ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সব অপরাধের কেন্দ্রে শেখ হাসিনা, মন্ত্রী-এমপিরা ছিলেন সহযোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:৫৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
সব অপরাধের কেন্দ্রে শেখ হাসিনা, মন্ত্রী-এমপিরা ছিলেন সহযোগী

ক্ষমতায় এসে পিলখানা হত্যাকাণ্ড দিয়ে শুরু হয় শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ। ব্লাকআউট করে শাপলা চত্বরে হেফাজতের ওপর গণহত্যাসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে সব মানবতাবিরোধী অপরাধের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন শেখ হাসিনা। আর এই ১৩ আসামি ছিলেন তার সহযোগী।

জুলাই-আগস্টের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাবেক ৯ মন্ত্রীসহ ১৩ জনকে সোমবার (১৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের পর শুনানিতে এসব কথা বলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে শাসনামলে এমন কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ নেই যেটা শেখ হাসিনা করেননি। আর উপস্থিত এই আসামিরা এসব অপরাধ সংগঠনে সহযোগিতা করে গেছেন। সর্বশেষ জুলাই আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা, অঙ্গহানিসহ ২৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। গণহত্যার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন ক্ষমতা প্রলম্বিত করতে।

শুনানি চলাকালে এজলাস ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ। এ সময় ১৩ আসামি এজলাসে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী শুনানি চলছিল।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তার আগে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে গারদখানা থেকে তাদের এজলাসে তোলা হয়।

এদিন সকাল ১০টার দিকে তাদের প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে আনা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা ৪৬ জনের মধ্যে এই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১৩ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে তোলা হলো।

১৩ আসামি হলেন– সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, শাজাহান খান, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে অসুস্থ থাকায় ড. আব্দুর রাজ্জাককে আনা হয়নি বলে জানা গেছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নির্বাচন দ্রুত হবে : সারজিস আলম

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:২৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নির্বাচন দ্রুত হবে : সারজিস আলম

    মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি: জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমাদের জায়গা থেকে আমরা মনে করি অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকারকে তিন, চার, পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার কথা বলছি না। আবার কেউ যদি বলে ছয় মাস, এর মতো অযৌক্তিক কোন কথা হতে পারে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে ১০০ দিনে যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি, তবে রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করলে এই সরকারের অবস্থান আরও ভাল হতো। সকল রাজনৈতিক দলগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এই মুহূর্তে সহযোগিতা করা উচিৎ। তারা যদি সরকারকে সহযোগিতা করে তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে। নির্বাচন দ্রুত হবে।

    রবিবার (১৭ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সাথে তিনি এসব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, এই সংস্কার সিস্টেমের প্রত্যেকটি জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলো দেশের কথা, দেশের মানুষের কথাকে প্রায়োরিটি না দিয়ে কিভাবে ব্যক্তির স্বার্থ প্রাধান্য পায়, দলীয় স্বার্থ প্রাধান্য পায়, কিভাবে নিজের দলের মানুষকে একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো যায়। এগুলো নিয়ে তারা ব্যস্ত হয়ে গেছে। বাজারে গেলে সাধারণ মানুষ চাহিদা মতো কেনা-কাটা করতে পারে না। বাজার সিন্ডিকেটগুলো হাত বদল হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, দুই হাজার মানুষ পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা না করে জীবন দিয়েছে শুধু মাত্র একটি নির্বাচনের জন্য নয়। তাহলে বিগত ১৬ বছরে সকল মানুষ এক সাথে রাজপথে নেমে যেতো। এই মানুষগুলো এক সাথে নেমেছে যখন খুনি হাসিনার করাপটেড প্রত্যেকটি সিস্টেম ধ্বংশ হয়ে গিয়েছিল। মানুষ প্রত্যেকটি জায়গায় মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। সাধারণ মানুষের সেবা পেতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাচ্ছিল। মানুষকে টাকা দিতে হতো, সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি ছিল, তখন এই সামগ্রিক সিস্টেমগুলোর বিরুদ্ধে ছাত্র জনতা এক সাথে রাজ পথে নেমেছিল। ১৬ বছরে যে সমাধানটি রাজনৈতিকভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেই খুনি হাসিনার পতন হয়েছে ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি মাহমুদুল হক সানু, সমন্বয়ক মো. মাহিম সরকার, টাঙ্গাইলের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আল আমিন, মো. কামরুল ইসলাম, আল আমিন সিয়াম প্রমুখ।

    মো.জাহিদ হোসেন/

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাবির দেড় হাজার নবীন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হলো কোরআন-মহানবীর জীবনী

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০:৫১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ঢাবির দেড় হাজার নবীন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হলো কোরআন-মহানবীর জীবনী

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ সেশনের ১ হাজার ৫০০ নবীন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কোরআন শরীফ ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনীগ্রন্থ সিরাত উপহার দিয়ে বরণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাওয়াহ এসোসিয়েশন।

      রোববার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটরিয়ামে ব্যতিক্রম এই নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

      কোরআন শরীফ, সিরাতগ্রন্থ ছাড়াও এই দেড় হাজার শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে দোয়ার বই, প্রসপেক্টাস ও অন্যান্য বই।

      অনুষ্ঠানে ইসলামিক আলোচক অধ্যাপক মোখতার আহমেদ বলেন, “যদি আপনি কোরআনের কাছে আসেন তাহলে আপনি আন্দোলিত হবেন, আপনার মনের কষ্ট দূর হয়ে যাবে। শিক্ষার্থীরা যেন দ্বীনের পথে অবিচল থাকে, আল্লাহ ও তার রাসূলকে জানতে পারে, সেজন্য আজকে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোরআন ও সীরাত গ্রন্থ পৌছে দেওয়া হয়েছে।”

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম ও খতীব নাজির মাহমুদ বলেন, “আজকে যাদের হাতে কোরআন ও সীরাত গ্রন্থ পৌছে দেওয়া হলো তাদের মনে রাখা উচিত- আমরা যতদিন কোরআনের উপর থাকব ততদিন আমরা পথ হারাব না। কোরআনকে ছেড়ে দিলে আমরাও সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হব।”

      অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাওয়াহ এসোসিয়েশনের পরিচালক হামিদুর রশিদ জামিলের সভাপতিত্বে আল কোরআন একাডেমী লন্ডনের চেয়ারম্যান হাফেজ ড. মুনির উদ্দীন আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক, শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ ইসলামিক থটের মহাপরিচালক ড. এম আবদুল আজিজ, পিএসসি, জি (অব.) কর্নেল মো. জাকারিয়া হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কবি, লেখক ও চিন্তাবিদ মুসা আল হাফিজ, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম এর সহকারী অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম অপুসহ দাওয়া এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নোবিপ্রবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০:২১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        নোবিপ্রবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ

        নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শরীরচর্চা বিভাগের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্ট মাঠে গড়িয়েছে।টুর্নামেন্ট কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ উঠেছে।এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

        গত ১১ নভেম্বর (সোমবার) থেকে নোবিপ্রবিতে শুরু হয় আন্তঃবিভাগীয় বার্ষিক ফুটবল টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টের ১ম রাউন্ডে প্রাণীবিদ্যা বিভাগ বনাম ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন সায়েন্স বিভাগের ম্যাচে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মারোওয়া নুভান নামে এক শিক্ষার্থী খেলায় অংশগ্রহণ করে। নুভান বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন কর্মী ও ভাষা শহিদ আবদুস সালাম হল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ৫ই আগস্ট তিনি এক দফার কবর দেওয়া স্ট্যাটাস সহ স্বৈরাচার সরকারের পক্ষে মাঠে ছিলেন।

        এছাড়াও ওশানোগ্রাফি বিভাগ বনাম এগ্রিকালচার বিভাগের মধ্যকার ম্যাচে ওশানোগ্রাফী বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেরাজ ইসলাম তুহিনকে খেলতে দেখা যায়। তুহিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ আবদুস সালাম হল শাখার উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

        স্বৈরাচারের দোসরদের এভাবে ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের পুনর্বাসনের একটা মাধ্যম হিসেবে দেখছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “এই ছেলে গুলো আমাদেরকে নিয়মিত মেসেঞ্জারে হুমকি দিয়েছিলো আন্দোলনে যাবার কারণে। যেখানে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সেখানে তাদেরকে উল্টো পুনর্বাসিত করছে প্রশাসনে থাকা কিছু দুষ্কৃতকারী।”

        আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “জুলাই বিপ্লবের সময় যারা আমার ভাইদেরকে শহীদ করেছে তারা আজ দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের তো কোন অনুশোচনা নাই-ই, উল্টো বুক ফলে চলছে। মনে হয় তারা কিছু করে নাই। তাদের এই সুযোগটা করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা বিভাগ। আমি মনে করি এই বিভাগের মধ্যে আওয়ামী দোসররা এখনো রয়ে গেছে যার ফলে তারা তার আত্মার সন্ত্রাসী ভাইদের বাধা দিতে পারছে না।”

        এই নিয়ে শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, কোন বিভাগ থেকে অভিযোগ জানালে তারা অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে অংশগ্রহণ করতে দিবে নাহ। তবে এগ্রিকালচার বনাম ওশানোগ্রাফী ম্যাচে তুহিনের বিরুদ্ধে শরীরচর্চা বিভাগকে অভিযোগ জানানোর পরেও তুহিনকে খেলতে দেওয়া হয়।

        এ বিষয়ে শরীরচর্চা বিভাগের পরিচালকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোন সাড়া মিলেনি।

        এ বিষয়ে নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ড. রেজুয়ানুল হক বলেন, কোন শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে ক্যাম্পাসে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থেকে থাকলে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          খুবির ইংরেজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে মুগ্ধ ওয়াটার কর্নার উদ্বোধন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০:১৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          খুবির ইংরেজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে মুগ্ধ ওয়াটার কর্নার উদ্বোধন

          খুবি প্রতিনিধি : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ইংরেজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ‘মুগ্ধ ওয়াটার কর্নার’ উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম। আজ রবিবার (১৭ নভেম্বর) বিকালে কবি জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে এর উদ্বোধন করেন তিনি।

          প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, "মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ আমাদের ছাত্র ও সন্তানতুল্য। তাঁর মতো আমাদের সবাইকে একদিন চলে যেতে হবে। তখন পৃথিবীতে থাকবে শুধু কৃতকর্মের চিহ্নগুলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মুগ্ধ যেভাবে আন্দোলনরত পিপাসু শিক্ষার্থী-জনতাকে পানি সরবরাহ করতে করতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে স্মৃতি কখনও ভোলার মতো নয়। মৃত্যুর আগমুহূর্তে তাঁর বলা কথাগুলো ‘পানি লাগবে পানি’ মানুষের হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।"

          তিনি আরও বলেন, "আমরা যদি কাউকে সম্মান দেই, আমরাও সম্মানিত হবো, ভালো মানুষ হবো। নতুন প্রজন্মের স্বাধীনতা অর্জনে মুগ্ধ’র অবদান ও ভূমিকা অগ্রণী। মুগ্ধ’র স্মৃতি রক্ষার্থে এ পানি কর্নারটি করা হয়েছে। এজন্য আমি ইংরেজি ডিসিপ্লিনকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে অন্যান্য ডিসিপ্লিনগুলোকে এ ধরনের কাজে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।"

          অনুষ্ঠানে কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন এবং ইংরেজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, "আমাদের বীর আমাদের মুগ্ধকে আমরা হারিয়েছি। আমরা মুগ্ধর স্মৃতিকে চির অম্লান রাখান জন্য সবটা করবো। তার ফলশ্রুতিতে 'মুগ্ধর ওয়াটার কর্নার' তৈরি করেছি। এই ওয়াটার কর্নারে প্রতিদিন তিন শতাধিক শিক্ষার্থী সুপেয় পানি পান করতে পারবে। খুবিতে এই ইংরেজি ডিসিপ্লিনই প্রথম মুগ্ধর স্মরণে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিলো। মুগ্ধ বেঁচে থাকবে তার কর্মে আর আমাদের প্রচেষ্টায়।"

          পরে মীর মুগ্ধসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত