ষে বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।
পবিপ্রবির অধ্যাপক আহাদ বিশ্বাস তিন বছরের জন্য অবনমিত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আবদুল আহাদ বিশ্বাসকে তিন বছরের জন্য সহযোগী অধ্যাপক পদে অবনমিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের স্বাক্ষরিত ১৯ জুনের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, চাকরি সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ৫৫তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ড. আহাদ বিশ্বাস অবনমনকালীন সময়ে ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা শিক্ষার্থীদের গবেষণা তত্ত্বাবধান করতে পারবেন না। এ সময় কোনো অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে বা পূর্বের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি ঘটলে, ভাইস-চ্যান্সেলর তাকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরিচ্যুত করতে পারবেন। এ বিষয়ে আপিল করার সুযোগও থাকছে না।
তিন বছর পর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি পূর্বের পদ ও স্কেলে পশু বিজ্ঞান বিভাগে যোগদান করতে পারবেন। তবে এই সময়সীমা তার সক্রিয় চাকরিকাল হিসেবে বিবেচিত হবে না।
এ বিষয়ে ড. আহাদ বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্ল্ড ওশান ডে- ২০২৫ : সমুদ্র ভাবনায় জেগে উঠল বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
“আমাদের যা টিকিয়ে রাখে, তা টিকিয়ে রাখাই দায়িত্ব”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ওশান ডে ২০২৫’। দিবসটি উপলক্ষে আজ ২৫ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব আর্থ অ্যান্ড ওশান সায়েন্স-এর আয়োজনে মিরপুর-১৪ এর শহীদ মোয়াজ্জেম হল অডিটোরিয়ামে একটি বর্ণাঢ্য সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল ড. খন্দকার আক্তার হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থ অ্যান্ড ওশান সায়েন্স ফ্যাকাল্টির ডিন কমোডর শেখ শাহীদ আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিমরাড)-এর মহাপরিচালক কমোডর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ (অব.)। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের ইহসানুল হক এবং পোর্ট অ্যান্ড শিপিং বিভাগের ফজলে রুহান নুহাশ পৃথক দুটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল—সমুদ্র সম্পদের সংরক্ষণ ও ব্যবহার, গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণে প্রযুক্তি উদ্ভাবন, তেল-গ্যাস ও খনিজ সম্পদ সংগ্রহ, সাগর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নিরাপদ নৌ-পরিবহন, সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধ, মেরিটাইম পর্যটন, এবং সমুদ্রকেন্দ্রিক নতুন ব্যবসায়িক ধারণা। এ ছাড়াও উচ্চতর মেরিটাইম শিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মেরিটাইম খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে দক্ষ জনবল গঠনের মাধ্যমে এই খাতকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “সমুদ্রভিত্তিক জ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণায় অগ্রগতি না ঘটলে দেশের মেরিটাইম সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়।”
‘ওয়ার্ল্ড ওশান ডে ২০২৫’-এর এ আয়োজন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সমুদ্র সম্পর্কিত নানামুখী আলোচনার এক তাৎপর্যপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
চিত্রনায়ক নাঈমের সকল দাবি মেনে নিল ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন নবাব পরিবারের বংশধর ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নাঈম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব দাবি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত ২৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে আয়োজিত জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘৭ জুন ছিল নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। নবাব সলিমুল্লাহর বংশধরের পক্ষ থেকে আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং তার অবদানের স্বীকৃতির জন্য কিছু দাবি পেশ করি। এই দাবিগুলো শুধু আমাদের নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদেরও; যা কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন। এতো সুন্দর আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং হলের ছাত্র-ছাত্রীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।’
নাঈমের দাবিগুলোর মূল প্রতিপাদ্য ছিল—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের উচ্চশিক্ষা ও মুসলিম সমাজের উন্নয়নে নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি ও স্মরণ নিশ্চিত করা। তিনি জানান, এসব দাবিকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তিনি আয়োজনে সম্পৃক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, হলের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির জন্য জমি দান করেন এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এমনকি ১৯২০ সালে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট’ পাশ করাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য