শিরোনাম
ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় অনার্স করতে পারেন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও
ঢাকার সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া দেশের অন্যতম পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বহু প্রজন্ম ধরে এখানে ধর্মীয় শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার মিশ্রণে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা হচ্ছে। মাদ্রাসাটির ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে চার বছর মেয়াদি অনার্স কোর্স চলমান আছে, যা ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
এই অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে আলিম পাশ করা শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি সাধারণ স্কুল ও কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারেন। যা একটি দ্বীনি ও সাধারণ শিক্ষার মাঝে এক নতুন সংযোগ স্থাপন করেছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকায় রয়েছে আবাসিক হল—
আল্লামা কাশগরী (রহঃ) হল এবং মুফতি আমুমুল এহসান হল।
এই হলগুলোতে কয়েকশত আবাসিক শিক্ষার্থীরা থাকে। আবাসনের পরিবেশ শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাবদ্ধ, যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। আবাসনে থাকা শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে ইসলামী ভাইভাব ও ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ বজায় রাখে।
শুধু পড়াশোনা নয়, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নতির জন্য মাদ্রাসায় একটি বড় খেলার মাঠ রয়েছে। এখানে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম ও খেলাধুলা করতে পারে, যা তাদের সুস্থ ও সতেজ থাকতে সাহায্য করে। খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি করে এবং দলবদ্ধ কাজের দক্ষতা উন্নত করে।
মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার এই অনার্স প্রোগ্রাম দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে একটি সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবন গড়ে তোলার এক বিরল সুযোগ। যারা ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে চান, তাদের জন্য এটি একটি গর্বের প্রতিষ্ঠান।
মোঃ আরিফুল ইসলাম/
চাকসুর দাবিতে চবিতে বিপ্লবী ছাত্র সমাজের মানববন্ধন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (চাকসু) নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিপ্লবী ছাত্র সমাজ।
আজ সোমবার (২৩ জুন) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “চাকসু নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব হচ্ছে। প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে চাকসু বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে।”
তারা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি অবিলম্বে চাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা না করে, তাহলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।”
মানববন্ধনে চবি শিক্ষার্থী রিয়াদ বলেন, চবিতে আন্দোলন না করে, আন্দোলন দিয়ে প্রশাসনকে চাপ না দেওয়া পর্যন্ত কোন অধিকার আদায় করা যায়নি। আমাদের দাবিকে যদি জনসমুদ্রে পরিনত করতে না পারি, ধারণা করা যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাকসু দিবে না। এই প্রশাসন হচ্ছে ঠেলা গাড়ির মতো যতক্ষণ ঠেলা দেওয়া হবে ততক্ষণ চলবে এছাড়া চলবে না।
তাসনিম জাহান শ্রাবণ, আমাদের যদি চাকসু না থাকে তাহলে আমরা আমাদের দাবিগুলো কিভাবে প্রশাসনকে জানাবো। ছাত্র-ছাত্রীরা কি চায় তা প্রশাসন জানে না জানলেও কদর করে না। আবার কদর করলেও সেটা হয়ে ওঠেনা। ছাত্র-ছাত্রীদের এসব বিষয় সমাধানের জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে চাকসু। চাকসু ভিক্ষা নয় চাকসু আমাদের অধিকার। এটির মাধ্যমে আমরা কি চাই তা আমরা প্রশাসনকে সহজেই জানাতে পারব।
জগলুল আহমেদ বলেন, আমরা সত্যিকার অর্থে সাধারণ শিক্ষার্থী। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বলি। সংখ্যার আহমে আমরা কোন রাজনৈতিক ফাঁদ তৈরি করতে চাই না। আমরা শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি চাকসু চাই। এই চাকসু আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালে। এরপর থেকে এটি অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন আন্দোলন করে আসছে।
সব বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ স্থগিতের ঘোষণা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত দেশের সব বেসরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
রোববার (২২ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক মো. আবদুল হাই সিদ্দিক সরকারের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সব বেসরকারি কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ এবং এ-সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো।
তবে এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সব কার্যক্রম যথারীতি চলবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে দেশের সব কলেজের প্রধানদের চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর উপযুক্ত সময়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
বাকৃবির ২৩ জন শিক্ষার্থীর পিএইচডি ডিগ্রী অনুমোদন
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ২৩ জন ছাত্রছাত্রীকে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
রবিবার (২২ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকৃবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম।
এর আগে গত ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২৮তম সিন্ডিকেট সভার ২ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পিএইচ.ডি. ডিগ্রি প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ২৮ মে ২০২৫ তারিখে ২৩ জন ডিগ্রিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর লাইব্রেরি ছাড়পত্র সম্পন্ন হওয়ায় তাদের পিএইচ.ডি. ডিগ্রি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন ও ফলাফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
ডিগ্রিপ্রাপ্ত পিএইচডি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। এদের মধ্যে রয়েছেন-
মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগ থেকে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,কৃষিতত্ত্ব বিভাগ থেকে মো. আফজাল হোসেন, মো. সালাহউদ্দিন কায়সার, মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, সুবর্না কুন্ডু, মোহাম্মদ নাসির, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে শাহ্ শানজিদা নাসরীন, মো. ইলিয়াস হোসেন, মো. সফিনুর রহমান, কীটতত্ত্ব বিভাগ থেকে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ থেকে মো. ফারুক বিন হোসেন, রূম্পা সরকার, ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মো. খায়রুল ইসলাম, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ থেকে মো. শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শামছুর রহমান খান
কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগ থেকে লাকী পারভীন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ থেকে শেখ মো. ফজলে রাব্বি, পশু পুষ্টি বিভাগ থেকে মাশরুফা তানজীন, ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগ থেকে মো. মনিরুজ্জামান, একোয়াকালচার বিভাগ থেকে মো. মোশাররফ হোসেন, ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস, ফিজিওলজি বিভাগ থেকে সজীবুল হাসান, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ থেকে গাজী মোস্তফা কবির উদ্দীন।
বাকৃবি ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের সভাপতি ড. আনিসুর, সম্পাদক ওয়াশিম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের ২০২৫-২৬ সালের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান মজুমদার (টিটু) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কে. জে. ওয়াশিম ইকবাল চৌধুরী মনোনীত হয়েছেন ।
রবিবার (২২ জুন) সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের গ্যালারিতে 'দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি আসমাউল হুসনা নূপুর ও মুনসুন ফারজানা মোমী, সহ-সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের হোসেন জিম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শাকিল, কোষাধ্যক্ষ মো মোবারক হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মেহবুবা আক্তার সায়মা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সুমাইয়া নূর, মূদ্রণ ও প্রকাশনা সম্পাদক, যোগাযোগ সম্পাদক সানজানা জেবিন, ক্রীড়া সম্পাদক মো হাফিজুর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুন্না দে, সাহিত্য সম্পাদক আফিয়া সাইয়ারা অর্ণি, তথ্যপ্রযুক্তি ও নথিপত্র বিষয়ক সম্পাদক দিগন্ত দত্ত, জনসংযোগ সম্পাদক জুবাইরিয়া বিনতে হোসাইন, গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক খালিদ মাহমুদ।
এছাড়াও সকল পদের সহকারী হিসেবে ১১ জনসহ মোট ২৯ জন এ কমিটিতে মনোনীত হয়েছেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য