শিরোনাম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নকশার আলোকে সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের কাজ করতে কমিটি গঠন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় জলাশয়ের চারপাশে রিটেইনিং স্ট্রাকচার নির্মাণসহ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। এ কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রণীত এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত মূল নকশা ও ডিটেইল ড্রইং পর্যালোচনা করে সংস্কারের বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রবিবার (২২ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়সংলগ্ন কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত এলপিআইসি (লোকাল প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি)–এর সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকীকে এবং সদস্যসচিব উপ-প্রধান প্রকৌশলী মো. মাহবুবুল ইসলাম। ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সংস্কারকাজ ডিপিপিতে বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিধি অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম. কামাল, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম, অধ্যাপক ড. তপন কুমার সরকার, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, হলের প্রভোস্ট, প্রকৌশলীবৃন্দ ও অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তারা।
অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক সংস্কারসহ ১২৫ দফা দাবি রাবি ছাত্রশিবিরের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিক, আবাসন সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ ২০টি সেগমেন্টে মোট ১২৫টি প্রস্তাবনা রাবি প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাবি শাখা।
রবিবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবিগুলো উপস্থাপন করে। এর আগে উপাচার্যের কাছে তাদের প্রস্তাবনা জমা দেন।
তাদের দাবির সেগমেন্টগুলো হলো: অ্যাকাডেমিক সংস্কার, প্রশাসনিক সংস্কার, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতির সংস্কার, আবাসন সংক্রান্ত সংস্কার, খাদ্য ব্যবস্থাপনা সংস্কার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার সংস্কার, চিকিৎসা কেন্দ্র সংস্কার, পরিবহন ব্যবস্থায় সংস্কার, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, ধর্মীয় উপাসনালয় সংস্কার, টিএসসিসি সংস্কার, বিভিন্ন সংগঠনগুলোর অবকাঠামো অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা, বিভিন্ন একাডেমিক, আবাসিক ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর ওয়াশরুম সংস্কার, ভর্তি ও ফরম ফিলাপে পেমেন্ট সিস্টেম আধুনিকীকরণ, যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল কার্যকর করা এবং শিক্ষার্থীদের অন-ক্যাম্পাস চাকরির ব্যবস্থা করা।
এসময় তারা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে রাকসু নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং এই সপ্তাহের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান।
রাবি ছাত্রশিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের ৮ মাস পার হয়ে গেলেও তেমন কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি এই প্রশাসন। আমাদের প্রদত্ত যেসব দাবি স্বল্প সময়ের মধ্যে সংস্কার সম্ভব, সেই দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসন কাজ শুরু না করলে আমরা মাঠের আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।
ঢামেক শিক্ষার্থীদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, ৫ দফা দাবিতে অনড়
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) শিক্ষার্থীরা তাদের পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে অনড় রয়েছেন। আন্দোলনের কারণে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে হল ছাড়ার নির্দেশ দিলেও শিক্ষার্থীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। বরং, সরকারের প্রতি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। এ সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টাকে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ফজলে রাব্বী হল পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২২ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শেষে শিক্ষার্থীরা একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেন। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন আব্দুল্লাহ আল নোমান ও তৌহিদুল ইসলাম তানভীর।
তারা বলেন, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেখানে থেকে কোনো ইতিবাচক সমাধান বের হয়ে আসেনি। কর্তৃপক্ষ ৫ দফা দাবির অগ্রগতির বিষয়ে আমাদের কোনো নির্দিষ্ট রূপরেখা বা সময়সূচি দিতে পারেনি। ফলে আমরা চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশায় রয়েছি।
শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, আন্দোলন চলাকালীন তারা হল ত্যাগ করবেন না এবং হলে অবস্থান করেই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আল্টিমেটাম দিয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে একটি প্রতিনিধিদলসহ ফজলে রাব্বী হলে সরেজমিনে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসে ৫ দফা দাবির সমাধানে একটি সুস্পষ্ট ও কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরতে হবে।
শার্ট-ক্যাপ পরিয়ে বান্ধবীকে হলে নিয়ে রাবি ছাত্রের রাত্রিযাপন
শার্ট ও ক্যাপ পরিয়ে বান্ধবীকে হলে নিয়ে রাত্রিযাপন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিববুর রহমান হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী। গত (৪ জুন) হলের ১৫৩ নম্বর রুমে এই ঘটনা ঘটে।
মেয়ে নিয়ে আসা ও শিক্ষার্থীর নাম মো. নাজমুল ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী। ছেলেটির বাসা মাদারীপুর। ওই নারী শিক্ষার্থীও একই বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী দুই ছাত্রের ভাষ্যে, ‘আমরা ৪ তারিখ ভোরে বাড়ি ফিরব বলে সবকিছু গুছিয়ে হলের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে দেখি, একটা ছেলে সাইকেল চালিয়ে আমাদের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তার সাইকেলের পেছনে একটি মেয়ে বসা, মেয়েটির গায়ে স্কুলের শার্ট আর মাথায় ক্যাপ ছিল। বিষয়টি আমাদের চোখে অস্বাভাবিক ঠেকায় আমরা তাকে ধরার চেষ্টা করি, কিন্তু সাইকেলের গতি এত বেশি ছিল যে পিছু নিলেও ধরতে পারিনি। এমনকি দারোয়ান মামাও তাকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম নারী শিক্ষার্থীকে হলের রাখার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গত তিন তারিখে আমার জন্মদিন ছিল। সেদিন কেক কেটে রাত হয়ে যায়। এদিকে ওর (সাদিয়া) মেস থেকে তিন তারিখের মধ্যে চলে যেতে বলে। ও মেসে যেতে পারবে না বলে আমাকে অনুরোধ করে রাখার জন্য। পরে আমি ওকে রাতে হলে নিয়ে আসি। মূলত আমি ওকে শেল্টার দেওয়ার জন্য রাখি। পরে সকালে চলে যায়। তখন কেউ হয়তো আমাদের দেখে। এবিষয়ে প্রোভোস্ট স্যার আমাকে ডেকেছিল। আমি তাকে বিষয়টি খুলে বলি। তিনি আমাকে হল থেকে বহিষ্কার করেন। এবং বিষয়টি জানাজানি হবে না বলেও আমাকে জানান।
এদিকে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ‘হলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি একটি ভয়াবহ অপরাধ, এত বড় সাহস হয় কীভাবে? আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি এবং ওই ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে হল প্রাধ্যক্ষ, গেটম্যান ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন গর্হিত কাজ কীভাবে ঘটল, তার সঠিক ব্যাখ্যা চাই।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে হবিবুর রহমান হলের প্রোভোস্ট ড. মো. মোতাহার হোসেন বলেন, এবিষয়ে আমি অবগত আছি এবং ঘটনাটিও সত্যি। হল প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তার সিট বাতিল করা হবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি তার বিরুদ্ধে বাকি সিদ্ধান্ত নিবে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, এটা অবশ্যই সাংঘাতিক একটি ঘটনা। এমন ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে সেটা অনেক বড় অপরাধ। আমরা খোঁজ নিব, বিষয়টি সত্যি হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাঙলা কলেজ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের নেতৃত্বে রাব্বি-সৈকত
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ, সরকারি বাঙলা কলেজ সংসদের প্রথম আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদাচ্ছির চৌধুরীর সুপারিশে এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব।
শুক্রবার (২০ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নবঘোষিত এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।
কমিটিতে সরকারি বাঙলা কলেজের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মো. আশরাফুল ইসলাম রাব্বিকে আহ্বায়ক এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্র শাওন আহমেদ সৈকতকে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
কমিটির মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মিজানুর রহমান এবং মুখপাত্রের দায়িত্বে রয়েছেন সুশানু ইসলাম দোলা।
৫১ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে আরও যুক্ত করা হয়েছে একঝাঁক উদ্যমী ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে, যারা ছাত্র-অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, বাঙলা কলেজ সংসদের পক্ষ থেকে জানানে হয়েছে, নবগঠিত কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে। এই মেয়াদে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তারা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়, নতুন নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতির ধারা বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
এ প্রসঙ্গে নব মনোনীত সদস্য সচিব শাওন আহমেদ সৈকত বলেন, “বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, বাঙলা কলেজ সংসদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করায় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং মুখ্য সংগঠকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ২৪'র সকল শহীদের স্মরণ করে বলতে চাই জুলাই বিপ্লবের যে আকাঙ্খা গনতন্ত্রের প্রয়োগ এবং সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা আমরা এই ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।তারই ধারাবাহিকতায় “ছাত্রদের কল্যাণে ছাত্ররাজনীতি” এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ , বাঙলা কলেজ শাখা কাজ করে যাবে এই অঙ্গীকার করছি।”
এস এম মঈন, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য