ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শিবির সভাপতির গোপন সাক্ষাৎ ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’: নাছির

অনলাইন ডেস্ক
২৩ জুন, ২০২৫ ১৯:১৯
অনলাইন ডেস্ক
শিবির সভাপতির গোপন সাক্ষাৎ ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা’: নাছির

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় ‘জড়িত’ ইসলামী জমিয়াত-ই-তালাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতির ‘গোপন সাক্ষাৎ’কে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যা দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

সোমবার (২৩ জুন) রাজধানীর তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের সদস্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

নাছির উদ্দীন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্র সংগঠনের উত্তরসূরিই আজকের ইসলামী জমিয়াত-ই-তালাবা পাকিস্তান। সেই সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে শিবিরের সভাপতি গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন। আসলে তারা এখনও তাদের প্রিয় অভিভাবককে ভুলতে পারেনি।  

তিনি আরও বলেন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারী সংগঠন, যারা বাঙালি ভাইদের হত্যা করেছিল এবং বোনদের ধর্ষণ করেছিল, তাদেরই উত্তরসূরি ইসলামী জমিয়াত-ই-তালাবা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে শিবিরের সভাপতির এই গোপন সাক্ষাৎ দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।  

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিবির যেখানে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ছড়ায়, সেখানে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তারা গোপন রেখেছে। বিষয়টি পাকিস্তানের ওই সংগঠনের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জনসম্মুখে আসে। ইসলামী জমিয়াত-ই-তালাবা পাকিস্তান তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লিখেছে যে তারা শিবিরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মিশন বাস্তবায়নে কাজ করবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, তালাবা পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে কোন মিশনে নেমেছে তা ছাত্র শিবিরকে স্পষ্ট করতে হবে। ১৯৭১ সালের গণহত্যাকারীদের সঙ্গে দেখা করে ছাত্র শিবির যে বিশ্বাসঘাতকতা করছে, তার জন্য তাদের ক্ষমা চাইতে হবে।

ইসলামী জমিয়াত-ই-তালাবা পাকিস্তানের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে দেখা যায়, শিবির সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসিম বিল্লাহ হাসমি ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হায়দার সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছাত্রদলের নারী কর্মীর লাশ উদ্ধার নিয়ে রহস্য

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৪০
    অনলাইন ডেস্ক
    ছাত্রদলের নারী কর্মীর লাশ উদ্ধার নিয়ে রহস্য

    গত ১৭ জুন ভোলা থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৪ লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেত্রী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা। পরে ৪দিন পর রবিবার (২২ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুর সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষীপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আক্তার হোসেন ও লক্ষীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ।

    আব্দুল মোন্নাফ বলেন, শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে নৌ-পুলিশকে খবর দিলে ওইদিন রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে মরদেহের পরিচয় পেতে বিলম্ব হওয়ায় শনিবার (২১ জুন) আইনি প্রক্রিয়া শেষে লক্ষ্মীপুর আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম কর্তৃক মরদেহটি দাফন করা হয়।

    এ ছাড়াও নৌ-পুলিশ লক্ষীপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান তিনি।

    এদিকে ভোলা সদর মডেল থানায় ইস্পিতার বাবার দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির আলোকে থানা পুলিশ ইপ্সিতার পরিবারকে লক্ষ্মীপুর নৌথানায় এক নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে মর্মে খবর দেয়।

    পরে ইস্পিতার বাবা মরদেহের ছবি দেখে নিশ্চিত হন। বিষয়টি ইস্পিতার বাবা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

    সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেত্রী ও অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৭ জুন সকালের দিকে বাসা থেকে প্রাইভেট পড়ানোর নাম বলে বের হন তিনি। পরে আর সে বাসায় ফিরেনি।

    এ ঘটনায় ইস্পিতার বাবা মাসুদ রানা ভোলা সদর মডেল থানায় একদিন পর নিখোঁজ দাবি করে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

    জানা গেছে, গত ১৭ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যাওয়া এমভি কর্নফুলি-৪ লঞ্চের একটি কেবিন বুকিং দিয়ে, সেখানে উঠেন ইস্পিতা। পরে লঞ্চটি কালিগঞ্জ স্টেশন পার হলে লঞ্চের তৃতীয় তলায় থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন তিনি।

    এ সময় যাত্রীদের চিৎকারে লঞ্চটি দাঁড় করানো হয় এবং তাকে দেখে লাইফ বয়া ফেলানো হয়। কিন্তু নদীতে অতিরিক্ত ডেউ থাকায় ডুবে যান তিনি।

    এ ঘটনায় লঞ্চে থাকা অন্য আরেক নারী ৯৯৯-এ কল দিয়ে ঝাঁপ দেওয়া তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ দেয়। পরে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ ওই লঞ্চ থেকে দুইজন স্টাফ ও অভিযোগকারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। ঘটনার প্রাথমিক তথ্য জেনে তাদেরকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

