ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দ্বিতীয় দিনের মতো কাকরাইল মোড়ে জবি শিক্ষার্থীরা, সড়ক অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক
১৫ মে, ২০২৫ ১৫:৯
অনলাইন ডেস্ক
দ্বিতীয় দিনের মতো কাকরাইল মোড়ে জবি শিক্ষার্থীরা, সড়ক অবরোধ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের তিন দাবিতে লংমার্চে যোগ দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। বেড়েই চলেছে শিক্ষার্থীদের পদচারণা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ১৪টি বাসে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এসেছেন যমুনায়।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্লোগানে মুখরিত কাকরাইল মোড়। এদিন সরেজমিন দেখা যায়, তারা বাস দিয়ে রাস্তা অবরোধ করেছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের একাধিক বাস ক্যাম্পাস থেকে যমুনার উদ্দেশে এসেছে। আরও কয়েকটি আসবে। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

সাকিব হোসেন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, গতকাল সারারাত আমরা এখানে ছিলাম। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি করব। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই জায়গা ছেড়ে যাব না। ক্যাম্পাস থেকে আমাদের আরও ভাই-বোনেরা এখানে আসছে। আমরা আমাদের দাবিতে অটল।

এর আগে, গতকাল সারারাত কাকরাইল মোড়ে অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী প্রধান উপদেষ্টার বাস ভবন যমুনা অভিমুখে রওনা হয়। পদযাত্রা প্রথমে গুলিস্তান মাজার গেট বাধার সম্মুখীন হয়। পরে মৎস্য ভবনে ফের পুলিশের বাধা অতিক্রম করে যমুনা অভিমুখে এগিয়ে যেতে থাকেন জবি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং মোড়ে আসতেই অতর্কিত টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, গরম পানি নিক্ষেপ করতে শুরু করে পুলিশ। এতে প্রায় ৩০ এর অধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী আহত হয়।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রতিনিধি সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে জবির বাজেট বৃদ্ধি ও আবাসন সংকট নিরসন বিষয়ে আলোচনা হলেও দাবি মানা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন শিক্ষার্থীরা। এরপর 'জবি ঐক্য' লং মার্চের ঘোষণা দেশ।

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি হলো-

আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কার্যকর করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করেই অনুমোদন করতে হবে; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ পরবর্তী একনেক সভায় অনুমোদন করে অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা শিক্ষক সমিতির

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৫ মে, ২০২৫ ১৪:৫৭
    অনলাইন ডেস্ক
    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা শিক্ষক সমিতির

    শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা করেছে শিক্ষক সমিতি। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে কাকরাইলে চলমান আন্দোলনে এ ঘোষণা দেন জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন।

    তিনি বলেন, আমরা এখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকার নিয়ে এসেছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি আদায়ের জন্য এসেছি। আমাদের ওপর নির্বিচারে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অরাজকতা এবং অন্যায়। আমরা কারো বিরুদ্ধে এখানে কথা বলতে আসিনি। কোনো ষড়যন্ত্র করতে আসিনি। আমাদের অধিকার চাইতে, আমাদের দাবি আদায় করতে এসেছি। দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরব না। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন চলবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে না।

    অধ্যাপক রইস উদ্দিন বলেন, আমাদেরকে এখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য যদি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় ভালো হবে না। চোখের সামনে আমার কোনো শিক্ষার্থীকে কেউ আঘাত করতে পারবে না।

    এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আবাসন চাই, বঞ্চনা নয়’, ‘বাজেট কাটছাঁট চলবে না’, ‘হামলার বিচার চাই প্রভৃতি স্লোগান দিতে থাকেন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কাকরাইলে অবস্থান করছে। অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় অনেক শিক্ষার্থী ক্লান্ত হলেও আন্দোলন থেকে সরেননি কেউ। কেউ কেউ রাতভর রাস্তায় ঘুমিয়ে আজ সকালেও অবস্থান করছেন।

    শিক্ষার্থীদের চার দফা দাবি হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করা, জবির প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় পাশ ও বাস্তবায়ন, ১৪ মে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতর্কিত হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

    গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে লং মার্চে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী। লং মার্চটি গুলিস্তান, মৎস্য ভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে আসলে ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে লং মার্চে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর। এ সময় ছত্রভঙ্গ করতে গরম পানি নিক্ষেপ করে। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ শতাধিক আহত হয়েছেন।

    পরবর্তীতে রাতে উপদেষ্টা মাহফুজ সামনে বিফ্রিং করতে আসেন। বিফ্রিংয়ে অসন্তুষ্ট হন শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপদেষ্টা মাহফুজকে উদ্দেশ্য করে ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। বক্তৃতার একপর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে বোতল ছুঁড়ে মারেন একজন। উপদেষ্টা বিফ্রিং বন্ধ করে চলে যান।

    এদিকে উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বক্তব্যে অসন্তুষ্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনো কাকরাইল মসজিদের সামনে অবস্থান নিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাসের পর এবার ছাত্রীনিবাসে চুরির অভিযোগ

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৫ মে, ২০২৫ ১২:২০
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাসের পর এবার ছাত্রীনিবাসে চুরির অভিযোগ

      রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের ল্যাপটপ চুরির রেশ  না কাটতেই এবার নতুন করে মহিলা ছাত্রীনিবাসে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ উঠেছে।

      বুধবার ( ১৪ মে) বিকেল ৫ টার দিকে রাজশাহী কলেজ ছাত্রীনিবাসের উত্তরা বিল্ডিংয়ে এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। 

      ভুক্তভোগী ছাত্রী হলেন অর্থনীতি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমি খন্দকার। তিনি ছাত্রীনিবাসের উত্তরা বিল্ডিংয়ের ১০২ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী। তিনি জানান আনুমানিক সাড়ে ৪ টা থেকে ৫ টার দিকে তিনি রুমের বেলকনিতে ফোন রেখে কিছুক্ষণের জন্য ওয়াশরুমে গিয়েছিলেন। একটু পর এসে দেখেন তার ফোন নির্ধারিত স্থানে নেই। পরবর্তীতে তিনি বিষয় ছাত্রীনিবাসের দায়িত্বে থাকা ম্যাম কে অবগত করেন। ম্যাম বিষয়টি জানার পর তার কাছে ফোনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে বলেন এবং পরবর্তীতে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তাকে আশ্বস্ত করেন।

      রাজশাহী কলেজ ছাত্রীনিবাসের তত্ত্বাবধায়ক মোছা: জান্নাতুন নেছা বলেন, চুরির বিষয়টি সম্পর্কে ছাত্রীনিবাসের মেয়েরা তাকে অবগত করেছে। সিসিটিভির ফুটেজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেহেতু এটা মহিলা হোস্টেল সেই দিক বিবেচনায় সবজায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা রাখা নেই। তবে মেইন গেটে সিসিটিভি লাগানো রয়েছে, সেখান থেকে বহিরাগত কেউ ঢুকেছে কি না সেটা শনাক্ত করা যাবে।

      এছাড়াও তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীনিবাসের মেয়েদের সাথে আলোচনা করবেন এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। 

      উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে ৪ মে রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ভবনে ( সি-ব্লক) ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটে। এর আগেও গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ছাত্রাবাসের একই ভবনে ল্যাপটপ চুরির ঘটনা ঘটেছিল যার এখনো কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হোস্টেল সিট ভাড়া কমানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে, রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৫ মে, ২০২৫ ১২:১৪
        অনলাইন ডেস্ক
        হোস্টেল সিট ভাড়া কমানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে, রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ

        রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের অতিরিক্ত সিট ভাড়া কমানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের তোপের সম্মুখীন হয়েছেন রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ। 

        বুধবার (১৪ মে ) বেলা ১১ টায় রাজশাহী কলেজ প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের পূর্ব ঘোষিত হোস্টেল সিট ভাড়া কমানোর দাবিতে ডাকা মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মু. যহুর আলী।  

        শিক্ষার্থীদের দাবি পূর্বে হোস্টেলের নির্ধারিত সিট ভাড়া ছিল ৫০০ টাকা। যা ৫ আগষ্টের পরে বৃদ্ধি পেয়েছে দাড়িয়েছে ৭০০ টাকা। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে কলেজ প্রশাসনের সিন্ডিকেট বলে দাবি করা হয়েছে। 

        অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগষ্টের আগে ছাত্রলীগের সিট বাণিজ্যের আমলে হোস্টেলের বিদ্যুৎ বিলসহ নানা খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা বকেয়া পড়ে। বর্তমান সময়ে হোস্টেল প্রশাসন পূর্বের সেই বকেয়া পরিশোধের জন্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপর এই অতিরিক্ত ভাড়া চাপিয়ে দিয়েছে। 

        শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আরো দাবি করা হয়, বর্তমানে হোস্টেলগুলোতে হোস্টেল প্রশাসন প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থা চালু করে দিয়েছে। ফলে সিট ভাড়া, বিদ্যুৎ বিলসহ একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিমাসে এক হাজার টাকার উপরে পরিশোধ করতে হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ঢাকা কলেজে যেখানে সর্বোচ্চ খরচ হলেও ভাড়া নেওয়া হয় ৪০০ টাকা সেখানে দেশসেরা রাজশাহী কলেজে এমন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি চাপ। শিক্ষার্থীরা আরো দাবি করেন, একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমন অতিরিক্ত ভাড়া সিট ভাড়া অন্য আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আদায় করা হয় না। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আগামী ২২ তারিখ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

        এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ (আবির) বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যখন আমরা মুসলিম হোস্টেল সুন্দর করে সাজানোর জন্য সহযোগিতা করেছিলাম তখন প্রশাসন বলেছিল হোস্টেলের বিদ্যুৎ বিল বাকি আছে এবং বিভিন্ন আনুষাঙ্গিক খরচ দেখিয়ে তারা ভাড়া বৃদ্ধি করেছিল। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছিল যে ১ বছর পরে এই ভাড়া কমানো হবে। তাহলে কেন ১ বছর পর আমাদের এই দাবি নিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে? কেন তারা আমাদের সাথে প্রতারণা করছে? তা আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে জানতে চাই?

        তিনি কলেজ প্রশাসনের নিকট দাবি জানান, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে কলেজ প্রশাসন যেন অতিদ্রুত একটি ন্যায্য সিট ভাড়া নির্ধারণ করে।
         
        কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, এই অতিরিক্ত ভাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য অসহনীয় পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তাই হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা সহ কলেজের সকল সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ভাড়া কমানোর দাবি জানাতে আজকে মানববন্ধনে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছে। 

        তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সমর্থন জানিয়ে দ্রুততার সাথে কলেজ প্রশাসন যেন  একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করে। 

        তিনি বলেন, রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাস সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবাসিক আশ্রয়, এটি ব্যবসার জায়গা নয় যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হবে। তাই প্রশাসনের নিকট অনুরোধ তারা এই বিষয়ে অতি দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

        এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ বলেন, তারা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ২২ তারিখ হোস্টেলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসবেন। শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তারা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাবেন। 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাঞ্ছনা, অভিযুক্ত নোমান আটক

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৫ মে, ২০২৫ ১২:১২
          অনলাইন ডেস্ক
          খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাঞ্ছনা,  অভিযুক্ত নোমান আটক

          খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক হাসান মাহমুদ সাকিকে লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মোবারক হোসেন নোমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত নোমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ডিসিপ্লিনের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী।

          মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা থেকে  তাকে আটক করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সোনাডাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম।

          এর আগে, শনিবার (৩ মে) বিকালে অনুষ্ঠিত ২৩১তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য, উপাত্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে তাকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং তার স্নাতক ডিগ্রির সনদপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে যতক্ষণ না পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত আসে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী নোমানের বিরুদ্ধে এটেম্পট টু মার্ডারের মামলা করার সিদ্ধান্ত হয়।

          উল্লেখ্য, গত ২মে সন্ধ্যায় পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের পাশে শারীরিকভাবে আঘাত করেন এই শিক্ষকের উপর। ঘটনার পরপরই তা ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা গত শনিবার (৩ মে) গভীর রাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত