ঢাকা, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ৩ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাবিতে নানা আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৮:২
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাবিতে নানা আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাবি প্রশাসন ও ১৭ টি হলের সমন্বয়ে সিনেট ভবনের সামনে থেকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে শুরু হয় র‍্যালি।

এরপর র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশ দিয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ হয়ে সিরাজী ভবন ও প্যারিস রোড হয়ে সিনেট ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১ টায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা ও শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হয় শিক্ষক দিবসের আলোচনা সভা ও শিক্ষক সম্মাননার অনুষ্ঠান।

এ বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকের কন্ঠস্বর : শিক্ষায় একটি নতুন সামাজিক অঙ্গীকার।’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৩ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে যে তিনজন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয় তারা হলেন রাবি অর্থনীতি বিভাগের সাবেক প্রফেসর ও ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক উপার্চায প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, রাবি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক প্রফেসর ড. দাশ বাসদেব কুমার, ও প্রফেসর ড. মো.একে.এম আজহারুল ইসলাম বীর প্রতীক।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড.রফিকুল ইসলাম বলেন,"আজকে যে গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে তাদেরকে সম্মান প্রদানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় নিজের সম্মান বৃদ্ধি করেছে। আশা রাখছি বিশ্ববিদ্যালয় এই ধরনের আয়োজন বারবার আয়োজন করবে। শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় বিদ্যালয় থেকে। গ্ৰিক দার্শনিক এরিস্টটল বলেছিলেন শিশুদের শিক্ষায় শিক্ষকদের অবদান তার অভিভাবকদের থেকেও বেশি। শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের থেকেও বেশি অবদান রাখে তার শিক্ষকরা।

তিনি আরো বলেন, শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম ও জ্ঞান উৎসর্গ করার স্বীকৃতি হলো বিশ্ব শিক্ষক দিবস। একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি অলঙ্কারিত করার দায়িত্ব আমাদের। মনে রাখতে হবে শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান প্রণয়নের জন্য নয়। শিক্ষকরা যে অনুপ্রেরণা ও রোল মডেল তৈরি করেন তা শিক্ষার্থীদের জীবনকে আলোকিত করবে।"

উপার্চায প্রফেসর ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, "শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড বা শিক্ষক জাতি তৈরি করেন, এই কথাটাই কিছুটা কমতি আছে বলে আমি মনে করি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন আমরা কি এমন কোন রাষ্ট্রে দেখতে পারবো যেখানে সকল শিক্ষক ভালো এবং সকল ছাত্ররা খারাপ আবার সকল ছাত্ররা ভালো শিক্ষকরা ভালো নয়, তারমানে শিক্ষকতা পেশাটা আদানপ্রদান এর ব্যাপার। ভালো শিক্ষক যেমন ভাল ছাত্র তৈরি করে ভালো ছাত্র তেমন ভালো শিক্ষক তৈরি করে।

তিনি আরো বলেন, আমরা বর্তমানে ইতিহাসের একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি আমাদের সামনে সম্ভাবনা ও আশাবাদী হওয়ার সুযোগ আছে। আমাদের কর্মকাণ্ডই আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন প্রকার দলীয় আঞ্চলিকতা ও আত্মীয়তা দেখা হবে না, কেবল গুন ছাড়া। আগস্ট ও জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা বহু শৃঙ্খলা ভেঙে দিয়েছে ওই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যাবে না আমরা সেই চেষ্টাই করবো। জুলাই আগস্ট এ শহীদদের রক্তকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। সুতরাং আমারা ব্যর্থ হতে পারি না।

এছাড়া ও বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এ দুটি পর্যায়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। স্নাতক পর্যায়ের রচনার বিষয় - আমার দেখা সেরা শিক্ষক। স্নাতক পর্যায়ে তিনজন প্রতিযোগিকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারা হলেন স্নাতক- আমার দেখা সেরা শিক্ষক,প্রথম মো. শামিমুল আলম- সমাজকর্ম বিভাগ, দ্বিতীয় রাফায়েত আহমেদ- নাট্যকলা বিভাগ,ফাহিমা খাতুন- উদ্ভীদ বিদ্যা বিভাগ। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিষয় ছিল আমার শিক্ষককে আমি যেভাবে দেখতে চাই। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ও তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন,প্রথম মো. বায়েজিদ- আরবি বিভাগ,দ্বিতীয় মো. মিনহাজুল আবেদীন- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট তৃতীয় মো. হাবিবুর রহমান- রসায়ন বিভাগ।

উল্লেখ্য, শিক্ষকদের সম্মানে ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রতি বছর অক্টোবরের ৫ তারিখে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি উদযাপন করে আসছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পাবিপ্রবির নতুন ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. রাশেদুল হক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৭:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    পাবিপ্রবির নতুন ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. রাশেদুল হক

    পাবিপ্রবি সংবাদদাতাঃ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(পাবিপ্রবি) ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল হক। আজ শনিবার (৫ অক্টোবর) তাকে এ পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

    শিক্ষাজীবনে ড. রাশেদুল হক খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বিএসসি করেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

    ২০১৩ সালে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক এবং বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মধ্যরাতে ঘরের কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক, অভিযোগ মল্লিকার

