শিরোনাম
জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উপ-রেজিস্ট্রার আব্দুর রহমান সাময়িক বরখাস্ত
জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে রিকশা দূর্ঘটনায় আফসানা করিম নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট) আব্দুর রহমান বাবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এ বি এম আজিজুর রহমান সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে জানানো হয়, এস্টেট অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার (এস্টেট-১) আব্দুর রহমান বাবুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার স্থলে পরিবহন অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আবুল কাশেমকে সাময়িকভাবে এস্টেট অফিসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পৃথক এক অফিস আদেশে জানানো হয়, আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে এক দিনের শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে । শোক দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, ’আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছি। আজকের দিনটিকে শোক দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমেও শৃঙ্খলা আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নোবিপ্রবি
নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা থেকে বের হয়ে নিজস্ব ভর্তি পদ্ধতিতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৫ তম একাডেমিক কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এক্ষেত্রে মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন পেলে চুড়ান্তভাবে গুচ্ছ থেকে বের হয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিবে নোবিপ্রবি।
এবিষয়ে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ রেজুয়ানুল হক বলেন, অফিশিয়াল ভাবে সিদ্ধান্ত হলো আমরা গুচ্ছ থেকে বের হয়ে যাবো। বর্তমানে চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় এখন গুচ্ছ পদ্ধতিতে নেই। আসলে তাদের সিদ্ধান্ত ওরা নিতেই পারে কারণ ওরা স্বায়ত্তশাসিত। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একপ্রকার সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা বলতে গেলে সরাসরি সরকারের অধীনে। তাই আমরা চাইলেও অনেক কিছুই পারি না। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগে। তবে আমরা নোবিপ্রবির সব ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমতি নিয়েছি।একটি ডিপার্টমেন্ট ছাড়া সব ডিপার্টমেন্ট গুচ্ছ থেকে বের হয়ে যাওয়ার সম্মতি দিয়েছে।সরকারের অনুমোদন পেলে আমরা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করবো।
নিজস্ব ভর্তি পদ্ধতিতে সেকেন্ড টাইম থাকবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে আমরা তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবো।
বশেমুরবিপ্রবিতে প্রক্টর নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ
বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি: পুরাতন প্রক্টর বডি বাতিল করে নতুন প্রক্টর বডিকে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুশেমুরবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাত ৮ টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান রাত ৭.৩০ মিনিটে সাবেক প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুজ্জামানের পক্ষে এপ্লাইড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাকে বাতিলের প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। অন্যদিকে নবনিযুক্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড.আরিফুজ্জামান রাজীবের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিয়োগের পক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের করেন। উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আসলে মুখোমুখি অবস্থানের সৃষ্টি হয়। যা একপর্যায়ে কয়েক দফা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
শিক্ষার্থীদের শান্ত করার জন্য উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান ও নবনিযুক্ত প্রক্টর সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড.সোহেল হাসান বলেন," দেশে একটি পরিবর্তন অবস্থা বিরাজ করছে। তাই তোমাদের উচিত পরিবর্তন কে মেনে নেওয়া। আমাদের কে তোমরা সহযোগিতা করো। তোমাদের পরিবর্তন কে সম্মান করা উচিত। আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি এখানে আমার বিন্দু মাত্র কোনো লাভ নেই। আমরা যাস্ট একজন কে এক স্থান থেকে সরিয়ে আরেক জনকে দিয়েছি কাজের জন্য। তোমরা দেখো তিনি ক্যামন কাজ করেন। আমরা এখানে কোনো দলবাজি, কোনো দলের হয়ে স্ট্যান্ড বাজি করতে আসেনি। আমরা সব কিছুর ঊর্ধ্বে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিচ্ছি। তোমরা তাকে দেখো তিনি ক্যামন কাজ করেন। যদি ভালো না হয় পরে পরিবর্তন করা হবে।"
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৫:৩০ মিনিটে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো.মোরাদ হোসেন সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,অধ্যাপক ড.আরিফুজ্জামান রাজিব স্যারকে প্রক্টর করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন প্রক্টরিয়াল বডি নিয়োগ দেওয়া হয়।
ইবিতে র্যাগিংয়ের অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থী কারাগারে
ইবি প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) লালন শাহ হলে নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের ঘটনায় সিনিয়র নয় জনের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তারেক। মামলার পর পাঁচ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, মামলায় অভিযুক্তরা হলেন– ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাব্বির হোসেন, লিমন হোসেন, শেহান শরীফ, কান্ত বড়ুয়া, শফিউল্লাহ, তরিকুল, মুকুল, জিহাদ এবং ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সঞ্চয় বড়ুয়া। অভিযুক্ত সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে সাব্বির হোসেন, শেহান শরীফ, লিমন হোসেন, কান্ত বড়ুয়া ও সঞ্চয় বড়ুয়াকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আকতার হোসেনকে আহ্বায়ক ও সহকারী রেজিস্ট্রার জিল্লুর রহমানকে সদস্য সচিব করে গঠিত ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফখরুল ইসলাম ও হলের আবাসিক শিক্ষক রসুল করিম। উক্ত কমিটিকে আগামী রোববারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে তাদের র্যাগিং করে আসছিলেন। তারা ভুক্তভোগীদের অশোভন অঙ্গভঙ্গি, বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদানসহ নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে।
ভুক্তভোগী তারেক হোসাইন বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসে এসেছি ১৭ দিন। তারা আমাদের ১৭ দিনে কী পরিমাণ মানসিক নির্যাতন করেছে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা এসবের সুষ্ঠু বিচার চাই।’
আরেক ভুক্তভোগী ছাত্র রাকিব বলেন, ‘আমাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা তাদের শাস্তির দাবি জানাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, র্যাগিংয়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে, তবে মামলার বিষয়টা আলাদা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানতে চাইলে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ ফরিদ উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, গত রাতে র্যাগিংয়ে জড়িতদের পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়। ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে এ বিষয়ে মামলা করেছে। এরই প্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় আটককৃত ৫ জনকে কোর্টে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সোমবার মধ্যরাতে লালন শাহ হলের ৩৩০ নং কক্ষে (গণরুম) ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২৩-২৪ বর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা হলেন আমির হামজা, শামীম রেজা, রাকিবুল হাসান, আবু সাইম।চুপচাপ থাকায় ভুক্তভোগীদের একজনকে ৫ রকমের হাসি দিতে বলা হয়, অপর একজনকে সিনিয়র ভাইকে কল দিয়ে বাজে ভাষায় কথা বলতে বলা হয় এবং আরেকজনকে নাচতে বলে অভিযুক্তরা।
এছাড়াও, গত ১৬ নভেম্বর রাতে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী সাদী অ্যান্ড হাদী ছাত্রাবাসে রাত আড়াইটা পর্যন্ত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পর্ণ তারকাদের নাম জিজ্ঞাসা ও তাদের রোল প্লে করতে বলা, অশ্লীল কবিতা পাঠ করানো এবং গালিগালাজ করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা।
জাবিতে সাবেক প্রক্টর ফেরার প্রতিবাদে, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ( জাবি) সাবেক প্রক্টর ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক আলমগীর কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ” আলমগীর কবীরের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে ; আওয়ামীলীগের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান ; ফিরোজের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে ; মেহেদী ইকবালের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে ; ইখতিয়ারের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে ; ফ্যাসিবাদের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে ; ফ্যাসিবাদের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান ” সহ নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জোবায়ের শাবাব বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর হামলার মদদদাতা কোনো শিক্ষক যদি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর থেকে কঠোর হব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যদি হামলার মদদদাতাদের পুনর্বাসিত করতে চান শিক্ষার্থীরা আপনাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। এবং অভিযুক্ত শিক্ষকরা যদি মবের শিকার হয় এর দায়ভার শিক্ষার্থীরা নিবেনা। আমাদের দাবিকে সাধারণভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নাই। প্রয়োজনে হামালার মদদদাতা শিক্ষদের জুতার মালা গলায় পড়িয়ে ক্যাম্পাস ছাড়া করব।
জুলাই বিপ্লবের আহতরা এখনো হাসপাতালের বেডে ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। আর হামলায় মদদদাতা শিক্ষকরা কিভাবে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ায়? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পুনর্বাসনের করার চেষ্টা করছে। আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, প্রশাসন যদি হামলায় মদদদাতা শিক্ষকদের পক্ষ নেয়, তাহলে আমরা এই প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলব।
উল্লেখ্য ১৫ জুলাই হামলার মদদ দেয়ার অভিযোগে আশুলিয়া থানায় আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮ তম বিভাগের এক শিক্ষার্থী।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য