শিরোনাম
১০ম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছে ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট পদ
দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও থানা হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য সেবা খাতে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদকে ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
মঙ্গলবার (২০ মে) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সুজিৎ দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ জানিয়েছে, বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদসমূহ দশম গ্রেডে উন্নীতকরণের বিষয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি বর্ণিত পদকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণের জন্য মতামত দিয়েছে।
এতে মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদকে ১১তম গ্রেড থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠানো হলো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, মেডিকেল অ্যাসিসটেন্টদের পদমর্যাদা ও বেতন স্কেল বাড়ানোর প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পদমর্যাদা ও বেতন স্কেল বাড়ানোর পর থেকেই তারা এ দাবি করে আসছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের দশম গ্রেড পদমর্যাদার দাবি আলোচনায় এসেছে। এ নিয়ে গত ২ জানুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়। বৈঠকে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত এলে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের প্রায় দুই দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, এক জন চিকিৎসকের বিপরীতে তিন জন নার্স ও পাঁচ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘ ১৪ বছরেরও অধিক সময় প্রশাসনিক জটিলতায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, সরকারি চাকরিতে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা মাত্র চার হাজার ১০৬ জন ও মোট পদের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৯৭৫টি। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রায় সাত হাজার ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট কর্মরত রয়েছেন।
নোবিপ্রবিতে ‘একাডেমিক ইফিশিয়েন্সি: ক্যালকুলেটিং টিচিং লোডস এন্ড স্টাফিং নিডস’ বিষয়ক কর্মশালা
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ওয়ার্কশপ অন ‘একাডেমিক ইফিশিয়েন্সি: ক্যালকুলেটিং টিচিং লোডস এন্ড স্টাফিং নিডস’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (২১ মে ২০২৫) নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংকট নিরসনে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এ মাসেই আমরা ইউজিসিতে পদ চেয়ে আবেদন করব। ২৭৬ পদ চেয়ে আমরা মাত্র ৬ টি পদ পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২৫ পর্যন্ত যে অর্গানোগ্রাম রয়েছে, তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই জুনে এবং সেই আলোকেই পরবর্তী মেয়াদের জন্য নতুন করে অর্গানোগ্রাম করতে হচ্ছে। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এক্ষেত্রে আগামী ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনা করে ভবিষ্যতের আলোকে অর্গানোগ্রামে নতুন পদ সৃজন করতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য পদ সৃজনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

এ সময় উপাচার্য আরও বলেন, বর্তমানে আমরা পেটেন্ট, পাবলিকেশন এবং একাডেমিক এক্সিলেন্স এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতির সংস্কার হচ্ছে। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে পিএইচডি এবং কিউএস জার্নালসহ বিভিন্ন জার্নালের পাবলিকেশনকে।
আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ। কর্মশালায় কি-নোট স্পিকার ছিলেন নোবিপ্রবি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আসাদুন নবী। প্রোগ্রাম মডারেটর ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক জি এম রাকিবুল ইসলাম এবং আলোচক হিসেবে ছিলেন আইকিউএসি অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রাবির 'এ' ইউনিটের ভর্তির বিষয় পছন্দক্রম প্রক্রিয়া শুরু ২৬ মে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির 'এ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিভাগ পছন্দক্রম পূরণ প্রক্রিয়া
আগামী ২৬ মে থেকে শুরু হবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পছন্দক্রম পূরণ করতে পারবেন। এ প্রক্রিয়া চলবে ৩১ মে পর্যন্ত।
সোমবার (১৯ মে) 'এ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইউনিট: 'এ' ইউনিটের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষার অংশ হিসেবে ইংরেজি বিভাগের লিখিত পরীক্ষা এবং সংগীত বিভাগ, নাট্যকলা বিভাগ ও চারুকলা অনুষদের ব্যাবহারিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলো। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীসহ গত ১৯ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত MCQ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিষয় পছন্দক্রম ফর্ম আগামী ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত অনলাইনে বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে।
এতে আরো বলা হয়েছে, কোনো উত্তীর্ণ প্রার্থী এই ফর্ম পূরণ না করলে 'এ' ইউনিটে তার ভর্তির সুযোগ থাকবে না। বিষয় পছন্দ প্রদানের পর তদানুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট বিভাগে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হলে সেই বিভাগে অবশ্যই ভর্তি হতে হবে। নতুবা 'এ' ইউনিটে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং পরে 'এ' ইউনিটের কোনো বিভাগে ভর্তির আর সুযোগ থাকবে না।
আগামী ২ জুন ২০২৫ তারিখে বিভাগসমূহের নির্ধারিত আসনসংখ্যা অনুযায়ী ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকাভুক্ত পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ও ভর্তি কার্যক্রম ১৬ জুনথেকে শুরু হবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্বে অধ্যাপক ড. মুহসিন
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২০ ই মে) সহকারী রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) ড.মোছা. সানজিদা সুলতানা এর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন ইংরেজি বিভাগ-কে নিম্নোক্ত শর্তে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার পদে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ প্রদান করা হলোঃ
ক) তার যোগদানের তারিখ থেকে ৬ মাস অথবা যথাযথ প্রক্রিয়ায় একজন রেজিস্ট্রার নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ, এই ২ এর মধ্যে যেটি আগে হবে সেই তারিখ পর্যন্ত তিনি রেজিস্ট্রার হিসেবে বলবৎ থাকবেন।
খ)তিনি পূর্বানুমোদিত হারে মাসিক ৮০০০ টাকা দায়িত্ব ভাতা এবং কর্মস্থলের শহরের জন্য গাড়ির সুবিধা লাভ করবেন।
গ) এই নিয়োগ যোগদানের তারিখ হতে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ৩ই মে ববি'র সাবেক রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম কে অপসারণ করা হয়।
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলের দাবিতে রাবি ছাত্রীসংস্থা'র প্রতিবাদ কর্মসূচি
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল, ইসলামবিরোধী ও নৈতিকতা বিচ্যুত সুপারিশ প্রত্যাখ্যান এবং 'নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা'র বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা।
২১ মে (বুধবার) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, রাবি শাখার ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
এ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে "নারী পুরুষ বাইনারি এই শর্তেই দেশ গড়ি", "যৌন কর্মী স্বীকৃতি দান, মায়ের জাতির অপমান", "সম অধিকার নয়; চাই ন্যায্য অধিকার", "নারী পুরুষ একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, সহযোগী", "পতিতাবৃত্তি কে না বলি", "সমতার নামে নারীর বিকৃতি চলবে না", "নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল চাই, অপসংস্কৃতি চলবে না", 'Say No to LGBTG Agenda" স্লোগানের প্লেকার্ড ব্যবহার করতে দেখা যায়।

এসময় ছাত্রীসংস্থার নেত্রীরা জানান, "গত ১৯ এপ্রিল নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন-২০২৫ এর ১০ সদস্যবিশিষ্ট একটা টিম প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে ৩১৮ পৃষ্ঠার ৪২৩টি প্রস্তাবণা দেন। যার অধিকাংশ প্রস্তাবণা আমাদের ইসলাম ধর্ম-জাতিসত্ত্বার সাথে সাংঘর্ষিক। এটা নারীদের সাথেও সাংঘর্ষিক যেখানে নারীদের মর্যাদাকে খর্ব করা হয়েছে।"
সভায় তারা আরো বলেন, "এখানে তারা স্বাধীনতার নামে যে প্রস্তাবণা দিয়েছেন এতে আমাদের পরিবারিক কলহ আরো বাড়িয়ে তুলবে। তাঁরা এখানে সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা পক্ষ থেকে নারী পুরুষের কিছু পার্থক্য রয়েছে। একজন নারী-পুরুষের ক্যারেক্টরিস্ট আলাদা। পুরুষের এমন কিছু ক্যারেক্টরিস্ট আছে যা নারীকে দেওয়া হয়নি আবার নারীর কিছু ক্যারেক্টরিস্ট আছে যা পুরুষকে দেওয়া হয়নি। এ ক্যারেক্টরেস্টকে অগ্রাহ্য করে তারা ভিন্ন যুক্তি দাড় করাচ্ছে।
আমরা এ নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল চাই।
একইসাথে এ সংস্কার কমিশনের যারা সমালোচনা করছে এটাকে ভিন্ন দিকে নেওয়ার জন্য তখন তারা 'নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রার' নামে নতুন নাটক শুরু করেছে। উচ্ছৃঙ্খল আচরণ, অশালীন পোষাকে নারীর অধিকার আদায়ের নামে নারীর ভূষণকে খর্ব করা হয়েছে, ধর্মীয় শিষ্টাচারকে উগ্রবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে যা ধর্মীয় অবমাননা, ট্রান্স মুক্তিকে নারীমুক্তি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। যেখানে অধিকাংশ কার্যক্রম নারীর সাথে সাংঘর্ষিক তারা এলজিবিটিজি'কে প্রমোট করছে। যা আমাদের মানবসম্প্রদায় জন্য একটা বিধ্বংসী মতবাদ। অথচ ট্রান্সজেন্ডার ধারণা বিকৃত মস্তিষ্ক থেকেই উদ্ভুত, মানবকল্যাণেই যার বৈধতা নয় বরং চিকিৎসার প্রয়োজন।
এসময় ধর্ম, সংস্কৃতি ও জনমতকে অবজ্ঞা করে গঠিত নারী সংস্কার কমিশন বাতিল এবং সামাজিক বাস্তবতায় বিশ্বাসী এবং দেশের অধিকাংশ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন এমন প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিশন পুনর্গঠন করার দাবি জানান তাঁরা।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য