শিরোনাম
বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান
ডেস্ক রিপোর্ট: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার রাতে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দাওয়াতের চিঠি গ্রহণ করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ‘রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দাওয়াতপত্র’ হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী।
বিসিএস পরীক্ষায় বয়স সর্বোচ্চ ৩২ করে বিধি সংশোধন
ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণে সর্বোচ্চ বয়স এবং মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ও পরীক্ষার ফি কমিয়ে নীতিমালা সংশোধন করেছে সরকার। সংশোধনী আনা হয়েছে একজন পরীক্ষার্থী কতবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন সে বিধিতেও।
বুধবার সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি গত ২৭ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমানের সই করা এ প্রজ্ঞাপন গতকালই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপনের বিধিমালায় বিসিএসে অংশগ্রহণে পরীক্ষার ফি ৭০০ টাকার স্থলে ২০০ টাকা এবং অনগ্রসর নাগরিকদের ১০০ টাকার স্থলে ৫০ টাকা করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষায় বিদ্যমান ২০০ নম্বর থেকে কমিয়ে ১০০ নম্বর করা হয়েছে। এর ফলে মোট নম্বর ১১০০ এর স্থলে ১০০০ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণে পরীক্ষার্থীর সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছরের স্থলে ৩২ বছর করা হয়। এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর এবং একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪ বার বিসিএসে অংশ নিতে পারবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পাবলিক সার্ভিস কমিশন থেকে সর্বোচ্চ ৪ বারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিদ্যমানের মতো যতখুশি ততবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিধান রাখার পক্ষে মত দেয়। পিএসসির ওই সুপারিশের প্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ ৪ বার বিসিএস-এ অংশগ্রহণের বিষয়টি বিধিতে যুক্ত হয়নি। এর অর্থ একজন প্রার্থী ২১ থেকে ৩২ বছর বয়সের সময়কালে যতবার ইচ্ছে বিসিএসে অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবে।
এদিকে বিধিমালায় আগে মুক্তিযোদ্ধার কোটা, প্রতিবন্ধী, স্বাস্থ্য ক্যাডার এবং অনগ্রসর নাগরিকদের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষায় বয়স সীমা ৩২ বছর থাকলেও বিধি সংশোধন করে এ সংক্রান্ত দুটি উপধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন বিধি অনুযায়ী সবার ক্ষেত্রে ৩২ বছর করা হয়েছে।
বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের তিন দিনব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প সম্পন্ন
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী " অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্পও আদিবাসী জীবনধারা পর্যবেক্ষণ" শীর্ষক একটি বিশেষ আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। গত ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত এই ক্যাম্পে রোভাররা শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একটি সময় কাটিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল আলম।
৫ ডিসেম্বর রাতে বাকৃবি ক্যাম্পাস থেকে ৫০ জন রোভার ও গার্ল-ইন-রোভার সদস্য মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ রোভার স্কাউট লিডার অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল আলম এবং সহযোগী অধ্যাপক টুম্পা রানি সরকার।
ক্যাম্পের প্রথম দিনে রোভাররা বাংলাদেশ চা গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিটিআরআই) পরিদর্শন করেন। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এবং বাকৃবির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ড. মো. ইসমাইল হোসেন তাদের স্বাগত জানান। তিনি চা উৎপাদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদ তথ্য দেন এবং একটি চা কারখানা ঘুরিয়ে দেখান।
পরে, রোভাররা লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে যান। সেখানে তারা আদিবাসীদের জীবনধারা, আর্থসামাজিক অবস্থা এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ধারণা লাভ করেন। এই অভিজ্ঞতা তাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি এনে দেয়।
দ্বিতীয় দিনে হীড বাংলাদেশের অতিথিশালায় মধ্যাহ্নভোজ এবং বিশ্রামের পর রোভাররা মাধবপুর লেক পরিদর্শনে যান। লেক সংলগ্ন চা বাগান ও পাহাড়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করে। দিনশেষে হীড বাংলাদেশের সেমিনার কক্ষে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক ড. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
শেষ দিনের অভিযানে ১২ জন সহচরকে বিশেষ দলীয় বৈঠকের মাধ্যমে দীক্ষা দেওয়া হয়। এরপর রোভাররা দার্জিলিং টিলায় যান। আঁকাবাঁকা রাস্তা পেরিয়ে টিলার চূড়ায় ওঠার পর তারা চা বাগানের নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করেন এবং দলীয় ছবি তোলেন।
তিন দিনের এই অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প রোভারদের নেতৃত্ব, দলগত দক্ষতা এবং প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনুষ্ঠানের শেষে রোভাররা ক্যাম্পাসে ফিরে নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ অভিযানে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
শহীদ জুলকার নাইনের কবর জিয়ারতে পাবিপ্রবি উপ-উপাচার্য
পাবিপ্রবি প্রতিনিধি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পাবনায় নিহত শহীদ জুলকার নাইনের কবর জিয়ারত ও তারা পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবনার সাথিয়ায় শহীদ জুলকার নাইনের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎতের উদ্দেশ্য রওনা দেন উপ-উপাচার্য।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পাবিপ্রবি সহ-সমন্বয় আলহাজ হোসাইন, আব্দুর রহমান এবং আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী আতাউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম শহিদের পরিবারকে শান্তনা দিয়ে বলেন, "আমরা শুধু এটুকুই দোয়া করি আল্লাহ যেন তার শাহাদাত কবুল করেন। মৃত্যু তো আমাদের হবেই, তবে শাহাদাতের মৃত্যু সবার নসিবে থাকেনা। নবী-রাসূল এবং তার সাহাবীরা সবসময় শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করতেন।
তিনি আরও বলেন, তাদের আত্মত্যাগের ফলে আমরা নতুন করে বাঁচতে শিখেছি। ছাত্র-জনতা যে উদ্দেশ্য নিয়ে ত্যাগ স্বীকার করেছে আমাদের দায়িত্ব হল তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করা।"
রাঙ্গামাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ভাঙচুর
রাবিপ্রবি প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙচুর করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে ম্যুরাল ভাঙচুর অবস্থায় দেখতে পায়।
কখন বা কারা ভাঙচুর করেছে এ বিষয়ে এখনো কোন তথ্য পাওয়া যায়নি৷
ম্যুরাল ভাঙচুরের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক, একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. নিখিল চাকমা জানান, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল ভাঙচুরের বিষয়টি শুনেছি। তবে কারা ভাঙচুর করেছে সেটা আমরা জানি না, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অগোচরে তারা এ কাজ করেছে৷ তবে আমাদের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ আছে, ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল তৎকালীন সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, উপাচার্য ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা, রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইফতেকুর রহমানের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয়।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য