শিরোনাম
ইডেন কলেজের পুকুরের পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের পুকুরের পানিতে ডুবে সানজিদা আক্তার (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি আজিমপুর অগ্রণী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ২য় বর্ষের ছাত্রী।
সোমবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক বেলা সাড়ে ১১টায় মৃত ঘোষণা করেন।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মোহনা ইসলাম নামে ইডেনের ফিনান্স বিভাগের ছাত্রী জানান, সানজিদার বাসা পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায়। বাসায় গিয়ে তাকে পড়ান মোহনা। আজ সকালে তারা ফোনে যোগাযোগ করে একসাথে বাসা থেকে বের হন। উদ্দেশ্য ছিল ইডেন কলেজের পুকুরে দুজনই সাঁতার শিখবেন।
সেই পরিকল্পনামতে ইডেন কলেজের ভেতর ঢুকে দুজনই পুকুরে নামেন। পুকুরের পাড়বাদা সিড়িতে দাঁড়িয়ে গোসল করার সময় পা পিছলে গভীর পানিতে ডুবে যায় সানজিদা। তখন মোহনার চিৎকারে আশপাশের শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এসে পানি থেকে তাকে তুলেন। এরপর সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।
ডাকসু নির্বাচন কমিশন ঘোষণা হতে পারে আজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করা হতে পারে আজ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এই কমিশন ঘোষণা করা হবে। এদিকে, শিক্ষার্থীদের একটি পক্ষ নির্বাচনের সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণার দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন ঘোষণায় নানা রকম বাধা সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের এই অবস্থান চলবে নির্বাচন কমিশন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণা না করা পর্যন্ত। এ অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার ৫টায় আমাদের সিন্ডিকেট মিটিং রয়েছে। মিটিংয়ে আমরা ডাকসু নির্বাচন কমিশনটা পাস করিয়ে নেব, এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। ডাকসুর নির্বাচনের ব্যাপারে পরবর্তী সকল কার্যক্রম এই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে। ডাকসু নির্বাচনের সকল আনুষ্ঠানিকতা এই নির্বাচন কমিশনই পরিচালনা করবে।
বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, সোমবারের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে কোনো ছাত্রবিরোধী সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ যেন না আসে সে বার্তা দিতে আমরা এখানে অবস্থান করছি। শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি- ডাকসু নির্বাচন।
এই নির্বাচন যে কোনো মূল্যেই হতে হবে। ডাকসু নির্বাচন পিছিয়ে দিতে টালবাহানা করছে একটি পক্ষ। তাদের ষড়যন্ত্র সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। আমাদের এই অবস্থান চলবে নির্বাচন কমিশন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণা না করা পর্যন্ত।
শতবর্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে ২৯ বারই হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ৫০ বছরে। স্বাধীন দেশে ৫৩ বছরে মাত্র ৮ বার ভোট দেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ডাকসু নির্বাচন কমিশন ঘোষণা হতে পারে আজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করা হতে পারে আজ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকালে সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পর এই কমিশন ঘোষণা করা হবে। এদিকে, শিক্ষার্থীদের একটি পক্ষ নির্বাচনের সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণার দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন ঘোষণায় নানা রকম বাধা সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের এই অবস্থান চলবে নির্বাচন কমিশন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণা না করা পর্যন্ত। এ অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার ৫টায় আমাদের সিন্ডিকেট মিটিং রয়েছে। মিটিংয়ে আমরা ডাকসু নির্বাচন কমিশনটা পাস করিয়ে নেব, এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। ডাকসুর নির্বাচনের ব্যাপারে পরবর্তী সকল কার্যক্রম এই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে। ডাকসু নির্বাচনের সকল আনুষ্ঠানিকতা এই নির্বাচন কমিশনই পরিচালনা করবে।
বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, সোমবারের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে কোনো ছাত্রবিরোধী সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ যেন না আসে সে বার্তা দিতে আমরা এখানে অবস্থান করছি। শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি- ডাকসু নির্বাচন।
এই নির্বাচন যে কোনো মূল্যেই হতে হবে। ডাকসু নির্বাচন পিছিয়ে দিতে টালবাহানা করছে একটি পক্ষ। তাদের ষড়যন্ত্র সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে মোকাবিলা করা হবে। আমাদের এই অবস্থান চলবে নির্বাচন কমিশন ও নির্দিষ্ট সময়সীমা তথা তফসিল ঘোষণা না করা পর্যন্ত।
শতবর্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে ২৯ বারই হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ৫০ বছরে। স্বাধীন দেশে ৫৩ বছরে মাত্র ৮ বার ভোট দেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
‘জামায়াত-শিবির পেটানোর’ কর্মসূচিতে অকুণ্ঠ সমর্থন দেবেন শুভ!
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে পেটানোর কর্মসূচিতে অকুণ্ঠ সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সম্পাদক শুভ দে।
সম্প্রতি একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যে তিনি লিখেছেন, ‘ছাত্রলীগ আগে একটু ভুলভাল কিছু করলে আমরা সমালোচনা করতাম। সামনে ছাত্রদল আসতেছে। তারাও ছাত্রলীগের মতো নানা বহুমুখী কাজকারবার করবে বলে আমার বিশ্বাস। অন্য যেটাতেই সমালোচনা করি না কেন, এই জাশি পেটানো কর্মসূচিতে অকুণ্ঠ সমর্থন থাকবে ইনশাআল্লাহ’।
ছাত্র ফেডারেশন নেতার এমন মন্তব্যের পর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই বলছেন, তিনি অপরাধকর্মকে উসকে দিচ্ছেন।
এদিকে সমালোচনার মুখে নিজের মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চেয়েছেন শুভ দে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে শুভ দে বলেন, আমি শুভ দে, যুগ্ম সম্পাদক। বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। প্রথমেই আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আসলে এই কমেন্টটা যে সেন্সে পাস হইসে আমার ইনটেনশন সেটা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, আমি কখনোই নিপীড়নের পক্ষে কিছুকে সমর্থন করি নাই, করবও না। বিষয়টা হচ্ছে জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী সময়টাতে জাতীয় ঐক্য নষ্ট করা থেকে শুরু করে এমন অনেক ঘটনাই ঘটেছে যেগুলো আমার, আপনার কিংবা যেকোনো সুস্থ মানুষের জন্যই অত্যন্ত ডিস্টার্বিং। ব্যাক্তিগতভাবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির ওপর অত্যন্ত বিরক্তি থেকে সম্পূর্ণ অসাবধানতাবশত কমেন্টটা আমি করেছি। সাংগঠনিক দায়বদ্ধতা থেকে এমন আচরণ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।
সবশেষ তিনি বলেন, এই কথা অবশ্যই সত্য যে আমার কমেন্টে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভায়োলেন্স প্রমোট পেয়েছে। এটা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমি এটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি এবং আবারও ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
ঈদের পর কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
টানা আন্দোলনের মুখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা সাতটি কলেজের অধিভুক্তি বাতিল এবং সম্মানজনক পৃথকীকরণের সিদ্ধান্ত হয় গেলো জানুয়ারী মাসে। পাশাপাশি এই সাতটিকে কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নির্ধারণ এবং কলেজগুলোর সমন্বয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকক্ষ একটি প্রতিষ্ঠান বিনির্মানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) দায়িত্ব প্রদান করে সরকার।
ইউজিসির নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে কাজ করছে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল এবং স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।
এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হিসেবে 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামটি প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি সাত কলেজের অভ্যন্তরীণ সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং সাত কলেজের সমন্বয়ে গঠিত হতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম তরান্বিতকরণের উদ্দেশ্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষকে সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তবে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত নাম প্রস্তাব এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসনের ঘোষণা ব্যাতীত তেমন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায় নি। এ নিয়ে কিছুটা ক্ষুব্ধও তারা।
'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র প্রতিষ্ঠার জন্য দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুনের মধ্যে তাদের এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনে নামবেন। তবে এবার জনদুর্ভোগ এড়াতে শিক্ষার্থীরা রাস্তার বদলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার কর্মসূচি দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, বিগত ১৭ই মে (শনিবার) সংবাদ সম্মেলন করে পাঁচ দফা দবি উল্লেখ করেন শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন, দুই(২) কার্যদিবসের মধ্যে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরিক্ষার উদ্যোগ গ্রহণ, পাঁচ(৫) কার্যদিবসের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রকাশ এবং এক মাসের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ জারি করা।
শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটামের মুখে দুইদিন পর (১৯ মে) ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক একেএম ইলিয়াসকে সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলে তারা নতুন করে আর কোনো কর্মসূচি প্রদান করেন নি। তবে বাকি চার দফা দাবির কোনো অগ্রগতি নেই। দুইদিনের মধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং পাঁচদিনের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রকাশের দাবি করা হলেও এখন পর্যন্ত তা প্রকাশিত হয় নি।
মূলতঃ এসব কারণেই আবার আন্দোলনে নামার বিষয়টি সামনে আসছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে তাদের দেয়া আল্টিমেটাম অনুযায়ী একমাস অপেক্ষা করবেন তারা। এর মধ্যে কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান না হলে পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন।
আন্দোলনের ব্যাপারে জানতে চাইলে বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী ও সাত কলেজ আন্দোলনের প্রতিনিধি শাহাদাত হোসাইন বলেন, “অধ্যাদেশ সময়সাপেক্ষ বিষয়, এখানে আইন সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে। আমরা কর্তৃপক্ষকে যৌক্তিক সময় দিতে চাই, এর মধ্যে তারা রূপরেখা প্রকাশ করুক। তাও যদি না করে, তাহলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো।”
সাত কলেজের অন্তর্বর্তী প্রশাসন চলমান শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে শাহাদাত বলেন, ‘যারা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, তাদের সব ধরনের একাডেমিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, সরকারি বাঙলা কলেজ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য