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৫:৫৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      মধ্যরাতে ঘরের কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক, অভিযোগ মল্লিকার

       বিনোদন ডেস্ক: মল্লিকা শেরাওয়াত। এক সময় বলিউডের ইমরান হাশমির সঙ্গে যার রসায়ন আলোড়ন ফেলেছিল। গত কয়েক বছর বলিউড থেকে কিছুটা দূরে থাকার অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর কামব্যাক করেন মল্লিকা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের অন্দরের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অভিনেত্রী।

      মল্লিকার অভিযোগ, এক সহ-অভিনেতা তাকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন। অতীতের কথা স্মরণ করে তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ ঘটনা। দুবাইয়ে একটি ছবির শ্যুটিংয়ের সময় এ ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান অভিনেত্রী।

      এক সাক্ষাৎকারে মল্লিকা বলেছেন, ‘একটা ঘটনা বলি। দুবাইয়ে একটি বড় মাপের ছবির শ্যুটিং করছিলাম। একাধিক বড় তারকা ছিলেন ছবিতে। এই ছবি বক্স অফিসে বিপুল সাড়া ফেলেছিল। দর্শকের ছবিটি পছন্দ হয়েছিল। আমিও একটি মজার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম।’

      এরপরই এক বিস্ফোরক দাবি করেন মল্লিকা। বলেন, ‘দুবাইয়ের হোটেলে রোজ রাত বারোটায় আমার ঘরে এসে কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক। কড়া নাড়ার এমন জোর ছিল, আমি ভাবতাম, দরজাটা বোধহয় ভেঙেই গেল। ওই নায়ক আমার শয়নকক্ষে আসতে চাইতেন। আমি জানতাম, এটা আমি কখনওই হতে দেব না। এর পরে ওই নায়ক আর আমার সঙ্গে কোনও কাজ করেননি।’

      মল্লিকা সেই অভিনেতার নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু তার এই বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৫:৩২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

        বেরোবি প্রতিনিধিঃ ‘শিক্ষকের কণ্ঠস্বর; শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।

        আজ শনিবার (৫ই অক্টোবর) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা ড. ইলিয়াস প্রামাণিক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. বিজন মোহন চাকী, এবং আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।

        এ সময় গণিত বিভাগের অধ্যাপক ও আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষকদের মান, মর্যাদা, এবং কাজের স্বীকৃতির জন্যই শিক্ষক দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষকদের নিয়োগ, বেতন-ভাতা এবং কর্মপরিবেশ সম্পর্কে ইউনেস্কোর একটি সুপারিশ রয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে, আমাদের দেশে শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিদেশে শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু বাংলাদেশে সেই সুবিধা নেই। আমরা শিক্ষকেরা আমাদের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারি।"

        কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. ইলিয়াস প্রামাণিক বলেন, আমরা যে পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাতে বর্তমান সরকার শিক্ষকদের বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টা পর্যায়েও আমাদের শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে, যা আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক সময় বলে মনে করি। যদি এ বিশ্ববিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, তবে ভবিষ্যতে দেশ উন্নতির পথে অগ্রসর হবে। অন্যথায়, আমরা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হতে পারি।

        শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. বিজন মোহন চাকী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আমরা লক্ষ্য করেছি যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে, যা আমি মনে করি অত্যন্ত অনুচিত। শিক্ষকদের ওপর আক্রমণ ছিল অধিক মাত্রায়। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার্থে একটি জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করা উচিত, যা আমাদের সামাজিক পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের মর্যাদা যেমন সুরক্ষিত হবে, তেমনি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          পবিপ্রবিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৪:৩৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          পবিপ্রবিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

          পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১০ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র‌্যালি বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রম শেষে কৃষি অনুষদের কনফারেন্স রুমে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

          উক্ত আলোচনা সভায় ল্যান্ড ল অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে ও কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।

          বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষক হিসেবে রাগ করে নয় শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে, কাউন্সিলিং করে পড়াতে হবে। সব শিক্ষার্থী নয়, যদি একটি ছেলেও আপনার দ্বারা উপকৃত হয় তাহলে আপনার শিক্ষকতা সফল হবে। আপনি আপনার ডিপার্টমেন্টে ভুমিকা রাখেন, আপনার পাবলিকেশনে খিয়াল রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় আপনার মূল্যায়ন করবে।"

          আরোও উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. মাহবুব রাব্বানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল বাশার খান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবীর,সিএসই অনুষদের সাবেক ডিন মো. জামাল হোসেন, কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মহসিন হোসেন, অধ্যাপক ড. মামুন আর রশীদসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ। এসময় বক্তারা শিক্ষকদের শ্রদ্ধা, সম্মান ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সহ শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্র বান্ধব পরিবেশ তৈরি, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা, কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ভূমিকা রাখার কথা আলোচনা করেন।

          উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব ব্যাপী শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান রক্ষা এবং সমাজে তাদের অবদানকে স্মরণ করার পাশাপাশি শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্বের ১০০টি দেশে সকল শিক্ষক সংগঠন গুলো এই দিবসটি পালন করে থাকে। । এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল "শিক্ষকের কণ্ঠস্বর: শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার।"

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত