ঢাকা, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাবি শিক্ষক মামুনকে অপসারণের দাবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ অক্টোবর, ২০২৪ ১৪:৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাবি শিক্ষক মামুনকে অপসারণের দাবি বিভাগের শিক্ষার্থীদের

রাবি প্রতিনিধি: অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আব্দুল আল মামুনকে বিভাগ থেকে অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনে বিভাগের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।

বিগত ৬ বছর বিভাগের পরিচালক থাকা অবস্থায় বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও বর্তমান পরিচালককে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য করার অভিযোগও উঠেছে।

এসময় "এক দুই তিন চার মামুন তুই আইআর ছাড়", "জেগেছে রে জেগেছে আইআর বাসী জেগেছে", "এক দফা এক দাবি মামুন তুই কবে যাবি?", "মামুনের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে", "অ্যাকশন টু অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন" এমনসব স্লোগান দেন তারা।

আন্তর্জাতিক বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী নওশিন ইসলাম বলেন, উনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ৬ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের ওপর নানা রকম অনিয়ম অত্যাচার করে আসছে। বিভাগের সেশনজট, অর্থ কেলেঙ্কারি ও যৌন হয়রানির সাথে উনি জড়িত। বোরকা পরাকে সে পতিতাবৃত্তি বলেছেন। এরকম শিক্ষককে আমরা আমাদের বিভাগে চাই না। আমাদের বিভাগের না হয়েও সে থাকার জন্য নানা রকম তালবাহানা শুরু করেছে। আমরা উপাচার্য বরাবর একটি দরখাস্ত দিয়েছি কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি।

আরেক শিক্ষার্থী ওমর ফারুক তুফান বলেন, সে দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের বিভাগে অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছে। উনি ইতিহাস বিভাগ থেকে আমাদের বিভাগে চেয়ারম্যান হয়ে আসছিল। তার আগেই চলে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু সে অনিয়ম, দালালী করে থেকে গেছে। কিন্তু আমরা তাকে এই বিভাগে আর দেখতে চাইনা। আমরা চেয়ারম্যান স্যার কে গতকাল লিখিত অভিযোগ দিয়েছি কমিটি করার জন্য। আইআর বিভাগ থেকে তার অপসারণ চাই। তারপর কি করবে তা প্রশাসন ঠিক করবে।

বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী রাউফু ইসলাম ইতু বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অবস্থান তৈরি হয়েছে তার জন্য সে নিজেই দায়ী। সে এই বিভাগে থাকলে সবাই বিপদে থাকবে। তার যখন মন চাচ্ছে যার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। আমাদের শিক্ষকরাও সেইফ না তার কাছে। ক্লাসে পড়ানোর নামে সে পারিবারিক গল্প করে। সে আমাদের সিনিয়রদের ছাত্রত্ব বাতিলের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছে। সে জুলাই বিপ্লবে খুনি হাসিনার পক্ষ নিয়েছে। ছাত্র হত্যার পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট ও করেছে। আমরা আর তাকে এই বিভাগে দেখতে চাই না।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭০ বছর আগে রচিত নাটক মঞ্চস্থ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২ অক্টোবর, ২০২৪ ১৪:০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭০ বছর আগে রচিত নাটক মঞ্চস্থ

    শাকিল বাবু, জাককানইবি প্রতিনিধি: ত্রিশালের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া হায়দার থিয়েটার ল্যাব এ মঞ্চস্থ হলো ১৭০ বছর আগে রচিত নাটক 'কুলীন কুলসর্বস্ব'।

    মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নাটকটি মঞ্চায়িত হয়েছে। এই নাটকের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ছিলেন থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মুশফিকুর রহমান (হীরক মুশফিক)। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চিরায়ত বাংলা নাটক মঞ্চায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশনায় বিভিন্ন বিভাগের প্রায় পঞ্চাশ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে দেশজ নাট্যের আঙ্গিকে নতুনভাবে মঞ্চায়িত হয়েছে এই নাটক।

    রামনারায়ণ তর্করত্ন ১৮৫৪ সালে নাটকটি রচনা করেন। নাটকটি মূলত উনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সমাজের কুলীন প্রথা ও তার অপব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে রচিত। কুলীন ব্রাহ্মণদের বহুবিবাহ প্রথা, পণের জন্য মেয়েদের পরিবারের প্রতি শোষণ এবং সে সমাজের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে এখানে।

    নাটকটির নির্দেশক হীরক মুশফিক বলেন, "বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমার জন্যে আনন্দের। আমার শিক্ষার্থী ও বিভাগের সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি, কৃতজ্ঞতা জানাই তাদেরকে। সংস্কৃত প্রভাবজাত কুলীন কুলসর্বস্ব নাটকটিকে সাধারণ দর্শকের কাছে সহজবোধ্য করে তুলে ধরতে চেয়েছি, তাদের ব্যপক সাড়া আমাকে উৎসাহিত করেছে।"

    নাটকটির সহকারী নির্দেশক এস. এ. শিশির জানান, "বাংলাদেশে এই নাটকের শেষ কবে, কোথায় হয়েছে তা জানা নেই। তবে দেড়শো বছরেরও বেশি পুরোনো এমন একটি নাটক নতুন রূপে উপস্থাপনের সাথে যুক্ত থাকতে পারাটা নিঃসন্দেহে আনন্দের।"

    বলা হয়ে থাকে, বাংলা ভাষায় প্রথম সামাজিক মৌলিক নাটক 'কুলীন কুলসর্বস্ব'। তৎকালীন সময়ের প্রেক্ষিতে নানান হাস্য-রস, কটাক্ষ তথা প্রহসনের মধ্য দিয়ে নাটকের গতি এগিয়ে চলে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সঙ্গীত-নৃত্য-গীত-ছন্দ ইত্যাদির সম্মিলন ও দেশজ আঙ্গিকে এর উপস্থাপন যেন দর্শককে নাটকটিতে নিবিষ্ট করে রাখে। দীর্ঘদিন পরে এমন একটি নাটকের উপস্থাপনায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

    এ নাটকে নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ছাড়াও, ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিস, ইইই, সংগীত, নৃবিজ্ঞান এর মতো বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন পরিকল্পনায় ছিলেন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ।

    উল্লেখ্য, এই নাটকটি তৎকালীন সমাজে বহুবিবাহ ও সমন্বয় কুলীন প্রথার বিরুদ্ধে একটি সোচ্চার প্রতিবাদ হিসেবেও গণ্য হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাবির নবীন শিক্ষার্থীদের শিবির সভাপতির শুভেচ্ছা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১ অক্টোবর, ২০২৪ ২১:২৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ঢাবির নবীন শিক্ষার্থীদের শিবির সভাপতির শুভেচ্ছা

      ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের ঢাবি শাখার সভাপতি সাদিক কায়েম।

      মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি নবীনদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা জানান।

      শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ঢাবি শিবির সভাপতি বলেন, প্রাণের ক্যাম্পাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৩ তম ব্যাচের প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, জ্ঞানের এই বৃহত্তর আঙিনায় তোমাদের জানাই আহলান-সাহলান। আল্লাহর অশেষ রহমতে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও যোগ্যতার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়েছো তোমরা। তোমাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন।

      তিনি বলেন, তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমাদের এই প্রাণের ক্যাম্পাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের (পূর্ব বাংলার) মেজরিটি মেহনতি ও মজলুম মানুষের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান। সেই স্বপ্নের অংশ এখন তোমরাও। আমাদের জাতীয় জীবনের প্রতিটি বাঁক বদলের সাক্ষী এ ক্যাম্পাসের কার্জন, বটতলা, শ্যাডো, ডাকসু, টিএসসি থেকে সেন্ট্রাল লাইব্রেরি কিংবা পলাশী থেকে সেন্ট্রাল মসজিদের অভিজ্ঞতায় সিক্ত হতে চলা তোমাদের জীবনের এই অধ্যায়টি মসৃণ ও সৃজনশীল হবে বলে দোয়া করছি।

      তিনি আরও বলেন, স্নেহাশিস নবীন শিক্ষার্থীরা, তোমাদের উপর ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা দায়বদ্ধতা রয়েছে। প্রতিটি সুন্দর ও স্বপ্নিল আকাঙ্ক্ষা পূরণে তোমরা অগ্রগামী হবে, এই প্রত্যাশা রাখছি। খেয়াল রাখবে, কিছুতেই যেন ভেস্তে না যায় নিজেকে প্রমাণ করার এই শ্রেষ্ঠ সুযোগ।

      সাদিক বলেন, রাজধানীর সুপ্রসিদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানের একজন উচ্চবিত্ত শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সীমান্তের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন কৃষক কিংবা দিনমজুরের সন্তান, সকলকেই এই বিশ্ববিদ্যালয় ধারণ করে। এমন বৈচিত্র্য আমাদের নতুনের সাথে পরিচয় করায়, জানার পথকে করে উন্মুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় দেখা হবে বিভিন্ন চিন্তার মানুষের সাথে, বৈচিত্র্যময় সব মতের অভিজ্ঞতা তোমাকে করবে আরো সমৃদ্ধ। ব্যক্তিগত চিন্তার বাইরে অন্যের মতামত বা দর্শনকে শুনতে পারার যোগ্যতা, তোমার চিন্তার দিগন্তে এনে দিতে পারে নতুন আলো।

      নবীন শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্ত জ্ঞানচর্চার জায়গা- এই দর্শনটা ধারণ করবে। সুপিরিওরিটি বা ইনফেরিওরটি কমপ্লেক্স যেন গ্রাস করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ইতিবাচক সবার সাথে নিজেকে শামিল করতে হবে দ্বিধাহীনভাবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বয়কটের ঘোষণা বুটেক্স শিক্ষার্থীদের

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১ অক্টোবর, ২০২৪ ২০:৫৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বয়কটের ঘোষণা বুটেক্স শিক্ষার্থীদের

        বুটেক্স প্রতিনিধি: বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত সংস্কারে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত দাবিসমূহ না মানায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-ল্যাব-পরীক্ষা বয়কট করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা।

        সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম, ৪৮তম ও ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বয়কট করে সামাজিক-যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রচার করে। অনতিবিলম্বে তাদের দাবিসমূহ মেনে না নিলে ক্লাসে না ফেরার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

        আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর গত ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি পেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ আলিমুজ্জামান বরাবর। দাবির প্রেক্ষিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিসহ ২০টি কমিটি গঠন করা হয় এবং প্রত্যেক কমিটির আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। তবে সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো কমিটিই এখনো অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ করতে পারেনি।

        উক্ত কমিটিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষা চালু সংক্রান্ত কমিটি। কমিটির কিছু কাজ দৃশ্যমানও হয়েছিল। কিন্তু প্রতিনিধিদের দাবি, সংশ্লিষ্টরা দিনের পর দিন তাদের আশ্বাস দিয়ে আসছে কিন্তু দাবি আদায় আর হচ্ছে না এবং বারবার উপাচার্যসহ বিভিন্ন শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেও তারা কোনো ফল পাচ্ছে না। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং অন্যান্য কমিটির দৃশ্যমান ফলাফল না দেখায় ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ব্যাচ-ভিত্তিক ক্লাস-ল্যাব-পরীক্ষা বয়কট এবং অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

        মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে ক্যাম্পাসে জড় হতে থাকে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। পরে দুপুরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।

        অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের দাবি আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও কোনো কমিটিই তাদের কাজ পূর্ণ করতে পারেনি এবং এখনো সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষা চালু নিয়ে বারবার মিটিং করার পরও কোনো সমাধানে আসা যায় নি। আমাদের হস্তক্ষেপে নিজ নিজ ডিপার্টমেন্টের হেড ও ডিনের কাছ থেকে একাডেমিক কাউন্সিলে সাপ্লির ব্যাপারটা ফরওয়ার্ড করেছি। এবং একাডেমিক কাউন্সিলে সাপ্লি পাসও হয়ে যায়। কিন্তু সিন্ডিকেট মিটিংয়ে কেন এই ইস্যু তোলা গেল না।

        তারা আরও বলেন, আমরা এতদিন শ্রদ্ধার জায়গা থেকে ভিসির পদত্যাগ চাইনি, কিন্তু ভিসি স্যারের কাছ থেকে আমরা কিছু প্রশ্নের জবাব চাই। সিন্ডিকেট মিটিং আয়োজন করা একজন ভিসির অন্যতম দায়িত্ব, সেখানে এজেন্ডা তুলে পাশ করানোও দায়িত্ব ছিল কিন্তু সেখানে তিনি ব্যর্থ।

        সব বিভিন্ন ইস্যুসহ সরকার পতনের পূর্ববর্তী সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে ভিসির অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের নাম ডিবিতে দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট থাকাসহ স্বৈরাচারের দোসরদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করার ঘটনা উল্লেখ করে ‘ভিসির পদত্যাগ আমরা কেন চাইবো না’ ভিসির কাছে এই প্রশ্নের জবাব চান শিক্ষার্থীরা।

        এ ব্যাপারে আরেক শিক্ষার্থী মুজাহিদ বলেন, শিক্ষার্থীদের নাম ডিবিতে দেওয়া, আওয়ামী গোলামি করা, ২০টা কমিটির একটাও বাস্তবায়ন না করা, সাপ্লি একাডেমিক কাউন্সিলে পাশ হওয়ার পরও সিন্ডিকেট মিটিংয়ে পাশ না করানো ইত্যাদি কারণে ভিসি ব্যর্থ। জবাবদিহিতায় নিজ পক্ষের শিক্ষার্থী এনে আমাদের হেনস্তা করে পার পেয়েছেন, উনি বলছেন উনি আর স্টুডেন্টদের সঙ্গে বসবেন না, উনি গেইট থেকে শফি ভাইর নাম সরাতে ব্যর্থ। ১৮ জুলাই যেখানে ছাত্ররা ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করেছিলো সেখানে ৪ আগস্ট কীভাবে উনি ছাত্রলীগের সভাপতিকে ছাত্র-প্রতিনিধি হিসেবে মিটিংয়ে ডাকেন, এত কিছুর পরেও উনার পদত্যাগ আমরা কেন চাইবো না। এর উত্তর ভিসি স্যার নিজে দেবেন।

        সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষার কমিটির শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মাহিন সাফা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে একটি সাপ্লিমেন্ট পরীক্ষা কমিটি করা হয়। কমিটির দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলে একটি খসড়া প্রস্তাবনা একাডেমিক কাউন্সিলে উঠানো হয় এবং সেখানে পাশও হয়ে যায়। পরবর্তীতে তা সিন্ডিকেট মিটিংয়ে ওঠানোর কথা যেটা বাস্তবায়ন হয়নি। এবং অলরেডি সকল ব্যাচের রেজাল্ট দেওয়া শেষ হয়ে গেছে, অন্যদিকে সাপ্লির যে দাবি ছিল তার কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগের অভিজ্ঞতা থেকে এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়। তাই আজকের অবস্থান কর্মসূচিতে এবং যতক্ষণ না আমাদের দাবি আদায় না হয় ততক্ষণ আমরা শ্রেণি-কার্যক্রমে ফিরবো না।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আট বছর পর রাইমা সেনের সঙ্গে বড় পর্দায় অপূর্ব

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১ অক্টোবর, ২০২৪ ২০:৪৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আট বছর পর রাইমা সেনের সঙ্গে বড় পর্দায় অপূর্ব

          বিনোদন ডেস্ক: কলকাতার সিনেমার নায়ক হয়েছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। প্রায় ৮ বছরে বিরতি টেনে সিনেমায় ফিরেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