    ইস্পিতার বাবা মাসুদ রানা বলেন, ‘আমাদের কারো প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা খুঁজে বের করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অনার্স করতে পারেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৩ জুন, ২০২৫ ১৭:৩১
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অনার্স করতে পারেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও

      ঢাকার সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া দেশের অন্যতম পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বহু প্রজন্ম ধরে এখানে ধর্মীয় শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার মিশ্রণে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা হচ্ছে। মাদ্রাসাটির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে চার বছর মেয়াদি অনার্স কোর্স চলমান আছে, যা ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

      এই অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে আলিম পাশ করা শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি সাধারণ স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারেন। যা একটি দ্বীনি ও সাধারণ শিক্ষার মাঝে এক নতুন সংযোগ স্থাপন করেছে।

      শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকায় রয়েছে আবাসিক হল—

      আল্লামা কাশগরী (রহঃ) হল এবং মুফতি আমুমুল এহসান হল।

      এই হলগুলোতে কয়েকশত আবাসিক  শিক্ষার্থীরা থাকে। আবাসনের পরিবেশ শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাবদ্ধ, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আবাসনে থাকা শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে ইসলামী ভাইভাব ও ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ বজায় রাখে।

      শুধু পড়াশোনা নয়, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য মাদ্রাসায় একটি বড় খেলার মাঠ রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতে পারে, যা তাদের সুস্থ ও সতেজ থাকতে সাহায্য করে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি করে এবং দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা উন্নত করে।

      মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার এই অনার্স প্রোগ্রাম দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবন গড়ে তোলার এক বিরল সুযোগ। যারা ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে চান, তাদের জন্য এটি একটি গর্বের প্রতিষ্ঠান।

      মোঃ আরিফুল ইসলাম/

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        চাকসুর দাবিতে চবিতে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের মানববন্ধন

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২৩ জুন, ২০২৫ ১৫:৩৭
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        চাকসুর দাবিতে চবিতে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের মানববন্ধন

        চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিপ্লবী ছাত্র সমাজ।

        আজ সোমবার (২৩ জুন) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের  শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

        মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “চাকসু নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হচ্ছে। প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে চাকসু বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে।”
        তারা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি অবিলম্বে চাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা না করে, তাহলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।”

        মানববন্ধনে চবি শিক্ষার্থী রিয়াদ বলেন, চবিতে আন্দোলন না করে, আন্দোলন দিয়ে প্রশাসনকে চাপ না দেওয়া পর্যন্ত কোন অধিকার আদায় করা যায়নি। আমাদের দাবিকে যদি জনসমুদ্রে পরিনত করতে না পারি, ধারণা করা যায়  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন  চাকসু দিবে না। এই প্রশাসন হচ্ছে ঠেলা গাড়ির মতো যতক্ষণ ঠেলা দেওয়া হবে ততক্ষণ চলবে এছাড়া চলবে না। 

        তাসনিম জাহান শ্রাবণ, আমাদের যদি চাকসু না থাকে তাহলে আমরা আমাদের দাবিগুলো কিভাবে প্রশাসনকে জানাবো। ছাত্র-ছাত্রীরা  কি চায় তা প্রশাসন জানে না জানলেও কদর করে না। আবার কদর করলেও সেটা হয়ে ওঠেনা। ছাত্র-ছাত্রীদের  এসব বিষয় সমাধানের জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে চাকসু। চাকসু ভিক্ষা নয় চাকসু আমাদের অধিকার। এটির মাধ্যমে আমরা কি চাই তা আমরা প্রশাসনকে সহজেই জানাতে পারব। 

        জগলুল আহমেদ বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে সাধারণ শিক্ষার্থী। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বলি। সংখ্যার আহমে আমরা কোন রাজনৈতিক ফাঁদ তৈরি করতে চাই না। আমরা শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি চাকসু চাই। এই চাকসু আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না 

        উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালে। এরপর থেকে এটি অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন আন্দোলন করে আসছে।

        মন্তব্য

        সব বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ স্থগিতের ঘোষণা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২২ জুন, ২০২৫ ২২:০
        অনলাইন ডেস্ক
        সব বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ স্থগিতের ঘোষণা

        জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত দেশের সব বেসরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

        রোববার (২২ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মো. আবদুল হাই সিদ্দিক সরকারের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

        প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব বেসরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ এবং এ-সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো।

        তবে এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সব কার্যক্রম যথারীতি চলবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

        এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে দেশের সব কলেজের প্রধানদের চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

        জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর উপযুক্ত সময়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত