ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

আজও কাকরাইলে যান চলাচল বন্ধ, সড়কে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান

অনলাইন ডেস্ক
১৫ মে, ২০২৫ ১১:২৯
অনলাইন ডেস্ক
আজও কাকরাইলে যান চলাচল বন্ধ, সড়কে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান

পুলিশের হামলার বিচার ও তিন দফা দাবি আদায়ে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে এখনও অবস্থান করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। 

তিন দফা দাবি আদায়ে গতকাল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন জগন্নাথের শিক্ষার্থীরা। দুপুরে লংমার্চটি কাকরাইলে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। তখন থেকেই কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা।  

আজ সকালে কাকরাইল এলাকায় গিয়ে দেখা যায় আন্দোলনকারীদের কেউ  সড়কে শুয়ে আছেন, কেউ বসে আছেন। ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘দালালী না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘চুপ কেন যমুনা, খালি হাতে ফিরবো না’  এমন নানা স্লোগানও দিচ্ছেন তারা। 

শিক্ষার্থীদের এই অবস্থানের কারণে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বানী বলেন, আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত যৌক্তিক। এই ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বো না। রাতে আমরা সড়কে অবস্থান করেছি, এখনো করবও। আমাদের আরও সহপাঠী আসবেন।

আন্দোলন ঘিরে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে।  

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    অনড় জবি শিক্ষার্থীরা, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা না করে সড়ক ছাড়বেন না

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ মে, ২০২৫ ২৩:৩৭
    অনলাইন ডেস্ক
    অনড় জবি শিক্ষার্থীরা, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা না করে সড়ক ছাড়বেন না

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা না করে সড়ক ছাড়বেন না বলে জানিয়েছেন রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে বিক্ষোভরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    আজ বুধবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের একাংশ 'ভুয়া ভুয়া' স্লোগান দেন এবং ভিড় থেকে কেউ একজন তাকে লক্ষ্য করে পানির বোতল ছুড়ে মারেন।

    মাহফুজ আলম বলেন, 'এই মিছিলটা হঠাৎ পুরান ঢাকা থেকে কাকরাইল পর্যন্ত চলে এসেছে, আমরা জানি না। আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলেছি, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যখন আন্দোলন করবেন আপনারা অবশ্যই তাদের সঙ্গে প্রথমে ডায়ালগ করার চেষ্টা করবেন, প্রথমে কোনোভাবেই ফোর্স ইউজ করবেন না।'

    'আমাদের একটা ট্রমা আছে, আমরা যারা অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি, আমি মনে করি, প্রতিটা পদে যারা নেতারা আছেন, আমি দেখলাম শিক্ষকরা ওদের কাছে পরাজিত হয়েছে এবং শিক্ষকরা তাদের কাছে অসহায়। শিক্ষকদের কোনো মরাল অথরিটি তাদের ওপরে নাই। এটা আমার জন্য দেখা দুঃখজনক ছিল। আমি শুনেছি কয়েকজন শিক্ষকও এ ঘটনায় আহত হয়েছেন,' বলেন তিনি।

    জবি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহফুজ বলেন, 'যেকোনো আন্দোলন সরকার শুনতে রাজি আছে, বসতে রাজি আছে, কথা বলতে রাজি আছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটের বিষয়ে অবগত।'

    শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানসহ তিন দফা দাবি আদায়ে এদিন দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে মৎস্য ভবন এলাকা অতিক্রম করে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

    এর প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যমুনার অভিমুখে কাকরাইল মসজিদের ক্রসিং মোড়ে অবস্থান নেন।

    তাদের তিন দফা দাবি হলো—আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি কার্যকর করতে হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চবির পঞ্চম সমাবর্তন আজ: গ্র্যাজুয়েটদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ১৪ মে, ২০২৫ ১৯:৭
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      চবির পঞ্চম সমাবর্তন আজ: গ্র্যাজুয়েটদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস

      পরনে কালো গাউন, মাথায় টুপি—প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, হয়তো কোনো আইনজীবীদের জমায়েত। আদতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পঞ্চম সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাস মুখর হয়ে উঠেছে সদ্য গ্র্যাজুয়েটদের পদচারণায়।

      সমাবর্তনের গাউন ও টুপি পরে সেলফি, গ্রুপ ফটোসেশনে ব্যস্ত ছিলেন সমাবর্তন প্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা। কেউ বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখছেন, কেউ বা প্রিয়জনের সঙ্গে ছবি তুলছেন। অনেকে আবার বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও ক্যামেরাবন্দি হচ্ছেন। গাউন ও টুপি পরে ছবি তুলতে দেখা গেছে জুনিয়র শিক্ষার্থীদেরও।

