শিরোনাম
হলে ঢুকে শাবি শিক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টা, ছাত্রদল কর্মী বহিষ্কার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ঢুকে ছুরি নিয়ে এক আবাসিক ছাত্রকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে শেখ ফাকাব্বির সিন নামে এক ছাত্রদল কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
ছাত্রদল কর্মী শেখ ফাকাব্বির সিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারের সমর্থক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) শেখ ফাকাব্বির সিনকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোখলেসুর রহমান।
তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ফাকাব্বিরের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। এরপর গত ১৭ মে সিন্ডিকেটের ২৩৬তম সভায় তাকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে শেখ ফাকাব্বির সিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরাণ হলের ৪৩৬ নম্বর কক্ষে ঢুকে ছুরি দিয়ে আমিরুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টা করেন বলে জানান ওই কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা। কক্ষটিতে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম, আতিকুজ্জামান ও আবু হুরায়রা রাতিন থাকতেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি রাত ৯টার দিকে টিউশনি থেকে এসে রুমে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। হঠাৎ অভিযুক্ত ফাকাব্বির আমার সাথে কথা বলতে আসে। এর আগে তাকে আমি দেখিনি। তার পরনে ছিল শর্ট প্যান্ট। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি কে? শর্ট প্যান্ট পরে হুটহাট রুমে ঢুকে পড়েছো। তখনই সে পকেট থেকে একটা ছুরি বের করে আমাকে মারার চেষ্টা করে এবং ইউটিউব থেকে একটা ভিডিও প্লে করে আমাকে বলে যে দেখ আমি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী। পরে দৌড়ে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আমি প্রক্টরকে ফোন দিয়ে জানাই।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক গ্রুপ ‘সাস্টিয়ান ভয়েসে’ শিবিরকে জড়িয়ে পোস্ট দেন ফাকাব্বির। পোস্টে ফাকাব্বির লেখেন, আমি শাহপরাণ হলে টাকা নিতে আসলে শিবিরের ছেলেরা আমাকে কুপিয়ে জখম করে। পরবর্তীতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে প্রক্টর অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা পাওয়ার পর একই গ্রুপে ক্ষমা চেয়ে ফাকাব্বির লেখেন, আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিবিরকে জড়ানোর চেষ্টা করেছি। এ রকম ভবিষ্যতে আর করবেন না বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
ফাকাব্বির বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সুরমা আবাসিক এলাকার একটি মেসে থাকতেন। তার সাথে থাকেতেন একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিয়াদ ভূঁইয়া।
রিয়াদ ভূঁইয়া জানান, ফাকাব্বির দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত গাঁজা সেবন করতেন রুমে।
৩ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
৪৮তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বিশেষ এই বিসিএসে পদসংখ্যা রয়েছে ৩ হাজার।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিসিএস থেকে সব পদে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সহকারী সার্জন নেওয়া হবে ২ হাজার ৭০০ জন আর সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে ৩০০ জন।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানায়, আগামী ১ জুন থেকে বিশেষ এই বিশেষ বিসিএসে অনলাইন আবেদন ও ফি জমাদান শুরু হবে, চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে এমসিকিউ পদ্ধতিতে (লিখিত পরীক্ষা) ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। আর মৌখিক পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিখিত পরীক্ষা আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানায় পিএসসি। তবে সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় পরবর্তী সময়ে কমিশনের ওয়েবসাইটে এবং সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
ঢাবি ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী ও সেক্রেটারির পরিচয় সম্পর্কে যা জানা গেল
অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থা।
বুধবার (২৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সাথে সাক্ষাৎ করে নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে স্বারকলিপি জমা দেওয়ার মাধ্যামে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে তারা। স্বারকলিপি জমা দেওয়ার সময় ঢাবি শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রী, সেক্রেটারিসহ মোট সাত জন উপস্থিত ছিলেন।
প্রথামিকভাবে সংগঠনটির সভানেত্রী ও সেক্রেটারির পরিচায় জানা গেছে।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সভানেত্রীর নাম সাবিকুন্নাহার তামান্না। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কবি সুফিয়া কামাল হলের আবাসিক ছাত্রী।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রী সংস্থার সেক্রেটারির নাম মোছা:আফসানা আক্তার। তিনি ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলের আবাসিক ছাত্রী।
স্বারকলিপি জমা দেওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নাহার তামান্না বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতন নিপীড়নের কারণে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় নির্দেশনার আলোকে ক্যাম্পাসে আমরা কাজ শুরু করার চেষ্টা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, এই সময়ের মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী সংস্থার প্রাথমিক কাঠামো গঠন সম্ভব হয়েছে।
বর্তমানে শাখা সভানেত্রী ও সেক্রেটারির দায়িত্ব প্রদানের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম চালু করবো’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি আফসানা আক্তার বলেন, ‘বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রী সংস্থা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহৎ ছাত্রী সংগঠন। ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের সংগঠন ছাত্রীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রী সংস্থার কার্যক্রমের রয়েছে বিরাট ইতিহাস।
অতীতে ছাত্রী সংস্থা ডাকসুতেও অংশগ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের জন্য কাজ করেছি।
কুবিতে সাংবাদিকদের উপর ছাত্রদলের একাংশের হামলা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে-(কুবি) ছাত্রদলের একাংশের নেতা-কর্মীরা সাংবাদিকদের উপর মব কায়েম করে 'সাংবাদিকদের আগে মার' বলে হামলা করেছেন। তাঁরা শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভর অনুসারী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৮ মে) রাত ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত কনসার্টে মার্কেটিং বিভাগ ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া সাদেক সরকার ও সাখাওয়াত অরন্য নামে দুই ছাত্রদলের কর্মীকে এক পাশে নিয়ে যান মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। তখন দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি চৌধুরী মাছাবিহ্ এবং দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আবু শামা তাকে প্রশ্ন করেন “হামলায় অংশ নেওয়া এই ছেলে আপনার কর্মী নাকি? আপনি এখানে তাঁকে শেল্টার দিচ্ছেন নাকি?” তখন শুভ সাংবাদিক আবু শামাকে ধাক্কা দেন।
এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকরা এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক সাফায়েত সজল সাংবাদিকদের প্রশ্ন করতে বাঁধা দেন পাশাপাশি শুভর নির্দেশে ছাত্রদল কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর হামলা করেন। "সাংবাদিকদের আগে মার" বলে ধাক্কাতে ধাক্কাতে মুক্তমঞ্চ থেকে গোলচত্বরের দিকে নিয়ে যান। এসময় ছাত্রদল কর্মী ও বাংলা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফুল মালেক আকাশ, ইংরেজি বিভাগের ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম জয়, মার্কেটিং -১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী তাওহিদ রহমান সাকিব ও তাজওয়ার তাজসহ ২০-২৫ জন হামলায় অংশ নেন। এসময় দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি চৌধুরী মাছাবিহ্, দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের প্রতিনিধি আকাশ আল মামুন হামলার শিকার হন।
হামলার ভিডিও ফুটেজ নিতে চাইলে চৌধুরী মাছাবিহ এর মোবাইল ছুঁড়ে মারেন বাংলা বিভাগের ছাত্রদলকর্মী সাইফুল মালেক আকাশ। এছাড়াও সাংবাদিকদের দিকে মারমুখী ভাবে ধাক্কা দেন মার্কেটিং ছাত্রদল কর্মী তাওহিদ রহমান সাকিব। প্রতিবেদকের হাতে আসা ভিডিও ফুটেজেও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক চৌধুরী মাছাবিহ্ বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্বপালন করতে গিয়ে প্রশ্ন করলে ছাত্রদলের আহ্বায়ক শুভ আমাকে ফোনের ভিডিও অফ করতে বলে এবং তাঁর কর্মী সাইফুল মালেক আকাশ হামলা চলাকালীন আমাকে ধাক্কা দিয়ে মোবাইল টান দিয়ে ফেলে দেয়, এতে আমার মোবাইলের ডিসপ্লে ভেঙ্গে যায়।’
ভুক্তভোগী সাংবাদিক আবু শামা বলেন, ‘আমি মোস্তাফিজুর রহমান শুভকে প্রশ্ন করতে গেলে আমাকে ধাক্কা মারেন। সাথে সাথে কর্মীরা আমার উপর হামলা করেন।’
শিক্ষার্থীকে বেল্ট দিয়ে মারা ছাত্রদল কর্মীকে শেল্টার দেওয়ার বিষয়ে সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, পিছনে মারামারি হচ্ছিলো। আমরা সামনে ছিলাম। এখানে উপস্থিত শিক্ষকরা আমাদের বিষয়টি দেখতে বলেন। যেই ছেলেটি মেরেছিলো, তাকে সেখানে আটকে রাখা হয়।
কোন শিক্ষকরা বিষয়টি ছাত্রদলকে সামলাতে বলেছেন এমন প্রশ্নে তিনি অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ড. শরীফুল করীম ও ছাত্র পরামর্শক ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুবের কথা জানান।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করে কমিটির আহ্বায়ক ড. শরীফুল করীম বলেন, আইনশৃঙ্খলার রক্ষার দায়িত্ব আমার না। আমি কাউকে দায়িত্ব দেইনি এসব করার। আমার কাজ ছিল সকল বিষয় কোঅর্ডিনেট করা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করা।
সাংবাদিকের দায়িত্ব পালনে বাধা ও তাদের ওপর হামলার নির্দেশ ও ইন্দনের বিষয়টি সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান শুভ অস্বীকার করেন। তবে ভিডিও ফুটেজে সরাসরি হামলার সত্যতা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ হামলা করে থাকলে তাদের বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করিম বলেন, "সাংবাদিকদের কাজ হচ্ছে সংবাদ সংগ্রহ করা, সেখানে এ ধরনের ঘটনা কোন ভাবে কাম্য না।
সাংবাদিকদের উপর হামলার বিষয়ে প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবো’
এই বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগে চেষ্টা করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সাত কলেজের ভর্তি পরিক্ষা ঈদের পর; থাকছে সেকেন্ড টাইমের সুযোগ
ঢাকার সাত সরকারি কলেজের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হতে পারে আসন্ন ঈদুল আজহার পর। একইসঙ্গে চূড়ান্ত করা হতে পারে পরীক্ষার পদ্ধতি ও সময়সূচি। ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে পেনাল্টিসহ ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ।
আজ বুধবার (২৮ মে) সাত কলেজ প্রশাসনের একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সাত কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানায়, “প্রথমবারের মতো আলাদা ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করতে যাচ্ছি আমরা। এজন্য পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন হবে ফলে আমরা এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে ইউজিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় দরকার। এসব বিষয় সমাধানের পর ঈদের পরে ভর্তি আবেদনের ঘোষণা আসবে।”
সূত্র আরও জানায়, এ বছর থেকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাত কলেজের জন্য আলাদা বাজেট ঘোষণা করা হবে। এই বাজেট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাস্টাররোলে নিয়োজিতদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যেগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ বিষয়ে সাত কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, “সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২ বা ৩ নম্বর পেনাল্টির বিষয়টি বিবেচনায় নিচ্ছি। তবে আসন সংখ্যা কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, যদিও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এমন দাবি এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা খুব দেরি হয়ে গেছে। আমরা আমাদের কাজ খুব দ্রুত করার চেষ্টা করছি। তবে ইউজিসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। পরীক্ষায় ঢাবির সহযোগিতা আমাদের লাগবে।”
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বাঙলা কলেজ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য