শিরোনাম
তদন্ত ছাড়া ছাত্রদলের বিবৃতি পূর্বপরিকল্পিত ‘স্ক্রিপটেড’ দাবি ছাত্রশিবিরের
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘শাহবাগ বিরোধী ছাত্র-ঐক্য’-এর আয়োজিত শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাম সংগঠনগুলোর হামলার অভিযোগ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাবি শাখা। হামলার পরপরই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তদন্ত ছাড়াই দায় চাপিয়ে বিবৃতি দেওয়া তাদেরই ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বা ‘স্ক্রিপটেড’—এমন মন্তব্য করেছেন শিবির নেতৃবৃন্দ।
আজ বুধবার (২৮ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে রাবি শিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ও সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল এসব অভিযোগ করেন।
বিবৃতিতে শিবির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রেক্ষাপটে রাবির সচেতন ছাত্রসমাজ ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী সংগঠনসমূহ ‘শাহবাগ বিরোধী ছাত্র-ঐক্য’ গঠন করে, যাতে ইসলামী ছাত্রশিবিরও সংহতি প্রকাশ করে। গতকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ঐক্যের শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশগ্রহণের পর পরিবহন মার্কেটে সমাবেশ চলাকালে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট ও ছাত্র মৈত্রীর নেতাদের নেতৃত্বে বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে অনেক নেতাকর্মী আহত হন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
ছাত্রশিবির জানায়, আমরা এ হামলার নিন্দা জানাই ও দোষীদের বিচার দাবি করি। তারা নিজেদের কর্মসূচি সাড়ে ৭টায় ঘোষণা করলেও ইচ্ছাকৃতভাবে ৮টা ৪০ মিনিটে মাঠে এসে হামলা চালায় এবং পরে নিজেদের ‘ভিকটিম’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে।’
ছাত্রশিবিরের দাবি, ছাত্রদল ঘটনার তদন্ত ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে বিবৃতি দেয়, যা পূর্বপরিকল্পিত বা ‘স্ক্রিপটেড’ মনে হচ্ছে। এক সময় বাম সংগঠনগুলোর সহিংস রাজনীতিতে ছাত্রলীগ যেভাবে ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করত, আজ সেই একই ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে রাবি ছাত্রদলকে। ছাত্রদলসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দায় চাপানোর পুরনো খেলা বন্ধ করে সুস্থধারার রাজনীতিতে ফিরে আসুন। পাশাপাশি, ফ্যাসিবাদের দোসর বাম সংগঠনগুলোকেও সহিংসতা পরিহার করে ছাত্রবান্ধব রাজনীতির পথে আসার আহ্বান জানান তারা।’
অন্যদিকে গতকাল মঙ্গলবার (২৭ মে) রাতে গণতান্ত্রিক বাম জোটের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে শিবিরের হামলার অভিযোগ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
বিবৃতিতে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী জানান, ‘শিবির ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে তাদের পুরনো সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করার এক্সপেরিমেন্ট হিসেবে রাবিতে আজকের হামলা করেছে। আমি সারা বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এই হামলার প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানাই। একইসাথে আজকের হামলার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবি জানাই।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে 'জুলাই-৩৬' স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে 'জুলাই-৩৬' স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ মে) সকাল ১০ টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে এ স্মৃতিফলকের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
এসময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মৃতি ফলকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইট নং-১ সংলগ্ন স্থানে নির্মিত হবে। 'জুলাই-৩৬' স্মৃতিফলকের নকশা করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তমাল রায়।
সংস্কার চলছে পবিপ্রবি-সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) প্রধান ফটকের সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। সড়কের দুই পাশে ফুটপাত নির্মাণের কাজ চলছে।
দীর্ঘদিন ধরে বগা-বরিশাল মহাসড়কের এই অংশটি ছিল খানাখন্দে ভরা ও ভাঙাচোরা। রাস্তার পাশে ছিল না কোনো ফুটপাত, ছিল পল্লি বিদ্যুতের খুঁটি ও কাঠের গুঁড়ির স্তুপ। অপর পাশে বরিশাল সেনানিবাস স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের পরিবহন বাস পার্ক করা থাকত, ফলে চলাচলের জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল না কোনো নিরাপদ পথ। বাধ্য হয়ে সবাইকে মহাসড়কের মাঝ দিয়ে চলাচল করতে হতো, যা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ভোগজনক।
এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করেছে। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা করছেন, দ্রুত কাজ শেষ হলে দুর্ঘটনা ও দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।
সংস্কার কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকা পবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে চলা লেবুখালী-বাউফল সড়কটি সরু হওয়ায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। দেয়ালের পাশে ব্যবসায়ীদের গাছ অপসারণ করে রাস্তা প্রশস্ত করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে লেকের মাটি ব্যবহার করে রাস্তা ভরাট করা হচ্ছে, এবং পরবর্তীতে লেকটিও আগের রূপে ফিরিয়ে আনা হবে।"
শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে উস্কানীমূলক স্লোগান দিয়ে হামলা চালান রাবির ছাত্রজোট
গতকাল সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাহবাগ বিরোধী ঐক্যে'র আয়োজিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে উস্কানীমূলক স্লোগান দিয়ে হামলা চালায় গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বাম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এ হামলায় অংশ নেন।
বুধবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় শাহবাগ বিরোধী ঐক্যে'র আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ বিরোধী ঐক্যের আহ্বায়ক মো. রাকিবুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্য তাঁরা জানান, 'তথাকথিত গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের ব্যানারে বাম-শাহবাগী গোষ্ঠী সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মশাল মিছিল ডাকেন। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি কিছুটা বিলম্ব করি। যখন জানতে পারি তারা কর্মসূচি করছেন না তখন পরিবহন চত্বরের একটি ফাঁকা জায়গায় আমরা সমবেত হই। পরিবহন চত্বরে শাহবাগ বিরোধী ঐক্য'র বিভিন্ন সংগঠক ও নেতৃবৃন্দ যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বাম সংগঠনের গুটিকয়েকজন মশালধারী আমাদের শিক্ষার্থীদের 'রাজাকার, জামাআত-শিবির' বলে বুলিং করে। তারা স্লোগান দিয়ে বারবার মশাল নিয়ে আমাদের দিকে তেড়ে আসে। ইচ্ছে করেই একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে ভিক্টিম কার্ড খেলার পুরোনো চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে আমাদেরকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করে। কিছু ডিলের আঘাতে আমাদের সহযোদ্ধা তারেক আহত হয়। এরপরই মূলত ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
উল্লেখ্য তাদের পূর্বঘোষিত মিছিল সন্ধ্যা সাড়ে টায় হওয়ার কথা থাকলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা শুরু করে রাত সাড়ে ৮টায়।
এসময় তিনি আরো বলেন, "শাহবাগে মব ক্রিয়েট করে দেশে হাসিনার ফ্যাসিবাদের বীজ রোপণ করেছিলো লাল সন্ত্রাসীরা। ইনসাফ ও ন্যায়ের লড়াইয়ে আঞ্জাম দিতে গতকাল রাবিতে সেই শাহবাগতন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা 'শাহবাগবিরোধী ঐক্য' একত্রিত হয়েছিলাম। শাহবাগই মূলত হাসিনাকে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছে। পাশাপাশি চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে 'রাজাকার, জামাআত -শিবির' ট্যাগ দিয়ে যারা দেশের নাগরিকদের নাগরিক অধিকার ও মানবিক অধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলতে থাকবে। তবে এ লড়াই হবে আইনি লড়াই, এ লড়াই হবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলও লালবাহিনীর ফাঁদে পা দিয়ে বিবৃতি ও মিছিল করেছে বলে তারা বলেন, ১৩ সালে শাহবাগে সৃষ্ট মবের পরিপূর্ণ বিরোধিতা করেছিলো ছাত্রদল। শাহবাগবিরোধী ঐক্যের অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে আমরা ছাত্রদলকে পাশে পাবো ভেবেছিলাম। কিন্তু শাহবাগ নিয়ে ছাত্রদলের বর্তমান স্ট্যান্ড চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। অথচ এই শাহবাগই বিএনপির সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ এর অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীদের ডিহিউম্যানাইজ করে কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সাজিয়ে ফাঁসির সম্মতি উৎপাদন করেছিলো।
এসময় ছাত্র মিশনের সভাপতি জি এ ছাব্বির বলেন, "আমরা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তারা বলেছে আমরা সরেজমিনে ঘটনার পর্যবেক্ষণ করেছি এবং এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হবে দ্রুতই। তারা (বাম) যখন প্রশাসন ভবনের মধ্যে ছিলো তখন আমরা প্রশাসনের কাছে জানাই, আমরা ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চাই। আপনারা তাদের (বাম) ডাকেন আমরা তাদের সাথে বসে মিউচুয়াল করতে চাই। ছাত্র উপদেষ্টা, প্রক্টর তাদেরকে অনেক অনুরোধ করেছে মিউচুয়াল করতে কিন্তু তারা রাজি হয়নি। আরেকটি খুব হাস্যকর বিষয় হচ্ছে, ছাত্রদল ক্যাম্পাসে এসে দাবি করে প্রোক্টরের পদত্যাগের। যেখানে সমস্যা হয়েছে বামদের সাথে আমাদের সেখানে ছাত্রদলের এ ধরনের দাবি হাস্যকর।"
এসময় বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক মো. মাহফুজার রহসান, সাবেক সমন্বয়ক মো. নুরুল ইসলাম শহীদ, ছাত্র মিশনের সদস্য সচিব জসীম বানা উপস্থিত ছিলেন।
রাবিতে ছাত্রজোট ও শাহবাগবিরোধীদের সংঘর্ষে আহত ১০
শাহাবাগীদের বিচারের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) 'শাহাবাগবিরোধী ছাত্র ঐক্য' মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন 'গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট'-এর মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুপক্ষের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ক্যাম্পাসের পরিববন চত্বর ও শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ২ পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হওয়ার খবর শোনা গেছে।
আহতরা হলেন বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারিক আশরাফ, ছাত্র গণমঞ্চ আহ্বায়ক নাসিম সরকার, ছাত্র ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ কাউসার আহমেদ ও সদস্য আহমেদ ইমতিয়াজ।
অন্যদিকে শাহবাগবিরোধী ঐক্যমঞ্চের শাহরিয়ার তারিফ, তরিকুল, সাইফুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম শহীদ ও জি এ সাব্বির ও নওসাজ্জামান (শিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক।)
শাহবাগবিরোধী ঐক্যমঞ্চের নওসাজ্জামান বলেন, আজকের আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে তারা পেছন থেকে মশাল নিয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনায় আমি-সহ ৬ জন আহত হয়েছে। এর দায় তাদের নিতে হবে।
এ বিষয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্রজোটের রাকিবুল ইসলাম (ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি) বলেন, জামায়াত নেতা রাজাকার এটিএম আজহারের দায়মুক্তির বিষয়ে আমরা মশাল মিছিলের আয়োজন করি। এসময় কয়েক দফায় ছাত্রশিবিরের ক্যাডাররা আমাদের উপর আক্রমণ করে।
তিনি আরো বলেন, এ হামলার নেতৃত্বে ছিল ছাত্রমিশনের সভাপতি জি এ সাব্বির ও শিবিরের মিডিয়া, প্রচার সম্পাদক নওসাজ্জামান এবং ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন হলের সভাপতিরাও ছিল।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য