      সমাবর্তনের দিনটিকে ঘিরে ক্যাম্পাসে বইছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি, ডিপার্টমেন্ট ও বিভিন্ন স্থাপনাগুলোতে ছবি তুলতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘ চার-পাঁচ বছরের সহপাঠীদের সঙ্গে স্মৃতিময় সময়গুলো ক্যামেরায় ধারণ করছেন অনেকেই।

      ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, "এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের আক্ষেপের শেষ নেই। তবে একাডেমিক জীবনের নানা সংকট পেরিয়ে আজ এই সনদ হাতে পাওয়া আমার জীবনে এক বিশেষ অনুভূতি। সমাবর্তনের এই দিনটা আজীবন স্মরণে থাকবে।"

      বাংলা বিভাগের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, "মাত্র অনার্স শেষ করেই সমাবর্তনে অংশ নিতে পারছি এটা আমাদের জন্য এক অনন্য পাওয়া। আজ বন্ধুদের সঙ্গে গাউন সংগ্রহ করেছি। এমন সুন্দর মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।"

      দুপুর ১টায় চবির কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে শুরু হবে সমাবর্তনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ, চবির সাবেক শিক্ষক ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস। তাকে এদিন সম্মানসূচক ডক্টর অব লেটারস (ডি-লিট) ডিগ্রি প্রদান করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

      দীর্ঘ নয় বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তন। এতে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ২৩০০ শিক্ষার্থী, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে বড় সমাবর্তনে পরিণত করছে।

      মন্তব্য

      শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যাকাণ্ড

      ঢাবিতে বৃহস্পতিবার শোক পালন করা হবে, অর্ধবেলা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ মে, ২০২৫ ১৭:৫৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ঢাবিতে বৃহস্পতিবার শোক পালন করা হবে, অর্ধবেলা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

      শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য নিহত হওয়ার ঘটনায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন অর্ধ দিবস বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান।

      আজ বুধবার (১৪ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যায়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। 

      বৈঠক শেষে ভিসি বলেন, শাহরিয়ার আলম সাম্যের স্মৃতির প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে আগামীকাল শোক দিবস পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এদিন অর্ধবেলা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে৷

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘আমরা দুঃখিত সাম্য, তোমাকে নিরাপত্তা দিতে পারিনি’

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৪ মে, ২০২৫ ১৪:৫১
        অনলাইন ডেস্ক
        ‘আমরা দুঃখিত সাম্য, তোমাকে নিরাপত্তা দিতে পারিনি’

        দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্র শাহরিয়ার আলম সাম্য শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে সবসময় সামনের সারিতে থাকতেন বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সাম্যকে নিরাপত্তা দিতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

        বুধবার (১৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে সাম্যকে নিয়ে একটি পোস্ট দেন আসিফ মাহমুদ।

        ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘২০১৯ সালের দিকে ক্যাম্পাসে গেস্টরুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে কিংবা শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক দাবির আন্দোলনে আমাদের সাথে যেসব মুখ সবসময় দেখা যেত, সাম্য তাদের একজন। মশিউর আমিন শুভ আর শাহরিয়ার আলম সৌম্য- এই দুজন সবসময় একসাথে আসত। প্রথমবর্ষ থেকেই সাম্য ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এবং অসম্ভব ভদ্র একজন ছেলে। সেই ছোট ভাই সাম্য আজ আর আমাদের মাঝে নেই— এটা মেনে নেওয়া সত্যিই কষ্টকর।

        এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। তবে শুধু ব্যক্তি নয়, উদ্যান কেন্দ্রিক অপরাধচক্র, মাদক চক্র এবং উদ্যানের অনিরাপদ পরিবেশও এ ঘটনার জন্য সমানভাবে দায়ী। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হওয়ার কথা ছিল স্বস্তির জায়গা, অথচ অবৈধ দোকান, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অপরাধচক্রের কারণে এটি দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কের স্থানে পরিণত হয়েছে।

        ইতোমধ্যে ঢাবি প্রশাসন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ডিএমপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরামর্শ অনুযায়ী খুব শিগগিরই উদ্যানকে একটি নিরাপদ স্থানে পরিণত করা হবে। আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নিরাপদ একটি জায়গা হিসেবে গড়ে তুলব। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

        আমরা দুঃখিত সাম্য, তোমাকে নিরাপত্তা দিতে পারিনি। তবে আর কারো সাথে যেন এমন কিছু না ঘটে তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’

        উল্লেখ্য, গতরাত ১২টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় আরেকটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগায় কথা কাটাকাটির জেরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে শাহরিয়ার আলম সাম্য (২৫) গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

        এরপর রাতেই হত্যাকাণ্ডের বিচার ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা।

        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত