শিরোনাম
জবির সংগীত বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. অণিমা রায়৷ তিনি অধ্যাপক ড. ঝুমুর আহমেদের জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
বুধবার (২৮মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিন, কলা অনুষদ-কে সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ২৪(৩) ধারা অনুযায়ী উক্ত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অণিমা রায়কে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তিনি বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবেন এবং এ আদেশ আগামীকাল ২৯ মে থেকে কার্যকর হবে।
উপাচার্যের কর্মশালা দিয়ে রাবিপ্রবিতে সপ্তাহব্যাপী বিতর্ক উৎসব শুরু
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী বিতর্ক উৎসব।
উদ্বোধনী দিনে সকাল ১১ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে এশিয়ান সংসদীয় বিতর্কের উপর দেড় ঘন্টাব্যাপী কর্মশালা পরিচালনা করেন রাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।
কর্মশালায় বিতর্ক পরিচিতি, বিতর্কের মূল কাঠামো, এশিয়ান সংসদীয় বিতর্কের আদ্যোপান্ত, দল গঠন ও দলীয় অনুশীলন সহ বিতর্কের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেন রাবিপ্রবি উপাচার্য।
কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মোঃ আয়নুল ইসলাম। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন রাবিপ্রবির সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর মোঃ মাঈনুদ্দিন।
আয়োজকরা জানান, বিতর্ক শুধু যুক্তির অনুশীলন নয়, এটি সহনশীলতা, শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ গড়ার একটি প্ল্যাটফর্ম। তাই বিতর্কচর্চা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহশিক্ষা কার্যক্রমের একটি শক্তিশালী স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারে। এই দর্শন থেকেই রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজন করছে "সাংগঠনিক সপ্তাহ ২০২৫", যেখানে সপ্তাহব্যাপী বিতর্কের বিভিন্ন আয়োজনের পর নতুন বিতার্কিকদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলতে চাই ভবিষ্যতের যুক্তিবান, মানবিক এবং সচেতন প্রজন্ম।
উল্লেখ্য, সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে থাকছে বিতর্কের বিভিন্ন বিষয়ের উপর কর্মশালা, উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বারোয়ারী বিতর্ক প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।
মাভাবিপ্রবিতে গাজীপুর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে শামীম - সম্রাট
টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) “৷ কমিটি রিভিল এন্ড মেম্বারস মিট-আপ ২০২৫ ” শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাজীপুর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চতুর্থ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ঘোষিত হয় নতুন নেতৃত্বের নাম। অনুষ্ঠানে গাজীপুর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বিলুপ্তি ঘোষণা করেন তৎকালীন সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক এস. কে. সাকিব ভূঁইয়া। একইসঙ্গে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে চতুর্থ কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইএসআরএম বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শামীম কবির এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাহিদুল ইসলাম সম্রাট।
এই কমিটিতে আরও রয়েছেন সহ-সভাপতি সাফী সাদিক (পরিসংখ্যান), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিম, নাজমুস সাকিব সিয়াম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদার্থ বিজ্ঞান) ও (ইএসআরএম), সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসান রবিন (সিএসই), বশিরুল হাসান (টিই), এনামুল কবির (এফটিএনএস), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনাইন মাহমুদ (সিএসই), দপ্তর সম্পাদক হযরত শাহজালাল (পরিসংখ্যান), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহাদাতুল ইসলাম (পরিসংখ্যান), উপ-প্রচার সম্পাদক ফাহিমুল ইসলাম (সিএসই), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান (পরিসংখ্যান) ও সৌম্য দাস করুণা (সিএসই), ক্রীড়া সম্পাদক (ইএসআরএম), শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক শান্ত কুমার প্রামাণিক (হিসাববিজ্ঞান), পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুস সাকিব (ইএসআরএম) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. মো. ইকবাল মাহমুদ। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাভাবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম।
আরও পড়ুন
"কমিটি রিভিল এন্ড মেম্বারস মিট-আপ ২০২৫” এ ছিল নানা আকর্ষণীয় আয়োজন। ছেলেদের জন্য সেভ বেলুন , মেয়েদের জন্য মিউজিক্যাল চেয়ার প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং সবার জন্য নাস্তা ও চা-আড্ডা মিলিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় এক উৎসবমুখর মিলনমেলায়।
নবনির্বাচিত সভাপতি মো. শামীম কবির বলেন, “গাজীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য এই অ্যাসোসিয়েশনটি একটি পরিবার, এক ভরসার স্থান। নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এলামনাই, সাবেক সদস্য এবং সকল শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় অ্যাসোসিয়েশনকে আরও শক্তিশালী ও সক্রিয় করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা এলামনাইদের সঙ্গে সুদৃঢ় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার, কর্মশালা এবং নেতৃত্ব বিকাশ ও প্রতিভা উন্মোচনে সহায়ক বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মসূচির আয়োজন করবো।"
সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম সম্রাট বলেন, “ নতুন কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের মূল লক্ষ্য হবে গাজীপুর জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি শক্তিশালী, সহায়ক ও প্রগতিশীল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা। আমরা আগামিতে ক্যারিয়ার বিষয়ক সেমিনার, দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মশালা এবং নেতৃত্ব বিকাশের কার্যক্রম চালু করবো, যাতে সদস্যরা নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ পায়। আমরা চাই অ্যাসোসিয়েশন একটি পরিবারের মতো হোক—যেখানে সকল সদস্য একে অপরের পাশে থাকবে।"
পবিপ্রবির হল মাঠে জমজমাট ফুটবল ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. কেরামত আলী হল মাঠে ২০২০-২১ সেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ‘টিম হান্টার’ (সিনিয়র ব্যাচ) ও ‘টিম টার্মিনেটর’ (২০২১-২২ সেশন)। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ট্রাইব্রেকারে জয়ী হয় টিম টার্মিনেটর।
২৭ মে (বুধবার) ফাইনাল খেলা শেষে এক সংক্ষিপ্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ল’ অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন, এম. কেরামত আলী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শেখ আবদুল্লাহ আল মামুন হোসেন, বিজয় ২৪ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদর রহমান, এম. কেরামত আলী হলের সহকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক রফিক উদ্দিন।
আরও পড়ুন
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রাতুল, বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ গোলদাতা সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকেও দূরে রাখে।"
ভর্তি পরীক্ষায় রাজশাহী কলেজে ৪,২৪০ আসনে লড়বে ১৫,৮৫৭ পরিক্ষার্থী
দীর্ঘদিন পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার ভর্তি কার্যক্রমে ভর্তি পরিক্ষা চালু করেছে।
আগামী ৩১ মে (শনিবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৪-২০২৫ সেশনের অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেশসেরা রাজশাহী কলেজে ২৪ টি বিভাগের ৪,২৪০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন করেছেন ১৫,৮৫৭ জন শিক্ষার্থী।
১৫,৮৫৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিষয়ে (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা, গণিত) ৮৮০টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে ৮,৮৪২ জন শিক্ষার্থী।
মানবিক বিষয়ে (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃত, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, মনোবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, আরবী, ইসলামিক স্টাডিজ) ২,৪৫৫টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে ৫,৬৯৫ জন শিক্ষার্থী।
ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে (হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স, মার্কেটিং, পরিসংখ্যান) ৯০৫টি আসনের বিপরীতে ১,৩২০
জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করবে।
রাজশাহী কলেজে ২৪টি বিভাগের একক আসন সংখ্যা:
বাংলা-১৯০টি, ইংরেজি-১৯৫টি, ইতিহাস- ২৩৫টি, ইস: ইতিহাস ও সংস্কৃতি-২৩৫টি, দর্শন-১৯০টি, সংস্কৃত-৫০টি, আরবী-৯০টি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান-২৩৫টি, সমাজবিজ্ঞান-২৩৫টি, সমাজকর্ম-১৯০টি, অর্থনীতি-২৩৫টি, উদ্ভিদবিজ্ঞান-১৮৫টি, প্রাণিবিজ্ঞান-১৮৫টি, পদার্থবিজ্ঞান-১৫৫টি, রসায়ন-১৫৫টি, গণিত-২০০টি, পরিসংখ্যান-১৫৫টি, মনোবিজ্ঞান-১৯০টি, ভূগোল ও পরিবেশ- ১৮৫টি, হিসাববিজ্ঞান-২৩৫টি, ব্যবস্থাপনা-২৩৫টি, ফিন্যান্স-১৪০টি, মার্কেটিং-১৪০টি।
এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও রাজশাহী কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো: সেরাজ উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতে জন্য আমরা প্রশাসনিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনায় আমরা নগরীর ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যার আওতায় রাজশাহী কলেজে পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মানবিক বিভাগের, শাহ মখদুম কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ এবং বাকি কেন্দ্রগুলোতে বিজ্ঞান বিভাগের পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি এড়াতে আজ থেকেই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মোবাইল নাম্বারে মেসেজের মাধ্যমে কেন্দ্রের সিট প্লেন সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো আরম্ভ করেছি। এছাড়াও যদি কারো কাছে মেসেজ না পৌঁছায় তাদের জন্য আমরা বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দুইদিন আগেই কলেজে আলাদা ভাবে সিট প্লেনের তালিকা বোর্ডে প্রকাশের ব্যবস্থা রাখবো। তাছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রের বাহিরে আলাদা ভাবে সিট প্লেন রাখা পাশাপাশি আমাদের বিএনসিসি, রোভার দল শিক্ষার্থীদের সহায়তায় সার্বিকভাবে সবসময় সহায়তা প্রদান করবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য