          খবরটা আগেই জানা গিয়েছিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় অভিনয় করছেন ঢাকার জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকের অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। অবশ্য ইউটিউব আর ওটিটির কল্যালে ওপাড়েও সমান জনপ্রিয় এই তারকা। সেই সুত্রেই তার কলকাতায় নতুন সিনেমায় অভিনয়।

          তবে এবারই বড় পর্দায় অভিনয়, এর আগেও দেশে বড়পর্দায় অভিনয় করেছেন তিনি। সেটাও প্রায় আট বছর আগের কথা। বলা যায় প্রায় ৮ বছরে বিরতি টেনে সিনেমায় ফিরেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় এ অভিনেতা। ছবিটির নাম চালচিত্র।  অপূর্বর সঙ্গে এই সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন রাইমা সেন।

          ভারতীয় গণমাধ্যম সুত্রে সিনেমাটির গল্প প্রসঙ্গে জানা যায়, পূজার আগে কলকাতা শহরে একের পর এক মেয়ের খুনের ঘটনা ঘটতে থাকে। আর সেই খুনের তদন্তে নামে পুলিশবাহিনী। ‘চালচিত্র’ নামের এই সিনেমায় প্রতিম ডি গুপ্ত যেন বাংলার কপ ইউনিভার্স তৈরি করতে চেয়েছেন।

          যেখানে পুলিশের চরিত্রগুলোতে তিনি ঢালিউড, টলিউডের পাশাপাশি বলিউডকেও মিলিয়ে দিয়েছেন! এই সিনেমাটির মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কলকাতার সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে অপূর্বর। এতে দেখা যাবে এক রহস্যময় চরিত্রে। এছাড়াও চারজন পুলিশের চরিত্রে দেখা যাবে টোটা রায়চৌধুরী, অনির্বাণ চক্রবর্তী, শান্তনু মাহেশ্বরী এবং ইন্দ্রজিৎ বসুকে। অপূর্ব ভক্তদের জন্য এবার সুখবর, আগামী ২০ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে আসছে সিনেমাটি। এখানেই কিন্তু শেষ নয়।

          একই তারিখে সম্ভবত মুক্তি পেতে পারে উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থার ‘আমার বস’ ও দেবের ‘খাদান’। তাই অপূর্বের প্রতিযোগিতায় সঙ্গী হচ্ছেন দেব। প্রতিম ডি গুপ্ত এই ‘চালচিত্র’ এর পরিচালক। এর আগে ‘‌সাহেব বিবি গোলাম’, ‘‌মাছের ঝোল’, ‘‌আহারে মন’, ‘শান্তিলাল ও প্রজাপতি রহস্য’ ব্যবসা সফল সিনেমা পরিচালনা করেছে প্রতীম। তার পরিচালিত সর্বশেষ সিনেমা ‘‌লাভ আজ কাল পরশু’ মুক্তি পায় ২০২০ সালে। প্রতীমের প্রথম হিন্দি রোমান্টিক থ্রিলার-ফ্যান্টাসি সিরিজ ‘‌টুথপরি: হোয়েন লাভ বাইট’। সিরিজটি মুক্তি পায় নেটফ্লিক্সে।

          পরিচালক জানিয়েছেন, শহরে পরপর খুন হতে থাকে। আর খুনের পর মরদেহগুলোকে যেভাবে সাজিয়ে রাখা হয় সেটার সঙ্গে ১২ বছরের পুরোনো একটি কেসের মিল পায় টোটার চরিত্র। সত্যিই কি সেই কেসের সঙ্গে এই কেসের মিল রয়েছে, নাকি তদন্তে নতুন কিছু উঠে আসবে—সেটা নিয়েই এই সিনেমা। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন রাইমা সেন। রয়েছেন স্বস্তিকা দত্ত ও ব্রাত্য বসু। রাইমাকে দেখা যাবে টোটার স্ত্রীর চরিত্রে। স্বস্তিকা হবেন শান্তনুর প্রেমিকা।

           

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত