ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সাত কলেজের ভর্তি পরিক্ষা ঈদের পর; থাকছে সেকেন্ড টাইমের সুযোগ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৮ মে, ২০২৫ ২৩:৩
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
সাত কলেজের ভর্তি পরিক্ষা ঈদের পর; থাকছে সেকেন্ড টাইমের সুযোগ

ঢাকার সাত সরকারি কলেজের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হতে পারে আসন্ন ঈদুল আজহার পর। একইসঙ্গে চূড়ান্ত করা হতে পারে পরীক্ষার পদ্ধতি ও সময়সূচি। ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে পেনাল্টিসহ ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ।

আজ বুধবার (২৮ মে) সাত কলেজ প্রশাসনের একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সাত কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানায়, “প্রথমবারের মতো আলাদা ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করতে যাচ্ছি আমরা। এজন্য পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন হবে ফলে আমরা এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। এ কারণে ইউজিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় দরকার। এসব বিষয় সমাধানের পর ঈদের পরে ভর্তি আবেদনের ঘোষণা আসবে।”

সূত্র আরও জানায়, এ বছর থেকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাত কলেজের জন্য আলাদা বাজেট ঘোষণা করা হবে। এই বাজেট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাস্টাররোলে নিয়োজিতদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যেগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে সাত কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, “সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার্থীদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২ বা ৩ নম্বর পেনাল্টির বিষয়টি বিবেচনায় নিচ্ছি। তবে আসন সংখ্যা কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, যদিও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এমন দাবি এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা খুব দেরি হয়ে গেছে। আমরা আমাদের কাজ খুব দ্রুত করার চেষ্টা করছি। তবে ইউজিসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আমাদের কাজ করতে হচ্ছে। পরীক্ষায় ঢাবির সহযোগিতা আমাদের লাগবে।”
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বাঙলা কলেজ

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বসুন্ধরা শুভসংঘ ববি শাখার নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে ইমন-মেহরাব

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৮ মে, ২০২৫ ২১:৮
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    বসুন্ধরা শুভসংঘ ববি শাখার নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে ইমন-মেহরাব

    ‘শুভ কাজে সবার পাশে’ স্লোগানে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় আগামী এক বছরের জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে তানজিদ শাহ জালাল ইমন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মেহরাব হোসেন মনোনীত হয়েছেন।

    বুধবার (২৮ মে) বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৬৫ সদস্যবিশিষ্ট এ নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    কমিটির উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, মোঃ ফরহাদ উদ্দীন, মোঃ কবির হাসান, ড. নাহিদা আক্তার, ড. মোছাঃ জিয়াসমিন খাতুন, তাইয়্যেবুন নাহার মিমি ও আরাফাত শাহরিয়ার।

    বসুন্ধরা শুভসংঘ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—

    সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন নাহিদা আক্তার, ওয়াহিদ উন-নবী, সুমাইয়া ইসলাম, ডালিয়া হালদার, নূর ইসলম নিওন ও প্রনয় কুন্ডু।। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মোঃ আহসান উল্যাহ শুভ, তাসফিয়া জিদনি, শামীমা খাতুন, প্রণোজিত চন্দ্র পাল, আল মাহমুদ রাকিব ও জুনায়েত খান। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আরিফ হোসেন এবং সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শিমু আক্তার, আফসানা কবির রিফাত ও শাহিদুল ইসলাম।

    অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো: আবু উবাইদা, দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন , নারী বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসমিন সুলতানা , স্বাস্থ্য ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক নুসরাত জাহান, ইভেন্ট সম্পাদক সুমাইয়া সিরাজ সিমি, কর্ম ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাদের জীবন , প্রচার সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ফাহাদ , সাহিত্য ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক উন্মে আক্তার উর্মি, ক্রীড়া সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হৃদয় কুমার ঘোষ, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আক্তার, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাদমান হোসেন সিফাত , আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক তিথি রানি শীল এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মো:মামুনুর রশিদ শুভ্র।

    কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন রিফাহ্ তাসনিম,ফেরদৌস মাহমুদ নূর, অদিতি সরকার মন্দিরা, রিফাত জাহান রিয়ামনি, অনিন্দিতা দেওয়ান ঐশী, রিশাত তাসনীম রাইসি, শ্রেয়া বণিক, সুইটি রহমান, নওশিন নাওয়াল মাহিলা, রিফাত তাসনিম সিদ্দিক, পূজা মন্ডল হুমায়রা আমিন সূচী সহ আরও অনেকে।

    উল্লেখ্য, বসুন্ধরা শুভসংঘ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি সংগঠনটি দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের জন্য স্কুল পরিচালনা, প্রশিক্ষণসহ বিনামূল্যে সেলাই মেশিন প্রদান, দারিদ্র্য বিমোচনে স্বাবলম্বী কার্যক্রম, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মহামারিতে নানা সামগ্রী বিতরণ, বিনামূল্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, খাদ্য সামগ্রী ও উপহার প্রদান, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনা, কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে নানা কার্যক্রম, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো নানামুখী সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

    মন্তব্য

    কুবির ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৮ মে, ২০২৫ ২০:৫৬
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    কুবির ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    পায়রা ও বেলুন উড়ানো, কেক কাটা, র‌্যালি, প্রতিষ্ঠাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মাননা স্মারক প্রদানসহ বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবার। 

    আজ ২৮ মে (বোধবার) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে  র‌্যালিটি শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশে প্রদক্ষিণ করে মুক্ত মঞ্চে শেষ হয়। এর পর পায়রা অবমুক্ত ও কেককাটার মধ্যে দিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শুরু হয়।

    আলোচনা সভায় প্রফেসর ড. এম. এম. শরীফুল করীমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল , কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.সোলাইমান প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ছাত্র উপদেষ্টা সহযোগী অধ্যাপক ড.মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহবুব,

    বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, হাউস টিউটর,  শিক্ষক-শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। আলোচনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড.সোলাইমান জানান,"আজকে আমরা সেই পুরোনো পঞ্চাশ নয় আমরা হাজারের গণ্ডি পেরিয়েছি। আর কোন বৈষম্য নয় আর কোন বিভাজন নয়। আমরা ছাত্র, আমরা কর্মকর্তা, আমরা কর্মচারী। মনে রাখবেন সময় এসে গেছে কৈফিয়ত দেওয়ার।  আসুন অনুভূতির জায়গা থেকে স্বীকৃত জনপদের দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আবারও আমরা একসাথে রই, এক মনে কাজ করি। তাহলে বলতে হবে না, দাঁড়িয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা প্রত্যাশায় থাকলাম।"

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মাসুদা কামাল বলেন " দীর্ঘ ১৬  বছর ফ্যাসিস্ট শাসনের পর আমরা মুক্তভাবে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করতে পারছি। যে সকল শিক্ষার্থী এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ভূমিকা পালন করেছে আমরা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে আমরা গর্বের সাথে স্মরণ করছি।  এই পরিবর্তন আমাদের নতুন প্রত্যয় ও স্বপ্ন দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য জ্ঞান সৃষ্টি ও জ্ঞান বিতরণ করা। তবে ঐতিহাসিক প্রয়োজনের রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ,কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ তৈরিতে আমাদের কাঠামোগত পরিবর্তন ও চিন্তা চেতনার, সংস্কৃতির পরিবর্তন দরকার। এজন্য কঠোর পরিশ্রম সংকল্প ও সুচিন্তিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। অতীতের ভুলত্রুটি থেকে  আমাদের শিক্ষা নিয়ে ব্যক্তি ও সামষ্টিক পর্যায়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। 

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ' আজকে ২৮ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে। চব্বিশের আন্দোলনে ছাত্রজনতা একটি দূর্নীতি মুক্ত ও স্বৈরাচার মুক্ত দেশ গঠন করেছে। আমাকে সরকার একটি মিশন দিয়ে এখানে পাঠিয়েছে । আশাকরি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সকল প্রকার দূর্নীতি ও নিয়ম বহির্ভূত কাজ দূরীকরণ করতে পারবো।'

    তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ২৮৩ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০১ জনের প্রোফাইল খালি, যা আমাদের আন্তর্জাতিক পরিচিতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। শুধু ক্লাস নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাজ নয়। নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে সেগুলো শিক্ষার্থীদেরকে বিতরণ করাই শিক্ষকদের কাজ। একটি বিভাগে মাত্র ৫ জন শিক্ষক দিয়ে ৭টি ব্যাচ চালানো হচ্ছে, এতে গবেষণার সুযোগ কমে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটিকালে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম চালু রাখে, কিন্তু আমাদের সেই সুযোগ নেই। কিন্তু আমাদেরকে সরকার থেকে সেই সাপোর্ট দেওয়া হয় না, আমাদের তো আর আলাদা ফান্ড নেই। তা সত্ত্বেও আমাদের শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন; তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।"

    উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৮ মে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের ২৬তম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়, ২০০৭ সালের ২৮ মে। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের অধীন ১৯টি বিভাগে ৭ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

    মন্তব্য

    "বিশ্ববিদ্যালয় হোক উদার জ্ঞানের অঙ্গন"– বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৮ মে, ২০২৫ ২০:৫১
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    "বিশ্ববিদ্যালয় হোক উদার জ্ঞানের অঙ্গন"– বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও প্রত্যাশা

    দুই দশকের পথচলায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষার্থীদের কাছে হয়ে উঠেছে কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং স্বপ্ন বুনে নেওয়ার এক নির্ভরতার জায়গা।

    বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে ‘দ্য রাইজিং ক্যাম্পাস’ এর সঙ্গে আলাপচারিতায় শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন তাদের চাওয়া-পাওয়া, সম্ভাবনা আর ভবিষ্যৎ কুবিকে ঘিরে নির্মিত স্বপ্নের কথা। কেউ চায় গবেষণাভিত্তিক অগ্রসর একটি বিশ্ববিদ্যালয়, কেউবা প্রত্যাশা করে মুক্তচিন্তার একটি ক্যাম্পাস।
    সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দ্যা রাইজিং ক্যাম্পাসের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ।

    মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম হাসান বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আমার কাছে শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, বরং স্বপ্ন ও আত্মপরিচয়ের ঠিকানা। আমি চাই, এখানে থাকবে মুক্ত চিন্তার পরিবেশ, প্রশ্ন করার অধিকার এবং শ্রদ্ধা ও ভালোবাসাভিত্তিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক। গবেষণার উদ্দেশ্য হবে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং সমাজের কল্যাণে জ্ঞান প্রয়োগ। আমি কুবিকে দেখতে চাই একটি মুক্তচিন্তার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গড়ে তুলে দেশের জন্য অবদান রাখতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় হোক উদার জ্ঞান অঙ্গন।

    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী একা তালুকদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স যত বাড়ে, ততই বাড়ে এর পরিচিতি ও গৌরব। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছরে পদার্পণে আমার প্রত্যাশা একটি শক্তিশালী এলামনাই সংগঠন গঠিত হোক, যাতে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি হয়। এই উদ্যোগ কুবির সুনাম দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করবে। 

    গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী শামশের তাবরিজ চৌধুরী বলেন,
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, প্রকৃতি ও অভিজ্ঞতা আমার জীবনের স্মরণীয় একটি অধ্যায়। ২০ বছরে পদার্পণের এই সময়ে আমি চাই, কুবি শিক্ষা ও গবেষণায় আরও অগ্রসর হোক। সম্প্রসারিত অংশের কাজ দ্রুত শেষ করে এটি জাতীয় পর্যায়ে আরও বড় ভূমিকা রাখুক। সেই সঙ্গে আবাসন সংকট নিরসন, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং ছাত্র সংসদ চালুর মাধ্যমে সুষ্ঠু রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় প্রশাসনের উদ্যোগ কামনা করি।

    গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী বৃষ্টি আচার্য্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে আমার একটাই প্রত্যাশা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় হোক একটি গবেষণানির্ভর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণে গড়ে উঠুক একটি অংশগ্রহণমূলক ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ, যেখানে জটিলতা নয়, থাকবে সমাধানের উদ্যোগ ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

    মন্তব্য

    পবিপ্রবি'তে দেয়াল ধসে এক শ্রমিক নিহত

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৮ মে, ২০২৫ ২০:৪৬
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    পবিপ্রবি'তে দেয়াল ধসে এক শ্রমিক নিহত

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নিরাপত্তাহীনতার কারণেই হারাতে হলো এক তরুণ শ্রমিককে। মো. রাফি (২০) নামের এই তরুণ বুধবার(২৮ মে) দুপুরে কৃষি অনুষদের একাডেমিক ভবনে পাইপলাইন বদলানোর সময় দেয়ালে চাপা পড়ে প্রাণ হারান। তার এই অকাল প্রয়াণে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    রাফি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের কর্মচারী আব্দুল জব্বার খানের ছেলে। তিনি পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা দেওয়ান মোঃ রাজিব জানান, দেয়ালটি দুর্বল ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে তৈরি ছিল। কাজ চলাকালীন দেয়াল ধসে পড়ে রাফি চাপা পড়েন।

    আমীর বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী আমির হোসেন কাজের সময় নিরাপত্তাহীনতার দায় স্বীকার করেছেন। দুমকী থানার এসআই মোঃ সজিব হোসেন জানিয়েছেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই মর্মান্তিক ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে তদন্ত ও ভবিষ্যতে নির্মাণ কাজের নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে।

    রাফির অকাল প্রয়াণে পরিবারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে গভীর শোকের ছায়া নেমেছে।


     

    প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য
    সর্বশেষ সংবাদ
      সর্বাধিক পঠিত