ঢাকা, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ২৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মধ্যরাতে ঘরের কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক, অভিযোগ মল্লিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৫:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যরাতে ঘরের কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক, অভিযোগ মল্লিকার

 বিনোদন ডেস্ক: মল্লিকা শেরাওয়াত। এক সময় বলিউডের ইমরান হাশমির সঙ্গে যার রসায়ন আলোড়ন ফেলেছিল। গত কয়েক বছর বলিউড থেকে কিছুটা দূরে থাকার অনেকটা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর কামব্যাক করেন মল্লিকা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের অন্দরের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন অভিনেত্রী।

মল্লিকার অভিযোগ, এক সহ-অভিনেতা তাকে যৌন হেনস্তা করেছিলেন। অতীতের কথা স্মরণ করে তুলে ধরলেন সেই ভয়াবহ ঘটনা। দুবাইয়ে একটি ছবির শ্যুটিংয়ের সময় এ ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান অভিনেত্রী।

এক সাক্ষাৎকারে মল্লিকা বলেছেন, ‘একটা ঘটনা বলি। দুবাইয়ে একটি বড় মাপের ছবির শ্যুটিং করছিলাম। একাধিক বড় তারকা ছিলেন ছবিতে। এই ছবি বক্স অফিসে বিপুল সাড়া ফেলেছিল। দর্শকের ছবিটি পছন্দ হয়েছিল। আমিও একটি মজার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম।’

এরপরই এক বিস্ফোরক দাবি করেন মল্লিকা। বলেন, ‘দুবাইয়ের হোটেলে রোজ রাত বারোটায় আমার ঘরে এসে কড়া নাড়তেন ছবির নায়ক। কড়া নাড়ার এমন জোর ছিল, আমি ভাবতাম, দরজাটা বোধহয় ভেঙেই গেল। ওই নায়ক আমার শয়নকক্ষে আসতে চাইতেন। আমি জানতাম, এটা আমি কখনওই হতে দেব না। এর পরে ওই নায়ক আর আমার সঙ্গে কোনও কাজ করেননি।’

মল্লিকা সেই অভিনেতার নাম উল্লেখ করেননি। কিন্তু তার এই বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৫:৩২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

    বেরোবি প্রতিনিধিঃ ‘শিক্ষকের কণ্ঠস্বর; শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার’—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে।

    আজ শনিবার (৫ই অক্টোবর) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা ড. ইলিয়াস প্রামাণিক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. বিজন মোহন চাকী, এবং আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ।

    এ সময় গণিত বিভাগের অধ্যাপক ও আইকিউএসি পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষকদের মান, মর্যাদা, এবং কাজের স্বীকৃতির জন্যই শিক্ষক দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। শিক্ষকদের নিয়োগ, বেতন-ভাতা এবং কর্মপরিবেশ সম্পর্কে ইউনেস্কোর একটি সুপারিশ রয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে, আমাদের দেশে শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিদেশে শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন-ভাতা নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু বাংলাদেশে সেই সুবিধা নেই। আমরা শিক্ষকেরা আমাদের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারি।"

    কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. ইলিয়াস প্রামাণিক বলেন, আমরা যে পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তাতে বর্তমান সরকার শিক্ষকদের বিশেষ প্রাধান্য দিচ্ছে। সরকারের উপদেষ্টা পর্যায়েও আমাদের শিক্ষকদের ভূমিকা রয়েছে, যা আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক সময় বলে মনে করি। যদি এ বিশ্ববিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, তবে ভবিষ্যতে দেশ উন্নতির পথে অগ্রসর হবে। অন্যথায়, আমরা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হতে পারি।

    শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. বিজন মোহন চাকী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আমরা লক্ষ্য করেছি যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে, যা আমি মনে করি অত্যন্ত অনুচিত। শিক্ষকদের ওপর আক্রমণ ছিল অধিক মাত্রায়। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার্থে একটি জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করা উচিত, যা আমাদের সামাজিক পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং একটি শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের মর্যাদা যেমন সুরক্ষিত হবে, তেমনি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পবিপ্রবিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৪:৩৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      পবিপ্রবিতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন

      পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১০ টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র‌্যালি বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিক্রম শেষে কৃষি অনুষদের কনফারেন্স রুমে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

      উক্ত আলোচনা সভায় ল্যান্ড ল অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোঃ আব্দুল লতিফ এর সভাপতিত্বে ও কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. মো. আবু ইউসুফের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।

      বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, "শিক্ষক হিসেবে রাগ করে নয় শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে, কাউন্সিলিং করে পড়াতে হবে। সব শিক্ষার্থী নয়, যদি একটি ছেলেও আপনার দ্বারা উপকৃত হয় তাহলে আপনার শিক্ষকতা সফল হবে। আপনি আপনার ডিপার্টমেন্টে ভুমিকা রাখেন, আপনার পাবলিকেশনে খিয়াল রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় আপনার মূল্যায়ন করবে।"

      আরোও উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. মাহবুব রাব্বানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবুল বাশার খান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবীর,সিএসই অনুষদের সাবেক ডিন মো. জামাল হোসেন, কৃষি অনুষদের অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. মহসিন হোসেন, অধ্যাপক ড. মামুন আর রশীদসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ। এসময় বক্তারা শিক্ষকদের শ্রদ্ধা, সম্মান ও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সহ শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্র বান্ধব পরিবেশ তৈরি, গবেষণা, উচ্চশিক্ষা, কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের ভূমিকা রাখার কথা আলোচনা করেন।

      উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ অক্টোবর বিশ্ব ব্যাপী শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান রক্ষা এবং সমাজে তাদের অবদানকে স্মরণ করার পাশাপাশি শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্বের ১০০টি দেশে সকল শিক্ষক সংগঠন গুলো এই দিবসটি পালন করে থাকে। । এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল "শিক্ষকের কণ্ঠস্বর: শিক্ষায় নতুন সামাজিক অঙ্গীকার।"

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শাহবাগে বৃষ্টিতে ভিজে জাতীয় নাগরিক কমিটির সমাবেশ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১৪:২২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শাহবাগে বৃষ্টিতে ভিজে জাতীয় নাগরিক কমিটির সমাবেশ

        ঢাবি প্রতিনিধি: জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন, আহতদের চিকিৎসা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে শাহবাগে বৃষ্টিতে ভিজে নাগরিক সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি।

        আজ শনিবার (৫ অক্টোবর )সকাল ১১ টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির আহব্বায়ক নাসিরউদ্দীন পাটয়ারী, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির অন্যান্য সদস্য, ও জুলাই অভুথানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

        সমাবেশে শহীদ মোমিনুল ইসলামের বাবা সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার ছেলে গত ( ১৯)জুলাই গুলশানে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।আমি কখনো ভাবতে পারিনি আমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবো। আমার ছেলে আজকে আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে। আমরা ছেলের জন্য আমি গর্ববোধ করি।কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার ছেলের হত্যাকারীদের এখনো বিচার হয়নি। আমার ছেলে দেশের জন্য যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছে। আমি অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই আমি যেন হত্যাকারীদের বিচার দেখে মরতে পারি।

        শহীদ মারুফ হোসেনের বাবা বলেন, আমি খেটে খাওয়া মানুষ। আমার ছেলে গত (১৯ জুলাই) বাড্ডায় যখন পুলিশের গুলিতে আহত হয়,তখন আমার ছেলেকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ গতিরোধ করে।পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে আমার ছেলে মারা যায়।ডিবি পুলিশ আমার বাসায় যায়। আমাকে জামায়াত শিবির বলে ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করে।দেশ স্বাধীনের পর আমি ২৮ জনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মামলা করি। কিন্তু দুঃখের বিষয় সবাই পলাতক। আমি তাহলে কাদের কাছে বিচার চাইবো।দেশ স্বাধীনের পর যেসব সমন্বয়কের ডাকে আমার ছেলে রাস্তায় জীবন দিয়েছে সরকার পতনের পর তারা একটাবার ও আমার খোঁজ নেয়নি।আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের বিচার চাই।

        সমাবেশে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহব্বায়ক নাসিরউদ্দীন পাটয়ারী বলেন,বাংলাদেশের ছাত্ররা আরেকটা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যেসব দলের নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল তারাও নিজেদের দল গোছাতে ব্যস্ত।আওয়ামী সরকারের সংবিধান বাতিল করে দ্রুত নতুন সংবিধান করতে হবে। লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে হবে।যাদের নির্দেশে নির্বিচারে গণহত্যা চালানো হয়েছে তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই করতে হবে।আমরা রাজনীতির মাঠে প্রতিযোগিতা চাই। আর কোনো প্রতিহিংসা চাইনা।আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে অনুরোধ করবো যেন দ্রুত হত্যাকারীদের বিচার করা হয়।

        জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন,আপনারা জানেন আওয়ামীলীগ সরকার গত কয়েকবছর থেকে বাংলাদেশের মানুষেরা সাথে অন্যায় করেছে। ভারতীয় গোলামীর কারণে এখনো সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে।যারা শহীদ হয়েছে তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের সুচিকিৎসা দিতে হবে। কিন্তু দুইমাস পার হয়ে গেলেও আমরা কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। যারা জুলাই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তারা এখনো বাহিরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েই চলছে। সাধারণ মানুষেরা নাগালের বাহিরে যাচ্ছে। আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই, শত শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আছে এই বাংলাদেশ। শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করবেননা। যাদের কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে সে সকল সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।

        সমাবেশ থেকে জানানো হয়, হত্যাকারীদের বিচার ও মামলা পরিচালনা করার জন্য সারাদেশে সাত সদস্যের আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে।

        প্রসঙ্গত, গত (৮ সেপ্টেম্বর )রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও 'নতুন বাংলাদেশের' রাজনৈতিক বন্দোবস্ত সফল করার লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করে নতুন এ জাতীয় নাগরিক কমিটি।যেটির আহ্বায়ক মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে নোবিপ্রবির কৃষিবিভাগ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:১০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে নোবিপ্রবির কৃষিবিভাগ

          নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি ) কৃষিবিভাগের পক্ষ হতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ১২০ জন কৃষকের  মাঝে ধানের চারা, ১০০ বস্তা সার ও কীটনাশক,৭৫০০ বিভিন্ন প্রজাতির সবজির চারা  বিতরণ করা হয়।

          ৪ই অক্টোবর নোবিপ্রবি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে গ্যারেজে সকাল ১০টা থেকে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

          কৃষি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহায়তায় নিজস্ব রিসার্চ ফিল্ডে ২ একর জমিতে এই ধানের চারা উৎপাদন করা হয়।উৎপাদিত এই ধানের চারা দিয়ে ১২৬ বিঘা জমি রোপণ করা সম্ভব বলে জানান এগ্রিকালচার বিভাগটি। এছাড়া সার ও কীটনাশক এবং বিভিন্ন প্রকার সবজির চারা বিতরণে আর্থিক সাহায্য  করেছে ঢাকা ব্যাংক পিএলসি।

          বিতরণের সময় কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আতিকুর রহমান ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড.গাজী মো: মহসীন এবং সহযোগী অধ্যাপক ড.কাওসার হোসেন সহবিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

          বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এক কৃষক বলেন, নোয়াখালীর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্টের সহায়তায় আমরা ধানের চারা,সার এবং কীটনাশকসহ কিছু কৃষি উপকরণ পাচ্ছি।এসব চারা দিয়ে আমরা কৃষকরা বন্যার ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।ধন্যবাদ কৃষি বিভাগের  শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের।

          বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আরেকজন কৃষক বলেন, নোবিপ্রবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আজকে আমাদের মাঝে ধানের চারা, সার,কীটনাশক ইত্যাদি উপহার দিচ্ছে।এতে আমরা খুবই আনন্দিত।আমর এগুলো দিয়ে চাষাবাদ করে পরিবারের চাহিদা মিটাতে পারবো।

          বিতরণ বিষয়ে নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.কাওসার হোসেন বলেন, নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, ঢাকা ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবংঅন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সহায়তায় বন্যার্ত পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় শতাধিক  কৃষকের মাঝে আমরা ধানের চারা,সার,কীটনাশক ও সবজির চারা বিতরণ করছি।ভবিষ্যতে আমাদের শিক্ষার্থীদের এমন আরও ভালো কাজে সম্পৃক্ততা আশা করছি।

          নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আতিকুর রহমান ভূঞা বলেন-বিশেষভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই কৃষি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের,উপজেলা কৃষি অফিসারদের। তাঁরা অনেক পরিশ্রম করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় আমরা আজকে কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করতে পেরেছি। এই মহৎ কাজে ঢাকা ব্যাংকসহ যারা আর্থিকভাবে,শারীরিকভাবে অর্থাৎ কায়িকশ্রম দিয়ে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাদেরকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই।

          উল্লেখ্য এর আগে গতকাল(৩ই অক্টোবর) ধানের চারা, সার,সবজির চারা বিতরণ  কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য  অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইসমাইল।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত