শিরোনাম
পবিপ্রবির অধ্যাপক আহাদ বিশ্বাস তিন বছরের জন্য অবনমিত
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আবদুল আহাদ বিশ্বাসকে তিন বছরের জন্য সহযোগী অধ্যাপক পদে অবনমিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের স্বাক্ষরিত ১৯ জুনের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, চাকরি সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনার পর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ৫৫তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ড. আহাদ বিশ্বাস অবনমনকালীন সময়ে ক্লাস নেওয়া, পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা শিক্ষার্থীদের গবেষণা তত্ত্বাবধান করতে পারবেন না। এ সময় কোনো অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে বা পূর্বের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি ঘটলে, ভাইস-চ্যান্সেলর তাকে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই চাকরিচ্যুত করতে পারবেন। এ বিষয়ে আপিল করার সুযোগও থাকছে না।
তিন বছর পর শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিনি পূর্বের পদ ও স্কেলে পশু বিজ্ঞান বিভাগে যোগদান করতে পারবেন। তবে এই সময়সীমা তার সক্রিয় চাকরিকাল হিসেবে বিবেচিত হবে না।
এ বিষয়ে ড. আহাদ বিশ্বাসের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ওয়ার্ল্ড ওশান ডে- ২০২৫ : সমুদ্র ভাবনায় জেগে উঠল বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি
“আমাদের যা টিকিয়ে রাখে, তা টিকিয়ে রাখাই দায়িত্ব”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ওশান ডে ২০২৫’। দিবসটি উপলক্ষে আজ ২৫ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব আর্থ অ্যান্ড ওশান সায়েন্স-এর আয়োজনে মিরপুর-১৪ এর শহীদ মোয়াজ্জেম হল অডিটোরিয়ামে একটি বর্ণাঢ্য সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল ড. খন্দকার আক্তার হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থ অ্যান্ড ওশান সায়েন্স ফ্যাকাল্টির ডিন কমোডর শেখ শাহীদ আহমেদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিমরাড)-এর মহাপরিচালক কমোডর সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন আহমদ (অব.)। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেরিন বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নাজির হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের ইহসানুল হক এবং পোর্ট অ্যান্ড শিপিং বিভাগের ফজলে রুহান নুহাশ পৃথক দুটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল—সমুদ্র সম্পদের সংরক্ষণ ও ব্যবহার, গভীর সমুদ্র মৎস্য আহরণে প্রযুক্তি উদ্ভাবন, তেল-গ্যাস ও খনিজ সম্পদ সংগ্রহ, সাগর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নিরাপদ নৌ-পরিবহন, সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধ, মেরিটাইম পর্যটন, এবং সমুদ্রকেন্দ্রিক নতুন ব্যবসায়িক ধারণা। এ ছাড়াও উচ্চতর মেরিটাইম শিক্ষা, গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শিল্প-একাডেমিয়া সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মেরিটাইম খাতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে দক্ষ জনবল গঠনের মাধ্যমে এই খাতকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “সমুদ্রভিত্তিক জ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণায় অগ্রগতি না ঘটলে দেশের মেরিটাইম সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়।”
‘ওয়ার্ল্ড ওশান ডে ২০২৫’-এর এ আয়োজন ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, গবেষক এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য সমুদ্র সম্পর্কিত নানামুখী আলোচনার এক তাৎপর্যপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
চিত্রনায়ক নাঈমের সকল দাবি মেনে নিল ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেন নবাব পরিবারের বংশধর ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নাঈম। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব দাবি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত ২৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে আয়োজিত জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে অংশ নেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘৭ জুন ছিল নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুরের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। নবাব সলিমুল্লাহর বংশধরের পক্ষ থেকে আমরা সেখানে উপস্থিত ছিলাম এবং তার অবদানের স্বীকৃতির জন্য কিছু দাবি পেশ করি। এই দাবিগুলো শুধু আমাদের নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদেরও; যা কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছেন। এতো সুন্দর আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং হলের ছাত্র-ছাত্রীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।’
নাঈমের দাবিগুলোর মূল প্রতিপাদ্য ছিল—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের উচ্চশিক্ষা ও মুসলিম সমাজের উন্নয়নে নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি ও স্মরণ নিশ্চিত করা। তিনি জানান, এসব দাবিকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তিনি আয়োজনে সম্পৃক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, হলের শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
উল্লেখ্য, নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির জন্য জমি দান করেন এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এমনকি ১৯২০ সালে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট’ পাশ করাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
বাঙলা কলেজে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, সরকারি বাঙলা কলেজ সংসদের নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে কলেজ অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও পরিচিতি পর্বভিত্তিক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ জুন (বুধবার) দুপুর ২টায় আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আল মাশনুন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদের সংসদের যুগ্ম সদস্যসচিব মাহফুজুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি জাহেদ হাসান ফরহাদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঙলা কলেজ সংসদের আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম রাব্বি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সদস্য সচিব শাওন আহমেদ সৈকত।
সভায় নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ নিজেদের পরিচয় উপস্থাপন করেন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও অধিকারভিত্তিক বিভিন্ন প্রত্যাশা ও সমস্যাবলি তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, “আমরা এমন একটি গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের ধারায় বিশ্বাস করি, যেখানে ছাত্রস্বার্থই হবে মুখ্য।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল মাশনুন বলেন, “বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ সব সময় ছাত্রস্বার্থ ও প্রগতিশীল চিন্তার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। বাঙলা কলেজ সংসদের এই নবীন নেতৃত্ব ভবিষ্যতের শিক্ষাবান্ধব ও ন্যায়ের পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠ হয়ে উঠবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
বিশেষ অতিথি মাহফুজুর রহমান বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আসবে। তাই নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা এখান থেকেই শুরু হওয়া উচিত।”
মতবিনিময় পর্বে শিক্ষার্থীরা সরাসরি তাদের মতামত, অভিযোগ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। কমিটির পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীবান্ধব নানা উদ্যোগের রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বর্ষ ও বিভাগের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীদের সরব অংশগ্রহণ ও প্রাণবন্ত পরিবেশ অনুষ্ঠানটিকে আরো অর্থবহ করে তোলে।
পরিশেষে, অংশগ্রহণকারী অতিথি, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
ইকসু গঠনের দাবিতে ইবি উপাচার্যের নিকট ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের স্মারকলিপি প্রদান
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ইকসু) গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি জটিলতা দূর করে আইন প্রণয়ন ও নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রদানসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন।
আজ বুধবার (২৫ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহকে একটি স্মারকলিপি দেয় সংগঠনটি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল বারী ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন শাখা সভাপতি ইসমাইল হোসেন রাহাত, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাব্বির প্রমুখ।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ১০ দফা দাবি নিচে তুলে ধরা হলো:
১। কোটার হার সংস্কার: অগণিত প্রাণের বিনিময়ে আমরা দেশব্যাপী কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে সফল হয়েছি। যে কোটার বিরুদ্ধে এত কিছু, এখনো আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে দেখতে পাচ্ছি যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় পোষ্য কোটার মতো কোটা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। অনতিবিলম্বে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা ও প্রতিবন্ধী কোটা ব্যতীত অন্যান্য অযৌক্তিক সকল কোটা ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।
২। সড়ক সংস্কার : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা শহরের মধ্যবর্তী স্থানে হওয়ায় প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের সড়ক পথে যাতায়াত করতে হয়। বিভিন্ন সময় এই কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে আমাদের ভাইবোনেরা সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তাই অতিদ্রুত কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক সংস্কার করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সরকারের সাথে যোগাযোগ করে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩। মেয়েদের নামাজের স্থান নির্ধারণ: বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদেরদের জন্য বরাদ্দকৃত প্রতিটি আবাসিক হলে এবং প্রায় প্রতিটি বিভাগে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নামাজ আদায়ের সুযোগের অভাব রয়েছে। কিছু কিছু জায়গা নামাজের জায়গা আলাদা থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাই অতিদ্রুত আমাদের দ্বীনি বোনদের জন্য নামাজ আদায়ের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৪। সেশনজট নিরসন: করোনা মহামারীর কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সেশনজটের সৃষ্টি হয়েছিল তার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই গতবছর শিক্ষকদের পেনশন সংক্রান্ত কর্মবিরতি এবং জুলাই আন্দোলনে কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা-কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় আবারও সেশনজটের কবলে পড়েছে। তাই সেশনজট নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।
৫। ভর্তি ফি হ্রাস: ভর্তি ফি কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে, যাতে কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চ শিক্ষার সপ্ন বিলীন না হয়ে যায় এবং সামর্থ্যের ভিতরে থাকে!
৬। ইকসু আইন প্রণয়ন ও ইকসু গঠন : গণতান্ত্রিক চর্চা ও নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম ক্ষেত্র ইকসু গঠন ইবির জন্মলগ্ন থেকে থমকে রয়েছে। শিক্ষার্থীদের চাহিদার আলোকে ও নেতৃত্ব বিকাশ এবং সুন্দর ক্যাম্পাস বিনির্মানে ইকসু আইন প্রণয়ন ও দ্রুততম সকল আইনি জটিলতা কাটিয়ে ইকসু রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।
৭। সুপেয় পানির জন্য ফিল্টার স্থাপন: বিভিন্ন অনুষদ ও ভবনে বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিটি ভবনে আধুনিক ও কার্যকর পানির ফিল্টার স্থাপন করতে হবে। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পুর্বে স্থাপিত টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। সেদিকে নজর দিয়ে টিউবওয়েল গুলো পুনরায় সচল করতে হবে।
৮। সনদ উত্তোলনে ভোগান্তি নিরসন: বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে সনদপত্র, নম্বরপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উত্তোলনে শিক্ষার্থীরা বারবার হেনস্থার শিকার হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে একাডেমিক শাখায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিহীন সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্বে তদারকি করতে মনিটরিং সেল তৈরিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা।
৯। নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরাক্ষা : নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হল সমুহে ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করে হাইজিন সামগ্রী (স্যানিটারি ন্যাপকিন, টিস্যু) ও
ওষুধ (ব্যথানাশক, প্রাথমিক চিকিৎসার পণ্য) সরবরাহ নিশ্চিত করা।
১০। বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের সেবা উন্নতকরণ : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে মানসম্মত ওষুধের ঘাটতি ও দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের আধুনিকীকরণ নিশ্চিত ও দায়িত্বরতদের দায়িত্ব তদারকিতে মনিটরিং সেল তৈরি করতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য